বিভাগ : প্রবন্ধ

চুল-দাঁড়িতে খেযাবের বিধান : মুফতি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ

প্রসঙ্গ : যুগ-যমানা, চাল-চলন, আহার-বিহার ও স্থান-পাত্রের পরিবর্তন-বিবর্তনে চারিদিকে পরিবেশে সবকিছুতেই কেমন যেন পরিবর্তন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। গত দু’দশক পূর্বেও সার্বিক অবস্থা-পরিস্থিতি যেমনটি দেখা যায়নি, বর্তমানে তা-ই যেন অধিকহারে ঘটছে। উদাহরণত ফল-ফসল, খাদ্যÑখাবারে ফরমালিন ইত্যাদি ব্যবহার এবং তার একটা কু-প্রভাব মানবদেহে , শরীর-স্বাস্থ্যে বিস্তৃতি। একইভাবে অল্প বয়সে চুল পড়তে শুরু করা বা সাদা হয়ে যাওয়ার

হযরত নূহ আ. এর কাহিনী পর্ব (৩) সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

আল্লাহ তাআলা বলেন, এভাবে যখন আমার আদেশ আসল এবং উনুন উথলে উঠল; তখন আমি বললাম, এতে তুমি প্রত্যেক জীবের এক এক জোড়া এবং যাদের বিরুদ্ধে পূর্বে সিদ্ধান্ত হয়েছে তারা ব্যতীত তোমার পরিবার-পরিজনকে এবং যারা ঈমান এনেছে তাদেরকে আরোহণ করাও। আর অল্প সংখ্যক ব্যতীত কেউ ঈমান আনেনি। এখানে আদেশ দেওয়া হয়েছে যে, তাদের প্রতি আযাব আপতিত

ইসলামি অর্থনীতিতে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের ভূমিকা কী? উমর মুহাম্মদ মাসরুর

ভূমিকা “তাদের সম্পদ থেকে ‘সাদকা’ গ্রহণ করুন; তা দ্বারা তাদের পবিত্র করুন এবং পরিশোধিত করুন।” “যারা তাদের ধন-সম্পদ রাতে ও দিবসে, গোপনে ও প্রকাশে ব্যয় করে তাদের প্রতিদান তাদের প্রতিপালকের কাছে রয়েছে। তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিতও হবে না। যারা সুদ খায় তারা সেই ব্যক্তিরই মতো দাঁড়াবে যাকে শয়তান স্পর্শ দ্বারা পাগল করে।

খেলাধুলা : ইসলামী দৃষ্টিকোণ : মুফতী পিয়ার মাহমুদ

বিশ্ব এখন বিশ্বকাপ জ্বরে প্রবলভাবে আক্রান্ত। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়; বরং একটু বেশিই আক্রান্ত মনে হয়। ভিনদেশী পতাকা আর জার্সি বিক্রির ধুম পুরো দেশে। প্রায় প্রতিটি বাড়ির ছাদে, গাছের ডালে, খেত-খামারে, পুকুরে, খালে-বিলে সর্বত্রই শুধু ভিনদেশী পতাকা আর পতাকা। কে কার চেয়ে বড় পতাকা বানাতে পারে এ নিয়েও চলছে প্রতিযোগিতা। এ পর্যন্ত (১৭ জুন ২০১৮)

মহানবী সা. এর সুমহান চরিত্র ও দৈহিক সৌন্দর্য : ড. মুহাম্মদ আরিফুর রহমান

মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হচ্ছেন উন্নত চরিত্র ও সকল সৌন্দর্যের আধার। তাঁর মধ্যে সকল সৎগুণের সমাবেশ ঘটেছিল। অনুপম আদর্শ ও উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কারণে তিনি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহা মর্যাদাবান ব্যক্তিত্ব। তাঁর সুমহান চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, নেতৃত্বের অসাধারণ গুণাবলী এবং সৌন্দর্য ও সুকীর্তির সমন্বয়ে তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ও মহোত্তম ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। তাঁর মহান

