বিভাগ : মার্চ-২০১৬

লক্ষ শহীদের রক্ত ভেজা বাংলাদেশ // সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

লক্ষ শহীদের রক্ত ভেজা বাংলাদেশ সৈয়দা সুফিয়া খাতুন লক্ষ শহীদের রক্ত ভেজা, আমার সোনার বাংলাদেশ। ফুলে ফলে পাখির গানে, সাগরের ঢেউয়ের কলতানে রেখেছে আমায় মুগ্ধ করে। লক্ষ শহীদের রক্তে ভেজা, আমার সোনার বাংলাদেশ। রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি, সোনার বাংলাদেশ। জালিমের জুলুম সহ্য করে, মান ইজ্জত বিলিয়ে দিয়ে ছিনিয়ে এনেছি আমার এ দেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ। আমার

মায়ের পুষ্টি ।। ডা. নাজমা বেগম নাজু

সুস্থ-সবল শিশুর প্রধান ও প্রথম প্রয়োজন একটি পরিবার। একটি সমাজ ও একটি জাতি। যদি একটি সুস্থ-সবল শিশু পেতে চায়, তবে মায়ের পুষ্টির দিকে ভালোভাবে নজর দিতে হবে। সুস্থ জাতি গঠনে মায়ের পুষ্টি অপরিহার্য। একজন রুগ্ন, স্বাস্থ্যহীন মা- পরিবার, সমাজ ও জাতিকে একটি দুর্বল ও কম-জন্ম-ওজনের শিশু উপহার দেবেন। সে শিশুটির মৃত্যুহারও বেশি। তাছাড়া বেঁচে থাকলে

জীবনের টুকরো কথা ।। হাবিবা আক্তার (মীম)

ভাই-বোনের মধ্যে ছোট হলে তার ভাগে আদর-সোহাগ বোধহয় একটু বেশি পড়ে। সবার ক্ষেত্রে না হলেও আমার ক্ষেত্রে এমনটাই হয়েছে। আমি পিতা-মাতার সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। পিতার স্নেহ-ভালবাসা, মাতার আদর-মমতা আর ভাই-বোনের টানাটানিতে সারাক্ষণ আনন্দেই কাটত আমার সময়। সবাই আদর স্নেহে একটু বড় হলে আমাকে মিপুর একটি স্কুলে ভর্তি করে দেয়া হয়েছিল। বাড়ির ঘরোয়া পরিবেশ ছেড়ে বাইরে আসার

পাগড়ির গল্প ।। মাবরুর

১. মাথায় জড়িয়ে লম্বাটে আকারের যে-কাপড় পরিধান করা হয় তাই পাগড়ি। পাগড়িকে আমামা, উষ্ণীষ, শিরস্ত্রাণ, শিরোবেষ্টন বস্ত্রও বলা হয়। বিভিন্ন দেশ ও জাতিতে ঐতিহ্যগতভাবেই বৈচিত্র্যপূর্ণ এবং ধর্মীয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ শিরোবেষ্টন বস্ত্র বা পাগড়ি সাধারণত পুরুষেরা পরিধান করে থাকেন। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আরব উপদ্বীপ ও উত্তর আফ্রিকায় পাগড়ি পরিধানের এতিহ্য অতি প্রাচীন। দক্ষিণ এশিয়ায়

জীবনজিজ্ঞসা

মুহাম্মাদ সুলাইমান কেরানিগঞ্জ, ঢাকা প্রশ্ন: গ্রামাঞ্চলে প্রচলিত আছে যে, কারো হাত থেকে বা হাত লেগে কুরআন শরীফ মাটিতে প ড়ে গেলে, কুরআন শরীফের ওজনে খাদ্য-শষ্য সদকা করতে হয়। আবার অনেক এলাকায় কুরআন শরীফের ওজনের কথা নেই, শুধু মসজিদে বা গরীবদের মাঝে দান-সদকা করাকে জরুরী মনে করা হয়। এ ব্যাপারে শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গী কী? উত্তর: কারো হাত

