বিভাগ : কবিতা গুচ্ছ

আল্লাহ তুমি দয়াময় : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

আল্লাহ তুমি যা বলেছো সত্য বলেছো তোমার দেয়া ঐশি বাণী একটিও মিথ্যা নয়। কষ্টি পাথর দিয়ে যাচাই করা হিরা, মনি-মুক্তা দিয়ে সাজিয়ে রাখা হৃদয়ের মাঝে লুকিয়ে রাখা যেমন সত্য তেমনি মিষ্টি। হৃদয় নিংড়ানো ভালবাসা ফুলের মতো মিষ্টি ছোঁয়া, লাল আগুনের ভয় দেখানো আকাশ ছোঁয়া ক্ষমা করা বিজ্ঞান দিয়ে শিক্ষা দেয়া সত্য দিয়ে দেশ গড়া তোমার

আল জান্নাত : শাহাব উদ্দিন

যিনি আমাদের উপহার দেয়, গল্প কবিতা উপন্যাস নিত্য নতুন। তিনিই হলেন আল জান্নাতের সম্পাদক কবি ও সাহিত্যিক সৈয়দা সুফিয়া খাতুন আরো দিয়ে যাচ্ছেন ইসলামের, কত ঘটনা অজানা সু-সংবাদ। তাইতো তুলে ধরেছে নিয়মিত, মাসিক আল জান্নাত। কত কিছু লেখার জন্য দিয়েছে, নানান রকম সুযোগ। তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই, নেই কোন আর অভিযোগ। লিখে যান কবিতা আর

ভাই-বোনদের সন্ধ্যেগেুলো : মাহবুবা আক্তার তামান্না

উপুড় হয়ে চৌকির ওপর পড়ার সেসব দিন একটি সাঁঝও কাটতো না যে খুনসুটি বিহীন। হারিকেনের আলো নিয়ে ভাই-বোনদের দ্বন্ধ চিমটি আর খামছি তখন থাকতো না যে বন্ধ। মায়ের বকা তখন ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী পাল্টিতো না তবুওতো ভাই-বোনদের ভঙ্গী। কোথায় গেলো সন্ধ্যেগুলো পাই না যে আর খুঁজে ভাবতে সেসব ইচ্ছে করে চক্ষু দুটো বুজে।

জীবন গড়ার উপদেশ : আল আজাদ

এই যে খোকা! জানতে হলে পড়তে হবে নিজের মতো গড়তে হলে সাফল্যকে করতে হবে জয়। আর হ্যাঁ জেনো জয়ের হাসি হাসতে হলে দুঃখ-গ্লানি সইতে হবে কিন্তু তুমি করবে না’যে ভয়।

একটা সময় : আব্দুল্লাহ আল মামুন

একটা সময় ছিল যখন পড়তো নামাজ মা, আমরা সাথে সিজদা দিতাম ছোট্ট সোনার ছা। মায়ের কোলে মাথা রেখে গান কবিতা যত, দোয়া দুরুদ তাশাহুদও শিখে নিতাম শত। এখন যারা মা রয়েছেন হয় না নামাজ পড়া, দিন কাটে তার সিরিয়ালে রিমোট হাতে ধরা।

কার ইশারায়? জিনিয়াস মাহমুদ

তাঁর ইশারায় জ্ঞানী গুণী তাঁর ইশারায় কবি তাঁর ইশারায় চন্দ্র ওঠে; তাঁর ইশারায় রবি। তাঁর ইশারায় জীবন-মরণ তাঁর ইশারায় চলি তাঁর ইশারায় প্রাণটা খুলে মনের কথা বলি। তাঁর ইশারায় বিশ্ব দেখি মেলে দুটি আঁখি তাঁর ইশারায় মধুরসুরে ডাকে শত পাখি। তাঁর ইশারায় আকাশ কাঁদে; গাছের পাতা ঝরে তাঁর ইশারায় ভূমিকম্পে ঘড়-বাড়ি সব নড়ে। তাঁর ইশারায়

বেশি ভালোবাসে : ইদ্রিস ম-ল

গাছের ডালে পাখির বাসা তার ভিতরে ছানা খাওয়ার জন্য সাপে দিলো পাখির বাসা হানা মা পাখিটা দেখতে পেয়ে আর দেরি না করে নিজের জীবন তুচ্ছ করে সাপের সাথে লড়ে অন্ধ করে সাপের দু’চোখ দেয় ফুটিয়ে ঠোট সাপ পারনো ধরতে ছানা পাই মারাত্বক চোট যাই পালিয়ে দূরে আর আসে না ঘুরে মা পাখিটা লড়াই শেষে ছানার

