বিভাগ : জুন-14

সম্পাদকীয় : আল্লাহ ও রাসূলের কাছে মর্যাদাসম্পন্ন মাস শাবান

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং শান্তি বর্ষিত হোক মুহাম্মদ সা. ও তার সাহাবীদের উপর। আরবি চান্দ্রমাসের মধ্যে শাবান মাস হলো বিশেষ ফযীলতপূর্ণ। এ মাস মহান স্রষ্টা আল্লাহপাকের রহমতপ্রাপ্ত বিশেষ মর্যাদাসম্পন্ন একটি মাস। এ মাসে রয়েছে লাইলাতুল বরাতের মতো অত্যন্ত বরকতময় রজনী, যাকে বলা হয় মাহে রমযানের আগমনী বার্তা। শাবান মাস মূলত পবিত্র মাহে রমযানের প্রস্তুতির

হালাল ও হারামের তাৎপর্য : হাফেজ রিদওয়ানুল কাদির

মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, হে মানবজাতি, ভূপৃষ্ঠে যা রয়েছে তা থেকে হালাল, পবিত্র বস্তু আহার করো এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের সুস্পষ্ট শত্রু। [সূরা বাকারা : ১৬৮, ১৬৯] শায়খুল ইসলাম শিব্বীর আহমদ উছমানী রহ. উক্ত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যায় লিখেন যে, তদানীন্তনকালে আরবজাতি মূর্তিপূজা করত এবং মূর্তির নামে বিভিন্ন জীবজন্তু মানত করত

স্বাগতম : হে আত্মশুদ্ধির পবিত্রতম মাহে রমযান : মাওলানা আলী উসমান

বছর ঘুরে প্রতি বছর শান্তির পয়গাম, পুণ্যের আহ্বান, জান্নাতের হাতছানি, বরকতের সওগাত, রহমতের আশ্বাস, মুক্তির প্রতিশ্র“তি, বদরের গৌরব, কদরের সম্মান ও সর্বময় কল্যাণ নিয়ে আগত মহীয়ান মাহে রমযান। মুমিনের প্রতীক্ষিত ও কাঙ্খিত মাস রমযানুল মোবারক। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে আসছে রমযান মাস। মোবারক হো মাহে রমযান! রমযানের শান্ত কোমল বেহেশতি আবহে হৃদয়টা যেন

হাশরের ময়দানে শাফায়াত ও আমল অনুযায়ী নূরের বন্টন : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

আল জান্নাত । মাসিক ইসলামি ম্যাগাজিন, al-jannatbd.com, quraner alo, মাসিক জান্নাত, islamer alo, www.al-jannatbd.com, al-jannat, bangla islamic magazine, bd islam, islamic magazine bd, ব্লগে জান্নাত, জান্নাতের পথ, আল জান্নাত,

অভিশাপকারীরা শাফাআতের মর্যাদা লাভ থেকে মাহরূম হবে হযরত আবু দারদা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, লানত (অভিশাপ) দেওয়ায় অভ্যস্ত লোকেরা কেয়ামতের দিন সাক্ষীও হবেনা এবং শাফাআতকারীও হবে না। এ বদ অভ্যাসের কারণে তাদের সাক্ষ্য দান এবং শাফাআত করার অধিকার দেয়া হবেনা, অথচ তা বড় সৌভাগ্য এবং ইজ্জতের বিষয়। [মুসলিম] মুজাহিদের শাফাআত তিরমিযী শরীফের

যিনি ছিলেন এ ধরার রহমত : মাওলানা আমীরুল ইসলাম

আমাদের প্রিয় নবী রাহমাতুল্লিল আলামীন। তিনি যে রহমত ও দয়ার মূর্ত প্রতীক ছিলেন, তা আর কোন নূতন বিষয় নয়। মহান আল্লাহ তাআলা এ মর্মে সোয়া চৌদ্দশত বৎসর পূর্বেই ঘোষণা করেছেন- আমি আপনাকে এ পৃথিবীর জন্য কেবল রহমত করে পাঠিয়েছি। [সূরা আম্বিয়া : ১০৭] দয়া ও করুনা বিনয় ও নম্রতা; আদর্শ ও আত্মত্যাগ; ভালোবাসা ও উদারতা

