বিভাগ : প্রবন্ধ

ঈদুল ফিতর উদযাপন : তাৎপর্য ও শিক্ষা / মাওলানা আহমদ মায়মূন

দুনিয়ার সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাচীনকাল থেকে উৎসব দিবস পালনের রেওয়াজ চলে আসছে। লোকেরা উৎসবের দিন সাজগোজ করে বের হয় এবং আনন্দ-ফুর্তি করে। জীবনের কান্তি-অবসাদ দূর করে মন-মেজাজকে প্রফুল্ল করে তোলার জন্য আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা মানুষের জীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। ইরানের অগ্নিপূজকেরা বছরে দুটি উৎসব পালন করত। একটি নওরোজ (২১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ এর মধ্যবর্তী

সুখি দাম্পত্য জীবন গড়তে রাসূল সা. এর আদর্শ / ড. মুফতী আবদুল মুকীত আযহারী

বিবাহে সচ্ছলতা বিবাহ করা ও করানো মুসলমানের জন্য একটি কর্তব্য। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত (পুরুষ হোক বা নারী) তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দাও এবং তোমাদের মধ্যে দাসদাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ণ, তাদেরও (বিবাহ করিয়ে দাও)। যদি তারা অভাবী হয় আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে ধনী বানিয়ে দেবেন।  অন্য এক হাদীসে আল্লাহর রাসূল বলেন, যে

আল-কুরআনে সাহাবীদের যত জিজ্ঞাসা : হালাল বস্তুনিচয়-সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা / মাওলানা মুজিবুর রহমান

[জুন সংখ্যার পর] পালক পুত্র বধু নিজ পুত্রবধূ হারাম। এ ব্যাপারে কারো কোন দ্বিমত নাই। তদ্রƒপ পালকপুত্রবধূ হালাল এ ব্যাপারে কোন দ্বিমত নাই। কারণ, আল্লাহ তাআলা পালকপুত্রকে নিজ পুত্রের মতো মর্যাদা প্রদান করেননি। এরশাদ হচ্ছে, আল্লাহ তোমাদের মুখে-ডাকা পুত্রকে ঔরসজাত পুত্র বানিয়ে দেননি। [সূরা আহযাব : আয়াত ৪] বিভিন্ন সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আছে যে,

আপ কী আমানত আপ কী সিওয়া মেঁ / মাওলানা কলিম সিদ্দিকি : এই নিন আপনার আমানত / অনুবাদ : আবদুস সাত্তার আইনী

কিছু কথা একটি ছোটো শিশু খালি পায়ে হেঁটে আসছে। সে আগুনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তার কচি দুটি পা আগুনে পড়তে যাচ্ছে। আপনি সব দেখছেন। এখন আপনি কী করবেন? আপনি তৎণাৎ ছুটে গিয়ে শিশুটিকে কোলে তুলে নেবেন এবং তাকে আগুন থেকে বাঁচাতে পেরে বিপুল আনন্দ অনুভব করবেন। তেমনি কোনো মানুষ যদি আগুনে ঝলসে যায় বা আগুনে

বিয়েতে অবহেলিত কিছু আমল / মুফতী পিয়ার মাহমুদ

বিয়ের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান ও চিকিৎসা যেভাবে মানব জীবনের অপরিহার্য প্রয়োজন, শিা-দীার প্রয়োজনীয়তা যেভাবে যুক্তিতর্কের ঊর্ধ্বে, একজন যৌবনদীপ্ত মানুষের সুস্থ জীবন যাপনের জন্য বিয়ের অপরিহার্যতা তেমনই। তাই ইসলামে এর গুরুত্ব অপরিসীম। ফযীলত ও মর্যাদা তুলনাহীন। কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে, “তোমাদের মধ্যে যে পুরুষের স্ত্রী নেই আর যে নারীর স্বামী নেই তাদের এবং তোমাদের দাস-দাসীর

