বিভাগ : কবিতা গুচ্ছ

কোন সুরে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

বল-রে পাখি কোন সুরে কোন নামে ডাকিস-রে তুই আমার রব কে ? তুই যে নামে ডাকিস সে নামে ডাকবো আমি তোরই সনে। তোর সুরে সুর মিলিয়ে ডাকবো আমি গাছের ডালে ফুলের বনে, ঐ নামে ডাকবো আমি তোরই সনে। পাখি-রে তুই আয়রে আমার কাছে আয়, তোকে আমি কলা দিব ছোলা দিব, আরো দিব চিড়া মুড়ি। খাবি-রে

তুমিহীনা : ফাতেমাতুয যাহরা স্মৃতি

তোমার কথা বসে বসে ভাবে আমার মন চোখের তারায় তব ছবি ভাসে সারাণ। তোমার তরে জীবন আমার সপে দিতে চাই তোমায় ছাড়া চাওয়ার কিছু এই ধরাতে নাই। তুমি রাহিম তুমি কারিম তুমি আমার সব তুমি হীনা বন্ধ হবে সুখের কলরব। তোমার কথা ভেবে ভেবে উদাস হয়ে যাই বিপদ-আপদ সব কিছুতে তোমায় কাছে পাই।

আম্মু : হুমায়রা সুলতানা

ভালো লাগে আম্মু যখন আদর করে ডাকেন স্নেহের পরশ দিয়ে বুকে আগলে রাখেন। সারাণ আগলে রাখেন স্নেহের পরশ দিয়ে সব কিছু সয়ে যান উচ্ছ্বাস নিয়ে মা যে আমার সবচেয়ে প্রিয় আমার মূল শিরোনাম মনি মুক্তা হীরার চেয়েও মায়ের অনেক দাম।

ডিজিটাল চাল : মাহবুবা আক্তার তামান্না

হরেক রকম মানব-মানবী কারো কর্ম যেন দানব-দানবী। ডিজিটাল হায় কোথা আমি যাই মন চায় কভু দূরে পালাই। সুদ-ঘুষ সেথা কলিযুগ যেন বরকত নেই যে ভাবি আমি হেন। চাকুরী নেই যে ডিগ্রী হলেও ে বেকার বসে থাকে ডিজিটাল কালেও। পর্দা নেই তাই ইভটিজিং ও চলে পথে-ঘাটে সবখানে নোংরামি চলে। রাজনীতি দেখো হায় কেমন যে মন্দ নেতারা-নেত্রীরা

সার্থক জনম : আশানীল

স্বস্তি দাও গো আল্লাহ আমায় শান্তি দাও গো মনে, সরল পথে চলতে চাই যে থেকো আমার সনে। তুমি হলে দয়ার সাগর বড়ই মেহেরবান, তোমার দয়ায় আজো আছে ধরা বহমান। কত শখে মানব জাতি করলে তুমি সৃজন, তোমার নামেই পশু-পাখি করছে শত গুঞ্জন। গাছের পাতা নড়েচড়ে তোমায় শুধু ডাকে, মানবজাতি কেমন করে ভুলে কাজের ফাঁকে ?

পরাধীন স্বাধীনতা : হাজেরা জান্নাহ

জাতির রক্ত পুড়িয়ে প্রদীপ আলো দিয়ে স্বাধীনতার। সেই রক্ত হয়ে গেলে বিক্রি মূল্য কি বেঁচে থাকার। বুকের গহীনে চাঁপা নিশ্বাস হৃদয়ে রক্তরণ। দ্বীনের রাহে কেউবা শহীদ কেউবা কারাবরণ। রাতের আঁধারে হয় রাজপথ দ্বিতীয় কারবালা। সত্য প্রকাশে এখন অপরাধ মিথ্যার জয়মালা। স্বাধীন দেশে পরাধীন জাতি চোখে হতাসার বান। কেমনকরে গাইবো আমি স্বাধীনতার জয়গান।

একটা সময় : আব্দুল্লাহ আল মামুন

একটা সময় ছিল যখন পড়তো নামাজ মা, আমরা সাথে সিজদা দিতাম ছোট্ট সোনার ছা। মায়ের কোলে মাথা রেখে গান কবিতা যত, দোয়া দুরুদ তাশাহুদও শিখে নিতাম শত। এখন যারা মা রয়েছেন হয় না নামাজ পড়া, দিন কাটে তার সিরিয়ালে রিমোট হাতে ধরা।

