বিভাগ : উপন্যাস

কিশোরের হাতরে রক্তরে চিঠি

Rokter Chiti

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… খাদ্য সমগ্রী বা জাহাজ মেরামতের প্রয়োজন না হলে কোনো রাজ্যেই ভিড়ছে না তারা। অবিরাম চলছে কাফেলাটি। যেন দ্রুত পৌঁছতে পারে তাদের গন্তব্যস্থানে। এভাবে চলছে নাহিদা খালেদ ও যোবায়েরদের লঙ্কা দ্বীপের নতুন এ কাফেলাটি। জাহাজের ভিতরে কেউ কুরআন শরীফ পড়ছে, কেউ নামায পড়ছে আবার কেউ চুপ করে গালে হাত দিয়ে বসে দেখছে সমুদ্রের

ধারাবাহিক উপন্যাস : কিশোরীর হাতের রক্তের চিঠি

Rokter Chiti

পূর্ব প্রকাশিতর  পর… আবুল হাসানদের জাহাজটিও ঢুকলো সিন্ধু রাজ্যের সমুদ্রসীমায়। আর এটা জানতে বাকি রইলনা সিন্ধুরাজা দাহিরের। যখন শুনতে পারলো যে এরা মুসলমান, হজ্জে যাচ্ছে, শুনে তার মাথা আরো খারাপ হয়ে গেল। তার পোষা কুকুরগুলোকে পাঠালো সমুদ্রপৃষ্ট থেকে এদের ধরে নিয়ে আসতে। ডাকাত সৈন্যরা জাহাজটিকে নজরদারিতে রাখলো। যেই জাহাজটি ঘাটে ভিরল, ডাকাত দল জাহাজটিকে আটক

উপন্যাস : কিশোরীর হাতে রক্তের চিঠি

Rokter Chiti

পূর্বপ্রকাশিতের পর……. বেটা আমার নবীর সাথে বেয়াদবি! এবার দেখ কেমন লাগে। তারা আরো ভাবতে লাগলো যে, নবী কারীম সা. যেখানে সর্বপ্রথম ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করেছিলেন সেখানে আজ তারা হাজিরা হবে। দেখবে সেই রওজা যেখানে আল্লাহর নবী চিরনিদ্রায় শায়িত আছে। আমরা তার পবিত্র রওজা জিয়ারত করবো। এবং প্রিয়নবী কে বেদনাময়ী সালাম জানাবো। জানাবো হৃদয়ে জমাটবাঁধা সমস্ত

ধারাবাহিক উপন্যাস : কিশোরীর হাতের রক্তের চিঠি

Rokter Chiti

আবুল হাসান সম্ভবত তাদের এ মূর্তিপূজা  দেখেই চিনতে পেরেছিলো যে, তারা সকলেই প্রায় আরব দেশের লোক। আবুল হাসান তাদের  এ করুণ অবস্থা দেখে খুবই ব্যথিত হল। সে তাদেরকে দ্বীনি দাওয়াত দিতে শুরু করল। মূলত এমনি হওয়া দরকার সকল মুসলমানদের গুণ। কেননা আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে এ উম্মতে মোহাম্মদীর সম্পর্কেই ইরশাদ করেছেন- তোমরাই শেষ্ঠ উম্মত, মানব

ধারাবাহিক উপন্যাস : কিশোরীর হাতের রক্তের চিঠি -আকিদুল ইসলাম সাদি

Rokter Chiti

লঙ্কা একটি দ্বীপের নাম। যেটি শ্রীলঙ্কায় অবস্থিত। যার আশপাশে রয়েছে গভীর সমূদ্র। আল্লাহ তাআলার কত বড় একটি নেয়ামত যে, গভীর সমুদ্রের মধ্যে জেগে উঠেছে এ দ্বীপটি। দ্বীপটি যদিও একটি সমুদ্রের দ্বীপ, কিন্তু এটিকে আর মনে হয় না যে, এর অবস্থান সমুদ্রে। মনে হয় যেন অনেক বড় একটি রাজ্য। কারণ শ্রীলঙ্কায় অবস্থিত লঙ্কা দ্বীপটি দ্বীপ হলেও