সর্বশ্রেষ্ঠ কিতাব কুরআন মাজীদ / এইচ. এম. মুশফিকুর রহমান

যাবতীয় কল্যাণ, সর্বপ্রকার জ্ঞান-গরিমা, প্রজ্ঞা ও রহস্যের আধার হল আলকুরআন। একে অনুসরণ করেই দুনিয়া ও আখিরাতে পাওয়া যায় সুখের সন্ধান, মেলে সঠিক পথের দিশা। আলকুরআন মহান আল্লাহর বাণীর অপূর্ব সমাহার বিস্ময়কর এক গ্রন্থের নাম। আলকুরআন আল্লাহর প থেকে অবতীর্ণ সংরতি এক সংবিধান। আল্লাহ তাআলা জিবরাঈল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানব জাতির হিদায়াত হিসেবে

সম্পাদকীয় : স্বাগতম জান্নাতের প্রস্তুতি মাস রমযান

পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষে মাসিক আল-জান্নাতের অগণিত পাঠক-পাঠিকা, মু‘মিন মুসলমান ভাইবোনদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মাহে রমজানের সাথে আল- জান্নাতের একটি সম্বন্ধ আছে। এই সম্বন্ধ তার নামের কারণে। হয়তবা প্রতিমাসে তাতে যে লেখাগুলো ছাপা হয়, তারও কারণে। কেননা, আল-জান্নাত পাঠকদের সামনে জান্নাতে যাওয়ার সুন্দর পথ রচনার সাধনায় নিয়োজিত। এখানে যত লেখা ছাপা হয়

পবিত্র রোযার বিধান : শিক্ষা ও উদ্দেশ্য / মাওলানা আহমদ মায়মূন

রমজানের রোযার বিধান দিতে গিয়ে আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেন, তোমাদের জন্য রোযা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছে তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য; যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। [সূরা বাকারা: ১৮৩] রোযাকে আরবীতে সওম বলা হয়। ‘সওম’ মানে বিরত থাকা, বেঁচে থাকা। রোযার মধ্যে পানাহারসহ কিছু একান্ত কর্মকা- থেকে বিরত থাকতে হয়, এজন্য রোযাকে ‘সওম’

অফুরান রহমত ও বরকতের বেহেশতি সওগাত তারাবীহ্ নামায / ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

মাহে রমযানের একটি বিশেষ আকর্ষণ নামাযে তারাবীহ্। বলা যায়, এটি এ মাসের আধ্যাত্মিক অলংকার ও সৌন্দর্য। রমযানের চাঁদ দেখা যাওয়ার পরই শুরু হয় এ নামায। মুসল্লীদের ঢল নামে মসজিদে মসজিদে। যারা অবহেলায় এতদিন ঠিকমত নামায আদায় করেনি, তারাও সারীবদ্ধ হয় নামাযের কাতারে। এশার নামাযেই উপচে পড়ে মসজিদ। এশার পর শুরু হয় তারাবীহ্। দু’রাকাত করে দীর্ঘ

বিবাহের ক্ষেত্রে রাসূল সা.-এর উত্তম আদর্শ / ড. মুফতী আবদুল মুকীত আযহারী

বিবাহ নবীগণের সুন্নাত শিশু অধিকারের সপ্তম অধিকার হলো : শিশু বড় হলে তাকে বিয়ে দেয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত (পুরুষ হোক না নারী) তাদেরকে বিবাহ করিয়ে দাও এবং তোমারেদ মধ্যে দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ণ, তাদেরও (বিবাহ করিয়ে দাও)। যদি তারা অভাবী হয় আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে ধনী বানিয়ে দেবেন।১

আল-কুরআনে সাহাবীদের যত জিজ্ঞাসা : হালাল বস্তুনিচয় সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা / মাওলানা মুজিবুর রহমান

সাহাবায়ে কেরামগণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসা ছিল হালাল বস্তুসামগ্রী সংক্রান্ত ব্যাপারে। এরশাদ হচ্ছে, ‘তারা আপনাকে জিজ্ঞাসা করে কী কী বস্তু তাদের জন্য হালাল।’ [সূরা মায়েদা : আয়াত ৪] উল্লিখিত জিজ্ঞাসার জবাব আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে খুব তাৎপর্যপূর্ণভাবেই প্রদান করেছেন। সুবিস্তৃত সেই জবাবে যাবার পূর্বে এমন জিজ্ঞাসার প্রেক্ষাপট যৌক্তিকতা সম্পর্কে যৎকিঞ্চিত আলোচনা আবশ্যক বলে মনে করছি। তাফসীর

