বিভাগ : জুলই 2015

ঈমানের ভিত্তি উত্তম জিকির এবং দোআ করা : শাইখুল ইসলাম মাওলানা তাকী ওসমানী:-অনুবাদ মাওলানা আলী উসমান

21-6-2012-11-42-26909

শাইখুল ইসলাম মাওলানা তাকী ওসমানী দা. বা. বলেন, রাসূল সা. ইরশাদ করেন, উত্তম জিকির لا اله الا الله এবং সমস্ত দোআর মধ্যে উত্তম দোআ হলো الحمد لله সমস্ত পৃথিবীর অস্তিত্ব উল্লেখিত কালিমার উপর ভিত্তি করেই যেহেতু এই কালিমা দীনের ভিত্তি, ঈমানের মূল, সুতরাং যে যত বেশি এই কালিমা পড়বে ততবেশি তার ঈমানের মজবুতী আসবে। ঈমান

ইতিকাফে মাবুদের সান্নিদ্য লাভের অপূর্ব সুযোগ : মুফতি মোহাম্মদ শোয়াইব

169300554

ইতিকাফ আরবি শব্দ, আভিধানিক অর্থ অবস্থান করা, বসা, বিশ্রাম করা, সাধনা করা, ধ্যান করা ইত্যাদি। শরিআতের পরিভাষায় ইতিকাফ হলো, ইবাদত ও আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির নিমিত্তে পুরুষের জন্য মসজিদে ও নারীদের জন্য আপন ঘরে অবস্থান করা। রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদে ইতিকাফ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদা-ই-কিফায়া। মহল্লার কোনো একজন ব্যক্তি ইতিকাফ পালন করলে সবার পক্ষ থেকে আদায়

জান্নাতের আটটি দরজা : সৈয়াদ সুফিয়া খাতুন

বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি। এদেশে বসবাসরত ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমন। প্রতিদিন সুবহে সাদিকের সময় লক্ষাধিক মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়। আজানের ধ্বনি শুনে মুসলমানদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। সমবেত হয় মসজিদে, এক সাথে আল্লাহর কুদরতি পায়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। সে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। ইসলামের এ সুমহান আদর্শ দেখে বিজাতীরা ১৪শত বছর পূর্বে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছিল। মুসলমানদের অস্তিত্ব পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্রের পথ তারা বেছে নিয়েছিল। কিন্তু তারা সফলতার মুখ দেখেনি। প্রায় দেড় হাজার বছর পর আজও এ ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তবে কালের বিবর্তনে তাদের ষড়যন্ত্রের কৌশলের পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমান যুগকে আধুনিকতার শীর্ষ যুগ বলা হয়। মিডিয়াসহ নানারকম কৌশলের মাধ্যমে তারা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ঈমানকে ধংস করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তাদের এ কৌশল অনেকটা সফলতার দারপ্রান্তে পৌঁছেছে। তারা মুসলমানদের অন্তর থেকে ঈমানের নূরকে বিদূরিত করে নাস্তিক্যবাদ ঢুকিয়ে দিয়েছে। একজন মুসলিম সন্তানের কলম থেকে ইসলামের পক্ষে, বাতিলের বিরুদ্ধে লেখা আসবে। কিন্তু আফসোস! আজ তারই কলম বাতিলের পক্ষে এবংহকের বিরুদ্ধে কথা বলছে। সেসব নাস্তিকদের লেখা পড়ে সরলমনা মুসলমানদের ঈমানের প্রদীপ নিভে যাচ্ছে। দিন দিন বাংলার বুকে নাস্তিকদের আবাস বেড়েই চলছে। একদল নামধারী লেখকদের কু-রুচিপূর্ণ লেখা এবং মিডিয়ায় অশ্লীল ছবির ছড়াছড়িতে আজ যুব সমাজ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। মানুষের মনুষ্যত্ববোধ কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে, ঘর থেকে বের হলেই স্পষ্ট বুঝা যায়। পার্ক, উদ্যানসহ দর্শনীয় স্থানগুলোতে বিবেকবান মানুষের প্রবেশ অনেকটা দুর্লভ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এসব স্থানের পরিবেশ স্বামী-স্ত্রীর একান্ত বাসকেও হার মানায়। এভাবে চলতে থাকলে একসময় বাংলার বুকে অশ্লীল, বেহায়াপনা কাজের নিন্দা জানানোর কোন লোক খুজে পাওয়া যাবে না। মুসলমানদের এ চরম সংকটময় মুহুর্তে একদল সাহসী ওলামায়ে কেরাম ও একনিষ্ট ধার্মিক মানুষ কলমের ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছেন। অনেক বাঁধা বিপত্তিকে উপেক্ষা করে সম্মুখপানে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলার বুকে বেশ কয়েকটি ইসলামী পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে। এসব পত্রিকাগুলোতে বর্তমান পেক্ষাপটে কুরআন-হাদীসের আলোকে ইসলামের সঠিক তথ্য তুলে ধরা হয়। যাতে করে বাংলার প্রতিটি মুসলমান খুজে পায় সরল পথের দিশা। ইসলামী পত্রিকাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি পত্রিকা মাসিক “আল-জান্নাত”। গত এক বছর যাবত আমি পত্রিকাটি পড়ছি। পত্রিকার প্রচ্ছদ এবং তথ্যবহুল লেখা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি মনে করি এমন একটি পত্রিকা প্রতিটি মুসলমানের পঠন অপরিহার্য। কারণ, মিথ্যা, অশ্লীল কথা ও ছবির ছড়াছড়িতে বাজার যখন গরম, তখন ইসলামী পত্রিকাই একজন মুসলমানের জন্য সঠিক তথ্য পাওয়ার একমাত্র সম্বল। ইসলামী পত্রিকার মাধ্যমে একজন মানুষ খুঁজে পেতে পারে তার জীবনে চলার পথের পাথেয় এবং সোনালি ভবিষ্যৎ। সত্য, ন্যায়ের মশালবাহী ওলামায়ে কেরাম ও ধর্ম পিপাসু লোকের মেহনত আল্লাহ যেন কবুল করে বাংলার যমীন থেকে নাস্তিক্যবাদকে চিরতরে নিঃশেষ করে দেন। সদা এই কামনাই করি। পাঠিয়েছে : রুম্মান বিন আল মামুন, আল জামিআ ইসলামিয়া মদীনাতুল উলুম, ব্যাংক কলোনী, সাভার, ঢাকা।

