বিভাগ : আগস্ট -16

জান্নাত-সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

১। যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদেরকে শুভ সংবাদ দাও যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত, যার নি¤œদেশে নদী প্রবাহিত। যখনই তাদেরকে ফলমূল খেতে দেওয়া হবে তখনই তারা বলবে, আমাদেরকে পূর্ব জীবিকারূপে যা দেওয়া হত ইহা তো তাই। তাদেরকে অনুরূপ ফলই দেওয়া হবে এবং সেখানে তাদের জন্য পবিত্র সঙ্গিনী রয়েছে। তারা সেখানে স্থায়ী হবে। [সূরা

জান্নাত-সম্পর্কিত নির্বাচিত হাদীস

১। হযরত আবু হোরায়রা রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমি আমার পুণ্যবান বান্দাদের জন্য এমন সব জিনিস প্রস্তুত রেখেছি, যা কখনো কোনো চক্ষু দেখেনি, কোনো কান কখনো শুনেনি এবং কোনো অন্তঃকরণ যা কখনো কল্পনাও করেনি। [তিনি বলেন] এর সত্যতা প্রমাণে তোমরা ইচ্ছা করলে এ আয়াতটি তেলাওয়াত করতে পার। [অর্থাৎ]

ইসলামে আমানত ও হকের গুরুত্ব / মাওলানা আহমদ মায়মূন

আল্লাহ তাআলা বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন আমানত ও তার হকদারকে প্রত্যর্পণ করতে। আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে তখন ন্যায়পরায়ণতার সাথে বিচার করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে যে উপদেশ দেন তা কত উৎকৃষ্ট! নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা। [সূরা নিসা : আয়াত ৫৮] উক্ত আয়াতে আল্লাহ তাআলা দুটি নির্দেশ দিয়েছেন। ১. আমানত তার

আলোকিত সমাজ ও সভ্যতার স্বপ্ন চাই / ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

পবিত্র রমযান মাস কী নিয়ে এসেছিল এবং আমাদেরকে কী দিয়ে গেছে তা কুরআন মজিদের ছোট্ট একটি আয়তাংশ সামনে রাখলে বুঝতে কষ্ট হবে না। তা হচ্ছে ‘লাআল্লাকুম তাত্তাকূন’ অর্থাৎ ‘তোমরা যাতে তাকওয়া অর্জন করতে পার।’ পুরো রমযান মাসের সাধনাই ছিল মানুষের মধ্যে তাকওয়ার গুণ সঞ্চারের অনুশীলন। তাকওয়া মানে আল্লাহকে ভয় করে সংযমী জীবন পরিচালনা। তবে আরবিতে

মানব-শ্রেষ্ঠ শেষ রাসূল মুহাম্মদ সা.-এর চরিত্রে চরিত্রবান আমরা যদি হতে পারি /হাফেজ মাওলানা আবূ সালেহ

আমরা মানবজাতি। সৃষ্টির সেরা আশরাফুল মাখলুকাত। শেষ্ঠ জাতি। এই শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে হলে আমাদের মানব-শ্রেষ্ঠ ও শেষ রাসূল মুহাম্মদ সা.-এর সর্বসুন্দর আদর্শের অনুসারী হওয়া অপরিহার্য। কেননা তিনিই শেষ নবী ও শ্রেষ্ঠ  আদর্শের অধিকারী। খোদ আল্লাহ তাআলা পবিত্র কালামে ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর রসূলের (মুহাম্মদের) মাঝে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ। আরো ইরশাদ হয়েছে, মুহাম্মদ সা.

রাসূল সা. উত্তম আদর্শ ও আমাদের অবস্থা রাসূল সা.-এর ভারসাম্য আচরণ ও আমরা / ড. মুফতি আবদুল মুকীত আহযহারী

রাসূল সা. বলেন, আল্লাহ তাআলা নরম এবং তিনি ন¤্রতাকে ভালবাসেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা ন¤্রতার উপর যা (যে-সফলতা, যে-অর্জন) দান করেন তা কঠোরতার উপর দান করেন না।  রাসূল সা. ন¤্র ছিলেন এবং সকল কাজে ন¤্রতা প্রদর্শন করেছেন, দয়ার আচরণ করেছেন। রাসূল সা.-কে কেউ আঘাত করলে রাসূল সা. কখনো প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না।  রাসূল সা.-এর সঙ্গে কেউ