প্রিয় তালিবুল ইলমদের বলছি : উবায়দুল হক খান

ইলমে দীন হলো শাহী ইলম। যারা ইলমে দীন অর্জন করবে তারা শাহী চিন্তার অধিকারী হবে। পুরো জাতিকে নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করবে। কুরআন পুরো জাতির জন্য নাযিল হয়েছে। সুতরাং যারা কুরআনের ধারক-বাহক হবে তারা পুরো জাতিকে নিয়ে চিন্তা করবে। কুরআনের শিা জাতীয় শিা। আবার কুরআন আল্লাহর প হতে নাযীলকৃত ওহী। কুরআনের জ্ঞান যেমন ওহী তেমনি হাদিসের শিাও

বিয়ে-শাদি সেকাল-একাল আতিকুর রহমান নগরী

সেকাল মানে বিশ্বমানবতার মুক্তির সনদ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে বিয়ে-শাদি কীভাবে হতো। আর যুগের সাথে তাল মেলাতে গিয়ে কিংবা ডিজিটালের ওসিলায় এখনকার যুগে কীভাবে হচ্ছে। ব্যমান প্রবন্ধে সোনালী যুগ আর তথাকথিত আজকের ডিজিটাল যুগের বিয়ে-শাদির ফারাক নিয়ে কিঞ্চিৎ আলোচনা করবো। ইসলামে নারী ও পুরুষের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য বিয়েই একমাত্র বৈধ উপায়, একমাত্র

জুমআতুল বিদা ও আখেরী দশক : আল্লামা তাকী উসমানী

আল্লাহ তাআলার মহাঅনুগ্রহ, তিনি রমযানুল মোবারকের পবিত্র সময় দান করেছেন। আজকের জুমআ রমযানের শেষ জুমআ হতে পারে। আগামী জুমআতে ঈদুল ফিতর হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। অবশ্য ঊনত্রিশ তারিখে চাঁদ না উঠলে আগমী জুমআও রমযানের অন্তর্ভুক্ত হবে। মানুষ এটাকে সাধারণত জুমআতুল বিদা বলে থাকে, আখেরী জুমআও বলে। এর কিছু বিশেষ বিধি-বিধানও লোকদের মাঝে প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। তবে

হযরত নূহ আ. এর কাহিনী পর্ব (২) সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

সূরা নাহলে আল্লাহ তাআলা বলেন, “আল্লাহর ইবাদত করার ও তাগূতকে বর্জন করার নির্দেশ দেয়ার জন্য আমি তো প্রত্যেক জাতির মধ্যেই রাসূল পাঠিয়েছি।” [সূরা নং ১৬ : আয়াত নং ৩৬] অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, “তোমার পূর্বে আমি যেসব রাসূল প্রেরণ করেছিলাম, তাদেরকে তুমি জিজ্ঞেস কর, আমি কি দয়াময় আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য সাব্যস্ত করেছিলাম, যাদের

সুন্নতে নববীর আলোয় আলোকিত হোক আমাদের ঈদ : মুফতী পিয়ার মাহমুদ

ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর সার্বজনীন এক ধর্মীয় উৎসব এবং ইবাদত। মূলত পৃথিবীর প্রত্যেক জাতিরই কিছু জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসবের দিন রয়েছে। যাতে তারা সে দিনগুলোতে স্ব স্ব রীতি অনুযায়ী আনন্দ-ফুর্তি করে। ভাল ভাল খাবার পাক করে এবং উন্নত মানের লেবাস-পোশাক পরিধান করে। এটি মানুষের ফিতরতী চাহিদা। এর বাইরে কোন কওম বা জাতিকে