হযরত ইবনে মাসউদ রা. বলেন, নবী কারীম সা. ইরশাদ করেন, জান্নাতের আটটি দরজা রয়েছে। সাতটি দরজা বন্ধ। একটি মাত্র দরজা তাওবার জন্য খোলা রয়েছে। এভাবে পশ্চিম আকাশে সূর্যোদয় হবে [তিবরানি] হযরত উৎবাহ ইবনে আবদ রা. বলেন, নবী কারীম সা. ইরশাদ করেন, জান্নাতের দরজা রয়েছে আটটি আর জাহান্নামের রয়েছে সাতটি। জান্নাতের দরজাসমূহের নাম হযরত আনাস ইবনে

সিয়াম ও সাস্থ্য : আজমেরী মারিয়ম মেরী

Ram

এখন চলছে সিয়াম সাধনার পবিত্র মাস রমজান মাস। পবিত্র রমজান মাসের সিয়াম সাধনা অর্থাৎ রোযা সর্বশক্তিমান আল্লাহর আনুগত্যের একটি। পবিত্র কুরআন মাজীদে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”[সূরা বাকারা ২: ১৮৩] রোযা একটি ফরয ইবাদত

চেয়ারে বসে নামায আদায় : মূলনীতি ও কিছু বিধান :- মুফতী কিফায়াতুল্লা

al-jannatbd.com, আল জান্নাত । মাসিক ইসলামি ম্যাগাজিন, al-jannatbd.com, quraner alo, মাসিক জান্নাত, islamer alo, www.al-jannatbd.com, al-jannat, bangla islamic magazine, bd islam, islamic magazine bd, ব্লগে জান্নাত, জান্নাতের পথ, আল জান্নাত,

ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান হচ্ছে, নামায। আল্লাহপাক যা নবীজী সা. কে মেরাজের রাতে পুরস্কার হিসেবে দিয়েছিলেন। নামায মহান প্রভুর দরবারে দীনতা, নিয়ামতরাজির প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং তাঁর শাহী দরবারে বান্দার নানাবিদ চাহিদা পূরণের মিনতি জানানোর মাধ্যম। ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত নামায। নামাযের এ অসীম গুরুত্বের পাশাপাশি শরীয়তের আরেকটি মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। আর

আধুনিক শিক্ষিত দীনদার ত্যাগ সারল্য ও বিড়ম্বনা: শরীফ মুহাম্মদ

Sirat 01

দ্বীনদার বলতে সাধারণভাবে এখন আমরা বুঝি ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দ্বীনের ওপর অনুশীলনে অভ্যস্ত মানুষ। ইবাদত-আমল, বেশভূষা ও চালচলনে যারা ফরয ওয়াজিব ও সুন্নতের ওপর আমল করতে সচেষ্ট থাকেন, তারাই দ্বীনদার হিসেবে পরিচিত। এ সমাজে এ রকম দ্বীনদার মহলের মাঝে দুটি শ্রেণীর অস্তিত্বই বড় রকমভাবে দৃশ্যমান। একটি শ্রেণী হচ্ছেন দেশের আলেমসমাজ, যারা নিয়মতান্ত্রিক