মানব হত্যার ভয়াবহ পরিণাম / মুফতী পিয়ার মাহমুদ

তাবৎ দুনিয়া আজ বদ্ধভূমি। জল-স্থল সর্বত্রই শুধু লাশ আর লাশ। কখন কোথায় কে প্রাণ হারাবে তা আন্দাজ করার কোন উপায় নেই। বোমায় পোড়ে খাক হবে, নাকি বুলেটের আঘাতে ঝাঝরা হবে, না অন্য কোন অভিনব কায়দায় বেঘোরে প্রাণ দিবে জানা নেই। কোলের শিশু থেকে অশীতিপর বৃদ্ধও নিরাপদ নয় আপন ঘরেও। আজব এই পৃথিবীতে আশরাফুল মাখলুকাত মানব

পিতামাতাকে সন্তুষ্ট রাখার কয়েকটি নীতিমালা আবদুল মালেক মুজাহিদ

আমি (লেখক) আমার বাস্তব জীবনে দেখেছি যে, পিতামাতা দুনিয়াদারই এমনকি এর চেয়েও সামনে এগিয়ে গিয়ে তাঁরা কোন চারিত্রিক দুর্বলতার মধ্যে জড়িয়ে পড়–ন না কেন, তখনও তাঁরা নিজেদের সন্তানদেরকে অত্যন্ত উঁচু মানের চরিত্রবানরূপে দেখতে চান। তাঁদের আকাঙ্খা হয় যে, তাঁদের সন্তানগণ কুরআন কারীম পাঠ করুন, নামায রোযার পাবন্দ হোক। পিতামাতা নিজেরা যতই মন্দ কাজে লিপ্ত থাকুন

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার / মাওলানা আহমদ মায়মূন

সমাজে নানা শ্রেণী ও পেশার মানুষের মধ্যে অনেকে নিজ নিজ পরিম-লে তাদের প্রকৃত প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। একথা সমাজের সচেতন মহল সকলেই জানেন। তাদের মধ্যে একটি শ্রেণীর নাম শ্রমিক শ্রেণী। তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যুগে যুগে বহু আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। এমনি এক আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো শহরে সর্বোচ্চ আট ঘণ্টা কাজের দাবিতে

মানবতার কবি শেখ সা‘দী / ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

দামেশকের জামে মসজিদে হযরত ইয়াহয়া আলাইহিস সালামের কবরের শিয়রে এতকাফে ছিলাম (শেখ সা‘দীর কথা)। ঘটনাচক্রে আরবের তামীম পেগাত্রের এক বাদশাহ, যিনি জুলুম ও স্বৈরাচারের জন্য খ্যাত ছিলেন, সেখানে যেয়ারত করতে আসেন। তিনি সেখানে নামায আদায় করলেন। তারপর দোয়া করলেন আর নিজের অভাব অভিযোগের কথা জানিয়ে মোনাজাত করলেন। (সত্যিই) ফকির ও ধনী এ দরবারের ভিখারি সবাই

তাঁর কোন দান অস্বীকার করবে তুমি? (সূরা আররাহমানের কাব্যানুবাদ) / হাফেজ মাওলানা আবূ সালেহ

সূরা আররাহমানের মাহাত্ম্য, বৈশিষ্ট্য, আলোচ্য বিষয় ও সাহিত্যমান হযরত হাকেম জাবের রা. থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, একদা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সামনে গোটা সূরা আর-রাহমান তেলাওয়াত করলেন। (আর এই সূরায় ৩১ বার ফাবি আইয়ি আলায়ি…আয়াতটি পুনরাবৃত্ত হয়েছে।) এসময় আমরা কেউ কিছুই বলিনি, বরং একদম চুপ থেকেছি। সূরাটির তেলাওয়াত শেষ করার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু

