বিভাগ : রম্য গল্প

দ্বীনের পরশে : মুহাম্মদ আবু সালেহ

জামাল মিয়া। পেশায় একজন রিকসা চালক। থাকেন ঢাকার মগবাজার  এলাকায়। দুই সন্তান আর স্ত্রী নিয়ে তার সংসার। সংখ্যায় বেশ সুখী পরিবার। তবে বাস্তব চিত্র পুরোপুরি উল্টো। সারাদিন রিকসা চালিয়ে সংসার চালাতে বেশ হিমশিম খেতে হয় জামালের। জামালের জীবন অনেক কষ্টের। এক তো অভাবের জ্বালা। তার উপর বউয়ের বাড়তি যন্ত্রণা। বউটা যেনো কুড়ে কুড়ে শেষ করে

প্রিয় বোন তুমি যদি এমন হতে! : মুহাঃ ইউসুফ আহমাদ

একদা এক ধার্মিক লোক বাস করতো মিশরে। তার একজন অনুগত ছেলে ছিল। ছেলের যখন বিয়ের সময়  হল, তখন ছেলের বিয়ের জন্য ঐ লোক মেয়ে  খুঁজতে শুরু করলো। আর ঐ ছেলে তার পিতার উপর আস্থা রেখে সম্পূর্ণ দায়িত্ব পিতাকে দিয়ে  দিলো। একদিন পিতা ছেলের বিয়ের জন্য একজন ভালো মেয়ে খুঁজে পেলো এবং বিবাহ ঠিক করে ফেললো।

শয়তানের ডায়েরি : উম্মে হাবিবা আকলিমা

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… শয়তান : এই সমস্ত কেন্দ্রে নাচ, গান, মদ, ভাঙ, আফিম, ইত্যাদি দ্রব্য সৌখিন জিনিষ হিসাবে ব্যবহর হইয়া থাকে। কোন কোন লোক নাচ গান উপভোগের জন্য আবার ছেলেমেয়ে দিগকে দুই এক মাসের জন্য ভাড়া করিয়া বাহিরেও নিয়ে যান। এই জন্য চিত্তবিনোদনের উদ্দেশ্যে দেশের সকল শ্রেণীর লোকেরা এ সমস্ত জায়গায় অবাধে যাতায়াত করে। একমাত্র

গাড়িওয়ালা : মেহেরুন নেসা

আমার গরুর গাড়ি চলে ধীরে ধীরে, কাস্তুল হতে আটগাঁও মানুষ বহন করে। রোদ বৃষ্টি দিন রাত আমার গাড়ি আছে, বিপদ হলে যে কোনো জন পায় যে আমায় কাছে।..  .. রজব আলী মনের অজান্তেই এই গান ধরেছে। গরুর জোয়ালের পাশে বসে। এখন দ্বিপ্রহর। বাম হাতে একখান ছাতা। বেশ পুরনো।  হাতলটা কাঠের।  ডান হাতে গরু চড়ানোর ছোটকা।

শয়তানের ডায়েরি : উম্মে হাবিবা আকলিমা

পূর্বে প্রকাশিতের পর। পির-আলীÑ নারীদের সম্পর্কে সর্বদাই কু-মন্তব্য করিয়া থাক কিন্তু এই জাতীয় নারীদের এত প্রশংসা করিতেছে কেন ? শয়তান, হুজুর, নারী জাতীকে অন্তর হইতে কখনোই মনে ঘৃণা করিনা। সর্বদাই তাহাদের একটু মহব্বতে নজরে দেখি। কারণ জগতের অধিকাংশ নারীকেই ফাঁদ হিসাবে ব্যবহার করার তৌফিক আল্লাহ আমাকে দান করেছেন। এই জন্য দিবানিশি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায়