ইসলামে এতিম, নিঃস্ব ও বিধবাদের অধিকার : উমর মুহাম্মদ মাসরুর

ইসলামি শরীয়ার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য এই যে তা এতিম, নিঃস্ব, মিসকিন ও বিধবাদের অধিকারসমূহ সুরক্ষিত করেছে এবং বস্তুগত ও আদর্শিক সুরক্ষাদানের মধ্য দিয়ে মুসলিম সমাজে তাদের নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করেছে। আল্লাহ তাআলা এতিমদের প্রতি ¯েœহ ও মমতা প্রদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন : “সুতরাং তুমি এতিমের প্রতি কঠোর হয়ো না।” একইভাবে মিসকিন ও অভাবগ্রস্তদেরকে

আজকের যৌবনেও নেমে আসবে বার্ধক্যের ছায়া : জামিল আহমদ

ভালো লাগে আব্বু যখন বাহির থেকে ফেরেন, নতুন নতুন জিনিস দিয়ে খুব আদর করেন। ভালো লাগে আম্মু যখন খোকা বলে ডাকেন, ¯েœহের পরশ দিয়ে আমায় বুকে আগলে রাখেন। সত্যিই শৈশব খুব মজার। অনেক আনন্দ হয় শিশুকালে। একমাত্র এখানেই নির্মল আনন্দের সমাহার, যাকে কোন দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করে না বা করতে পারে না। সকল প্রকার বিপদাপদে ঢাল

কেন আসে রমযান মাস? আল্লামা তাকী উসমানী

ইসলামের বাইরে দৃষ্টি দিলে দেখবেন, পৃথিবীর সকল মতবাদ আগাগোড়া মানুষের মস্তিষ্ককে সম্বোধন করে। আর ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা সম্বোধন করে শুধু তার হৃদয়কে। হৃদয় ও মস্তিষ্ক প্রত্যেকটির আছে আলাদা রাজত্ব। প্রত্যেকেই তার রাজত্বের একক অধিপতি। আর এই দুই রাজা (মস্তিষ্ক ও হৃদয়) শুধু এক নয়, তারা এক রাজ্যে অবস্থান করতে পারে না; বরং অনেক সময় পরস্পর

রমজানের রোজা : ফজীলত ও বিধান, মাওলানা আহমদ মায়মূন

আল্লাহ তা‘আলা মুসলিম জাতির জন্য রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। এ জন্য মুসলিম সমাজের ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠী পূর্ণ রমজান মাস ব্যাপী আল্লাহ তা‘আলার হুকুম পালনার্থে রোজা রেখে থাকে। রোজা এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার দ্বারা মানুষের দৈহিক, আত্মিক ও আধ্যাত্মিক উপকার ও উন্নতি সাধিত হয়। এ জন্য পূর্ববর্তী ধর্মালম্বী অন্যান্য জানি-সম্প্রদায়ের জন্যও আল্লাহ তা‘আলা রোজার বিধান দান

আপন ভুবনে আল্লাহ্কে পাওয়ার সাধনা এ’তেকাফ : ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

এ’তেকাফ আরবী শব্দ, পবিত্র কুরআনের পরিভাষা। আভিধানিক অর্থ, কোন স্থানে অবস্থান করা। শরীয়তের পরিভাষায় এর অর্থ, রোযা ও এ’তেকাফের নিয়তসহ মসজিদে অবস্থান করা। মহিলারা মসজিদের পরিবর্তে ঘরে একটি জায়গা ঘেরাও দিয়ে আলাদা করে এ’তেকাফ করবেন। মাহে রমযান মানব জাতির জন্য আল্লাহ্র অগণিত অফুরন্ত রহমত ও নেয়ামত বয়ে এনেছে। তন্মধ্যে এ’তেকাফ অন্যতম। সাধারণত আমরা নেয়ামত বলতে

হযরত নূহ আ. এর কাহিনী পর্ব (১) : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

তিনি হলেন নূহ ইবন লামাক ইবন মুতাওশশালিখ ইবন খানুখ। আর খানুখ হলেন ইদরীস ইবন য়ারদ ইবন মাহলাইল ইবন কীনন ইবন আনূশ ইবন শীছ ইবন আবুল বাশার আদম আ.। ইবন জারীর প্রমুখের বর্ণনা মতে, আদম আ. এর ওফাতের একশ ছাব্বিশ বছর পর তাঁর জন্ম। আহলি কিতাবদের প্রাচীন ইতিহাস মতে নূহ আ. এর জন্ম ও আদম আ.

