বিভাগ : জুলাই -16

যাকাত ও সদকা-সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

১। পূর্ব এবং পশ্চিম দিকে তোমাদের মুখ ফিরানোতে কোন পুণ্য নাই, কিন্তু পুণ্য আছে কেউ আল্লাহ, পরকাল, ফিরিশতাগণ, এবং সমস্ত কিতাব, এবং নবীগণের ঈমান আনয়ন করলে এবং আল্লাহ প্রেমে আত্মীয় স্বজন, পিতৃহীন, অভাবগ্রস্ত, পর্যটক, সাহায্য প্রার্থীগণকে এবং দাসমুক্তির জন্য অর্থ দান করলে, সালাত কায়েম করলে, ও যাকাত প্রদান করলে এবং প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পূরণ করলে,

যাকাত ও সদকা-সম্পর্কিত নির্বাচিত হাদীস

১। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত আছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত মুয়ায ইবনে জাবালকে ইয়ামানের শাসনকর্তা করে পাঠালেন এবং বললেন, মুয়ায! তুমি আহলে কিতাবদের কাছে যাচ্ছ। প্রথমে তাদেরকে এ ঘোষণা করতে আহ্বান করবে- ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং  মুহাম্মদ সা. আল্লাহর রাসূল। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে লয়, তাহলে তাদেরকে

ঈদুল ফিতরের তাৎপর্য / মাওলানা লিয়াকত আলী

দুটি আনন্দ উৎসবের একটি বা ঈদুল ফিতর। ঈদ অর্থ আনন্দ। আর ফিতর বলতে রোজার সমাপ্তি কিংবা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়া উদ্দেশ্য। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনায় নিয়োজিত থাকার পর তাতে সমাপ্তি  ঘটানো ও দিনের বেলায় পানাহারের স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যাওয়া উপলক্ষে আনন্দ উপভোগের ব্যবস্থা দিয়েছে ইসলামি  শরিয়ত। এটা শুধু অনুমতি নয়, বরং অনেকটা বাধ্যতামূলক নির্দেশ।

ঈদ : মানবীয় সৌন্দর্যের বেহেশতী আয়োজন / ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

মাহে রমযানে দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার শেষে আজ পরম আনন্দের দিন ঈদুল ফিতর। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আপনাদের জানাচ্ছি প্রাণ-উজাড়-করা অভিনন্দন, ঈদ মোবারক-আসসালাম। সিয়াম বহুবচন, কুরআনের পরিভাষা, এক বচনে ‘সউম’, মানে রোযা। রাতের শেষে সুবহে সাদেক হতে সন্ধ্যায় সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও কামাচার হতে বিরত থেকে পালন করতে হয়েছে এই রোযা। এই রোযা নিছক উপবাস

ঈদ-আনন্দের প্রকৃতি : একটি বিশ্লেষণ / হাফেজ মাওলানা আবূ সালেহ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব আল্লাহ তাআলার প্রিয় হাবীব রাহমাতুল্লিল আলামীন সা. ইরশাদ করেছেন, প্রত্যেক জাতিরই জাতীয় আনন্দ দিবস রয়েছে। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা হলো মুসলমানদের বাৎসরিক আনন্দ উৎসবের দিন। এ ঈদ মুসলমানদের জন্য পৌনঃপুনিক ত্যাগের আনন্দ উৎসব। আমাদের জীবনে আমাদের দ্বারে দ্বারে বারে বারে ঘুরে ঘুরে আসে এ ঈদ। বয়ে আনে খুশির সওগাত। মহান সংযম

ঈদের আনন্দ : রমজানের সংযম হারিয়ে যাচ্ছে না তো? / মাওলানা শিব্বীর আহমদ

ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে মাহে রমজান। আর কদিন পরই ঈদ। ঈদ মানেই তো খুশি। রমজানের সিয়াম সাধনায় যেমন সাদা-কালা আর ধনী-গরীবের কানো ভেদাভেদ নেই, তেমনি রমজানের শষে ঈদের উৎসবেও উঁচু-নিচুর কোনো ফারাক নেই। প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যেমন সকল মুসলমানের জন্যে সর্বজনীন, সমাজের সকল স্তরের মানুষ একই কাতারে দাঁড়িয়ে যায় আপন প্রভুর বন্দেগিতে, তেমনি ঈদের