শয়তানের ডায়েরি -উম্মে হাবিবা আকলিমা

পূর্বে প্রকাশিতের পর… শয়তান বললো, হে দয়াময় প্রভু! তুমি দয়ার আধার, তাই তোমার নিকট ফরিয়াদ করি, তুমি আমাকেও ক্ষমা কর আর হযরত আইউবকেও ক্ষমা কর। আমার এই মুনাজাতের পর দেখিলাম হযরত আইউব দিন দিন সুস্থের দিকে আসিতেছেন এবং সপ্তাহকালের মধ্যে তিনি সম্পুর্ণ রোগ মুক্ত হইয়া গেলেন। এবার তার মুখমন্ডলখানি পূর্বের চেয়েও উজ্জ্বল হইয়া উঠিল। কিন্তু

শয়তানের ডায়েরি

মোছাঃ উম্মে হাবিবা [কাফেলা- ০০৭] পূর্বে প্রকাশিতের পর। শয়তান- বাড়ির অনতিদূরে পৌঁছিয়া দেখিতে পাইলাম আইয়ুব নবীর কয়েক সহস্র ভেড়া, বকরি ও দুম্ভা মাঠে চড়িতেছে। তখন দেখে খিয়াল হইল যে, এইখান দিয়াই পরীক্ষা আরম্ভ করিয়া দেয়। তাই মাঠের এক পার্শে বসিয়া মাঠের দিকে অগ্নিবন্যা ছুটাইয়া দিলাম। আল্লাহর রহমতে অগ্নিবন্যা ভীষণ আকারে ধারন করিয়া নিমিষের মধ্যে সকল

ছোট গল্প : বড় আপু :- মুস্তাকিম আমীর

সেই বেলা তিনটা থেকে বার তের বছরের একটি কিশোর হেঁটে চলছে দিনাজপুর শহরের রাস্তার ফুটপাত ধরে। খুঁজে ফিরছে মহাজন পাড়া উত্তর ফরিদপুর এর ৩৩ নং বাড়িটা। কিন্তু তিন চার ঘণ্টা খুঁজেও বাড়িটার সন্ধান পায়নি। এদিকে দিনমণি তার আলো গুটিয়ে বিদায়ের হাতছানি দিয়ে লুকিয়ে গেছে পশ্চিমাকাশে। প্রকৃতি তিমিরের চাদরে আবৃত হওয়ার সাথে সাথে প্রকৃতিতে নেমে এসেছে

শয়তানরে ডায়রেী

পূর্ব প্রকাশিতের পর তখন আমি একজন দূরদর্শীর ন্যায় কপাল খিচিয়া, চক্ষু বড় করিয়া বলিলাম, হযরত নূহ তাহার উম্মতের জন্য যে নৌকাখানি তৈরী করিয়াছেন তোমরা সকলে একত্রিত হইয়া আগামিদিন হইতে উহার মধ্যে বাহ্য করিতে আরম্ভ করিয়া দাও। এমমনিক দুইচার দিনের মধ্যে উহাকে একটি পায়খানায় পরিণত করিয়া ফেল। ইহার ফলে হযরত নূহ লজ্জা আর ঘৃণায় আর উক্ত

শয়তানের ডায়েরী : উম্মে হাবিবা আকলিমা

পূর্ব প্রকাশিতর পর… ফেরাউন আমার কথা শুনিয়া একটি হাসি দিয়া বলিল, ভাই! তুমি তো অতি প্রাচীন মনোভাবের লোক। তাই তোমার মধ্যে এখন পর্যন্ত ধর্ম ভীতি বিরাজ করিতেছে। আজকাল আধুনিক যুগে ঐ ধরণের প্রাচীন বুলি আর উচ্চারণ করিওনা। যুগের সাথে পা ফেলিয়া একটু চলিতে শিখ। ফেরাউনের নছিহত শুনিয়া আমার সমস্ত আক্কেল ঠান্ডা হইয়া তমিজে পরিণত হইল।