ঈদুল ফিতর : মুমিনের আনন্দের উৎসব

Ead 03

শুধুমাত্র পরকালীন জীবনে জান্নাতের লোভ আর জাহান্নামের শাস্তির ভয় দেখিয়ে ইসলাম তার অনুসারি মুসলমানদের কাছ থেকে আনুগত্য আদায় করে নিতে চায়নি। মানুষ শুধু কোলুর বলদের মত জীনের ঘানিটাই টেনে যাবে জীবনকে অনুভব করবে না, উপলব্ধি করবে না , জীবনের রসে শিক্ত হবে না এটা ইসলাম কখনো চায় না। উৎসব-আনন্দে, জীবনের জাগরণ আর আত্মার শিরণে মনুষ্য

শাওয়ালের ছয় রোজার ফযীলত : মাওলানা আব্দুস সাত্তার

Helth copy

পবিত্র রমজানের পরবর্তী মাস এবং চন্দ্র মাসের দশম মাস হচ্ছে শাওয়াল। শাওয়াল মাসে অনেক আমল রয়েছে এসব আমলের ফজিলতও অনেক বেশী। রমজান মাসের রোযার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখার গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। রাসূল সা. তাঁর সাহাবিদের শাওয়াল মাসের ছয় রোযা রাখার প্রতি উৎসাহ দিতেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোযা রাখল তারপর শাওয়াল

রমজান এর শিক্ষা : আব্দুল্লাহ আবু নাদরা

Ramjan

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার যিনি রমজান কে সকল মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ বানিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার দরবারে অশেষ শুকরিয়া যে আমাদের কে এই পবিত্র মাসে আবারও অবতীর্ণ হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের কে এই মাসে ব্যাপক নফল, সাদাকা, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির আল্লাহ্কে স্মরণ করা, তারাবীহ-তাহাজ্জুদ ইত্যাদি আদায়ের মাধ্যমে তাকওয়া অর্জনের