নামাজ পড়ি চলো : আনোয়ার সুফিয়ান

পড়তে নামাজ যারা নারাজ পাবে আল্লাহর শাস্তি ঈমান ছাড়া জীবনে তারা করে বেড়ায় মাস্তি। সকল ধান্দা ছাড়ো বান্দা নামাজ পড়ি চলো জীবন ভর করো ডর আল্লাহ আল্লাহ বলো। আল্লাহর শানে এই পরাণে একটু জায়গা রাখো আল্লাহর তরে বান্দা ওরে স্বপ্নের ছবি আঁকো।

সাফল্য : দীদার মাহদী

সাফল্য চায় সবাই তবে কষ্ট কিছু করতে হবে চায় না সেটা করতে, ঝুঁকি নিয়ে কম বা বেশি সফল জীবন গড়তে। সফল ব্যক্তি দেখার পরে মনে মনে হিংসা করে জ্বলতে থাকে কেউ, তার জীবনে আসে কেবল ব্যর্থতারই ঢেউ। সফল হতে ইচ্ছা লাগে যাদের মনে স্বপ্ন জাগে উচ্চে অনেক উঠতে, তারাই পারে দিনে রাতে সফল হতে ছুটতে।

ঈদ এসেছে : জিনিয়াস মাহমুদ

ঈদ এসেছে বছর ঘুরে হাটবাজার আর রাস্তাতে ঈদ এসেছে তেজপাতা আর সেমাই, চিনির বস্তাতে। ঈদ এসেছে খুকুমণির ছোট্ট রঙিনঘড়িতে ঈদ এসেছে নদীর ঘাটে স্টীমার আর তরীতে। ঈদ এসেছে খোকনসোনার লালজামা আর জুতোতে ঈদ এসেছে অট্টহাসি আরও কাতুকুতুতে। ঈদ এসেছে ছোট-বড় সব ধরণের গাড়িতে ঈদ এসেছে রঙবেরঙের চুড়ি এবং শাড়িতে। ঈদ এসেছে পুকুরপাড়ে গোসল করার ভিড়েতে

হাসি খুশির দিন : ইদ্রিস ম-ল

ঈদের দিনে আমার এ মন দারুল খুশি হয় দিনটি লাগে ভীষণ ভালো মিষ্টি মধুময় মন থাকে না মনের ভিতর মন উড়ে যায় দূরে সারাটা দিন হেসে খেলে ঘুরে বেড়ায় উড়ে হাসি খুশির দিন হয় ঈদ খুব সুখের এক দিন ভালোবাসি এই দিনকে তাই নাচি তাক ধিন।

মুখোশ : ইব্রাহীম হাসান হৃদয়

মানব মুখোশ পরে সমাজেও কিছু পশু করে বাস, নেতার মুখোশ চোরের দলে দেশটা করছে নাশ। ভালোর মুখোশে লুকিয়ে আছে তো নীতিহীন কত ভ্রষ্ট, পীরের মুখোশে ভ-রা ফের ঈমান করছে নষ্ট। আইন মুখোশে দুর্নীতিবাজ সহ¯্র করে ধান্ধা, সুশীল মুখোশে মুখটাকে ঢেকে মানুষকে করে আন্ধা। দেশপ্রেমী বলে মুখোশ পরেছে দেশকে করেছে লুট, ঐক্য মুখোশে মীর জাফররা ফের

আমাদের গ্রাম : খাইরুল ইসলাম

আমাদের গ্রামখানি ছায়ার মতন এক সাথে থাকে সব মায়াভরা মন। ছোট-বড় সকলে ভালবাসে মোরে মায়ের আদর পেয়ে প্রাণ যায় জুড়ে। পাড়ার সকল ছেলে পড়ি এক সাথে দলবেঁধে ঘুরি মোরা হাত রেখে হাতে। বৈকালে মাঠে করি কতজাত খেলা মন দিয়ে খেলে সবে নাই অবহেলা। ছোট-বড় কারো মাঝে নেই কোন জেদ ধনী-গরীব ভাই ভাই নেই ভেদাভেদ।

রমজানের বার্তা : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

রমজানেরই বার্তা নিয়ে এলো শাবান মাস, ঈদের খুশির বার্তা নিয়ে এলো রমজান মাস যাকাতের হুকুম নিয়ে এলো রমজান মাস। গরিব দুঃখীর অভাব পূরণ করতে এলো রমজান মাস। রোজার শেষে ঈদ আসে এই ঈদ আবার গরিব দুঃখীর সামনে বছরে দু’বার আসে। যাদের অনেক বিত্ত আছে তাদের ঈদ প্রতিদিন আসে। রোযাদারের পুরস্কার দিবেন আল্লাহ নিজ হাতে। রায়হান