কি ভয়ংকর এই প্রেমের পরিণতি ছেলেটির নাম আবদুল্লাহ। ঝিনাইদহ জেলায় শৈলকূপা থানার সাতগাছি গ্রামে বসবাস তার। পারিবারিক অবস্থা বেশী একটা ভাল না। ধন-সম্পদ বলতে তেমন কিছু নেই। একবেলা খাবার জুটলে অন্য বেলা উপোস থাকতে হয়। খুব কষ্টে চলে তাদের সংসার। তারপরও পিতা-মাতার পূণ্য আশা ছিল, ছেলেটাকে উচ্চ শিক্ষিত বানাবে। ছেলে অনেক বড় একটা চাকরি করবে

শয়তানের ডায়েরি

পূর্ব প্রকাশিতের পর…. মৌলভী সাহেবের ওয়াজ শুনিয়া সকলে শান্ত হইল। কয়েক ঘন্টার মধ্যে দেশের পরিস্থিতি পরির্বতন হইল। হুজুর: এরুপ একজন মৌলভী সাহেবের অপরাধ খুজিয়া কি লাভ। তোর নিজের জীবনে অপরাধের সীমা নাই। তার উপর পরের অপরাধ নিয়া সমালোচানা করিতে লজ্জা করে না। শয়তান: পূর্বযুগে খুবই লাজুক ছিলাম। অন্যায় অপরাধ করিতে যথেষ্ট ইতস্তত করিতাম। কিন্তু বনি

প্রেমের ভয়ংকর পরিণতি : মোহাম্মদ ইউসুফ আহমেদ

নোয়াখালীর সোনাপুরী প্রধান সড়কের পূর্বে অবস্থিত এখলাসপুর গ্রাম। মনোরম সেই গ্রামের একটি বিলের পাশে মালেক সর্দারের বাড়ি। বাড়ির সদস্য হিসাবে রফিকুল্লাহরও একটি আবাসন রয়েছে সর্দার বাড়িতে। ছয় সন্তুান নিয়ে ছোট্ট সংসার তার। দু বেলা খাবার পেলে তৃতীয় বেলা টানাটানি। এদিকে দরিদ্রতার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে চলতে থাকে তাদের দুরুহ সংসার। একদা রফিকুল্লাহ ফজরের নামায আদায় করে

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা [কাফেলা- ০০৭]

পির আলী- যাহা হউক. সমস্ত মুর্খ মুনশী মুছল্লীদের কাহিনী শুনিয়া লাভ নাই। কারণ ইহার মধ্যে শিক্ষার কোন বস্তু নাই বলিলেই চলে। শয়তান- তবে হুজুর শিক্ষিত ও বিচক্ষণ লোকের কাহিনী শুনুন। ইতিপূর্বে যাহার শুধু পরিচয়খানা দিয়াছি তাহার কথাই প্রথমে দুই এক কলেমা বর্ণনা করি। তিনি হলেন মৌলবী মোহাম্মদ ইনশা আল্লাহ। ইনি ইন্ডিয়া কয়েকবার ঘুরিয়া আসিয়াছেন। কোন

মোহাম্মদ ইউসুফ আহমেদ : সর্বনাশা প্রেম

এই সবুজ শ্যামল অপরুপ বৈচিত্রে সাজানো বসুন্ধরায় প্রতিদিন কত তরুণ তরুণীরা অবৈধ প্রেমের জালে আবদ্ধ হয়ে স্বীয় সোনার জীবনকে ধ্বংস করছে। যার ফলে তাদের মমতাময়ী পিতা মাতার ভবিষ্যতের রঙ্গিন স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে। আর এমনই একটি শোকজনক ঘটনা ঘটছে সোহেলের জীবনে। সে বড় শিক্ষিত হবে, ভাল বেতনে চাকুরী পাবে! এমন আশা নিয়েই সোহেলকে তার

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা

পির আলী: এই মুনশী সাহেব এতখানি শঠতামূলক কার্য্য করিয়া পুনরায় কার্য্য করিয়াও পরহেজগারীর দাবী করিল? শয়তান- হুজুর ইহা তাহার শঠতামূলক কার্য্য নহে। কারণ তিনি জানেন যে, মোমেনের অন্তরে আল্লাহ পাক থাকেন। তাই মোমেনের অন্তরে যে কথা জাগরিত হয় উহা আল্লাহ তাআলারই কথা। সেই হিসাবে মুনশী সাহেবের অন্তরে যে কথা জাগরিত হয় তখন তিনি তাহাই ব্যক্ত