হালাল ও হারাম : উপর্জনের লাভ ও ক্ষতি

আমাদের অজানা নয় যে, এ বিশ্বের গোটা রক্ষা ব্যবস্থা মানুষের পারস্পরিক সাহায্য ও সহযোগিতার উপর প্রতিষ্ঠিত। যদি একজন অন্য জনকে সাহায্য না করে, তবে একাকী মানুষ হিসেবে সে যতই বুদ্ধিমান, শক্তিশালী ও বিত্তশালী হোক, জীবন ধারণের প্রয়োজনীয় আসবাব-পত্র কিছুতেই সংগ্রহ করতে পারবে না। একাকী মানুষ স্বীয় খাদ্যের জন্য শস্য উৎপাদন থেকে শুরু করে আহার্য করা পর্যন্ত সব স্তর অতিক্রম করতে পারে না। এমনিভাবে পোশাক-পরিচ্ছদের জন্য তুলা চাষ থেকে শুরু করে দেহের মানানসই পোশাক তৈরি করা পর্যন্ত অসংখ্য সমস্যার সমাধান করতে একাকী কোন মানুষ কিছুতেই সক্ষম নয়। আল্লাহ তা’আলা স্বীয় অসীম জ্ঞান ও পরিপূর্ণ ক্ষমতায় বিশ্ব চরাচরের জন্যে এমন অটুট ব্যবস্থাপনা রচনা করেছেন, যাতে প্রত্যেকটি মানুষই জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্য হাজারো লাখো মানুষের মুখাপেক্ষী। দরিদ্র ব্যক্তি পয়সার জন্যে যেমন ধনীর মুখাপেক্ষী, তেমনি শ্রেষ্ঠতম ধনী ব্যক্তিও পরিশ্রম ও মেহনতের জন্যে দিনমজুরের মুখাপেক্ষী। তদ্রুপ ব্যবসায়ী গ্রাহকের মুখাপেক্ষী আর গ্রাহক ব্যবসায়ীর মুখাপেক্ষী। গৃহনির্মাতা রাজমিস্ত্রী ও কর্মকারের মুখাপেক্ষী, আর এরা গৃহনির্মাতার মুখাপেক্ষী। চিন্তা করলে দেখা যায়, এ সাহায্য সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা শুধু পার্থিব জীবনের জন্যে নয় বরং মৃত্যু থেকে নিয়ে কবরে সমাহিত হওয়া পর্যন্ত সকল স্তরে এ সাহায্য সহযোগিতার মুখাপেক্ষী। বরং এরপরও মানুষ জীবিতদের ইছালে ছওয়াব ও দুআয়ে-মাগফিরাতের মুখাপেক্ষী থাকে। যদি এহেন সর্বব্যাপী মুখাপেক্ষিতা না থাকতো, তবে কে কার সাহায্যে এগিয়ে আসতো। মোটকথা, সমগ্র বিশ্বের ব্যবস্থাপনা পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতার উপর প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু এ চিত্রের একটা ভিন্ন পিঠও আছে। তা এই যে, যদি চুরি, ডাকাতি, হত্যা, লুণ্ঠন ইত্যাদির জন্যে পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতা হতে থাকে ও চোর ডাকাতদের বড় বড় দল গঠিত হয়ে যায়, তবে এ সাহায্য ও সহযোগিতাই বিশ্বব্যবস্থাকে বিধ্বস্ত ও তছনছ করে দেয়। এতে বুঝা গেল যে, পারস্পরিক সহযোগিতা একটি দুধারী তরবারী। যা প্রয়োগ ব্যতীত বিশ্বের ব্যবস্থাপনা চলে না। ক্ষুর এর ভুল ব্যবহার গোটা বিশ্বব্যবস্থাকে বানচাল করে দেয়। সেজন্য কুরআন সুন্নাহ পরস্পর সহযোগিতার একটি মূলনীতি নির্ধারণ করে দিয়েছে। যা অবলম্বনে বিশ্বব্যবস্থা অটুট থাকবে আর মানুষের জীবনে নেমে আসবে সুখ-শান্তি, আরাম ও আনন্দের স্রোতধারা। এ মর্মে আল্লাহ তা’আলা কুরআনে কারীমে ইরশাদ করেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সহযোগিতা করো, গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহায়তা করো না। [সূরা মায়েদা : ২] চিন্তা করলে দেখা যায় যে, কুরআনে কারীম এ আয়াত কেবল মুসলমানদেরকে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিচ্ছে। তাও শুধু সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির ক্ষেত্রে। এর দ্বারা সুস্পষ্টভাবে একথা প্রতীয়মান হয় যে, গুনাহ ও জুলুমের ক্ষেত্রে কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না, যদিও সে মুসলমান হয়। বরং তাকে গুনাহ ও জুলুম থেকে বিরত রাখাই হবে প্রকৃত সহায়তা। বুখারি শরীফে হযরত আনাস রা. থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, তোমার (মুসলিম) ভাইকে সাহায্য কর, চাই সে জালেম হোক কিংবা মাজলুম হোক। সাহাবায়ে কেরাম রা. বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! মাজলুমকে সাহায্য করার অর্থ বুঝতে পেরেছি, কিন্তু জালেমকে সাহায্য করার দ্বারা কি