বিভাগ : এপ্রিল – ২০১৩

মুক্তির একটাই পথ পরিপূর্ণ মুসলমান হয়ে কবরে যাওয়া

সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তা’আলার জন্য। অসংখ্য দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মহামানব মুহাম্মদ সা. এর উপর এবং তার অনুসারীদের উপর । ইসলাম একটি ধর্ম। পাঁচটি মৌলিক বিষয়ের ওপর ইসলাম ধর্মের ভিত্তি স্থাপিত। তার মধ্যে সর্বপ্রধান হচ্ছে ঈমান। মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হচ্ছে ঈমান। এর বিপরীত হচ্ছে কুফর। ঈমান আলো আর কুফর অন্ধকার।

এক নজরে কোরআন পরিচিতি

মুহাম্মদ  রবিউল ইসলাম : আল্লাহ তা’আলা তার বান্দার পথ নির্দেশের জন্য জিবরাইল আ. এর মাধ্যমে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর পর্যায়ক্রমে ২৩ বছর ধরে যা অবতীর্ণ করেছেন, তাই কুরআন। এই কুরআনের বিধি-বিধান পালন করা ও বাস্তবায়ন করা ফরজ। এটি এক নিখুঁত, নির্ভুল ও পরিমল পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা এবং বিশ্ব মানবতার মুক্তির এক মহাস্মারক। একনজরে

প্রতি মসজিদে সকাল-সন্ধ্যায় শুরু হোক কুরআনচর্চা

আবু সাঈদ খান : আমি যাদের কিতাব দান করেছি, তাদের মধ্যে যারা তা যথাযথভাবে পাঠ করে (যত গুরুত্বের সঙ্গে তা পাঠ করা উচিত), তারাই এতে বিশ্বাস স্থাপন করে। আর যারা তা প্রত্যাখ্যান করে, তারাই ক্ষতিগ্রস্ত। (২.১২১) যারা মুমিন, তাদের জন্য কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে হক (কুরআন) অবতীর্ণ হয়েছে, তার কারণে হৃদয় ভক্তিবিগলিত হওয়ার সময়

ধর্মের মাধ্যমে কর্ম হয় সৌন্দর্যময়

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ : ধর্মের সাথে কর্মের আর কর্মের সাথে ধর্মের সাজুয্য ও সমন্বয় সাধন হওয়া প্রয়োজন সকল জীবনসাধনার বৈশিষ্ট্য। শুধু ধর্মে কিংবা শুধু কর্মে ব্যাপৃত থাকা নয়- ধর্মের মূল্যবোধ ও চেতনা কর্মে প্রবিষ্ট হওয়া আর কর্মের ধ্যানধারণায় ধর্মের অনুপ্রেরণা বা প্রয়াসে হতে হবে নিবেদিত চিত্ত। মানুষ আধ্যাত্ম সাধনায় পরম সত্তায় লীন হতে চায়,

জান্নাত ও জাহান্নামের পরিচিতি এবং নামসমূহের আলোচনা

সংকলনে : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন : জান্নাতের পরিচিতি : জান্নাত আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ বাগান। এ শব্দ থেকেই জিনেই বলা হয়ে থাকে। আর আরবরা খেজুর গাছকেও জান্নাত বলে আখ্যায়িত করত। [মুহাম্মদ বিন আবু বকর আর রাযি, মুখতারুস সিহাহ পৃ: ৪৮। দেখুন: আল্লামা ইবন মানজুর, লিসানুল আরব, পৃ: ১৩/৯৯ এবং আল্লামা আছফাহানী, মুফরাদাতুল কুরআন, পৃ:

মানবতার গৌরবমহানবী সা.

খন্দকার মনসুর আহমদ : মহান আল্লাহ তা‘আলা চন্দ্র, সূর্য, জমিন আসমান যেমন পৃথিবীতে মানব সৃষ্টির পূর্বেই নির্মাণ করে রেখেছেন, তেমনিভাবে মানবতার মুক্তি ও হেদায়াতের প্রতীক হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও সকল মানব সৃষ্টির পূর্বেই সৃষ্টি করে রেখেছিলেন। একটি হাদীসে তার প্রমাণ মেলে। হযরত আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত : ‘লোকেরা জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রসূলাল্লাহ

সন্তানকে তাওহীদের শিক্ষা দিন

আলী হাসান তৈয়ব : একজন মুসলিম হিসেবে আমরা সন্তানকে বুদ্ধি বিকাশের প্রথম প্রহরেই সন্তানকে দীন সম্পর্কে ধারণা দিতে ইচ্ছুক থাকি। অনেকেই সন্তানকে কথা বলা শুরু করতেই আল্লাহ, আব্বু-আম্মু শিক্ষা দেই। তারপর ক্রমেই তাকে সালাত, সিয়াম ইত্যাদি ইবাদতের সঙ্গে পরিচিত করি। জুনদুব বিন আবদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমরা রাসূলুল্লাহ