জান্নাতবাসীদের মর্যাদা ।। সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

সত্তর হাজার লোক বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, নবী করিম সা. এরশাদ ফরমান, ‘আমার উম্মতের একদল লোক জান্নাতে যাবে। তাদের সংখ্যা হবে সত্তর হাজার। তাদের চেহারা হবে ১৪ তারিখের রাতের চাঁদের ন্যায় উজ্জ্বল। হযরত উকাশা ইবনে মহসীন রা. আরজ করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি দোয়া করুন যাতে আমাকে তাদের মধ্যে গণ্য করা

কবিতাগুচ্ছ

লক্ষ শহীদের রক্তভেজা বাংলাদেশ সৈয়দা সুফিয়া খাতুন লক্ষ শহীদের রক্তভেজা, আমার সোনার বাংলাদেশ। ফুলে ফলে পাখির গানে, সাগরের ঢেউয়ের কলতানে রেখেছে আমায় মুগ্ধ করে। লক্ষ শহীদের রক্তেভেজা, আমার সোনার বাংলাদেশ। রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি, সোনার বাংলাদেশ। জালিমের জুলুম সহ্য করে, মান ইজ্জত বিলিয়ে দিয়ে ছিনিয়ে এনেছি আমার এ দেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ। আমার দেশের স্বাধীন মানুষ

নিষ্পাপ সেই মেয়েটিকে মনে পড়ে || কামরুল হাসান

প্রতিদিন মসজিদে যাওয়ার পথে ছোট্ট একটি মেয়ের সাথে দেখা হয়, কতই বা বয়স, পাঁচের একটু নিচে বা ছয়ের একটু উপরে। আবার হতে পারে পাঁচ ও ছয়ের মাঝখানে। সবসময় হাসি খুশি এবং আনন্দের সাথে খেলাধূলা করতে দেখতাম। কিন্তু হঠাৎ একদিন দেখি মন খারাপ করে বসে আছে, এবং তার সহপাঠীরা আনন্দের সঙ্গে খেলাধূলা করছে। আমাদের যেমন বড়

ইসলামপ্রচারের শুরুর কথা || উবায়দুল হক খান

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলাম ধর্মপ্রচারের একদম শুরুর দিকের কথা। ইসলাম গ্রহণের দিক থেকে সর্বপ্রথম ব্যক্তি ছিলেন একজন নারী উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা বিনতে খুওয়ালিদ রা.। প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের মধ্যে প্রথম ইসলামগ্রহণ করেছিলেন হযরত আবু বকর সিদ্দীক রা.। অপ্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের প্রথম ছিলেন হযরত আলী ইবনে আবু তালিব রা. এবং দাসদের মধ্যে প্রথম ছিলেন যায়িদ ইবনে হারিসা

রোগমুক্তিতে মুমিন চান আল্লাহর সাহায্য || মমিনুল ইসলাম মোল্লা

বালা-মুসিবত দিয়ে আল্লাহ মুসলমানদের সতর্ক করেন। চিন্তাশীল মুমিনগণ অল্পতেই তা বুঝতে পারেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর অবশ্যই আমি তোমার পূর্বে বিভিন্ন কওমের কাছে রসূল পেরণ করেছি। অতঃপর আমি তাদেরকে দারিদ্র্য ও দুঃখ দ্বারা আক্রান্ত করেছি। যাতে তারা অনুনয়-বিনয় করে।’ [আল-কুরআন] মশা-মাছি কীটপতঙ্গের মাধ্যমে রোগের সংক্রমণ ঘটে, একথা আমরা হাদিসের মাধ্যমে জানতে পারি। নবীজী বলেছেন, যখন

সমাজজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় দৃষ্টির হেফাজতের গুরুত্ব // মুফতি আব্দুল্লাহ

সমস্ত প্রশংসার মালিক একমাত্র আল্লাহ তাআলা। আমরা তার প্রশংসা করি, তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি। তার নিকট ক্ষমা ও মাগফিরাত প্রার্থনা করি। আমরা আল্লাহ তা’আলার নিকট প্রবৃত্তিজাত অনিষ্ট ও কর্মের কুপ্রভাব হতে আশ্রয় চাই। আল্লাহ তা’আলা যাকে হেদায়েত দান করেন, তার কোন ভ্রষ্টকারী নেই। আর যাকে তিনি ভ্রষ্ট করেন, তার কোন হেদায়েতকারী নেই। আমি সাক্ষ্য

