বিভাগ : সম্পাদকীয়

মানবাত্মার বিজয় উৎসব ঈদ

আরবীতে ঈদ শব্দের আভিধানিক অর্থ-‘যা বার বার ফিরে আসে’। সময়ের যে মুহূর্তটা এখন আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে তার দেখা আর হবে না। জীবনের শৈশব, কৈশোর, যৌবন বা বার্ধক্যের যে অধ্যায়টিই অতিক্রান্ত হচ্ছে তার পুনরাগমন কোনকালেই হবে না। এভাবে বস্তুজগতের প্রতিটি জিনিসই একবার গেলে আর ফিরে আসে না। এ েেত্র ঈদের নিয়ম ব্যতিক্রম। প্রতি বছর

সম্পাদকীয় : স্বাগতম জান্নাতের প্রস্তুতি মাস রমযান

পবিত্র মাহে রমযান উপলক্ষে মাসিক আল-জান্নাতের অগণিত পাঠক-পাঠিকা, মু‘মিন মুসলমান ভাইবোনদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মাহে রমজানের সাথে আল- জান্নাতের একটি সম্বন্ধ আছে। এই সম্বন্ধ তার নামের কারণে। হয়তবা প্রতিমাসে তাতে যে লেখাগুলো ছাপা হয়, তারও কারণে। কেননা, আল-জান্নাত পাঠকদের সামনে জান্নাতে যাওয়ার সুন্দর পথ রচনার সাধনায় নিয়োজিত। এখানে যত লেখা ছাপা হয়

মুবাল্লিগ ও দায়ী‘র অপরিহার্য গুণাবলি

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের প্রতি আহ্বান কর হিকমত ও সদুপদেশ দ্বারা এবং তাদের সঙ্গে তর্ক করবে উত্তম পন্থায়।’ [সুরা নাহ্ল : আয়াত ১২৫] নবী ও রাসুলগণের প্রধান কার্যাবলি সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘(নবী ও রাসুল) তাঁর আয়াতসমূহ তাদের কাছে তেলাওয়াত করে, তাদেরকে পরিশোধন করে এবং কিতাব ও হিকমত শিক্ষা দেয়।’

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব

মানুষ সত্তাগতভাবেই স্বাধীন। প্রতিটি মানুষ তার স্বাধীনতা নিয়েই এই পৃথিবীতে আসে। পৃথিবীর বুকে প্রতিটি মানুষের রয়েছে স্বাধীনতা ভোগ করার সমান অধিকার। আল্লাহ তাআলা মানুষকে এক সহজাত স্বাধীনচেতা সত্তা দিয়ে গঠন করেছেন, তাই মানবসত্তা একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া অন্য মানুষের সামনে নতি স্বীকার করা বা অপরের অধীন হওয়া মেনে নিতে পারে না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন

ইসলামে মাতৃভাষার গুরুত্ব

প্রত্যেক জাতিই তার আপন ভাষাকে ভালবাসে। আপন ভাষায় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আপন ভাষা কখনোই তার কাছে কঠিন মনে হয় না। আপন জীবনে, সমাজে, রাষ্ট্রে এবং পররাষ্ট্রে এই আপন ভাষাকে, নিজস্ব ভাষাকে সুসংহত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে ভাষায় ব্যুৎপত্তি এবং উৎকর্ষ সাধন অপরিহার্য। মাতৃভাষায় বা স্বজাতীয় ভাষায় উৎকর্ষ সাধন করতে না পারলে আমি আমার মনের

মাসিক আল জান্নাত-এর ৫ম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে

আলহামদুলিল্লাহ! আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা। তাঁরই অনুগ্রহে মাসিক আল জান্নাত ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। পঞ্চম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে মাসিক আল জান্নাত-এর সম্মানিত উপদেষ্টাবৃন্দ, পৃষ্ঠপোষক, লেখক, পাঠক এজেন্টসহ সকল শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ। মাসিক আল জান্নাত-এর পথ চলা শুরু হয়েছিল আজ থেকে পাঁচ বছর আগে ২০১২ সালের জানুয়ারী মাস থেকে। যাঁদের নেক নিয়ত,

বিজয় দিবসে আমাদের প্রত্যাশা

  একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এই জাতির দীর্ঘ ইতিহাসের উজ্জ্বলতম অধ্যায়। এ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধারা হলেন এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। সমুদ্রসৈকতে বালুকারাশির মধ্যে তিল তিল করে যেমন সঞ্চিত হয় মহামূল্যবান রত্নভাণ্ডার, সমুদ্রের বেলাভূমিতে, সমুদ্রের আকর্ষণে, অসংখ্য স্রোতস্বিনীবাহিত পলি হাজার হাজার বছর সঞ্চিত হয়ে তেমনি সৃষ্টি করে উন্নত জীবনের স্বর্ণদ্বীপ। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, স্বর্ণালি দ্বীপ বাংলাদেশের জন্ম এভাবেই

