বিভাগ : কবিতা গুচ্ছ

কবিতাগুচ্ছ

লক্ষ শহীদের রক্তভেজা বাংলাদেশ সৈয়দা সুফিয়া খাতুন লক্ষ শহীদের রক্তভেজা, আমার সোনার বাংলাদেশ। ফুলে ফলে পাখির গানে, সাগরের ঢেউয়ের কলতানে রেখেছে আমায় মুগ্ধ করে। লক্ষ শহীদের রক্তেভেজা, আমার সোনার বাংলাদেশ। রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি, সোনার বাংলাদেশ। জালিমের জুলুম সহ্য করে, মান ইজ্জত বিলিয়ে দিয়ে ছিনিয়ে এনেছি আমার এ দেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ। আমার দেশের স্বাধীন মানুষ

কবিতাগুচ্ছ : কার ইশারায়, আল জান্নাত, অক্ষমতা, ইচ্ছে করে

Kabita

কার ইশারায় : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন শিশু যখন মাকে ডাকে জানেনা সে অন্য কাউকে তেমনি করে ডাকি আমরা আল্লাহ আল্লাহ করে। বিপদ যখন আসে আমাদের ঘরে, সুখে দুঃখে স্মরণ করি আল্লাহ আল্লাহ করে। আকাশ পথে উড়োজাহাজ কার ইশারায় চলে, মাঝ দরিয়ায় জাহাজ ভাসে কার ইশারায় বল, চাঁদ সূরুজ গ্রহ তাঁরা কার ইশারায় ঘুড়ে বনে বনে

Kabita

 [কুরসীর ছায়ায়] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : আল্লাহ তোমার কুরসীর নিচে দিও আমায় ঠাই বারে বারে আমি যেন দেখতে পারি, তোমার মহিমা চাইনা দোযখ চাইনা বেহেশত, চাই শুধু তোমার ভালোবাসা। ঝিনুক যেমন মুক্তা রাখে সুরক্ষা করে তেমনী করে তুমি আমায় রেখেছো যতন করে, আমার হৃদয়ের মাঝে তুমি ছাড়া অন্য কেহ নাই। আখেরাতে যেয়ে যেন তোমার দেখা

কবিতাগুচ্ছ : সুখ পাখি, রহমতে রাসূল, তোমরা হবে

Kabita

[সুখ পাখি] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন: সুখ পাখিরে আমায় একটি সুখের বড়ি এনে দাও দুঃখ পাখি যে মনের ভিতর বাসা বেঁধেছে, সুখ যে আমার চলে গেছে অচিন পুরের দেশে। এতো ডাকি তবু কেন আসে নাকো কাছে? ঘুম আসেনা রাতে দিনে ঘুমের বড়ি খেয়ে মরি, দাওনা আমায় সুখের বড়ি, লক্ষ টাকা দিয়ে কিনবো আমি। আমার রাজ প্রসাদ

কবিতাগুচ্ছ : করুণা, অক্টোপাস, বর্ষা, কেরে নেয় আঁখি, অভিশাপের বোঝা, আমাদের কবি

Kabita

[করুণা] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : আল্লাহ তুমি দয়ার সাগর তুমি রহমানুর রাহীম, আমি তোমার দয়ার কাঙ্গাল করো দয়া আমায়। তোমার দয়ায় বেঁচে আছি আমি কাঙ্গাল, তোমায় পাওয়ার আশায় আমার হৃদয় ফেটে যায়, দিবা নিশি বেকুল হয়ে থাকি আমি বেহুঁশ হয়ে। তোমায় ছাড়া চাইনা কিছু এই দুনিয়ায়, দাও শক্তি দাও তাওফিক হে রাহমানুর রাহীম! তোমাকে ডাকার।

