বিভাগ : জাহান্নাম

জাহান্নামের পরিচয় : সংকলনে : মাওলানা আব্দুল মতিন

পূর্ব প্রকাশিতের পর.. জাহান্নামীরা তাদের নেতাদের জন্য দ্বিগুণ আযাব এবং বড় অভিশাপের দরখাস্ত করবে। আল্লাহ তা’আলা বলেন- – ‘সেদিন তাদের মুখমণ্ডল আগুনে উলটপালট করা হবে, তারা বলতে থাকবে, হায়! আমরা যদি আল্লাহ এবং (আল্লাহর) রাসূলের অনুসরণ করতাম।’ [সূরা আহযাব : ৬৬] – ‘তারা বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা আমাদের নেতা ও বড় লোকদের আনুগত্য করেছিলাম

জাহান্নামের পরিচয় :জাহান্নামে বেশির ভাগই হবে মহিলাঃ

সংকলনে : মাওলানা আব্দুল মতিন : জাহান্নামে বেশির ভাগই হবে মহিলা রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, আমি জান্নাতের দিকে তাকিয়ে তাতে বেশির ভাগ দরিদ্র লোক, আর জাহান্নামের দিকে তাকিয়ে সেখানে বেশির ভাগই মহিলা দেখলাম। [মেশকাত শরীফ] হযরত আবু সাঈ খুদরী রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. একবার ঈদুল ফেতর কিংবা ঈদুল আজহার নামাজের  জন্য ঈদগাহে যাচ্ছিলেন। মহিলাদের

জাহান্নামের পরিচয় : জাহান্নামীদের জিহ্বা, জাহান্নামীদের উদ্দেশ্যে শয়তানের বক্তব্য, জাহান্নামীদের সংখ্যাঃ

মাওলানা আব্দুল মতিন : রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন, নিঃসন্দেহে কাফের তার জিহ্বা টেনে এক ফার্লং বা দুই ফার্লং পর্যন্ত বের করবে। যার উপর দিয়ে লোকজন হেঁটে যাবে। আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ব্যখ্যা ঃ এক ফার্লং সমান তিন মাইল। এ হাদীস থেকে জানা গেল, কাফেরদের জিহ্বা কত লম্বা হবে। মূলত পরকালে মানুষের আকৃতি পৃথিবীর মানুষের আকৃতির 

নারীকে আল্লাহ বানিয়েছেন দুনিয়ার জান্নাত।

  তিনি স্বামীর জন্য প্রশান্তি, সন্তানের জন্য আশ্রয়। হাদীস শরীফে বর্ণিত হয়েছে-দুনিয়া হচ্ছে ক্ষণিক উপভোগের বস্ত্ত। আর এর সর্বোত্তম সম্পদ নেককার নারী। আল্লাহ তায়া’লা ইরশাদ করেন, ”আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে রয়েছে যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য থেকে সৃষ্টি করেছেন তোমাদের সংগিনীদেরকে যেন তোমরা তাদের নিকট শান্তি পাও এবং তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া

আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশী মনে।

আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশী মনে।

হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত।

হযরত উম্মে সালমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এক রাত্রে সন্ত্রস্ত হয়ে ঘুম থেকে জাগলেন। আর বলতে লাগলেন-“আজ রাতে কত রহমত নাযিল হল, আর অবতীর্ণ হল কত ফিতনা-বিপদ। কক্ষে অবস্থানকারীনীদের কে জাগিয়ে দিবে?” তিনি তাঁর বিবিগণের প্রতিই ইঙ্গিত করছিলেন। “যাতে তারা নামায পড়ে”। (রহমত অর্জন করবে আর ফিতনা ও বিপদ থেকে মুক্ত হবে)। “দুনিয়াতে সুশোভিত

নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥..

নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥.. প্রয়োজনীয় দ্বীন শিখা প্রতিটি নর-নারীর জন্য আবশ্যক। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন সেই দ্বীনের বাহক। তাই রাসূলুল্রাহ (সাঃ) এর সময়ে যেহেতু সময়ে সময়ে দ্বীনের বিধান অবতীর্ণ হতো, তাই পুরুষ সাহাবীদের সাথে মহিলা সাহাবীরাও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দরবারে এসে সেই দ্বীন শিখতে চেষ্টা করতেন। সেখানে পুরুষ নারী এক সাথে


Hit Counter provided by Skylight