আপনি আপনার জন্যই দান করুন : আবদুল্লাহ মুকাররম

সে দিন এক বন্ধু ফেইসবুকে একটি করুন ছবি পোষ্ট করেছেন। সেখানে একটি খোলা ডাষ্টবিন। ময়লা ছড়িয়ে আছে চারপাশে। একটি কুকুর সেখান থেকে খাবার কুড়িয়ে খাচ্ছে। তার পেছনেই ছোট্র একটি পথশিশু উচ্ছিষ্ট খাবারের প্যাকেট নিয়ে চাটছে। মাঝ বয়সের আরেকটি মানুষ কুকুরটির সামনে দিয়ে তার ঘার ডিঙ্গে খাবারের আশায় ছেড়া একটি প্যাকেট হাতে নিচ্ছে। ডাষ্টবিনে একই সঙ্গে

আল্লাহ কোন কিছুই অনর্থক সৃষ্টি করেননি : আজমেরী মরিয়াম মেরী

“তোমরা কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহ তোমাদের কল্যাণে আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সমস্ত কিছু নিয়োজিত করেছেন?” [সূরা লোকমান  : ২০] “আকাশ ও পৃথিবী এবং এদের অন্তর্বর্তী কোন কিছুই আমি ক্রীড়াচ্ছলে সৃষ্টি করি নাই।’’ [সূরা আম্বিয়া : ১৬, সূরা দুখান : ৩৮] উক্ত আয়াতসমূহের দাবি অনুসারে বলা যায় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সবকিছুই মানুষের কল্যাণে সৃষ্টি

সর্বত্র গোনাহের ছড়াছড়ি মুক্তির একমাত্র পথ তাকওয়া : যোবায়ের বিন জাহিদ

এবার গ্রীষ্মের ছুটিতে বাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। অন্যান্য ছুটিগুলোতে কিছু সময় দাওয়াত ও তাবলীগের মেহনতে অতিবাহিত করার সৌভাগ্য হয়। কিন্তু এবার দাদীর অসুস্থতার কারণে দাদীর পাশে থেকে তাঁর সেবা-শুশ্রƒষা করতে পারাটাও আমার কাছে সৌভাগ্যের বিষয় বলে মনে হলো। তাই তাবলীগে না গিয়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা হলাম। ঢাকা থেকে কুড়িগ্রাম অনেক দীর্ঘ পথ। রাত প্রায় এগারটা

“শবে বরাত” একটি মহিমান্বিত রজনী : মাওলানা আ.ব.ম. মাহবুবুর রহমান

আল্লাহ তাআলা হযরত মুহাম্মদ সা. এর উম্মতের বয়স বা গড়আয়ু পূর্ববর্তী নবীদের উম্মতের বয়সের তুলনায় অনেক কম দান করেছেন। উম্মতে মুহাম্মদির গড়আয়ু ষাট-সত্তর বছর। পূর্বেকার নবীদের গড়আয়ু ছিল শত-সহস্র বছর। তারা দীর্ঘ হায়াত লাভ করার কারনে তাদের জীবনে অনেক ইবাদত বন্দেগি করার সুযোগ পেত। অথচ উম্মতে মুহাম্মদির গড়আয়ু ষাট-সত্তর বছর। উম্মতে মুহাম্মদির যেন জীবনের এই

ব্যাংকে টাকা রাখার শরয়ী আহকাম : ফারহিন জান্নাত

বর্তমানে টাকা সংরক্ষণের অধিক নিরাপদ ও সহজলভ্য উপায় হচ্ছে ব্যাংক; উপরন্তু ব্যাংকের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। মিথ্যা, জালিয়াতি, চুরি-ছিনতাই ও রাহাজানির এ যুগে মানুষ নিজের কষ্টার্জিত অর্থকড়ি হেফাজতের জন্য ব্যাংকের দ্বারস্থ হচ্ছে। তাই বলা যায়, সামাজিক জীবনে ব্যাংক এখন এক অপরিহার্য অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়েছে। একটি দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্যতা ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার এক অব্যর্থ অস্ত্র হচ্ছে