যৌতুক : আবদুল্লাহ আল মুক্তাদির

কুড়ি বছর চলে গেলেও হচ্ছে না তার বিয়া মা-বাবা যে সখ করে তার নাম দিয়েছে প্রিয়া। রূপে-গুণে বুদ্ধিমতি কম নাহি তার কিছু দারিদ্রতা হাত ছানিয়ে ডাকে শুধু পিছু। আসছে তাকে দেখতে অনেক পছন্দ হয় সবার হয় না বিয়ে শুনে যবে নেই তো টাকা বাবার। লোকে তাকে তুচ্ছ করে দেয় অপবাদ শত নয়ন ডুবে সব সয়ে

মা বাবা : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

বাবা মায়ের চোখের পানি মুছে দিতে চাই তোমরা দুজন আর কেঁদো না দুঃখ ভীষণ পাই। তোমাদের এই কষ্ট দেখে হৃদয় ফেটে যায় তবে কি আর মূল্য থাকে ভবের দুনিয়ায়। পৃথিবীর বুকে তোমরা দুজন বড়ই আপনজন তোমাদেরই দুঃখ দেখলে কাঁদে আমার মন। আদর ¯েœহ দিয়ে আমায় দূর করেছ ভয় হাশরের সেই মাঠে যেন শান্তির দেখা হয়।

বাংলা ভাষা : তাহমিদ আল হাসান

বাংলা ভাষার জন্য যারা জীবন দিল হেসে ভাষার মাসে স্মরণ করি গভীর ভালোবেসে। ভাষার জন্য রফিক সালাম এগিয়ে দিলো বুক এই ভাষাতইে কান্না হাসি এই ভাষাতেই সুখ। বাংলা আমার মায়ের ভাষা আল্লাহর সেরা দান জীবন দিয়ে রাখতে হবে বাংলা ভাষার মান।

মাতৃভাষা : ইয়াহইয়া মাহমুদ সজীব

বাংলা আমার মাতৃভাষা বাংলা আমার প্রাণ, ‎ভাষার জন্য দিতে পারি ‎বিলিয়ে দিতে জান। ‎বাংলা আমার ভাষা বলে বড় গর্ব হয়, বাংলা এখন এলিট ভাষা আর ফেলনা নয়। আজ যে আমার নেই কোন ভয় ‎েনইকো পরাজয়, ‎ভাষার জন্য জীবন দিয়ে, ‎করেছি বিশ্ব জয়।

কে? জিনিয়াস মাহমুদ

  চাঁদ দিলো কে আকাশবুকে কেবা দিলো সূর্য? কেবা দিলো রাতের আঁধার ভাবছে বসে তুর্য। কেবা দিলো নানাগাছে নানারকম ফুল-ফল? পাখিরকণ্ঠে মিষ্টি আওয়াজ? বৃষ্টি নামক ঐ জল? কেবা দিলো মায়ের বুকে অমূল্য সেই দুদ্ধ? বলছি এবার শোনো সবাই করো না কেউ যুদ্ধ; তিনি হলেন অসীম উদার অবিনশ্বর যিনি, তোমার আমার সবার মালিক আল্লাহ তাআলা তিনি।

বিকেল বেলার ক্ষণ : খালেদা আক্তার অনন্যা

বিকেল বেলার এই প্রহরে হাঁটি নদীর পাড়, ঘাসগুলা হাওয়ায় দুলে দুলে মনের ধার! অবাক দেখি অস্ত যায় নদী মাঝে রবি, এমন দৃশ্য দেখে মন যায় হয়ে যে কবি। হিমেল বাতাস বয়ে চলে নদীর জল ছুঁয়ে, হাতটা বাড়াই জল ছুঁই একটুখানি নুয়ে! পাখি সব ব্যস্ত হয়ে ছুটে নিজ নীড়ে, তাদের দেখে টনক নড়ে যাচ্ছি তাই ফিরি!

পুঁজি : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

এক সেকেন্ডের নাই ভরসা পুঁজি নিয়ে দিশেহারা দুনিয়ার এই পুঁজি ভারি অর্থ নিয়ে কাড়াকাড়ি এত কিছু থাকার পরও তোমার কিছু নাই পেট ভরেছে, বেজায় তবু আরো কিছু চাই। দুনিয়ার এই খেলা ঘরে খেলছো কোন খেলা জুলুমবাজ আর অহংকারে পাপাচারের মেলা। এই দুনিয়ার টাকাকড়ি এই দুনিয়ায় শেষ যত হাজার-কোটি থাকুক তোমার ক্যাশ। আখেরাতের পুঁজি তোমার আছে

বোকা খায় ধোঁকা : মুহাম্মাদ আবু আখতার

পাপের মাঝে সুখের আশা করছে যেসব বোকা, দুঃখের সাগর পাড়ি দিয়ে খাচ্ছে শুধু ধোঁক। সুখের আশায় পাপের নেশায় করছে মাতামাতি, অশান্তি আর দুঃখ বিষাদ বাড়ছে রাতারাতি। পাপের পথে সুখের খোঁজে হচ্ছে দিশেহারা, মরীচিকার পিছে তারা ছুটছে লাগাম ছাড়া।