মাগো তুমি শামীম শিকদার : শামীম শিকদার

মাগো তুমি শৈশব স্মৃতি কষ্ট পেলে হাসা, তুমি আমার হৃদয় মণি দেওয়া কিছু আসা। তোমায় ঘিরে গল্প করি শিশির ভেজা রাতে, তুমায় নিয়ে ছড়া লেখি ছন্দগুলো মাতে। তোমায় ভেবে ছবি আঁকি আমার নয়ন মাঝে, তোমায় ভেবে কল্পনা দেখি ছোট বড় কাজে। তুমি আমার মনের মণি হালকা উষ্ণ হাওয়া, তুমি আমার নূরের প্রদীপ স্বপ্নগুলো পাওয়া।

সিয়াম সাধনার মাস : রমজান আলী রনি

মুসলমানের ঘরে ঘরে জ্বলছে আলোর বাতি পবিত্র এই মাহে রমজান ইবাদতে মাতি। মনের যতো গোপন ময়লা আল্লাহ করবে মাফ হোক না ভারী হোক না বিশাল হোক না নদী নাফ। খানাদানায় নেই ভেদাভেদ সিয়াম কার্যের মাস সরল মনে রাখবো রোজা পাপ যে হবে নাশ। নামাজ পড়ে যাকাত দিয়ে তসবিহ হাতে দিয়ে দিনের শেষে রোজা রেখে যাবো

সপ্ন দেখি : নাহিদ নজরুল

স্বপ্ন দেখি একটু করে স্বপ্ন দেখি অল্প স্বপ্ন দেখি জীবন গড়ার ছোট্ট একটি গল্প। স্বপ্ন দেখি স্বপ্ন বুনি মন আকাশের মাঝে স্বপ্ন আঁকি স্বপ্ন ডাকি নিত্য নতুন সাজে। স্বপ্ন দেখি নতুন দিনের মিষ্টি রোদের ভোর স্বপ্ন দেখি এগিয়ে খুব দূর হয়ে যাক ঘোর।

জান্নাতের সবুজ পাখি : মাহদী হাসান ফরাজী

একশো হাফেজ শহীদ হলো পাখি হলো জান্নাতে সবুজ পাখির রিজিক এখন হুর প্রিয়সীর রান্নাতে। একশো বাবার স্বপ্ন প্রাসাদ ভাসল রক্ত বন্যাতে একশো মায়ের কলজে ছিঁড়ে ভিজল আঁখি কান্নাতে। একশো ভাইয়ের আত্মাবাধঁন সিক্ত হলো রক্ততে একশো বোনের স্নেহ প্রীতি দগ্ধ জালিম শক্তিতে। একশো ছবি স্মৃতির ফ্রেমে বন্ধি হলো সন্ধ্যাতে একশো প্রাণের ভালোবাসা পড়বে না আর মন্দাতে।

রুখে দাঁড়াও : মুহাম্মাদ আবু আখতার

চারদিকে আজ পাপের মেলা নেইকো যে তার শেষ, নিত্য দিনেই নতুন সাজে দেখাচ্ছে তার বেশ। ঘরে বাইরে সব জায়গাতে চলছে অশ্লীল গান, খুব সহজেই পাপ হয়ে যায় খোলা রাখলে কান। দুর্নীতি আর অনাচারে ভরছে সবার মন, পাপের পথে নেই বাধা আর কাটছে কঠিন ণ৷ জেগে ওঠো মুসলিম সমাজ রুখে দাঁড়াও সব, তা না হলে দোজাহানেই

ঠিক দাঁড়াবে সামনে ঘুরে : ইদ্রিস মণ্ডল

যাদের ঘামে ফলে ফসল আর উৎপাদন হয় কারা ভাবে তাদের কথা ক’জন বলো কয় কেউ ভাবে না তাদের কথা সবাই থাকে নিরবতা ভাবলে পরে ওদের কথা ন্যায্য দাবী পেতো পেট পুরে ভাত শ্রমিক গুলো মনের সুখে খেতো এখন সবার ভাবতে হবে পাল্টে গেছে দিন থাকবে না চুপ শ্রমিকরা আর শুধতে হবে ঋণ করবে মিছিল চাইবে

একটু চিন্তা কর : হেদায়েত উল্লাহ

মৃত্যুর কথা একটু ভাবো ওরে ভোলা মন, বিদায় নিলে পড়ে থাকবে ভিটে মাটি ধন। যাবে না কেউ সঙ্গে তোমার কেউ হবে না সাথী আধার ঘরে আলো পেতে জোগাড় কর বাতি। নামায কালাম পড়ে তুমি নেকি অর্জন কর বাঁচতে যদি চাওরে মুমিন আল্লাহর পথ ধর। এপারের ধন এপারে রবে যাবে না ওপারে পুণ্য অর্জন কররে মুমিন


Hit Counter provided by Skylight