চোখ ও গুপ্তাঙ্গ সম্পর্কে আল্লাহর আইন

সাইফ সাইফুল্লাহ : মানবের সাড়ে তিন হাত দেহজগৎ তথা এই ছোট বিশ্বের একটি এলাকা হচ্ছে তার চক্ষু যুগল, একে মহাবিশ্বের চন্দ্র-সূর্য-গ্রহ- নক্ষত্রের সাথে তুলনা করা হয়েছিল। অপর একটি অঞ্চল হচ্ছে তার গুপ্তাঙ্গ, এই চক্ষু যুগল ও গুপ্তাঙ্গ সম্পর্কে খোদায়ী প্রশাসনের সাংবিধানিক আইন নিম্নরুপ । ‘মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গের

দৃষ্টি সংযত রাখার উপায়সমূহ

জাহিদুল ইসলাম : সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহ তা’আলার জন্যে। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবারবর্গ এবং সাহাবাগণের উপর। সাধারণভাবে সকল মানুষ এবং বিশেষভাবে যুবক ও অবিবাহিতরা সবচেয়ে বড় যে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, তাহলো অপরিচিতা মহিলার প্রতি দৃষ্টি প্রদান করা। তারা এই বিপদের সম্মুখীন সকল জায়গাতেই হচ্ছে।

কুরআন ও হাদিসের আলোকে প্রতিবেশীর মর্যাদা ও অধিকার

মুফতী পিয়ার মাহমুদ : মানুষ সামাজিক জীব। তাই একজন মানুষ যেখানেই থাকুক না কেন সেখানেই থাকে তার সমাজ। থাকে প্রতিবেশী। সেই সমাজ ও প্রতিবেশীদের সঙ্গ নিয়ে এবং সঙ্গ দিয়েই তাকে জীবন যাপন করতে হয়। এ কথা চিরন্তন সত্য। একজন মানুষ যত দূরে, যত অপরিচিত স্থানেই অবস্থান করুক, ধীরে ধীরে তার সমাজ ও প্রতিবেশী বা পাশের

এসলাহ ও দাওয়াতের পদ্ধতি

মুফতী মাসুম বিল্লাহ : ادْعُ إِلِى سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহ্বান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তর রূপে এবং তাদের সাথে বিতর্কক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। [সূরা নাহল : ১২৫] যুগে যুগে আল্লাহ তা’আলা  দিশেহারা মানবজাতিকে সুপথ প্রদর্শন করার জন্য আম্বিয়া আ. গণকে দুনিয়াতে

ছেলেকে আদর দিলেকন্যাকেও দিয়ো

মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম : প্রাক- ইসলামী যুগে নারীদের পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো মর্যাদা স্বীকৃত ছিল না। সে যুগে কন্যা সন্তান জন্মদান ছিল পিতামাতার জন্য অপমানজনক। কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে পিতামাতার মুখ দুঃখে বিবর্ণ হয়ে যেতো এবং তাদেরকে জীবন্ত কবর দিতো। মহান আল্লাহ তা’আলা এ প্রসঙ্গে বলেন- “তাদের কাউকে যখন কন্যা জন্মের সুসংবাদ দেয়া হয়,

ইসলামের সোনালী যুগ আদর্শ রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র প্রধানের নমুনা

আবদুল্লাহ মুকাররম : সৃষ্টিগতভাবেই মানুষ সামাজিক জীব। মানব জীবনে একাকিত্ব অকল্পনীয়। ইসলাম স্বভাবজাত সার্বজনীন ধর্ম হিসেবে তাতে সবার জন্য সর্বাবস্থার সর্বোত্তম সমাধান বিদ্যমান। ব্যক্তি জীবন থেকে নিয়ে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনের সব সমস্যার সমাধান তাতে রয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, “তোমাদের জন্য রসূল সা.-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।” (আহযাব-২১)। মানুষের জান, মাল ও মান-মর্যাদার নিরাপত্তা

পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার

আব্দুল্লাহিল হাদী : “তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং তার সাথে কাউকে শরীক কর না আর পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার কর।” (সূরা নিসাঃ ৩৬)। দীর্ঘ দিন সীমাহীন কষ্ট ও অবর্ণনীয় যাতনা সহ্য করে মা সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন। মায়ের পেটে সন্তান যতই বৃদ্ধি পেতে থাকে তার কষ্টের মাত্রা ততই বাড়তে থাকে। মৃত্যু যন্ত্রণা পার হয়ে যখন সন্তান

