বিভাগ : হাদিস

রাসূল সা.-এর সুন্নাতের ফযীলত : আব্দুল্লাহ মো. যায়েদ

মানব জীবনের ইহকালীন ও পরকালীন সাফল্য রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ ও অনুসরণের মধ্যে নিহিত রয়েছে। তাই আমরা যাদি সকলেই সকল কাজে রাসূলুল্লাহ সা. এর অনুকরণ অনুসরণ করি, তাহলে আমাদের ইহকাল ও পরকালে সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ পাক পবিত্র কুরআন শরীফে এরশাদ করেন- হে নবী! আপনি বলুন, “তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ কর। যাতে

সাহরি খাওয়ার ফযীলত ও কতিপয় জরুরি মাসআলা : মাওলানা আলী উসমান

আল্লাহ তা’আলার বিধি-বিধান বড় আশ্চর্যময়। তাঁর কাছে সবকিছুর ভাণ্ডার রয়েছে। তিনি  প্রত্যেকটি বস্তুর ওপর ক্ষমতাবান। তিনি নিজের সম্পর্কে ঘোষণা করেছেন-“আমি রিযিক চাইনা; রিযিক দান করি।” [সূরা তাহা : ১৩২] প্রসিদ্ধ আছে, আল্লাহ তাআলার রহমত, উসিলা তালাশ করে। এখন সাহরি খাওয়ার কথাই ধরুন। সাহরি বান্দার স্বীয় চাহিদা এবং উদ্দেশ্যের জন্যই হয়। যেহেতু রোযা একমাত্র আল্লাহ তাআলার

মাহে রমযানের ফযীলত : মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম

সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহ তাআলার যিনি রমযানকে শ্রেষ্ঠ মাস বানিয়েছেন এবং সে মাসে ভালো কাজের প্রতিদান বাড়িয়ে দিয়েছেন। প্রতি বছরের ন্যায় মাহে রমযানুল মোবারক এবারও আমাদের মাঝে উপস্থিত হয়েছে। মাহে রমযান উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি ও তাঁর প্রতিশ্র“ত বেহেশত লাভের সওগাত। মানব জাতির দিক নির্দেশনা হিসেবে পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করা হয় এই রমযানে।

স্বাগতম : হে আত্মশুদ্ধির পবিত্রতম মাহে রমযান : মাওলানা আলী উসমান

বছর ঘুরে প্রতি বছর শান্তির পয়গাম, পুণ্যের আহ্বান, জান্নাতের হাতছানি, বরকতের সওগাত, রহমতের আশ্বাস, মুক্তির প্রতিশ্র“তি, বদরের গৌরব, কদরের সম্মান ও সর্বময় কল্যাণ নিয়ে আগত মহীয়ান মাহে রমযান। মুমিনের প্রতীক্ষিত ও কাঙ্খিত মাস রমযানুল মোবারক। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আসছে রমযান মাস। মোবারক হো মাহে রমযান! রমযানের শান্ত কোমল বেহেশতি আবহে হৃদয়টা যেন

আপনি আপনার জন্যই দান করুন : আবদুল্লাহ মুকাররম

সে দিন এক বন্ধু ফেইসবুকে একটি করুন ছবি পোষ্ট করেছেন। সেখানে একটি খোলা ডাষ্টবিন। ময়লা ছড়িয়ে আছে চারপাশে। একটি কুকুর সেখান থেকে খাবার কুড়িয়ে খাচ্ছে। তার পেছনেই ছোট্র একটি পথশিশু উচ্ছিষ্ট খাবারের প্যাকেট নিয়ে চাটছে। মাঝ বয়সের আরেকটি মানুষ কুকুরটির সামনে দিয়ে তার ঘার ডিঙ্গে খাবারের আশায় ছেড়া একটি প্যাকেট হাতে নিচ্ছে। ডাষ্টবিনে একই সঙ্গে

“শবে বরাত” একটি মহিমান্বিত রজনী : মাওলানা আ.ব.ম. মাহবুবুর রহমান

আল্লাহ তাআলা হযরত মুহাম্মদ সা. এর উম্মতের বয়স বা গড়আয়ু পূর্ববর্তী নবীদের উম্মতের বয়সের তুলনায় অনেক কম দান করেছেন। উম্মতে মুহাম্মদির গড়আয়ু ষাট-সত্তর বছর। পূর্বেকার নবীদের গড়আয়ু ছিল শত-সহস্র বছর। তারা দীর্ঘ হায়াত লাভ করার কারনে তাদের জীবনে অনেক ইবাদত বন্দেগি করার সুযোগ পেত। অথচ উম্মতে মুহাম্মদির গড়আয়ু ষাট-সত্তর বছর। উম্মতে মুহাম্মদির যেন জীবনের এই

গীবতের ভয়াবহ পরিনাম এবং তার প্রতিকার : মো. সাফওয়ান আহমদ

আমাদের সমাজে আমরা অহরহ নিজেদের জানা ও অজানা অবস্থায় যেই গোনাহটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে করে থাকি তা হচ্ছে ‘গীবত’। এটি এমন একটি গোনাহ যা করার সময় আমাদের মনে হয়না যে আমরা গোনাহ করছি। কেননা আমরা জানিনা গীবত কি? গীবতের শাব্দিক অর্থ কি? গীবতের শাব্দিক অর্থ হল পরনিন্দা বা সমালোচনা, হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে- রাসূল সা.-কে