কবিতাগুচ্ছ : অনুতপ্ত, ভুল, উপহার, গ্রহণ করোনা, ইসলাম

Kabita

[অনুতপ্ত] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : মৃত্যুর দুয়ারে দাঁড়িয়ে আছি ভয়ে ভয়ে কম্পন করছে আমার মন। ইচ্ছায় অনিচ্ছায় চলে যেতে হবে আমায় এতো কিছু ফেলে দুনিয়ার মায়া ছেড়ে। রাজ প্রাসাদ ছেড়ে যেতে হবে মাটির ঘরে থাকব কেমনে অন্ধকারে! বিলাসী জীবন যাপন করেছি ভেবে ছিলাম বাঁচবো বহুদিন, এই ধারা থাকবে চিরদিন। হেলায় খেলায় চলে গেল বহু দিন,

কবিতাগুচ্ছ : আমার জন্মভূমি,

flower-wallpaper-rose-in-love.306161803

[আমার জন্মভূমি] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : ও আমার জন্ম ভূমি, দেশের মাটি রাণীরমত রূপযে খাঁটি। কামিনী আর মাটির ঘ্রাণে মন জুরিয়ে যায়। লতা পাতায় ফুলে ফলে পাখির গানের তালে তালে রাখাল বাশির সুরে সুরে নদীর ঢেউ যে দুলা খায়। তোমার বুকে ঘুমাই যখন মায়ের কুলে থাকি তখন। ভোর বেলাতে যখন উঠি ঠিক মনে হয় শীতল

কবিতা : রমজানের বার্তা, মহান প্রভুর দান, আমি বলিনি কিছুই, আলোর দিশারী, রমজানের রোযা

spring-2009-wallpaper

[রমজানের বার্তা] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : রমজানেরই বার্তা নিয়ে এলো সাবান মাস, ঈদের খুশির বার্তা নিয়ে এলো রমজান মাস যাকাতের হুকুম নিয়ে এলো রমজান মাস। গরিব দুখির অভাব পূরণ করতে এলো রমজান মাস। রোযার শেষে ঈদ আসে এই ঈদ হলো গরিব দুঃখির বছরে দু’বার আসে। যাদের অনেক বিত্ত আছে তাদের ঈদ প্রতি দিন আসে। রোযাদারের

কবিতাগুচ্ছ : শ্রমিক দিবস, হে মহান

Kabita

[শ্রমিক দিবস] মাহদী বিন মকবুল: শ্রম দাবিতে অষ্ট্রোলিয়ায়, মরল হাজার শ্রমিক । দাবি ছিল পারিশ্রমিক , পায় যেন সঠিক। কিন্তু মালিক বুঝল না তা, করল বোমাবাজি। মারল শ্রমিক মরল পুলিশ, তারই কারসাজি। কিন্তু আমার দয়ার নবী, বসে মদীনায়। বলে গেছেন পাওনা যেন, সময় মত মিটাই।   [হে মহান] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন: তোমার লিলা বুঝা বড়

কবিতাগুচ্ছ : আল জান্নাত, অবৈধ ভালবাসা মানে, পথ শিশু, পরকালের আশায়, সবার আছে,

Kabita

  মারুফা আক্তার শিফা  সত্য নায়ের মাঝি তুমি তুমি সবার আশা তুমি হলে দাওয়াত তরী দাওয়াত তোমার নিশা ডাকো তুমি দিনের পথে সদা সর্বদা তোমার ডাকে পথ পেয়েছে কত রকম পথ হারা তাইতো বলি থেকো তুমি খোদার রাহে তে রহিম যিনি দিবে তোমায় পূণ্য বহু যে,ফেরা মুজাহিদ মসি আমার যখন ইচ্ছে হত যমুনার বুকে

কাব্যগুচ্ছ : দূর অজানায়, ভাষার অধিকার, নবী মোহাম্মদ সা., চিনলোনা শান্তির রতন, স্বপ্ন দেখো,

Kabita

[দূর অজানায়] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : কি দিয়ে বুঝাব আমি তোমায় ভালোবাসি। ফেলে আসা দিনগুলি আমাকে কাঁদায়। জানিনা কখন আমি হারিয়ে যাই দূর অজানায়। আমি তো বুঝিনা তোমারি শান মরিতে চাহিনা আমি যদি তোমাকে হারাই। এখনো আমি বেঁচে আছি প্রভু তোমারি কৃপায় আজ আমি মুক্ত হয়েছি ধরণির অনুরাগ হতে। আমার মনের গভীরে কি আছে সবই