গীবতের ভয়াবহ পরিনাম এবং তার প্রতিকার : মো. সাফওয়ান আহমদ

আমাদের সমাজে আমরা অহরহ নিজেদের জানা ও অজানা অবস্থায় যেই গোনাহটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে করে থাকি তা হচ্ছে ‘গীবত’। এটি এমন একটি গোনাহ যা করার সময় আমাদের মনে হয়না যে আমরা গোনাহ করছি। কেননা আমরা জানিনা গীবত কি? গীবতের শাব্দিক অর্থ কি? গীবতের শাব্দিক অর্থ হল পরনিন্দা বা সমালোচনা, হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে- রাসূল সা.-কে

মহিলাদের নামায আদায়ের শ্রেষ্ঠ স্থান : মাওলানা শিব্বীর আহমদ

নারী-পুরুষের শারীরিক গঠন, সক্ষমতা, নিরাপত্তা ইত্যাদি নানা বিষয়ে যেমন পার্থক্য রয়েছে, তেমনি পার্থক্য রয়েছে শরীয়তের অনেক বিষয়ে। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে, সতর। নারী-পুরুষ সকলের সামনেই পুরুষের সতর হচ্ছে নাভী থেকে হাঁটু পর্যন্ত, পক্ষান্তরে পরপুরুষের সামনে মহিলার প্রায় পুরো শরীরই ঢেকে রাখা ফরয। নারী-পুরুষের মাঝে এরকম পার্থক্যসম্বলিত একটি ইবাদত হচ্ছে নামায। তাকবীরে তাহরীমার জন্যে হাত উঠানো, হাত

তাওবার জন্যকি কারো সাহায্য প্রয়োজন? হা. মাও. ফয়জুল্লাহ ছিদ্দীকী

আল্লাহ তাআলা হলেন পরম ক্ষমাশীল ও চির দয়ালু। আর মানুষ মানবিক চাহিদা সম্বলিত। তাই ভুল-ত্র“টি, গোনাহ থেকে সম্পূর্ণ নিষ্কলুষ থাকা তার জন্য একেবারেই দুষ্কর। বে-খেয়াল ও অবহেলা এবং অমনোযোগী লোক তো গুনাহের মধ্যে হাবুডুবু খেতে থাকে। আর দীনদার ও নেককার লোকেরাও কখনো ছোট বড় গুনাহে লিপ্ত হয়ে যায়। তদুপরি, আনুগত্য ও ইবাদতের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো-

পবিত্র রমযানে কিয়ামুল্লাইলের গুরুত্ব : গোলাম মোস্তফা

আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন, আলো, বাতাস, পানি দিয়ে লালন-পালন করে যাচ্ছেন- সে কারণে তার বান্দা হিসেবে দৈনিক পাঁচবার হাজিরা দেয়ার জন্য ফরজ নামায আদায় করতে হবে। ইসলামে নামাযের গুরুত্ব অপরিসীম। রাসূল সা. বলেছেন, কাফের এবং মুমিনের মধ্যেপার্থক্য হলো নামায। নামায আদায়ের বহু উপকারিতা ও ফযীলতরয়েছে। যেমন : ১. আর্থিক ২. শারীরিক ৩. সামাজিক ৪. পারলৌকিক।

আম্বিয়ায়ে কিরামের জ্ঞান ও অন্যান্য জ্ঞানের মাঝে তফাত কতটুকু : আলেমা শামীমা বেগম

আম্বিয়ায়ে কিরাম আ. যদিও স্বীয় যুগের শ্রেষ্ঠতম যোগ্যতাসম্পন্ন, সূক্ষ্ম অনুভূতি ও কোমলতার অধিকারী, সৃষ্টিগত মেধাবী ও ধীশক্তিধর হয়ে থাকেন, তবুও তারা কালের প্রচলিত ও প্রবর্তিত জ্ঞান-বিজ্ঞানে অংশ নেন না। এজন্য তারা এসব বিষয়ে নিজেদেরকে ব্যুৎপন্ন হওয়ার আদৌ দাবিও করেন না, বরঞ্চ ওইসব জিনিস থেকে পৃথক থেকে একমাত্র নবুওয়াতের দায়িত্ব আদায় এবং সে খিদমত পুরোপুরি আঞ্জাম

রমযানে দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি এক অমানবিক ক্রিয়া : ইবরাহিম খলিলুল্লাহ ছাদেকী