উদ্দেশ্য? তখন রাসূল সা. ইরশাদ করেন, তাকে জুলুম থেকে বিরত রাখ, এটিই তার সাহায্য। [বুখারি : ৩/১৩৮-হাদীস নং ২৪৪৪] কুরআন পাকের এ শিক্ষা, সৎকর্ম ও তাকওয়া তথা আল্লাহভীতিকে মাপকাঠি বানিয়েছে। এর ভিত্তিতেই পারস্পরিক সাহায্য সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে। আর এর বিপরীতে পাপ ও অত্যাচারকে কঠোর অপরাধ গণ্য করেছে এবং এতে সাহায্য-সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছে। এ মর্মে রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি হেদায়েত ও সৎকর্মের প্রতি আহ্বান জানায়, কেয়ামত পর্যন্ত তার ডাকে সাড়াদানকারী লোকদের ছাওয়াবের সমপরিমাণ তাকে দেয়া হবে। এতে তাদের ছাওয়াব হ্রাস করা হবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি পাপের প্রতি আহবান করে, কেয়ামত পর্যন্ত তার ডাকে সাড়াদানকারীদের গুনাহের সমপরিমাণ গুনাহ তাকে দেয়া হবে। এতে তাদের গুনাহ হ্রাস করা হবে না। [মুসলিম শরীফ : ৪/২০৬০- হাদীস নং ২৬৭৪] অন্য রেওয়ায়েতে রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কোন অত্যাচারীর সাথে তার সাহায্যার্থে বের হয়, সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যায়। [মুজামুল কাবীর তাবরানী : ১/২২৭] হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. সূত্রে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি কোন ঝগড়া-বিবাদে অন্যায় পথে সহযোগিতা করে, সে আল্লাহর অসন্তুষ্টির মধ্যে থাকে, যতক্ষণ না তা হতে ফিরে আসে। [মুসতাদরাকে হাকেম : ৪/৯৯- হাদসি নং ৭০৫১, বাইহাকী : ৬/১২৩- হা. ৭৬৭৬] এছাড়াও হাদীসের গ্রন্থাবলীতে এ প্রসঙ্গে আরও অসংখ্য হাদীস বর্ণিত রয়েছে, যেগুলি অধ্যয়ন করলে একথাই পরিস্ফুটিত হয় যে, সৎকাজ ও আল্লাহভীতিতে সহায়তা করা প্রত্যেক মুমিনের কর্তব্য আর গুনাহ ও জুলুমের ক্ষেত্রে সহায়তা হারাম। গুনাহের ক্ষেত্রে সহায়তা করার কয়েকটি চিত্র আল্লামা আশেকে ইলাহী বুলন্দশহরী রহ. স্বীয় তাফসীর গ্রন্থ আনওয়ারুল বয়ানে উল্লেখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় লিখেন, যে চাকরী বা পদের কারণে গুনাহে লিপ্ত হতে হয়, তা গ্রহণ করা হারাম, এভাবে গুনাহের আইন প্রণয়ন করাও হারাম। কেননা, এর দ্বারা গুনাহের কাজে সহযোগিতা করা হয়। এমনিভাবে মদের কারখানায় চাকুরী করা কিংবা অন্য কোন মাধ্যমে সহযোগিতা করা অথবা এমন চাকুরী করা যাতে শরীয়ত পরিপন্থী কাজে অন্যকে সহায়তা করা হয় বা সুদ-ঘুষের লেন-দেন করা হয় অথবা সুদ-ঘুষ আদান-প্রদানের মাধ্যম হতে হয়, এধরণের চাকুরী করা হারাম এবং তা থেকে অর্জিত বেতন হারাম। এভাবে চোর, ডাকাত, লুটতরাজকারী ও অত্যাচারীর সহায়তা করাও হারাম। [তাফসীরে আনওয়ারুল বয়ান : খ-৩, পৃ. ১২] রাসূল সা. ও সাহাবায়ে কেরামের যুগে এ শিক্ষার সুফল রাসূলুল্লাহ সা. কে যখন দুনিয়ায় প্রেরণ করা হলো তখন ত পুরো ‘আরব উপদ্বীপ’ নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিরতার নরকে পরিণত ছিল। হত্যা ও নাশকতার বাজার গরম ছিল। লুণ্ঠনকে বীরত্ব ও বাহাদূরী মনে করা হতো। কন্যা সন্তানকে জীবন্ত দাফন করে বড়াই করা হতো। নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থীরতার সেই পরিবেশে রাসূলুল্লাহ সা. সংবাদ দিয়েছিলেন, একটা সময় আসবে একজন নারী একাকী হীরা থেকে ভ্রমণ করে মক্কায় এসে তাওয়াফ করবে, আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে সে ভয় করবে না। [বুখারি শরীফ : ৪/৫৩৮ হাদীস নং ৩৫৯৫] জগদ্বাসী প্রত্যক্ষ করেছে, রাসূল সা. এর ইন্তেকালের পূর্বেই সেই সময় এসেছিল। যে ‘আরব উপদ্বীপ’ হিংসা বিদ্বেষ, শত্র“তা ও অস্থিরতার জলন্ত আঙ্গার ছিল, সেখানে ভালোবাসা, হৃদ্রতা, একতা, শান্তি ও নিরাপত্তার ফুল প্রস্ফুটিত