পবিত্র রমযানে কিয়ামুল্লাইলের গুরুত্ব : গোলাম মোস্তফা

আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আলো, বাতাস, পানি দিয়ে লালন-পালন করে যাচ্ছেন- সে কারণে তার বান্দা হিসেবে দৈনিক পাঁচবার হাজিরা দেয়ার জন্য ফরজ নামায আদায় করতে হবে। ইসলামে নামাযের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসূল সা. বলেছেন, কাফের এবং মুমিনের মধ্যেপার্থক্য হলো নামায। নামায আদায়ের বহু উপকারিতা ও ফযীলতরয়েছে। যেমন : ১. আর্থিক ২. শারীরিক ৩. সামাজিক ৪. পারলৌকিক।

হাদীসের আলো : এক মুসলমানের ওপর অন্য মুসলমানের ছয়টি হক

হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- মুসলমানের একের ওপর অন্যের ছয়টি হক রয়েছে। জিءাসা করা হলো, হে আল্লাহর রাসূল সা.! সেগুলো কী? রাসূলুল্লাহ সা. বললেন যখন তুমি কোন মুসলমানের দেখা পাবে, তখন সালাম দেবে। যখন কেহ তোমাকে দাওয়াত দেয়, তার দাওয়াত কবুল করবে। কেহ উপদেশ চাইলে তাকে উপদেশ দিবে। হাঁচি দিয়ে যখন

হাদীসের আলোকে অযুর ফযীলত : মাওলানা আলী উসমান

ইসলাম সর্বশ্রেষ্ঠ ও পাক পবিত্র ধর্ম। এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা যেমন মানুষের আধ্যাত্মিক পবিত্রতা দান করেন, তেমনি বাহ্যিক পবিত্রতাও দান করেন। আধ্যাত্মিক পবিত্রতা যেমন, হিংসা-বিদ্ধেষ, অহংকার, পরনিন্দা, গোনাহ, শিরক ইত্যাদি হতে পবিত্র করে, শুকর, অল্পতুষ্টি, পরোপকার ইত্যাদি গুণে গুনান্বিত করেন। বাহ্যিক পবিত্রতা যেমন কাপর, শরীরকে ছোট বড় হুকমি নাপাক থেকে পবিত্র করে। আল্লাহ তাআলা শরীয়তের

সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থার অপকারিতা ও তার বিকল্প : মুফতি তাকি উসমানী

পশ্চিমা বিশ্বের মুসলমানদের সমস্যাবলী আমার সম্মানিত ভাই ও বোনেরা ! আজকের এই সেমিনারের জন্য বিষয়বস্তুটি নির্বাচন করা হয়েছে, তা হলো ‘রিবা’ যাকে উর্দুতে এবং বাংলায় ‘সুদ’ আর ইংরেজিতে ‘ইউজারি’ বা ‘ইন্টারেষ্ট’ বলা হয়। আর খুব সম্ভব এই বিষয়বস্তুটিকে নির্বাচন করার উদ্দেশ্য হলো, এমনিতেই তো বর্তমানে সারা বিশ্বে সুদী অর্থব্যবস্থা চালু আছে। তদুপরি পশ্চিমা বিশ্বে- আপনারা

বান্দার আমলের ওজন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

এক বান্দার আমলের ওজন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, নিশ্চয়ই কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সমস্ত মাখলুকের সামনে পুরো উপস্থিতি থেকে আমার এক উম্মতকে আলাদা করবেন। তার সামনে নিরানব্বইটি দফতর খুলে দেয়া হবে। প্রত্যেকটি দফতর এমন হবে যার পরিধি দৃষ্টিসীমার বাইরে থাকবে (এ সবগুলো দফতরই গুনাহের হবে)। এরপর আল্লাহ পাক

নারী জীবনে ইসলামি শিক্ষার গুরুত্ব : মুর্শিদা বিনতে আ. কাদির

    প্রতেকটি মানুষেরই উচিত দ্বীনী ইলম অর্জন করা। কেননা মহান আল্লাহ তাআলা মুসলমানদের উপর ফরজ করে দিয়েছেন ইলম অর্জন করাকে। নিজেকে শুধুমাত্র মুসলমান দাবী করলেই চলবে না, পরিপূর্ণভাবে ইসলামেও প্রবেশ করতে হবে। অর্থাৎ আল্লাহ এবং রাসূল সা. এর দেয়া হুকুম-আহকামগুলো যথাযথ ভাবে মানতে হবে। আল্লাহ এবং রাসূল সা. এর হুকুম-আহকাম মানতে হলে, আগে তা জানতে