নীলের তীরে মরুকন্যা : নজিবুল্লাহ সিদ্দিকী

Upnnas

শেষ পর্ব.. এরপর তিনি হাততালি দিলে প্রধান পরিচারিকা ভয়ে হাপাতে হাপাতে এসে বলল, মনিবা! কিছুক্ষণপূর্বে শত্র“পক্ষের একজন সৈনিক বাসভবনে ঢুকে পড়েছে। আমি তাকে এই মাত্র দেখে এসেছি। কিন্তু সে ঢুকেই মহলের ভিতরে লুকিয়ে পড়েছে। বিনতে ইখশীদ বললেন, ভয় পেয়ো না। এই সৈনিকটিই আমাদের জন্য নিরাপত্তার ঝাণ্ডা নিয়ে এসেছে। তুমি এখনই সালামার কামরায় গিয়ে এ মুহূর্তে

কায়রাওয়ানী দুলহান মূল : জুর্জি যীদান ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী

Upnnas

পূর্ব প্রকাশিতের পর… জাওহার বললেন, তোমরা মহলের ওপরে সবুজ পতাকা উড়াবে। তাহলে আমাদের সৈনিকদের কেউ তার কাছেও ঘেষবে না। -তাহলে কী এখন আমাকে যাওয়ার অনুমতি দিবেন? -না, আজ রাতটি তুমি এখানে থেকে যাও। আগামীকাল দেখবো কি করা যায়। আজ নয় কাল, এভাবে লিময়া জাওহারের শিবিরে কয়েকদিন কাটাল। ওদিকে বিনতে ইখশীদ সংবাদ শুনার জন্য ছটফট করছিলেন।

কায়রাওয়ানী দুলহান

Upnnas

পূর্বপ্রকাশিতের পর… মুসলিমের বাড়ি পৌঁছে দেখল, তার বাড়ির প্রধান ফটকে মানুষ গিজগিজ করছে। কেউ ঘোড়ায় চড়ে, কেউ যমীনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে অথবা তার সাহায্য চাচ্ছে। লিময়া তাদেরকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারল যে, কাফুরী ও ইখশীদি সেনাঅফিসাররা জাওহারের সাথে আলেকজান্দ্রিয়ায় যে সন্ধিচুক্তি করেছিল, তা ওরা ভঙ্গ করেছে। এ খবর জনগণের কাছে পৌঁছলে, সকলেই ক্রোধ ও গোস্বায়

ধারাবাহিক উপন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান

Upnnas

শাহজাদী আবু হামেদের কথা শুনে কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। ভাবতে লাগলেন তার কী উত্তর দেয়া যায়। লিময়ার দিকে তাকিয়ে দেখলেন যে, ও গলা বাড়িয়ে ওদের বাকী কথা শুনার চেষ্টা করছে। শাহজাদী তাকে ফিসফিস করে বললেন, এই তুমি তো বলেছিলে যে, তুমি নাকি মরক্কোর অধিবাসি। তুমি কি এই দু’জনকে চেনো? লিময়া বলল, না জনাবা। আমি ওদেরকে

ধারাবাহিক উপন্যাস ; কায়রাওয়ানী দুলহান

Upnnas

পূর্ব প্রকাশিতের পর. .. মিসর সেনাবাহিনীর মাঝে অন্তর্দ্বন্দ্ব ও ঝগড়া-বিবাদ লিময়ার মধ্যে মুঈয লিদীল্লাহর বাহিনীর সফলতা ও বিজয় সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলল। নিজ চোখেই সে দেখল এবং নিজ কানেই শুনতে পেল, দেশের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, রাজনৈতিক চরম দ্বন্দ্ব, সেনাবাহিনীর পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ এতই ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে যে, ভিনদেশী কোন শত্র“ আক্রমণ ছাড়াই ক্ষমতার মসনদ উল্টে যেতে