রাসূল সা.-এর উত্তম আদর্শ ও আমাদের অবস্থা : রাসূল সা.-এর উদারতা ও সাম্যবাদ / ড. মুফতী আবদুল মুকীত আযহারী

হযরত আনাস রা. বলেন, আমি রাসূল সা.-এর হাতের তালুর চেয়ে নরম, কোমল কোন মসলিন কাপড় কখনো স্পর্শ করিনি এবং রাসূল সা.-এর ঘ্রাণের চেয়ে বেশি সুগন্ধময় কোন মেশকের ঘ্রাণ কখনো অনুভব করিনি।১ রাসূল সা.-এর শরীরের সতেজতা, স্বাচ্ছন্দ্য কতটা উঁচুমানের ছিল! আমরা শরীরের সতেজতা ধরে রাখার জন্য, আমাদের শরীরের ঘ্রাণ ভাল রাখার জন্য কত ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার

আল-কুরআনে সাহাবীদের যত জিজ্ঞাসা / মাওলানা মুজিবুর রহমান

অজানাকে জানা মানুষের এক চিরন্তন সহজাত স্বভাব। জানা বা জ্ঞানার্জনের এই অধম্য স্পৃহা মানুষকে সাধারণত অজানা অচেনা বিষয়ে কৌতূহলী করে তোলে। বিশেষ প্রয়োজন কিংবা বিশেষ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গোপনীয় কোন রহস্য উদ্ঘাটনের জন্যও মানুষ এতদ সম্পর্কে আগ্রহান্বিত হয়ে থাকে। সে জন্যই তারা জ্ঞানী-গুণী কিংবা ব্যুৎপত্তিসম্পন্ন প-িত ব্যক্তিবর্গের শরণাপন্ন হয়ে থাকে। কাক্সিক্ষত বিষয় সম্পর্কে অবগত হয়ে জ্ঞানস্পৃহা

পর্দা : নারীর মূল্যায়নে ইসলামের অনন্য উপহার / সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

ইসলাম হল প্রকৃত জীবনব্যবস্থা। একমাত্র ইসলাম ধর্ম মানবজাতির সহজাত চাহিদায় জীবন অতিবাহিত করতে পূর্ণাঙ্গ বিধি-বিধান রচনা করেছে। প্রণয়ণ করেছে এমন জীবনব্যবস্থা, যা প্রকৃত শান্তি, সফলতা বয়ে আনতে সক্ষম। মহান আল্লাহ তাআলা আশরাফুল মাখলুকাত হিসাবে সৃষ্টি করেছেন মানবজাতিকে। এ মানবজাতিরই অর্ধাংশ হল নারী। ইসলাম ধর্মের মাধ্যমেই মহান আল্লাহ তাআলা নারী জাতিকে জাহেলিয়াতের কদর্যতা থেকে বের করে

মুমিন যেভাবে ঈদ উদ্যাপন করবে / মুফতী পিয়ার মাহমুদ

ঈদুল আযহা ও ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর সার্বজনীন এক ধর্মীয় উৎসব এবং ইবাদত। পৃথিবীর প্রত্যেক জাতিরই কিছু জাতীয় ও ধর্মীয় উৎসবের দিন রয়েছে। যাতে তারা সে দিনগুলোতে স্ব স্ব রীতি অনুযায়ী আনন্দ-ফুর্তি করে। ভাল ভাল খাবার পাক করে এবং উন্নত মানের পোশাক পরিধান করে। এটি মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা। এর বাইরে কোন কওম বা জাতিকে পাওয়া

