বিভাগ : জান্নাত

উম্মতে মুহাম্মদীর পরিচয় : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

al-jannatbd.com, আল জান্নাত । মাসিক ইসলামি ম্যাগাজিন, al-jannatbd.com, quraner alo, মাসিক জান্নাত, islamer alo, www.al-jannatbd.com, al-jannat, bangla islamic magazine, bd islam, islamic magazine bd, ব্লগে জান্নাত, জান্নাতের পথ, আল জান্নাত,

হযরত আবু দারদা রা. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সা. কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ সা. কেয়ামতের দিন সব উম্মত যারা হযরত নূহ আ. থেকে আপনার উম্মত পর্যন্ত দুনিয়াতে এসেছে, তাদের মধ্যে আপনার উম্মতকে কিভাবে চিনবেন? জওয়াবে রাসুলুল্লা সা. এরশাদ করেন, ওযর চিহ্নে তাদের চেহারা আলোকিত থাকবে। হাত পা শুভ্র হবে, তারা ছাড়া অন্য কেউ

এটা কি কুরআনের সাথে বেয়াদবি নয় : মুফতি মুহাম্মদ শোয়াইব

  রমজানের তারাবির নামাজ এ মাসের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ আমল। এই নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনদিন এই নামাজ জামাতের সাথে আদায় করেন। কিন্তু নিয়মিত সম্মিলিতভাবে জামাতের সাথে তারাবির নামাজ আদায় করলে তা ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই পরবর্তীতে তিনি আর জামাতের সাথে তা আদায় করেননি। হজরত উমর রা. এর যুগে নিয়মতান্ত্রিকভাবে তারাবির

হাশরের ময়দানে উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা [২] : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত ব্যক্তিহযরত ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. এর সামনে এক ব্যক্তি ঢেকুর তুলল। তিনি বললেন, ঢেকুর কম তোলো। কেননা, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত সে-ই হবে, যে দুনিয়াতে বেশির ভাগ সময় ভরা পেটে থাকত। [মেশকাত শরিফ]দুমুখী লোকের হাশরহযরত আম্মার রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যে

হাশরের ময়দানে উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা

সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : ভিখারীর অবস্থা হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, মানুষ অন্য মানুষদের কাছে ভিক্ষা চাইতে চাইতে এমন অবস্থায় উপনীত হয় যে, কেয়ামতের দিন সে এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে, যখন তার চেহারায় গোশতের কিছুই থাকবে না।  [বুখারি, মুসলিম] অর্থাৎ ভিখারীদের লাঞ্ছিত, অপমানিত করার জন্যই এমন অবস্থায়

জান্নাত ও জাহান্নামের পরিচিতি এবং নামসমূহের আলোচনা

সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : জান্নাতের পরিচিতি : জান্নাত আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ বাগান। এ শব্দ থেকেই জিনেই বলা হয়ে থাকে। আর আরবরা খেজুর গাছকেও জান্নাত বলে আখ্যায়িত করত। [মুহাম্মদ বিন আবু বকর আর রাযি, মুখতারুস সিহাহ পৃ: ৪৮। দেখুন: আল্লামা ইবন মানজুর, লিসানুল আরব, পৃ: ১৩/৯৯ এবং আল্লামা আছফাহানী, মুফরাদাতুল কুরআন, পৃ:

জান্নাতের বর্ণনা

সংকলনে: সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : পূর্ব প্রকাশিতের পর…… জান্নাতের তাঁবু এবং গম্বুজ হযরত আবু মুসা আশআ’রী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই জান্নাতে মুমিনদের জন্য এমন তাঁবু হবে যা একটি মুক্তা দ্বারাই নির্মিত (মুক্তাটি বড় হবে)। যার ভিতর দিক হবে ডিমের খোসার মত, প্রশস্ততা হবে ষাট মাইল। তার প্রত্যেক কোণায় মুমিনদের

জান্নাতের পরিচয়

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, নিশ্চয়ই জান্নাতে একটি বাজার আছে, যাতে সকল জান্নাতী প্রত্যেক জুমার দিন যাবে। যেখানে উত্তরা বাতাস বইতে থাকবে, যা জান্নাতীদের চেহারা এবং কাপড় সুঘ্রাণে ভরে দিবে, তাদের রূপ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে। সুতরাং তারা খুব সুন্দর হয়ে

জান্নাতে হুরে ঈনদের সঙ্গীত : সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

পূর্ব প্রকাশিতের পর… হযরত আলী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, জান্নাতে হুরদের সমবেত হওয়ার একটি স্থান আছে, যেখানে তারা একত্রিত হয়ে উচ্চ আওয়াজে গায়- “আমরা সর্বদাই থাকব, কখনও শেষ হব না, আমরা সর্বদা সুখে-শান্তিতে থাকব, কারো মুখাপেক্ষী হব না, আমরা সর্বদা (আমাদের স্বামীদের প্রতি) সন্তুষ্ট থাকব, কখনও অসন্তুষ্ট হব না, তারা