হয়েছিল ও গড়ে উঠেছিল বেহেশতি নহরের পানিতে বিধৈাত একটি সুশীল আদর্শ সমাজ। আরবের এ চিত্র পুলিশ কিংবা প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে হয়নি। বরং কুরআন সুন্নাহর এ শিক্ষার ফলে হয়েছিল। কুরআন সুন্নাহর এ শিক্ষাই মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রতিটি ব্যক্তির অন্তরে তাকওয়া তথা আল্লাহভীতির বীজ রোপণ করে দিয়েছিল। এবং প্রতিটি ব্যক্তিকে অপরাধ উৎপীড়ণ দমনের জন্যে সিপাহী রূপে গড়ে তুলেছিল। আর বানিয়েছিল তাদেরকে তাকওয়া ও সৎকাজের অনন্য সহযোগী। এর ফলে সৎকাজের সহযোগিতায় তারা ছিলেন প্রতিযোগী। আর অসৎকাজ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখতে অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায়। তদ্রুপ নিজেকে পাপ ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে তারা ছিলেন সর্বদা সচেতন। এরই অনিবার্য পরিণতি ছিল যে, তারা অপরাধের প্রতি পা বাড়াতেনই না। ঘটনাক্রমে যদি কখনও অপরাধ সংঘটিত হয়ে যেত, আল্লাহর ভয় তাদেরকে অস্থির করে তুলত, তখন নিজেই রাসূল সা. এর দরবারে গিয়ে স্বীকার করতো। যতক্ষণ পর্যন্ত এর পূর্ণ প্রতিকার না হতো পরকালের চিন্তায় ততক্ষণ পর্যন্ত শান্তি পেতো না। কুরআনের এ শিক্ষা পরিহারের পরিণাম কিন্তু আমাদের অবস্থা এর সম্পূর্ণ বিপরীত। আমরা গুনাহের ক্ষেত্রে সহায়তা ও সৎকাজে বাধা প্রদান করতে ব্যতিব্যস্ত। সচরাচর পরিলক্ষিত হয় যে, যদি কোন ব্যক্তি ইসলামী বেশভূষা গ্রহণ করতে চায়, সুন্নতি পোশাক পরিধান করতে চায়, সুন্নত মোতাবেক জীবন যাপন করতে চায়, তখন তার বন্ধুবান্ধব, পরিবারবর্গ ও অফিসের লোকজন চেষ্টা করে, সে যেন এই ছাওয়াবের কাজ থেকে বিরত থাকে এবং আমাদের ন্যায় (পাপী) হয়ে যায়। আজকাল সৎকাজে সহায়তা করতে কেউ প্রস্তুত নয়। কিন্তু কেউ যদি গুনাহ করার ইচ্ছা করে তখন সবাই তার সহযোগী হয়। হারাম উপার্জন করলে, সুদ গ্রহণ করলে ও দাড়ি মুন্ডালে স্ত্রীও খুশী, মা-বাবাও খুশি, বন্ধু-বান্ধব ও সমাজের লোকজন খুবই খুশী। যদি সৎপথে চলতে চায়, সুন্নাতের উপর চলতে চায়, তখন সবাই অসন্তুষ্ট। বন্ধু নিজের পকেটের টাকা খরচ করে সিনেমা হলে নিয়ে যায়। গান বাদ্য ও মদের আসরে নিয়ে যায়। তারপর ধোঁকা দিয়ে নাপিতের দোকানে নিয়ে যায়, নিজের পকেটের টাকা দিয়ে দাড়ি কামিয়ে দেয়। আবার অনেকে অন্যের দুনিয়া সাজাতে নিজের আখেরাত ধ্বংস করে। যেমন, নির্বাচনের সময় ভোটার এবং সমর্থকরা একথা ভালোকরেই জানে যে, আমরা যে পার্থীকে পদে বসাতে চাচ্ছি সে একজন ফাসেক ও জালেম। পদ অর্জনের পর তার জুলম আরো বৃদ্ধি পাবে। তবুও তার সহযোগিতায় লিপ্ত থাকে। তাকে সফল করার লক্ষে তার প্রতিপক্ষের দুর্ণাম রটিয়ে বেড়ায়। কখনো কখনো বিপক্ষের লোকদেরকে হত্যাও করা হয়। এটি কতবড় অহমিকা ও নির্বুদ্ধিতা যে, নিজের আখেরাত ধ্বংস হবে আর অন্যের দুনিয়া অর্জন হবে। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন, কিয়ামতের দিন নিকৃষ্টতম ব্যক্তিদের মধ্যে ঐ ব্যক্তিও হবে যে, অন্যের দুনিয়ার জন্যে নিজের আখেরাত ধ্বংস করেছে। [ইবনে মাজা : ৪/৩৩৯ হা. ৩৯৬৬] আজ আমাদের গুনাহ ও অপরাধের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার কারণে, সারাবিশ্বে অপরাধ, চুরি, ডাকাতি, অশ্লীলতা, হত্যা, লুণ্ঠন ইত্যাদি ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ তা দমন করতে অক্ষম হয়ে পড়েছে। এহেন দুর্গতি, দুরাবস্থা ও অস্থিরতা থেকে দেশ ও জাতিকে মুক্ত করতে হলে, কুরআনের এই মূলনীতি অনুসরণ হবে এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত ও অপরাধ দমনের লক্ষে প্রত্যেক ব্যক্তিই সচেষ্ট হতে হবে। শিক্ষার্থী : উচ্চতর তাফসীর গবেষণা বিভাগ, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা।