ঈদুল ফিতর : মুসলিম উম্মাহর খুশির দিন / এইচ. এম. মুশফিকুর রহমান

মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও জাতীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের দিনটি অশেষ তাৎপর্য ও মহিমায় অনন্য। মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার শেষে শাওয়ালের বাঁকা চাঁদ নিয়ে আসে পরম আনন্দ ও খুশির ঈদ। সিয়ামপালনকারী যে পরিচ্ছন্নতার ও পবিত্রতার  সৌকর্য দ্বারা অভিষিক্ত হন, যে আত্মশুদ্ধি, সংযম, ত্যাগ-তিতিক্ষা, উদারতা, বদান্যতা, মহানুভবতা ও মানবতার গুণাবলি দ্বারা উদ্ভাসিত হন, এর গতিধারার প্রবাহ

ঈদ কাদের জন্য / নাঈমা তামান্না

ঈদ মানে আনন্দ। আনন্দের বার্তা নিয়ে প্রতিবছর ঘুরে আসে এই দিনটি। মানবজীবনে প্রতিটি কর্মের একটি উপলক্ষ প্রয়োজন। হাসি-কান্না-আনন্দের জন্যও প্রয়োজন উপলক্ষের। তেমনি এই ঈদ-আনন্দেরও একটি উপলক্ষ রয়েছে। আনন্দের উপলক্ষ হল সাফল্য ও প্রাপ্তি। রোজার একমাস কঠোর আত্মসংযমে সফলতা অর্জনের পুরস্কার হল ঈদ-আনন্দের উপলক্ষ। কেননা ঈদ হচ্ছে স্রষ্টার পক্ষ থেকে সৃষ্টির জন্য একটি এগ্রিমেন্ট সাকসেসের পুরস্কার।

গীবত ও পরচর্চা : ইসলামি বিধান ও শাস্তি / মাওলানা কামরুল হাসান

গীবত শব্দটির আভিধানিক অর্থ দোষারোপ করা, কুৎসা রটনা করা, পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, ইসলামী পরিভাষায় গীবত বলা হয় একজনের কথা ঝগড়া- বিবাদ, মনোমালিন্যের উদ্দেশ্যে অন্যের কাছে লাগানোকে, সকল ইসলামী চিন্তাবিদ এ সম্পর্কে একমত পোষণ করে যে এটা সম্পূর্ণ হারাম। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘সে ব্যক্তির অনুসরণ কর না, যে কথায় কথায়

ইসলামী বিধানে ঘুষ / মুহাম্মদ মানজুর-এ-ইলাহী

ইসলামী আইনে ঘুষের সংজ্ঞা ইসলামী আইনবিদগণ বিভিন্নভাবে ঘুষের সংজ্ঞা দিয়েছেন। তন্মধ্যে সর্বোত্তম সংজ্ঞা হলো, ‘নিজের পক্ষে রায় প্রদানের জন্য কিংবা কোন স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বিচারপতি বা অন্য কাউকে যে অর্থ বা সম্পদ প্রদান করা হয়, কিংবা যে উপকার পৌঁছানো হয়, তাকে বলা হয ঘুষ।’। এখানে লক্ষণীয় যে, ‘অন্য কাউকে’ কথাটি দ্বারা এমন সব ব্যক্তিকে বোঝানো

জীবনজিজ্ঞাসা

পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার মো. খাইরুল ইসলাম, দুর্গাপুর, নেত্রকোনা। জিজ্ঞাসা : পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার জায়িয কি-না? জবাব : পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার জায়িয নয়। তবে রৌপ্যের আংটি এক তোলার এক তৃতীয়াংশের সামান্য কম পরিমাণ ব্যবহার করতে পারে। রাজা-বাদশা কাজী ও মুতাওয়াল্লীর জন্য সীল মহর হিসেবে রৌপ্যের আংটি ব্যবহার করা জায়িয। [ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া, ৫: ৯৭,

কবিতাগুচ্ছ

মা জননী সৈয়দা সুফিয়া খাতুন ওগো মা জননী তোমায় দেখে এলাম জান্নাতুল মাওয়ায়। তোমার বীর শহীদ গাজী সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে আছ শান্ত হয়ে। মোর নবীজীকে চিনেছিলে তোমারই অন্তর দিয়ে। তাই তো তুমি জীবনসঙ্গী করে নিয়েছিলে ভালবেসে। ধন্য হলো পূর্ণ হলো মা তোমার জীবন আমার প্রিয় নবীজীর প্রিয়সঙ্গী হয়ে। আমরা পেলাম শ্রেষ্ঠ নবী রাহমাতুল্লিল আলামীন। জাবালে