কবিতাগুচ্ছ : রহমতে রাসূল সা., জীবন তরী, শুভ নব-বর্ষ ২০১৫, প্রভুর দান স্বাধীনতা, বসন্তের ছোঁয়ায়,

Kabita

[রহমতে রাসূল সা.] আলী আশরাফ : তুমি স্বর্গীয় পুষ্পকানন, ধরায় করেছো আগমন। তব সৌরভে বিশ্ব মাতোয়ারা , গাছপালা নদী নালা , আকাশ বাতাশ আর রৌশন সিতারা। সবি তোমার প্রেমে পাগলপারা, কোথাও যখন ছিল না মানবতা, বিরাজ করছিল পাশবিকতা, তখন ছড়িয়ে দিলে রহমতের বারিধারা, তুমি নূরের ফোরা আলোর মিনারা। তব চরণে ধন্য আরবের মরু সাহারা। তুমি

কবিতাগুচ্ছ : কোন সুরে, আজানের সুর, রাব্বুল আলামীন, স্বপ্ন দেখো, জীবনের লক্ষ্য

Kabita

[কোন সুরে] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : বল-রে পাখি কোন সুরে কোন নামে ডাকিস-রে তুই আমার রব কে? তুই যে নামে ডাকিস সে নামে ডাকবো আমি তোরই সনে। তোর সুরে সুর মিলিয়ে ডাকবো আমি গাছের ডালে ফুলের বনে, ঐ নামে ডাকবো আমি তোরই সনে। পাখি-রে তুই আয়রে আমার কাছে আয়, তোকে আমি কলা দিব ছোলা দিব,

কবিতাগুচ্ছ : ভীষণ আশা মনে, বিল্লাল বেঁছে আছে, বিদায় বাবা, বসন্তের ছোঁয়ায়, তাবলীগ

Kabita

[ভীষণ আশা মনে] হা. মো. ইমদাদুল্লাহ: তোমায় আমি ভালবাসি প্রাণের চেয়েও বেশি, তোমায় আমি পেলে যেন হাসতাম সুখের হাসি। দাওনা দেখা ওহে নবী সবার শ্রেষ্ট তুমি, তোমার দেখা পেয়ে যেন শান্ত হল ভূমি। তুমি মোদের শ্রেষ্ট নবী তুমি প্রভুর শান, তোমার উপর নাযিল হল শ্রেষ্ট কিতাব কোরআন। তাইতো নবী তোমায় দেখার ভীষণ আশা মনে, না

কবিতাগুচ্ছ : ও-নবীজী, ভাষার অধিকার, আমার দেশের রূপ, মাতৃভাষা পেয়ে, জাহান্নামের আগুন

Kabita

[ও-নবীজী] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন: যে দিন তুমি এসেছিলে এই ভূবনে, সেই দিন কাননে কুসুমকলি ফুটে ছিল সবই, কৃষ্ণচুড়ার ডালে ডালে, পাখিরা গেয়েছিল সুরে সুরে তোমারি নামে। মৌমাছিরা গুঞ্জন করেছিল ফুলের বনে প্রজাপ্রতিরা নেচে ছিল পুষ্পবনে, বনের ময়ূর পেখম তুলে নেচে ছিল খুশির তালে বনের হরিণ ছোটে চলে ছিল আনমনে পাহাড়ের ঝর্ণা ছুটে চলেছে অবিরত। চাঁদ

কবিতাগুচ্ছ : মায়ের হক, আমাদের নবী, শীতের কালে, লেখা পড়া, সুপ্ত ভালবাসা

Kabita

[মায়ের হক ] রেহেনা বিনতে রায়হান : পুছ্ল একদিন এক সাহাবী, আমার নবীর কাছে। আমার উপর সবচেয়ে বেশি, হক কাহারি আছে? জবাব দিলেন দয়ার নবী, বড়ই কাতর সুরে। সব মায়েরি হক যে বেশি, সব ছেলেদের তরে। তখন নবী কাঁদল মনে, চোখে ছিল জল। কারণ নবী এতিম ছিল, মা ছিলনা বল।   [আমাদের নবী] ফাতেমা মল্লিকা:

কবিতাগুচ্ছ : মরণ আমার হবে যখন, সৈয়দা সুফিয়া খাতুন, মরুভূমি তিস্তা, দীনের আলো

Kabita

[মরণ আমার হবে যখন] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : আজকে আমি মরে গেলে থাকবো পড়ে বালিশ বিহীন গদি বিহীন মাটির বিছানায়। ছিলাম যখন দুনিয়াতে তখন ছিলাম ধনী এখন আমি মিসকিন হয়ে চলে যাচ্ছি খালি হাতে নেক আমল ছাড়া আমার আপনজন হয়ে কেহ যাবে না আমার সঙ্গি হয়ে। কেহ যাবে কাফন কিনতে কেহ যাবে কবর খুরতে থাকব

কবিতাগুচ্ছ : রাতের আকাশ, ঘুমন্ত রাত, পরামর্শ, ভাষার তরে, বিল্লাল বেঁছে আছে

Kabita

[রাতের আকাশ] মুনিরুল্লাহ রাইয়ান : জোছনা-ধোয়া আকাশ দেখি দেখি তারার মিলনমেলা, আকাশ জুড়ে তারায় তারায় আলো এবং আলোর খেলা! অগণিত তারার মাঝে রূপালী ওই চাঁদের হাসি, নিঝুম রাতে চাঁদের আলো ভালোবাসি ভালোবাসি! ভাবতে বসি আকাশটাকে কে সাজালো নিপুণ হাতে; কে দিলো ওই তারার মালা- মায়াবী চাঁদ নিঝুম রাতে? জোনাক-পোকা প্রদীপ জ্বালে ভালো লাগে ভালো লাগে,

কাব্যগুচ্ছ : সুখ যে আমার অসুখ, আল জান্নাত, আঁধার বনের মুক্তা, লিখতে হলে

Kabita

[সুখ যে আমার অসুখ] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : সুখ সুখ করে আমি কেঁদে মরি সুখ তো আমার কপালে নেই, সুখের আশায় আমি কত কি করি। টাকা টাকা করে আমি দিন রাত ভাবি টাকার জন্য আমি কত কি করি টাকার পাহাড় গড়েছি আমি। সুদ দিয়ে সুদ খেয়ে লুট করে গড়েছি আমি সম্পদের পাহাড় একদিকে আসে অন্যদিকে

কবিতাগুচ্ছ : সালাম, আমার নবী, বৃষ্টি পড়ে বাংলাদেশে, সবই ছিলো, মায়ের আদরটুকু

Kabita

[সালাম ] শামছুন্নাহার লাখি : লজ্জা কেন করো তুমি, সালাম দিতে ভাই। সালাম দেয়ার লাভটা কি ভাই, তোমার জানা নাই। সালাম দিলে নব্বই নেকী, পাইবে যে ভাই তুমি। দ্যুলোক ভুলোক সাবার চেয়ে, একটি নেকিই দামি। সালাম দিলে পাইবে নেকি, বাড়বে মুহাব্বত। শান্তি আসবে ঘরে ঘরে, হইবে সবাই সৎ। এত লাভের কাজটিও ভাই, যদি তুমি ছাড়ো।

কবিতাগুচ্ছ : হৃদয়ে মদীনা মোনাওয়ারা, রাত্রির আহ্বান, তুমি মহান, সত্যকে ধারণ

Kabita

[হৃদয়ে মদীনা মোনাওয়ারা] সৈয়দা সুফিয়া খাতুন মক্কা থেকে মদীনাতে এলেন নবীজী কতো যে কষ্ট করে, রহমতেরই বার্তা নিয়ে। পিছন ফিরে চোখের জলে কেঁদে কেঁদে বলেছিলেন নবীজী, হে আমার প্রিয় জন্মভূমি মক্কাবাসী আমি তোমাদের ভালবাসি। এসি গাড়িতে এসে আমার পথ ফুরায়না সহজে, আমার দয়াল নবী পায়ে হেঁটে উটে চড়ে পথ বিহীন রোদ্রের তাপে, অন্ধকারে শক্ত মাটির


Hit Counter provided by Skylight