আল্লাহ তাআলা বলেন, হে লোক সকল! ভূপৃষ্ঠের হালাল ও পবিত্র জিনিস খাও। শয়তানের অনুস্মরণ করনা। নিঃসন্দেহে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন। সে তোমাদের আদেশ করবে যে আল্লাহর বিরুদ্ধে এমন সব কথা বল যা তোমাদের জানা নাই। [সুরা বাকারা:১৬৯] ব্যাখ্যা শাইখুল ইসলাম হযরত মাওলানা শিব্বীর আহমদ উছমানী রহ. আয়াতে মোবারকের টিকা সংযুক্ত করেন- “আরববাসি মুর্তি-পূঁজা করত। ষাঁড়

রোহিঙ্গ মুসলিম হত্য : বিশ্ববিবেকের নিরবতা : আতিকুর রহমান নগরী

3 Taka Horse Ride_ Dhaka Zoo_ Mirpur

প্রান্তেই নজর দেবেন মুসলিম নির্যাতন কোথাও খুব বিরল নয়। বর্তমান দুনিয়ার সবচে স্বল্পমূল্য জিনিসগুলোর তালিকায় চলে এসেছে মুসলিমদের রক্ত। ধরাপৃষ্ঠের অন্য কোনো জাতি বা ধর্ম ইসলাম বা মুসলিমের মতো নির্যাতিত নয়। জগতের সবচে বড় নিগৃহিত জাতির নাম মুসলিম। আধুনিক দুনিয়ায় বসনিয়া-চেচনিয়া-জিংজিয়াং ও মিন্দানাওয়ের পর কাশ্মির-গুজরাট-আসাম, ফিলিস্তিন-আফগান-ইরাক ও মায়ানমারে চলছে মুসলিম নিধনযজ্ঞ। জাতিসঙ্ঘের ঘোষণা অনুযায়ী পৃথিবীতে

শরীয়তের দৃষ্টিতে কনে দেখা ও পাত্রপাত্রী নির্বাচন : মুফতি পিয়ার মাহমুদ

Biye

কনে দেখা: বিয়ে-শাদীর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পাত্র-পাত্রী নির্বাচন। দাম্পত্য জীবনের পরিধি যেমন অত্যন্ত ব্যাপক ও বিস্তৃত এর সমস্যাও তেমন খুবই বিস্তৃত, জটিল ও স্পর্শকাতর। এ জন্য বিয়ের পূর্বেই পাত্র-পাত্রী দেখে সকল দিক গভীরভাবে তলিয়ে দেখা জরুরী, যেন পরবর্তীতে এ সংক্রান্ত কোন সমস্যা দাম্পত্য জীবনকে দুর্বিষহ না করে তোলে। এ জন্য ইসলাম এর প্রতি

ছোট গল্প : বড় আপু :- মুস্তাকিম আমীর

69bk

সেই বেলা তিনটা থেকে বার তের বছরের একটি কিশোর হেঁটে চলছে দিনাজপুর শহরের রাস্তার ফুটপাত ধরে। খুঁজে ফিরছে মহাজন পাড়া উত্তর ফরিদপুর এর ৩৩ নং বাড়িটা। কিন্তু তিন চার ঘণ্টা খুঁজেও বাড়িটার সন্ধান পায়নি। এদিকে দিনমণি তার আলো গুটিয়ে বিদায়ের হাতছানি দিয়ে লুকিয়ে গেছে পশ্চিমাকাশে। প্রকৃতি তিমিরের চাদরে আবৃত হওয়ার সাথে সাথে প্রকৃতিতে নেমে এসেছে

ইসমাঈল যাবিহুল্লাহর এর গঠনা

5853313-kaaba-mecca-saudi-arabia

পূর্ব প্রকাশিতের পর….. আল্লাহর বাণী: এবং সে বলল, ‘আমি আমার প্রতিপালকের দিকে চললাম, তিনি আমাকে অবশ্যই সৎ পথে পরিচালিত করবেন’ হে আমার প্রতিপলক! আমাকে এক সৎকর্মপরায়ণ সন্তান দান কর। তারপর আমি তাকে এক স্থির-বুদ্ধি পুত্রের সুসংবাদ দিলাম। অতঃপর সে যখন তার পিতার সঙ্গে কাজ করার মত বয়সে উপনীত হল, তখন ইবরাহীম আ. বলল, ‘বৎস! আমি

কিশোরের হাতরে রক্তরে চিঠি

Rokter Chiti

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… খাদ্য সমগ্রী বা জাহাজ মেরামতের প্রয়োজন না হলে কোনো রাজ্যেই ভিড়ছে না তারা। অবিরাম চলছে কাফেলাটি। যেন দ্রুত পৌঁছতে পারে তাদের গন্তব্যস্থানে। এভাবে চলছে নাহিদা খালেদ ও যোবায়েরদের লঙ্কা দ্বীপের নতুন এ কাফেলাটি। জাহাজের ভিতরে কেউ কুরআন শরীফ পড়ছে, কেউ নামায পড়ছে আবার কেউ চুপ করে গালে হাত দিয়ে বসে দেখছে সমুদ্রের