মানব জীবনে রোযার গুরুত্ব ও উপকারীতা : মুফতী পিয়ার মাহমুদ

রমযানের রোযা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম। রোযা শব্দটি ফারসী। যার আরবী হলো, সওম। সওমের আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা। শরীআতের পরিভাষায় সওম বলা হয়, প্রত্যেক সজ্ঞান, প্রাপ্ত বয়ষ্ক মুসলিম নর-নারীর সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে স্ত্রী সহবাস, পানাহার ও রোযা ভঙ্গকারী যাবতীয় কাজ-কর্ম থেকে বিরত থাকা। [বিনায়া :৪/৩; বাদায়েউস সানায়ে :২/৭৫] রমযানের চাঁদ দেখা

সমাজ সংস্কারে ইমামগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য : মাওলানা জামালুদ্দীন

বড়দের কথা দিয়েই শুরু করি। সম্ভবত আবু তাহের মিসবাহ সাহেব দা.বা. এর একটি লেখায় পড়েছিলাম। হুবহু মনে নেই। তবে তার সারাংশ এমন, তিনি লিখেছেন, “আমরা বলি আমাদের মিডিয়া নেই, আমাদের প্রচার মাধ্যম নেই, আমাদের গণমাধ্যম নেই। সারা বিশ্বের মানুষ আজ মিডিয়ামুখী। তাই আমরাও যদি মিডিয়া তৈরী করে তার মাধ্যমে দ্বীন প্রচার করি; তাহলে তা হবে

সাংবাদিকতা : ইসলামি দৃষ্টিকোণ : আতিকুর রহমান নগরী

সংবাদপত্রকে একটি জাতির দর্পণ বলা হয়। দর্পণ অর্থ আয়না। আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে। সংবাদপত্রের মাধ্যমে দেশ জাতি ও সামজের চিত্র তুলা ধরা হয় বলে তাকে দর্পণ নাম দেয়া হয়েছে। এছাড়া মুদ্রণজগৎ, প্রচারমাধ্যম, সম্প্রচারকেন্দ্র, ইন্টারনেট কিংবা গণমাধ্যমের উপস্থাপিত বর্তমান ঘটনা প্রবাহের একগুচ্ছ নির্বাচিত তথ্যের সমষ্টি, যা যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাকে সংবাদ বলে।

জীবন হোক আল্লাহতে সমর্পিত : ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

এক দরবেশ আশ্রয় নিয়েছিলেন গহীন বনে। লোকালয় ছেড়ে নির্জন সাধনায় তার একমাত্র সাথী ছিল নিদ্রা। তার সব প্রয়োজন-চাহিদা মিটে যেত আল্লাহর পক্ষ হতে। তাই মানুষের সংশ্রবে তিনি অস্বস্তিবোধ করতেন। লোকালয়ের স্বাভাবিক জীবন ছেড়ে নির্জন সাধনা কীভাবে কারো ভাল লাগে, এ প্রশ্ন কারো মনে জাগতে পারে। মওলানা রূমী র. জবাবে বলেন, যাকে যে কাজের জন্য সৃষ্টি

হযরত খালেদ ইবনে ওলীদ রা. এর ইসলাম গ্রহণ, সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

হযরত খালেদ ইবনে ওলীদ রা. বলেন, আল্লাহ তাআলা যখন আমার মঙ্গলের ইচ্ছা করলেন তখন আমার অন্তরে ইসলামের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করলেন এবং আমার সামনে হেদায়েতের পথ উন্মুক্ত করে দিলেন। আমি মনে মনে ভাবতে লাগলাম যে, আমি হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরুদ্ধে সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, কিন্তু যুদ্ধ হতে ফেরার পর প্রত্যেক বারই মনে হয়েছে


Hit Counter provided by Skylight