জান্নাতের পরিচয় : সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

জান্নাতে পবিত্র সঙ্গী আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেন- যারা তাকওয়া অবলম্বন করে চলে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত থাকবে আর সেখানে তারা স্থায়ী হবে, তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গী এবং আল্লাহর কাছ থেকে সন্তুষ্টি রয়েছে, আল্লাহ বান্দাদের সম্পর্কে সম্যক দ্রষ্টা। পবিত্র বিবি, অর্থাৎ বাহ্যিক ময়লা-আবর্জনা এবং বদভ্যাস, মোনাফেকী, ধোঁকাবাজি, অনর্থক কথা এবং সর্বপ্রকার কষ্টদায়ক

জান্নাতের পরিচয় : সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

পূর্ব প্রকাশিতের পর…. জান্নাতীদের পোশাক ও অলংকার প্রশ্ন: অলংকার প্রকৃতপক্ষে মহিলাদেরই সুন্দর দেখায় এবং এটা তাদের জন্য আকর্ষণীয় হয়, কিন্তু পুরুষরা এগুলো পরলে কেমন দেখা যাবে? জবাব: যে কোন বস্তুই স্থান কাল পাত্র বিশেষে সুন্দর দেখায়। দুনিয়াতে পুরুষদের জন্য স্বর্ণালংকার পরিধান নিষেধ এবং পুরুষরা অলংকারের প্রতি বেশি আগ্রহীও নয়, কিন্তু জান্নাতে পুরুষরা অলংকারের প্রতি আগ্রহী

জান্নাতের পরিচয় : জান্নাতের শরাবে নেশা এবং উম্মাদনা থাকবেনাঃ

সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : জান্নাতের শরাবে নেশা এবং উম্মাদনা থাকবেনাঃ জান্নাতীরা তৃপ্তির জন্য শরাব পান করবে। কিন্তু সে শরাব হবে সুগন্ধিময়। জান্নাতের শরাব পান করে কেউ মাতাল হবে না, জ্ঞানশূন্য হবে না, পেটের কোন সমস্যা হবে না, কথায় কোন পরিবর্তন আসবে না। সূরা সাফ্ফাতে ইরশাদ হয়েছে-‘তাদের মাঝে ঘুরে ঘুরে পরিবেশন করা হবে স্বচ্ছ-শুভ্র পানীয়ের পানপাত্র,

নারীকে আল্লাহ বানিয়েছেন দুনিয়ার জান্নাত।

  তিনি স্বামীর জন্য প্রশান্তি, সন্তানের জন্য আশ্রয়। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে-দুনিয়া হচ্ছে ক্ষণিক উপভোগের বস্ত্ত। আর এর সর্বোত্তম সম্পদ নেককার নারী। আল্লাহ তায়া’লা ইরশাদ করেন, ”আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের সংগিনীদেরকে যেন তোমরা তাদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া

আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশী মনে।

আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশী মনে।

এরকম একটা মেয়ে যদি আমাদের থাকত……………।

এরকম একটা মেয়ে যদি আমাদের থাকত……………। হযরত ওমর রা. তাঁর খেলাফতকালে লোকজনের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য রাতের বেলা মদীনা মুনাওয়ারায় টহল দিতেন। এক রাতে তাহাজ্জুদের পর টহল দিচ্ছিলেন। হঠাৎ লক্ষ করলেন, একটি ঘর থেকে কথাবার্তার শব্দ শোনা যাচ্ছে। সাধারণ অবস্থায় কারো ব্যক্তিগত কথা আড়ি পেতে শোনা জায়েয নয়। কিন্তু দায়িত্বশীল ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অনুমতি আছে।

হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।

হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এক রাত্রে সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগলেন। আর বলতে লাগলেন-“আজ রাতে কত রহমত নাযিল হল, আর অবতীর্ণ হল কত ফিতনা-বিপদ। কক্ষে অবস্থানকারীনীদের কে জাগিয়ে দিবে?” তিনি তাঁর বিবিগণের প্রতিই ইঙ্গিত করছিলেন। “যাতে তারা নামায পড়ে”। (রহমত অর্জন করবে আর ফিতনা ও বিপদ থেকে মুক্ত হবে)। “দুনিয়াতে সুশোভিত

নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥..

নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥.. প্রয়োজনীয় দ্বীন শিখা প্রতিটি নর-নারীর জন্য আবশ্যক। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন সেই দ্বীনের বাহক। তাই রাসূলুল্রাহ (সাঃ) এর সময়ে যেহেতু সময়ে সময়ে দ্বীনের বিধান অবতীর্ণ হতো, তাই পুরুষ সাহাবীদের সাথে মহিলা সাহাবীরাও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দরবারে এসে সেই দ্বীন শিখতে চেষ্টা করতেন। সেখানে পুরুষ নারী এক সাথে


Hit Counter provided by Skylight