শয়তানরে ডায়রেী

ec95_polar_ice_crystal_clear_ice_cube_tray_ice

পূর্ব প্রকাশিতের পর তখন আমি একজন দূরদর্শীর ন্যায় কপাল খিচিয়া, চক্ষু বড় করিয়া বলিলাম, হযরত নূহ তাহার উম্মতের জন্য যে নৌকাখানি তৈরী করিয়াছেন তোমরা সকলে একত্রিত হইয়া আগামিদিন হইতে উহার মধ্যে বাহ্য করিতে আরম্ভ করিয়া দাও। এমমনিক দুইচার দিনের মধ্যে উহাকে একটি পায়খানায় পরিণত করিয়া ফেল। ইহার ফলে হযরত নূহ লজ্জা আর ঘৃণায় আর উক্ত

দশে বদিশেরে খবর

Des-Bideser Khobor copy

এবার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ৬০ টাকা এবার ঈদুল ফিতরে ন্যূনতম ফিতরা ৬০ টাকা ও সর্বোচ্চ ১৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বধুবার সকাল সাড়ে ১০টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে ফিতরা নির্ধারণী সভায় এর হার নির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন দ্বীনি ও দাওয়া বিভাগের পরিচালক এ এম সিরাজুল ইসলাম। সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামি শরিয়াহ

কবিতাগুচ্ছ : আমার জন্মভূমি,

flower-wallpaper-rose-in-love.306161803

[আমার জন্মভূমি] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : ও আমার জন্ম ভূমি, দেশের মাটি রাণীরমত রূপযে খাঁটি। কামিনী আর মাটির ঘ্রাণে মন জুরিয়ে যায়। লতা পাতায় ফুলে ফলে পাখির গানের তালে তালে রাখাল বাশির সুরে সুরে নদীর ঢেউ যে দুলা খায়। তোমার বুকে ঘুমাই যখন মায়ের কুলে থাকি তখন। ভোর বেলাতে যখন উঠি ঠিক মনে হয় শীতল

গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ও তার শরীয়ত সম্মত জবাব : মাসিক আল-জান্নাত

Islamic_Books

মুহাম্মাদ নূরুল আমীন, কয়রা, খুলনা প্রশ্ন: রোযা রাখলে স্বাভাবিকভাবে সারাদিন লেখা-পড়া করা সম্ভব হয় না। এতে লেখা-পড়ায় ক্ষতি হয়। এ ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য রোযা না রাখা জায়িয হবে কিনা? জানিয়ে বাধিত করবেন। উত্তর: লেখা-পড়ার ক্ষতি হবে এ জন্য ফরয রোযা বর্জন করা জায়িয হবে না। এমনকি পরে তা কাযা করার নিয়্যাত থাকলেও এ ক্ষেত্রে

হযরত আলী রা. এর জীবনী : মুহা. কেফায়াতুল্লাহ শাকির

Karbala

নাম ও বংশ পরিচয়: নাম আলী, পিতার নাম আবু তালিব, মাতার নাম: ফাতিমা বিনতে আসাদ। ৬০০ খৃষ্টাব্দে তিনি মক্কার বিখ্যাত কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন হযরত মুহাম্মদ সা. এর চাচাত ভাই। তার ডাক নাম আবু তোরাব ও আবুল হাসান। ইসলাম গ্রহণ ও মদীনায় গমন: রাসূল সা. এর নবুওয়াতের শুরুতেই হযরত আলী রা. ইসলাম গ্রহণ

হুযূর আকরাম সা. সম্পর্কিত দুর্লভ কিছু তথ্যাবলী : -আঞ্জুমানআরা

1904049_1475373812713486_3803293563363009027_n

প্রশ-১. হুযূর সা.এর পৃষ্ঠদেশে মোহরে নবুওয়াত কে স্থাপন করেছিল ও তাতে কি লেখাছিল? উত্তর-১. বেহেশতের প্রহরী ‘রিদওয়ান’ হুযূরের পৃষ্ঠদেশে মোহরে নবুওয়াত স্থাপন করেছিলেন এতে লিখা ছিল অগ্রসর হও, তুমি সাহায্যপ্রাপ্ত। আর কেউ বলেন এতে লিখা ছিল[খাসায়েসে নববী পৃষ্টা ১৬] প্রশ্ন-২. বেহেশতে হুযূর সা. এর সাথে দুনিয়ার কোন কোন মহিলার বিবাহ হবে? উত্তর-২. বেহেশতে তিন জন


Hit Counter provided by Skylight