ও নবীজী: সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

যে দিন তুমি এসেছিলে এই ভূবনে, সেই দিন কাননে কুসুমকলি ফুটে ছিল সবই, কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে, পাখিরা গেয়েছিল সুরে সুরে তোমারি নামে। মৌমাছিরা গুঞ্জন করেছিল ফুলের বনে প্রজাপতিরা নেচে ছিল গোলাপ বাগে, বনের ময়ূর পেখম তুলে নেচে ছিল খুশির তালে বনের হরিণ ছোটে চলেছিল আনমনে পাহাড়ের ঝর্ণা ছুটে চলেছে অবিরত। চাঁদ-সূর্য, গ্রহ-তাঁরা, গাছ-গাছালি, পাহাড় নদী

রাসূল এলেন বলে: লাবিব শাহেল

রাসূল এলেন এই ধরাতে ছড়িয়ে  দিতে আলো রাসূল আসার সাথে সাথে দূর হলো সব কালো। পড়লো ধ্বসে কিসরা প্রাসাদ মোদের নবী আসায় হাসলো সকল সৃষ্টিরাজি নবীর ভালোবাসায়। শান্তি খুঁজে মানুষগুলো আসলো দলে দলে রাসূল এলেন বলে রাসূল এলেন বলে।

নারী তুমি: ইব্রাহিম হাসান হৃদয়

নারী তুমি ঘরের শোভা থাকবে তুমি ঘরে, রূপকে কেন বিলাও তুমি পর পুরুষের তরে। তুমি নারী মায়ের জাতি তুমি অনেক দামি, কার ছলনায় পড়ে ওগো হচ্ছো বিপথগামী। খুব অধিকার দিলেন প্রভু সমান কেন চাও? অযথা এক বোঝা নিজের মাথায় তুলে নাও। থাকতে সময় আসো ফিরে দ্বীনের ছায়াতলে, ফাঁদে তাদের পা দিও না ভাসবে চোখের জলে।

বিজয় বীণা: রাসেল রাবী

বিজয় বীণার সুর অচেনা বিজয় পূর্ব ক্ষণে, বিজয় গানের গায়ক সবে আমার কাব্যতানে। বিজয় মানে বিয়োগ ব্যথার কান্তবাক্য ভুলে, বিজয় বেশে চলবো মোরা বদ্ধ দুয়ার খুলে। বিজয় সে নয় সুলভ রতœ চন্দ্র সূর্য মত, বিজয় সে হয় রণক্ষেত্রে রক্ত খেয়ে শত। বিজয় এখন ধ্বনিপদে দলা দীন-দুঃস্থ যারা, বিজয় এখন দীনবাহী সব জঙ্গী ওদের তারা। বিজয়

স্বাধীনতা: শিপার মাহমুদ জুম্মান

স্বাধীনতা তুমি রক্তে রঞ্জিত লাখো শহীদের দান, লাল সবুজে সমারোহ তুমি মুক্তি যোদ্ধার প্রাণ। নয়টি মাসের নির্মমতা কা- তোমার বুকে সয়ে, লাল সবুজের স্বাধীন পতাকা দিয়েছে আমায় তুলে। স্বাধীনতা তুমি নবীন প্রবীণের জাগ্রত বিবেকের রবি, তোমার বুকে ছড়িয়ে আছে মাতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। তুমি ৫২, ২৫, ২৬ শের অগ্নিদাহ আত্মত্যাগী অবদান, বাঁধার প্রাচীর ভেঙ্গে ফেলে আসা বিজয়ের

কবিতা ও ছড়া

মিরাজুন্নবী সা. সৈয়দা সুফিয়া খাতুন মিরাজে গেলেন আমাদের নবী আল্লাহর ডাকে জিব্রীল এসে জাগালেন তাঁরে মধ্যরাত্রির ফাঁকে। বোরাকে চড়ি জিব্রীল সাথে মসজিদে আক্্সায়, কদম রাখেন জেরুজালেমে, বায়তুল মুকাদ্দাস যথায়। দাঁড়িয়ে সেথায় আম্বিয়াকুল আকুল ভক্তি সনে জানান স্বাগতম মোদের নবীরে উষ্ণ-আলিঙ্গনে। অতঃপর দিলেন মহাশূন্য পাড়ি সপ্তাকাশে ঊর্ধ্বভ্রমণ হুর-গিলমান, ফেরেশতা জানায় সালাম আনত নয়ন। শেষ মঞ্জিলে এসে


Hit Counter provided by Skylight