শিশু প্রতিপালনে রাসূল সা. উত্তম আদর্শ ও আমরা / ড. মুফতী আবদুল মুকীত আযহারী

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আপনার প্রতিপালক আপনাকে কি এতিম পাননি তারপর আশ্রয় প্রদান করেননি? আপনাকে পথহারা পেয়েছেন অতঃপর তিনি পথ প্রদর্শন করেছেন। আপনাকে অভাবী পেয়েছেন অতঃপর তিনি অভাবমুক্ত করেছেন। অতএব আপনি এতিমের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করবেন না। আর সাহায্যপ্রার্থীকে আপনি হাঁকিয়ে দিবেন না।  আল্লাহ তাআলা বলেন, আপনি কি তাকে দেখেছেন যে ধর্মকর্মকে প্রত্যাখান করে? সে তো

কালালা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা / মাওলানা মুজিবুর রহমান

সাহাবায়ে কেরামগণের অপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জিজ্ঞাসা ছিল কালালা বা নিঃসন্তান ব্যক্তির পরিত্যাক্ত সম্পদ বণ্টন এবং তার ওয়ারিস-সংক্রান্ত ব্যপারে। এরশাদ হচ্ছে, ‘লোকেরা তোমার নিকট ফতোয়া চায়, বল, আল্লাহ তোমাদেরকে কালালা সম্পর্কে ফতোয়া দিচ্ছেন। [সূরা নিসা : আয়াত ১৭৬] জিজ্ঞাসাকারী সাহাবী ছিলেন হযরত জাবির বিন আবদুল্লাহ রা.। যেমন শুবা, মুহাম্মদ ইবনে মুনকাদির, জাবির বিন আবদুল্লাহর সূত্রে বর্ণনা

বৃদ্ধাশ্রম নয়, মা-বাবার শেষ আশ্রয় হোক আপন নীড়ে / মুফতী পিয়ার মাহমুদ

বর্তমান সময়ের নির্মম বাস্তবতা হচ্ছে বৃদ্ধাশ্রম। এই বৃদ্ধাশ্রম মানব ও মানবতার প্রতি চরম উপহাস। বলা হয় ‘বৃদ্ধাশ্রম মানবতার কলঙ্কিত কারাগার।’ পৃথিবীর দেশে দেশে গড়ে উঠেছে বৃদ্ধাশ্রম নামের এই কারাগার। বিশেষ করে আধুনিক দুনিয়ার প্রায় সকল ‘সভ্য’ দেশেই এই আধুনিক কারাগরের অস্তিত্ব বিদ্যমান। বৃদ্ধাশ্রমের আইডিয়া এসেছে মূলত পাশ্চত্যের সমাজব্যবস্থা থেকে। পাশ্চত্যের ‘একলা চলো’ জীবনব্যবস্থায় বৃদ্ধ বাবা-মাকে

শোকর ও কৃতজ্ঞতা : ইসলামে যেভাবে কাঙ্ক্ষিত / মাওলানা শিব্বীর আহমদ

খোলাফায়ে রাশেদিনের বাইরে দু-চারজন সাহাবীর নামও যাদের জানা আছে, কিংবা মাঝেমধ্যে হলেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় সাহাবীগণের  নাম যারা পড়েন বা শোনেন, তাদের কারও কাছেই ‘হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল রা.’ নামটি অজানা থাকার কথা নয়। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন তাঁর এই প্রিয় সাহাবীটির হাত ধরে বললেন, ‘মুয়াজ! আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মি‘রাজ

পবিত্র সেই সত্তা যিনি এক রাতে স্বীয় বান্দাকে (মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মসজিদে হারাম (মক্কায়ে মুয়াজ্জমা) হতে মসজিদে আকসা (বায়তুল মুকাদ্দাস) পর্যন্ত নিয়ে গেলেন, যার চতুর্পার্শ্বকে তিনি বরকতময় করেছেন, যেন নিজের আশ্চর্য নিদর্শনসমূহ অবলোকন করাতে পারেন। নিশ্চয়ই তিনি সব কিছু দেখেন ও জানেন। [সূরা বনি ইসরাঈল : আয়াত ১] মেরাজের ঘটনা : হযরত আবু যর


Hit Counter provided by Skylight