রমযান মাস আল্লাহ প্রদত্ত এক বড় নেয়ামত আল্লাহু রাব্বুল আ’লামীন যখন থেকে মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন, ঠিক সেই মুর্হত থেকেই এ জাতিকে কোটি কোটি নেয়ামত এর মাঝে ডুবিয়ে রেখেছেন। যেমন: জীবন-যৌবন, আকাশ-বাতাস, শ্বাস-প্রশ্বাস, ফল-ফলাদি, রাত-দিন, মাস-বছর ইত্যাদি। তবে আমাদের সবার উপর পরম করুণা করে আল্লাহ জাল্লা জালালুহু রমযান মাসকেও এক বড় নেয়ামত হিসেবে দান করেছেন।

পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ ‘আমার মা’ : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

মহান আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এই পৃথিবীতে অনেক নিয়ামত দিয়েছেন। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মা-বাবা। জগৎ সংসারের শত দুঃখ-কষ্টের মাঝে যে মানুষটির একটু সান্ত্বনা আর স্নেহ-ভালোবাসা আমাদের সমস্ত বেদনা দূর করে দেয় তিনিই হলেন মা। মায়ের চেয়ে আপনজন পৃথিবীতে আর কেউ নেই। দুঃখে-কষ্টে, সংকটে-উত্থানে যে মানুষটি স্নেহের পরশ বিছিয়ে দেয় তিনি হচ্ছেন আমাদের সবচেয়ে আপনজন মা। মা

হযরত আদম আ.-এর সৃষ্টির ইতিহাস : সংকলন : আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের

 পূর্ব প্রকাশিতের পর.. আর হে আদম! তুমি ও তোমার সঙ্গিনী জান্নাতে বসবাস কর এবং যথা ও যেথা ইচ্ছা আহার কর; কিন্তু এ বৃক্ষের নিকটবর্তী হয়ো না, হলে তোমরা জালিমদের অন্তর্ভুক্ত হবে। [সূরা আরাফ : ১৮-১৯] অন্যত্র আল্লাহ তা’আলা বলেন- “স্মরণ কর, যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বললাম, আদমের প্রতি সিজদাবনত হও; তখন ইবলীস ব্যতীত সকলেই সিজদা করল,

ইতিহাসের টুকরো কাহিনী : মাও. মোহাম্মদ সফিউল্লাহ

রাখে আল্লাহ মারে কে ? বাদশাহ হারুনুর রশীদের যুগের কথা। বাগদাদে এক ব্যবসায়ী যুবক ছিল। দেহে তার ভরা যৌবন ছিল। পরিবারে ছিল অর্থের প্রাচুর্য। ভোগ-সামগ্রী সব ছিল তার হাতের মুঠোয়। তার দোকান ছিল সাগরতুল্য; তাতে স্বর্ণ-রূপার স্তুপ ছিল। তার বাড়ি ছিল স্বর্গ-তুল্য; নহর সমূহ প্রবাহিত হত যার তলদেশ দিয়ে। ডাগর নয়না ৫০টি হুর দিয়ে যা

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা

পূর্ব প্রকাশিতের পর.. হুজুর, এই সমস্ত দলের সকল লোক কুরআন ও হাদীসের দোহাই দিয়া চলে, অতএব ইহাদের একটি হাদীস আনিয়া যদি আপনার সম্মুখে ধরিতাম তাহা হইলে আর অন্য কোন দাওয়ার প্রয়োজন হইত না। তাই বিশ্বাস করুন আপনাকে বিভ্রান্ত করিবার জন্য এবার কোন চেষ্টাই করি নাই। আগামীতেও করিব না। তবে যদি আপনি নিজে নিজে আমার বড়শী

ধারাবাহিক উন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান

পূর্বপ্রকাশিতের পর…. বিনতে ইখশীদের প্রাসাদ নীলনদের পূর্বতীরে অবস্থিত এক বিশাল বড় প্রাসাদ। এর মেঝে ও দেয়ালে বিভিন্ন ধরনের দামী দামী গালিচা বিছানো এবং মনমুগ্ধকর কারুকার্য করা। আব্বাসীয়দের বিলাসিতা ও অপব্যয় সব কিছুতেই সুষ্পষ্ট। এদিকে বিনতে ইখশীদ ছিলেন উপমাতুল্য একজন বিলাসিতাপ্রিয় নারী। বিনোদন, বিলাসিতা, আরাম-আয়েশের এমন কোন উপকরণ নেই- যা তিনি সংগ্রহ করেন নি। সকলের ওপরই


Hit Counter provided by Skylight