গল্প : বিষাক্ত প্রেম : মুহাম্মদ ইউসুফ

হাসান একজন যুবকের নাম। বয়স বাইশ কি তেইশ হবে। জাজল কালো আঁখি চাঁদের ন্যায় গোলাকার চেহারা। মুখে কালো কিচ কিচে দাড়ি। ছিপছিপে হ্যাংলা পাতলা তার দেহবলরী। স্বাস্থের যতœ সে করেনি কোনও দিন, করার সঙ্গতি ছিলনা তার। কারণ নুন আনতে পান্তা ফুরায় যার তার আবার বিলাসিতার সুযোগ কোথায়। তার বাবা একজন গরীব কৃষক। দরিদ্রতার বিশাল পাহাড়ের

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা

পির আলী: আচ্ছা এই বোকা মুছল্লীর জীবিকা নির্বাহের কি সম্বল আছে? শয়তান: হুজুর পূর্বে এই মুছল্লীর অর্থিক অবস্থা খুব ভাল ছিল। বহু  একর জমি নিজের চাষে ছিল। কিন্তু মাসান্তে এক একটি বিবাহের রুচী থাকায় উহার পিছনেই সর্বস্ব হারাইয়াছেন। বর্তমানে মাত্র ৪/৫ একর জমি আছে। উহা নিজেই চাষাবাদ করেন। আর একটি গাভী আছে উহার দুগ্ধ বিক্রয়

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা [কাফেলা-০০৭]

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… দশমা স্ত্রীর বেলায়ও অনুরুপ অবস্থা ঘটিয়াছিল। একদিন মুছল্লীর এক আত্মীয় কিছু মিষ্টি নিয়া মুছল্লীর বাড়িতে বেড়াইতে আসে। মুছল্লীর স্ত্রী ঘরে বসিয়া উহা হইতে কিছু মিষ্টি ভক্ষণ করিল। ইহা দেখিয়া মুছল্লি সাহেব বলেন। যাহারা স্বামীর বিনা এযেনে পরের হাতের মিষ্টি খাইতে পারে তাহারা স্বামীর অগোচরে যাহা ইচ্ছা তাহাই করিতে পারে। এমন বিশ্বাসঘাতক স্ত্রী

জীবনের গল্প : রিতা ও মা- মোঃ বদরুদ্দোজা বদর

মা। ছোট একটি শব্দ। এই একটি শব্দের মাঝে লুকিয়ে আছে অনেক ভক্তি, ভালোবাসা, আদর, মমতা। অনেক ত্যাগের বিচিত্র অভিব্যক্তি। মাকে ভালোবাসে না  এমন হতভাগা ও পাষাণ হৃদয় এই পৃথিবীতে খুব কমই আছে। মাকে সবাই ভালোবাসে মনে প্রাণে। রিতাও মাকে ভালোবাসতো। বয়স ৮ বছর। ঢাকা বছিলা বস্তির আদরের মেয়ে। বাবা নেই, দুঃখের সংসার। কোনমতে ছোট ভাই

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা

র্পূব প্রকাশতিরে পর.. চতুর্থ স্ত্রীর ব্যাপারে একটা রহস্যজনক ঘটনা ঘটিয়াছিল। একদিন মুছল্লী সাহেব নিজ বাসগৃহখানি মেরামত করার জন্য কয়েকটি মজুর ডাকিয়া আনিল। মজুরেরা মুছল্লী সাহেবের ঘরের কার্যে হাত দেওয়ার পূর্বে মুছল্লী সাহেব তাহার স্ত্রী কে নিয়া বিপদে পড়িলেন। তাহাকে কোথায় পঠাইবে, বাড়ীর অন্যান্য ঘরে পাঠাইলে পর্দা নষ্ট হইতে পারে ভাবিয়া বাহিরে একটি বড় ঝুড়ির মধ্যে


Hit Counter provided by Skylight