ধারাবাহিক উন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান

Upnnas

পূর্বপ্রকাশিতের পর…. বিনতে ইখশীদের প্রাসাদ নীলনদের পূর্বতীরে অবস্থিত এক বিশাল বড় প্রাসাদ। এর মেঝে ও দেয়ালে বিভিন্ন ধরনের দামী দামী গালিচা বিছানো এবং মনমুগ্ধকর কারুকার্য করা। আব্বাসীয়দের বিলাসিতা ও অপব্যয় সব কিছুতেই সুষ্পষ্ট। এদিকে বিনতে ইখশীদ ছিলেন উপমাতুল্য একজন বিলাসিতাপ্রিয় নারী। বিনোদন, বিলাসিতা, আরাম-আয়েশের এমন কোন উপকরণ নেই- যা তিনি সংগ্রহ করেন নি। সকলের ওপরই

কায়রাওয়ানী দুলহান : ফুসত্বাত্বে

Upnnas

পূর্বপ্রকাশিতের পর… আবু হামেদের কথায় কাফুরের চেহারায় আনন্দের দ্যুতি খেলে গেল..।  প্রশ্ন করলেন, তুমি কি নিশ্চিত যে, মিশনে তুমি এ পরিমাণ সফলতা অর্জন করতে পেরেছ? আবু হামেদ বলল, জনাব! আমি শতভাগ নিশ্চিত। আপনি জানেন যে, আমি ও আমার এই ভাতিজা (সালিমের দিকে ইঙ্গিত করে) যুদ্ধসরঞ্জাম মজুদ করছি এবং পার্শ্ববর্তী কবীলাগুলোকে আমাদের কাক্সিক্ষত দিনটির সফলতার লক্ষ্যে

কায়রাওয়ানী দুলহান : ফুসত্বাত্বে, মূল : জুর্জি যীদান

Upnnas

ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী : ফুসত্বাত্ব তৎকালীন মিশরের রাজধানী ছিল। প্রখ্যাত সাহাবি আমর ইবনুল আস রা. যখন মিসর বিজয় করেন, তখন তিনি এই শহরটি নির্মাণ করেন। আহমদ ইবনে তুলূন মিসরের শাসনকর্তা হলে তার প্রধান কার্যালয় ‘কাত্বা’- এ স্থানান্তর করেন। এবং তুলূনী হুকুমতের শেষ সময় পর্যন্ত এখানেই ছিল। কিন্তু যখন মুহাম্মাদ আলইখশীদ ক্ষমতা গ্রহণ করলেন, তখন

প্রতিশোধ অভিযান

Upnnas

খলীফা হুসাইনের কথা শুনে তার বাপের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলেন এবং বললেন, হ্যাঁ ‘সন্তান পিতার গোপন ভেদ জানে’-এ প্রবাদটি প্রকৃতপক্ষেই সত্য। কারণ এই অভিমতটিই কিছুক্ষণ যাবত ব্যক্ত করছিলেন সেনাপতি জাওহার। আর এখন দেখছি তার ছেলেও পিতার সেই মতটিই আওড়াচ্ছে।.. আচ্ছা হুসাইন, তোমার বাবা বললেন, তুমি নাকি ঐ গাদ্দারদের পিছু ধাওয়া করেছিলে। আশা করি তুমি তাদের

উপন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান : ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী

Upnnas

মূল : জুর্জি যীদান : প্রতিশোধ অভিযান : একদিন লিময়া নিজেই ‘উম্মুল উমারার’ কাছে আব্দার পেশ করল, তিনি যেন হুসাইনকে ডেকে পাঠান..। উম্মুল উমারা তার এ আব্দারে ভারী খুশি হলেন। ভাবলেন হয়তো লিময়ার পিতৃশোক ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করেছে। এর বড় প্রমাণ হলো, এই সে এখন তার বাগদত্ত্বকে দেখতে চাচ্ছে। তিনি তখনই হুসাইনকে দ্রুত আসতে

কায়রাওয়ানী দুলহানমূল : জুর্জি যীদান, ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী

Upnnas

বিষমিশ্রিত মধু: খলিফা খাবার খাওয়া শেষ করলেন। ঐ বাবুর্চি শরাব নিয়ে তাঁর সামনে পরিবেশন করে বলল, জাহাপনা! এই শরাবটি খাবার হজমে সহায়ক। এটি পান করলে সাথে সাথেই বদহজম দূর হয়।’ খলিফা মুঈয শরাবের পেয়ালাটি নেওয়ার পূর্বেই হামদুন উঠে পেয়ালাটি নিয়ে বললেন, জনাব! মাফ করবেন। ইতোপূর্বে এই শরাবটি আমি দেখিনি এবং চাখিওনি। তাই আপনার আগে আমারই