পবিত্র আশুরার তাৎপর্য

মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গণনায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত।’ [সুরা তাওবা : আয়াত ৩৬] সম্মানিত চারটি মাস হলো- রজব, জিলকদ, জিলহজ ও মুহাররম। এ চার মাসে ঝগড়া বিবাদ, যুদ্ধ বিগ্রহ ইত্যাদি করা নিষিদ্ধ। মুহাররম উপরিউক্ত চার মাসেরই অন্যতম। আল্লামা জাস্সাছ তাঁর লিখিত গ্রন্থ আহকামুল

পবিত্র হজ : তাৎপর্য ও ফযীলত

হজ ইসলামের মৌলিক পাঁচটি স্তম্ভের একটি অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। সময় পরিক্রমায় প্রতি বছর ফিরে আসে এ পূন্যময় ইবাদত পালনের মৌসুম। আর তখন প্রিয় মনিবের নৈকট্য লাভের আশায় ব্যাকুল হয়ে ওঠেন অসংখ্য আনুগত্যশীল বান্দা। নশ্বর এ পৃথিবীর মোহমায়া ভুলে মহান সৃষ্টিকর্তা রাব্বুল আলামিনের প্রেমে পাগলপারা হয়ে যান তাঁরা। একজন সত্যনিষ্ঠ প্রকৃত মুমিন ব্যক্তির জন্য এ এক

ঈদুল ফিতরে আমাদের করণীয়

ঈদ আমাদের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার ও বিশেষ নেয়ামত। এ দিনে অনেক কাজ আছে যার মাধ্যমে আমরা আল্লাহ তাআলার নিকটবর্তী হতে পারি এবং ঈদ উদযাপনও একটি ইবাদতে পরিণত হতে পারে। ঈদুল ফিতরে আমাদের কী করণীয় সে বিষয়ে আলোচনা করা হলো। ফজরের নামায জামাতে আদায় করা : আমাদের দেশের অনেকেই ফজরের নামায আদায় করে

খোশ আমদেদ মাহে রমযান!

‘হে  মুমিনগণ, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ [সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩] সিয়াম একটি শারীরিক ইবাদত। এই ইবাদতের হক আদায় করে পরিপূর্ণ করা জরুরি। তাছাড়া এমনিতেও যে কোন ধরনের ইবাদত করতে হলে শারীরিক ও আত্মিক সুস্থতা একান্ত প্রয়োজন। কারণ শরীর-মন যদি

সৌভাগ্য আসলে কোথায়?

যারা আল্লাহ তাআলাকে অবিশ্বাস করে তার অলীক সৌভাগ্যের কল্পনার পেছনে ছোটে। যারা ঈমানের পথ এড়িয়ে চলে তারা বিভ্রান্তিকর মরীচিকা ছাড়া আর কোথাও পৌঁছতে পারে না। কারণ, তারা মানুষের গভীরতায় প্রোথিত স্বভাবের বৈশিষ্ট্যাবলিকে অস্বীকার করে। মানুষ এমন এক সৃষ্টি যার শারীরিক চাহিদাগুলো আত্মিক চাহিদাগুলো থেকে ভিন্ন নয়। আর আত্মাই মনুষ্যজীবনের ভিত্তি। আল্লাহ তাআলা মানুষকে সৃষ্টি করেছেন,

হতাশা এক হন্তারক ব্যাধি

  সুন্দর ও চমৎকার জীবন এবং নিশ্চিন্ত ও নিরুদ্বেগ মন সবারই কাম্য, প্রতিটি মানুষের চাওয়া। তারা বিভিন্নভাবে ও বিভিন্ন পন্থায় এর জন্য চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু তা কেবল এক শ্রেণির মানুষই লাভ করে : আল্লাহ তাআলার হেদায়েতের ওপর অবিচল সৎকর্মপরায়ণ মুমিন। তার চিত্ত নিরুদ্বেগ, তার আত্মা প্রশান্তিময়। এ-ব্যাপারে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন—“আমার প থেকে তোমাদের

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব

মানুষ সত্তাগতভাবেই স্বাধীন। প্রতিটি মানুষ তার স্বাধীনতা নিয়েই এই পৃথিবীতে আসে। পৃথিবীর বুকে প্রতিটি মানুষের রয়েছে স্বাধীনতা ভোগ করার সমান অধিকার। আল্লাহ তাআলা মানুষকে এক সহজাত স্বাধীনচেতা সত্তা দিয়ে গঠন করেছেন, তাই মানবসত্তা একমাত্র মহান সৃষ্টিকর্তা ছাড়া অন্য মানুষের সামনে নতি স্বীকার করা বা অপরের অধীন হওয়া মেনে নিতে পারে না। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন

সম্পাদকীয় : থার্টি ফাস্ট নাইট বা নববর্ষ একটি বিজাতীয় কালচার

Sampadokia-150x150

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য, দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক নবী মুহাম্মদ সা. ও তার সাহবীগণের উপর। আমাদের জীবন থেকে কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেল ১টি ইংরেজি বছর, ২০১৫ সাল। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্য রাতে বর্ষবরণের নামে বাঙালী মুসলমানসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মুসলমানগণ মেতে উঠে বেপর্দা, বেহায়াপনা, বেলেল্লাপনা আর পটকা ফুটিয়ে জনগণকে আতংকগ্রস্ত করারমত এক

সম্পাদকীয় : রবিউল আউয়াল মাস উম্মতের করণীয়

Sampadokia-150x150

সকল প্রশংসা ও শ্রেষ্ঠত্ব মহান আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক। অজস্র দরূদ ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয়নবী মোহাম্মদ সা.-এর প্রতি। কুরআন-সুন্নাহর পর্যালোচনায় দেখা যায়, আল্লাহ তায়ালা কিছু ইবাদতকে তারিখের সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন আর কিছু ইবাদতকে জুড়ে দিয়েছেন দিনের সঙ্গে। তারিখের সঙ্গে স¤পৃক্ত ইবাদতের ক্ষেত্রে দিন কোনটি হচ্ছে, তা দেখার বিষয় নয়। যেমন হজের নির্ধারিত তারিখ

সম্পাদকীয় : ইসলামী অনুশাসনই উত্তরণে পথ

Sampadokia-150x150

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য যিনি মানুষের হেদায়াতের জন্য যুগে যুগে নবী রাসূল প্রেরণ করেছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ট নবী মুহাম্মদ সা. এর উপর যিনি অন্ধকার যুগে আগমন করে মানুষকে আলোর পথ দেখিয়েছেন এবং সত্যের উপমা সাহাবীদের উপর যিনারা দীনের দাওয়াত নিয়ে সারা বিশ্বে ছিটিয়ে ছড়িয়ে পরছেন। পর পর দুই

আহলান সাহলান মাহে রমজান

Sampadokia-150x150

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তাআলার জন্য যিনি আমাদের হেদায়েতের জন্য আসমানী কিতাব পবিত্র কুরআন নাযিল করেছেন। দুরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ সা. এর উপর এবং তার পরিবার পরিজনের উপর। মহাকালের একটা অজানা অথচ নির্দিষ্ট অংশকেই আমরা জীবন বলি। জীবনসমূহের এ সম্মিলিত রূপকে সময় নাম দিয়ে আমরা গুনে যাচ্ছি সেকে-, মিনিট,

সম্পাদকীয় : শাবান মাসের ফযীলত

Sampadokia-150x150

সকল প্রশংসা ও শ্রেষ্ঠত্ব মহান আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক। অজস্র দরূদ ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয়নবী মোহাম্মদ সা.-এর প্রতি।  পবিত্র শাবান মাস রহমত বরকত এবং মাগফিরাতের বার্তাবাহক। আরবি চান্দ্রমাসের মধ্যে শাবান মাস হলো বিশেষ ফযীলতপূর্ণ। এ মাসে রয়েছে লাইলাতুল বরাতের মতো অত্যন্ত বরকতময় রজনী, যাকে বলা হয় মাহে রমযানের আগমনী বার্তা। শাবান মাস

সম্পাদকীয় : রজব মাসের তাৎপর্য

Sampadokia

সকল প্রশংসা ও শ্রেষ্ঠত্ব মহান আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক। অজস্র দরূদ ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয়নবী মোহাম্মদ সা.-এর প্রতি। হিজরি বর্ষের সপ্তম মাস রজব। এই মাসের প্রথম বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলোÑ এটি কুরআনে উল্লেখিত “আশহুরু হারাম” তথা মর্যাদাপূর্ণ মাসসমূহের একটি। শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী রহ. বলেছেনÑ “মিল্লাতে ইবরাহীম”-এর মধ্যে মোট চার মাস বিশেষ সম্মান ও মর্যাদার

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা

Sampadokia-150x150

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তা’আলার জন্য। অসংখ্য দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মহামানব মুহাম্মদ সা. এর ওপর এবং তার অনুসারীদের ওপর । ইসলাম তার ঊষালগ্নেই স্বাধীনতার মূলনীতি ঘোষণা করেছে। আমীরুল মু’মিনিন হযরত ওমর ইবনে খাত্তাবের রা. সেই বিখ্যাত উক্তিটি আমরা স্মরণ করতে পারি, যেখানে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘পৃথিবীর বুকে তুমি মানুষকে ক্রীতদাসে পরিণত


Hit Counter provided by Skylight