ইসলামে পারিবারিক জীবনের নির্দেশনা // মোহাম্মদ মাকছুদ উল্লাহ

স্বামী-স্ত্রীর ছোট্ট একটি পরিবারের মাধ্যমে পৃথিবীতে মানব সমাজ ও সভ্যতার গোড়াপত্তন। আদি পিতা  হজরত আদম ও মা হাওয়া ছিলেন সে পরিবারের একমাত্র সদস্য। এরপর তাঁদের সংসারে সন্তান আসে তারা হন পিতা-মাতা অতঃপর দাদা-দাদী ও নানা-নানী। ইরশাদ হয়েছে, ‘তিনিই সেই সত্তা যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একটি মাত্র প্রাণ (আদম) থেকে; আর তার থেকেই তৈরী করেছেন তার

ইসলামের দৃষ্টিতে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার // আরিফ খান সা’দ

আল্লাহ এই বিশাল মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, সীমাহীন নভোম-ল ও ভূম-ল দ-ায়মান রেখেছেন, অসংখ্য গ্রহ-তারকার চলাচলে, গাছগাছালি-বনবনানি-পাহাড়-পর্বতের দৃঢ়তায়, সাগরনদী ও রাতদিনের আবর্তনে দান করেছেন ভারসাম্যপূর্ণ শৃঙ্খলা ও নিয়মানুবর্তিতা। মহাবিশ্বের এই এতো আয়োজন যে-মানুষের জন্য তাদের যাপিত জীবন সুশৃঙ্খল ও গতিময় হওয়ার জন্য আল্লাহ তাআলা ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের নির্দেশনা দিয়েছেন। মানুষের ব্যক্তিজীবন থেকে নিয়ে পারিবারিক জীবন, সামাজিক

জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় : কয়েকটি সাধারণ ভুল // মাওলানা শিব্বীর আহমদ

পুরুষদের জন্যে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে পড়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো রকম ওজর ছাড়া জামাত তরক করা গোনাহের কাজ। হাদীস শরীফে আছে, জামাতে নামাজ পড়লে একাকী নামাজের তুলনায় সাতাশগুণ বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করতে গিয়ে সাধারণত যেসব ভুল আমরা করে থাকি, তেমন কিছু বিষয়ই এখানে আলোচনা করা হচ্ছে : কাতার

স্বাধীনতা : ইসলামের দৃষ্টিতে // হাফেজ মাওলানা আবূ সালেহ

ভূমিকা ইসলাম সর্বোচ্চ মানবতার ধর্ম। ব্যক্তিতে, পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে ও পররাষ্ট্রে মানবতা বজায় রাখা তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এই মানবতা প্রতিষ্ঠায় যখন বাধা হয়ে দাঁড়ায় কোন প্রকার জুলুম, নির্যাতন, অন্যায়, অবিচার অথবা পেশিশক্তির জোরে চাপিয়ে দেয়া কোন মতবাদ, তখন ইসলাম সে প্রতিকূলতার মূলোৎপাটনে তার অনুসারীদের নির্দেশ দেয়। কোন বিদেশী শক্তি অথবা দেশী স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তি-গোষ্ঠী যদি কোনো

জ্ঞান-সম্পর্কিত নির্বাচিত হাদীস

১। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, দুই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কাউকে ঈর্ষা করা যায় না। প্রথমত, এমন ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তাআলা অর্থ সম্পদ দান করেছেন এবং তা সৎকার্যে ব্যয় করার জন্য তাকে [মনোবল] ক্ষমতা দান করেছেন। দ্বিতীয়ত, এমন ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তাআলা প্রচুর জ্ঞান দান করেছেন। সে তার

জ্ঞান-সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

১। আপনি বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে। [সূরা যুমার : আয়াত ৯] ২। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে মর্যাদায় উন্নত করবেন। তোমরা যা করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবগত আছেন। [সুরা মুজাদালা : আয়াত ১১] ৩।


Hit Counter provided by Skylight