ধারাবাহিক উপন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান, ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী

Upnnas

লিময়ার যখন জ্ঞান ফিরলো, আকাশ ততক্ষণে অন্ধকার হয়ে এসেছে। আকাশে তারকারাজি মিটমিট করছে। সে উঠে বসার চেষ্টা করল। পায়ের গোড়ালিতে ব্যথা অনুভব করল। হাত দিয়ে পরীক্ষা করে আশ্বস্ত হলো যে, গোড়ালি ভাঙ্গেনি। মনোবল শক্ত করে সে উঠে বসল। অনুভব করল যে, তার ঘাড় দিয়ে কী যেন বেয়ে পড়ছে। হাত দিয়ে দেখল, রক্ত..। বুঝতে পারল যে,

ধারাবাহিক উপন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান (ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী)

Upnnas

বন্য উপত্যকায় : (মূল : জুর্জি যীদান ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী) বিয়ের আর একদিন বাকী। আবু হামেদ তার অশ্বে আরোহণ করে দ্রুতগতিতে ঘোড়া ছুটাল। মরুভূমিতে হারিয়ে গেল। সূর্য তখন উত্ত্বপ্ত কিরণ ছড়াচ্ছিল। তবে আবু হামেদের গায়ে কোনো তাপ অনুভব হচ্ছিল না। কয়েকঘণ্টা ব্যাপী সে আপন গতিতে চলল। একসময় তার ঘোড়া একটি বড় পাহাড়ের কাছে এলো।

ধারাবাহিক উপন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান

Upnnas

 – ভীতু কাপুরুষ এসময়ে সালিমের আবির্ভাব লিময়ার জন্য ছিল অত্যন্ত রোমাঞ্চকর। সালিমকে দেখেই তার মাথা ভনভন করে উঠল। তার শক্তি একেবারে নিস্তেজ হয়ে গেল। ফলে সে কাছেই একটি আসনের ওপর শুয়ে পড়ল। লিময়া শুয়ে সালিমের দিকে এমন ড্যাব ড্যাব করে তাকাতে লাগল যে, যেন সে নিজ চোখকে বিশ্বাসই করাতে পারছে না। তার অজান্তেই চোখে অশ্র“র

ধারাবাহিক উপন্যাস : কায়রাওয়ানী দুলহান[3] ষরযন্ত্রের ঘনঘটা

Upnnas

লিময়া উম্মুল উমারা থেকে বিদায় নিয়ে প্রধান ফটকে গিয়ে  যখন পৌঁছলো ততক্ষণে ঠিকই ফটক বন্ধ হয়ে গেছে। পাহারাদাররা ফটকের কাছেই অস্ত্র নিয়ে পাহারা দিচ্ছে। লিময়া অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে তাদের কাছে গেল। তাদেরকে দ্রুত দরজা খুলে দিতে নির্দেশ করলো। ‘সিজিলমাসার’ অধিপতির কাছে অতিগুরুত্বপূর্ণ এক কাজে শীঘ্রই তার দেখা করার  জন্য যেতে হবে। পাহারাদাররা তার কথা ও

কায়রাওয়ান রাজপ্রাসাদে : ভাষান্তর : নাজীবুল্লাহ ছিদ্দীকী

Upnnas

কায়রাওয়ান রাজপ্রাসাদে উম্মুল উমারা ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয়া, জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় এক বিদূষী নারী। স্বয়ং খলীফা মুঈযও অধিকাংশ সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁর সাথে পরামর্শ করতেন। উম্মুল উমারা গুরূত্বপূর্ণ পরামর্শ সভাগুলোতে হাজির হতেন বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরী করা পর্দার আড়াল করা থেকে। মুঈয সেনাপতি জাওহারের সাথে হুসাইন ও লিময়ার বিয়ের ব্যাপারে যে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন- উম্মুল উমারাকে


Hit Counter provided by Skylight