মৃত্যু অনন্তের পথে যাত্রা

যোবায়ের বিন জাহিদমৃত্যু : পৃথিবীতে যে চিরসত্যকে এড়িয়ে যেতে পারে না কেউ, তা হলো মৃত্যু। সত্যিই মৃত্যু এক অপ্রতিরুদ্ধ এবং অবশ্যম্ভাবী বিষয়। প্রাণের স্পন্দন যেখানে আছে, সেখানেই আগমন করবে এ মৃত্যু। একে রোধ করার কিংবা বাধা দেয়ার শক্তি নেই কারো। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা’আলা ঘোষণা করেন- ‘(হে নবী!) আপনি বলে দিন, তাহলে তোমরা তোমাদের মৃত্যুকে

সম্পদের আসক্তি ঈমানকে দুর্বল করে

মোহাম্মদ মাকছুদ উল্লাহ : একজন মুমিনের জীবনে সব থেকে বড় সম্পদ হলো ঈমান। ইসলামী আকিদার ভিত্তিতে প্রত্যেক মুমিন দৃঢ়ভাবে এ বিশ্বাস করেন, তাঁর পার্থিব জীবনের সাফল্য ও পরকালীন জীবনের মুক্তি একান্তভাবেই ঈমানের ওপর নির্ভর করে। আর পৃথিবীটা এমন, এখানে রয়েছে ঈমান বিধ্বংসী বিষয়াবলির ছড়াছড়ি। সম্পদ, যা জীবনেরই অংশ সেটাই মুমিনের ঈমানকে বিনাশ করে দিতে পারে।

মা-বাবার মৃত্যুর পর তাদের জন্য করণীয়

আবু আব্দুর রহমান : মা-বাবা ছোট শব্দ, কিন্তু এ দুটি শব্দের সাথে কত যে আদর, স্নেহ, ভালবাসা রয়েছে তা পৃথিবীর কোন মাপযন্ত্র দিয়ে নির্ণয় করা যাবে না। মা-বাবা কত না কষ্ট করেছেন, না খেয়ে থেকেছেন, অনেক সময় ভাল পোশাকও পরিধান করতে পারেন নি, কত না সময় বসে থাকতেন সন্তানের অপেক্ষায়। সেই মা বাবা যাদের চলে

নারী জীবনের আলোকিত পথ

মূল : আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ আল-মুকবিল অনুবাদ : মুফতী আলী হুসাইন পূর্ব প্রকাশিতের পর… কথা বার্তা উপদেশ-৭ : স্বল্পভাষিতা, চিন্তামগ্নতা এবং নীরবতায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকেই একমাত্র আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করবেন। তাঁর রঙ্গে রঙ্গিন করুন নিজেকে। হযরত সোমাক ইবনে হারব রা. বললেন, একবার আমি জাবের ইবনে সামুরা রা. কে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কখনো রাসূলুল্লাহ

আত্মশুদ্ধি শান্তির পথ

হাকীম সালেহ আহমদ মিঞা : যারা আল্লাহর প্রতি গভীর বিশ্বাস ও ভালোবাসা রেখে আধ্যাত্মিক সাধনা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে ইবাদত ও আনুগত্যের মাধ্যমে নিজেদের চরিত্রগুণে আল্লাহর নিকট প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করেন, তারাই সুফি। ইমাম গাজ্জালী রহ.-এর মতে, ‘যে নিজ চরিত্র এবং কাজ-কারবার পরিশুদ্ধ, পরিপাটি করেছে এবং কলুষতা ও অপবিত্রতা থেকে নিজেকে শুদ্ধ করে নিয়েছে আর

সৃষ্টি জগতের সূচনা

মূল: আবুল ফিদা হাফিজ ইবনে কাসীর আদ-দামেশকী রহ. সংগ্রহে:   আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ জুবায়ের : পূর্ব প্রকাশিতের পর…… সাঈদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ উমাবী তার আল মাগাযী কিতাবের শুরুতে আবু উবায়েদ মুজাহিদ এর হাদিসে বর্ণনা করেছেন যে, সাত আসমান ও সাত জমিনের মধ্যে হারাম শরিফের মর্যাদাকে সমুন্নত করা হয়েছে। এটি চৌদ্দটি গৃহের চতুর্থটি, প্রতি আসমানে একটি এবং

দেশ-বিদেশের খবর

গরু চোরাকারবারি’ নয় এবার কলেজ ছাত্রকে হত্যা করল বিএসএফ কুড়িগ্রাম জেলার বিদ্যাবাগিস সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছেন, গত শনিবার ভোর ৫টার দিকে ফুলবাড়ী উপজেলার গংগারহাট বিদ্যাবাগিস সীমান্তের ৯৩৯ নম্বর পিলারের কাছে বিএসএফের গুলিতে মোকছেদুল আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল ভর্তি করেন। পরে


Hit Counter provided by Skylight