উত্তম চরিত্র জান্নাত প্রাপ্তির উপায় : মাওলানা আলী উসমান

মানুষ দু’টি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত। একটি দেহ, যা চোখে দেখা যায় এবং অপরটি আত্মা বা নফস, যা অন্তর্দৃষ্টি ও বিবেক দ্বারা জানা যায়। এদুয়ের প্রত্যেকটির একটি আকৃতি আছে – ভাল হোক বা মন্দ হোক। যে আত্মা বিবেকের দৃষ্টিতে ধরা পড়ে, তার মর্যাদা দেহের তুলনায় বেশি। এ কারণেই আল্লাহ তাআলাও একে নিজের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন, যাতে

হাদীসের আলোকে অসুস্থতার প্রতিদান এবং অসুস্থের সেবার ফযীলত : যোবায়ের বিন জাহিদ

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় সুন্নতসমূহের অন্যতম হলো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া এবং তার সেবা-শশ্রƒষা করা। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলেছেন। এমনকি এটাকে তিনি এক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের হক বলে ঘোষণা করেছেন। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের

মাতা পিতার প্রতি সন্তানের করণীয় : মাওলানা আলী উসমান

  ছেলে-মেয়েদের ওপর মাতা-পিতার অধিকার ও শ্রেষ্ঠত্বের কথা কেউ অস্বীকার করতে পারে না। এই পৃথিবীতে সন্তান তথা ছেলে-মেয়েদের অস্তিত্ব লাভের কারণই হচ্ছে মাতা-পিতা। সুতরাং সন্তানের ওপর তাদের অধিকার যে কত বড়, কত ব্যাপক তা বলার অপেক্ষা রাখে না। জন্ম লাভের পর সন্তানকে তারাই লালন-পালন করেন। সন্তানের শান্তির জন্য ক্লান্তি বহন করেন, তাদের নিদ্রার জন্য নিজেরা

সকল প্রাণীর বিচার হবে সাক্ষ্য প্রমাণের মাধ্যমে : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

জানোয়ারদের বিচার : কেয়ামতের দিন সবারই হিসাব হবে। প্রত্যেক মজলুমই সুবিচার পাবে। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, তোমরা অবশ্যই কেয়ামতের দিন হকদারদের হক আদায় করতে বাধ্য হবে। এমনকি শিংওয়ালা বকরী যদি শিংহীন বকরীকে গুঁতা দিয়ে থাকে তবে তার বদলাও দেয়া হবে। [মুসলিম শরীফ] আল্লাহ তাআলা বলেন- “সেদিন সুনিশ্চিত, সুতরাং যার

গুহাতে আশ্রয় গ্রহণকারী তিন ব্যক্তির গল্প : মুফতী আমিরুল ইসলাম

عبد الله بن عمر ‏ ‏رضي الله عنهما ‏ ‏قال ‏ :سمعت رسول الله ‏ ‏صلى الله عليه وسلم ‏ ‏يقول ‏ ‏انطلق ثلاثة رهط ممن كان قبلكم حتى أووا المبيت إلى غار فدخلوه فانحدرت صخرة من الجبل فسدت عليهم الغار فقالوا إنه لا ينجيكم من هذه الصخرة إلا أن تدعوا الله بصالح أعمالكم فقال

ঈমানদার গরীব ধনীর পাঁচশত বছর পূর্বে জান্নাতে যাবে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

এই ধরাতে আমরা সৃষ্টির সেরা। আমরা জান্নাতের সুসংবাদ পেয়ে, জাহান্নামের আযাবের কথা শুনে কেন যে ভয় পাই না? কিসে আমাদের বাধা দিয়ে রেখেছে! হে আল্লাহ! তোমার খাস বান্দা যারা, তারা সর্বক্ষণ তোমাকে পাওয়ার আশায় দিবানিশি অবিরাম লুটিয়ে পরেছেন জায়নামাজে। একমাত্র তোমাকে পাওয়ার আশায়, তোমার দরবারে কাটিয়েছেন নিদ্রাহীন রজনী। দিয়েছেন আমাদেরকে আলোর দিশা। কুরআন নিয়ে গবেষণা

উপকার করে খোঁটা দেয়া জঘন্যতম অপরাধ : মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

চুল পাকা রোধ কিভাবে কদান-সদকা করে কোনো মুসলমান ভাইয়ের উপকার করা একটি সাওয়াবের কাজ। মানুষকে দান-সদকা করে উপকার করার প্রতি গুরুত্বারোপ করে মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,‘তোমরা সালাত আদায় কর যাকাত দাও এবং আল্লাহ তাআলাকে উত্তম ঋণ দাও। [সুরা মুজাম্মিল : ৭৩/২০] অন্যত্র তিনি বলেন, ‘তোমরা যদি আল্লাহ তাআলাকে উত্তম ঋণ দান কর তাহলে আল্লাহ

আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না : মোঃ গোলাম মুস্তফা

দৈহিক কষ্ট ও আল্লাহর রহমত : যে ব্যক্তি মন্দ কাজে করবে, তাকে সেটার শাস্তি দেয়া হবে” যখন এ আয়াত শরিফ নাযিল হয়, তখন হযরত আবু বকর রা. জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ্! সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম! এ আয়াত নাযিলের পর খুশী হবার অবকাশ কোথায় রইল? হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বললেন, আবু বকর! তোমরা কি


Hit Counter provided by Skylight