ঝরা-পাতার মর্মরধ্বনি / কাজী মাহবুবা সুলতানা সাঈদা

মাগো! আমারে কিন্তু ঈদে লাল জামা কিন্যা দিবা। দেবো মা, ইডু দেরি হর। ঈদের তো আরো কততোদিন বাহি আছে। মেল্যাদিন নাইতো, মাত্র তিন দিন বাহি আছে। তিনদিনই তো কত! কাইল পরশু কিন্যা দিবানে, দেরি অইয়্যা যাইতাছে। আমি অহন যাই। সাবধানে থাহিস। আইচ্ছা মা, তাত্তাড়ি ফিরো, সন্ধ্যা আইলে মোর ডর লাগে। চোরের কথা মনে পড়ে। চিন্তা

পর্দার ফলে…? / মোহাম্মদ রাহাত ইবনে মাহবুব

কলেজ ছুটি হয়েছে প্রায় পনের মিনিট হলো। বাড়ির পথ ধরে হাঁটতে শুরু করেছে সাবিরা আর মাহিমা। খুব ছোট থেকেই সাবিরা আর মাহিমার মাঝে বেশ ভাব। একসাথে একই স্কুলে পড়া-লেখা করেছে দু’জন, আর এখন একই কলেজে। দু’জনকে দেখলে মনে হয় একই মায়ের সন্তান। কিন্তু স্বভাব-চরিত্র প্রত্যক্ষ করলে মোটেও তা মনে হয় না। সাবিরা হচ্ছে আধুনিকা মেয়ে,

ইচ্ছার দুর্বলতা / মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মুনশি

আজকের দিনটা বেশি ভাল যাচ্ছিল না। তাই বসে বসে ভাবছি দিনটা কিভাবে কাটানো যায়। আবার মাথাটাও খুব ব্যথা করছে। সামনে বোর্ড পরীক্ষা, কী পড়ব চিন্তা করে পারছি না। মাদরাসায় পড়া-লেখার খুব চাপ। চিন্তা করতে করতে একটি ঘটনা মনে পরে গেল। ঘটনাটি এই, এক ব্যক্তি লম্পট, দুশ্চরিত্র ও বদমাশদের সাথে বসবাস করতো। ঘটনাক্রমে, কোন মৌলভী সাহেব

আমার প্রথম রোজা / মোহাম্মদ আতিকুর রহমান

আমার জীবনের প্রথম রোজা রাখি যখন আমার বয়স সাত বছর। আমার পিতা-মাতা আমাকে প্রথমে স্কুলে ভর্তি করে দেন। তখন স্কুলের পরিবেশে রোজা কি জিনিস কিছুই বুঝতাম না। পরবর্তী সময়ে আমার পিতা-মাতার ইচ্ছা ঘুরে যায়। তারা আমাকে মাদরাসায় ভর্তি করে দেন। তো, একদিন হুজুর আমাদের রমজানের ফযিলত বর্ণনা করেন। তখন আমার মনেও রোজা রাখার ইচ্ছা হলো।

কার কবর, কার ভাগ্যে / মোহাম্মদ আতিকুর রহমান

এক গ্রামে একজন লোক বাস করতো। তার নাম আব্দুর রহীম। তিনি গ্রামে কবর খননের কাজ করতেন। তিনি তাঁর জীবনে অনেক কবর খনন করেছেন। একদিন তাঁর গ্রামে এক  মেম্বার মারা গেলেন। মেম্বারের আত্মীয়স্বজন তাকে কবর খুঁড়তে বললো। তিনি কবর খুঁড়তে গেলেন, কবর  খোঁড়ার সময় তিনি কবর থেকে খুব সুন্দর ঘ্রাণ পাচ্ছিলেন। তিনি বলতে লাগলেন, জানা নাই


Hit Counter provided by Skylight