আল-কুরআনে সাহাবীদের যত জিজ্ঞাসা [২য় পর্ব] আল্লাহর অবস্থান এবং তাঁকে ডাকা সংক্রান্ত ব্যাপারে জিজ্ঞাসা / মাওলানা মুজিবুর রহমান

আল্লাহ দূরে না নিকটে, দূরে হলে উচ্চৈঃস্বরে আর নিকটে হলে ক্ষীণস্বরে ডাকব। এসব ধারণা নিয়ে সাহাবায়ে কেরাম রাসূল সা.-কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। এরশাদ হচ্ছে : ‘আমার বান্দাগণ যখন তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, (বলে দিন) আমি তো নিকটেই আছি। আহ্বানকারী যখন আমাকে ডাকে আমি তার আহ্বানে সাড়া দিই। সুতরাং তারাও যেন আমার ডাকে সাড়া দেয়। এবং

পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হজের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় / মাওলানা শিব্বীর আহমদ

হজ ইসলামের অন্যতম স্তম্ভ। হজই একমাত্র ফরজ এবাদত, যেখানে শারীরিক ও আর্থিক―উভয় দিকের সম্মিলন ঘটেছে। পৃথিবীর যে কোনো স্থান থেকেই হোক, মক্কা-মিনা-আরাফা-মুযদালিফার নির্দিষ্ট স্থানে এসেই হজ আদায় করতে হবে। এজন্যে প্রয়োজন হয় দীর্ঘ সফরের। মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ও লোকসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে হজপালনে নতুন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে লক্ষণীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ

মাতা-পিতা ও সন্তানের অধিকার / সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

আল্লাহ তাআলা জন্মগতভাবেই সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার অন্তরে ¯েœহ-মমতা, মুহাব্বত-ভালবাসা ঢেলে দিয়েছেন, তাইতো মাতা-পিতা ছোটবেলা থেকেই বহু কষ্ট সহ্য করে সন্তানকে লালন-পালন করেন এবং তাকে মানুষ হিসাবে গড়ে তুলতে যারপরনাই চেষ্টা করেন। মোটকথা আল্লাহ তাআলার পরই একজন ব্যক্তির উপর মাতা-পিতার অবদান সবচেয়ে বেশি। একজন নবজাতকের পৃথিবীতে আগমনের পর যখন তার কেউ থাকে না মাতা-পিতা ব্যতীত। সব

ইসলামী বিধানে ঘুষ / মুহাম্মদ মানজুর-এ-ইলাহী

[গত সংখ্যার পর] প্রথমত : উপহার-উপঢৌকন আরবীতে একেই বলা হয় হাদিয়া। ইসলামী আইনবিদগণ হাদিয়ার সংজ্ঞা দিয়েছেন এভাবে, ‘কাউকে শর্তহীনভাবে কোন অর্থ সম্পদ প্রদান করা।’ [ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, তৃতীয় খ., পৃ. ২২৬] লক্ষ করার বিষয় যে, ‘শর্তহীনভাবে কথাটি দ্বারা ঘুষ ও হাদিয়ার মধ্যে বিভেদরেখা টেনে দেওয়া হয়েছে। উপহার-উপঢৌকন কখন ঘুষ হিসাবে চিহ্নিত হবে? হাদিয়া বা উপহার দেয়া

আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে কওমি মাদরাসা / মুফতী উবায়দুল হক খান

শিক্ষা হচ্ছে মানব জীবনের স্বর্গীয় অনুভূতি। জীবনকে মানবিক গুণে গুণান্বিত করার অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের মনুষ্যত্ববোধকে জাগ্রত করে। সভ্যতাকে বিকশিত করে। শিক্ষা জীবনের আঁধার দূর করে আলোর পথ দেখায়। বিচার বিবেচনাবোধ সৃষ্টি করে। শুভ-অশুভ ও ভাল-মন্দের মাঝে দেয়াল তুলে দেয়। শিক্ষা হৃদয়ের জানালা খুলে দেয়। সুশিক্ষা নীতি-নৈতিকতার পথ দেখায়। সর্বোপরি আদর্শ সমাজ গঠনে

সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় করণীয় / এইচ. এম. মুশফিকুর রহমান

সৃষ্টির সেরা মানুষ যখন আল্লাহকে ভুলে স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠে, নীতি-নৈতিকতা ভুলে যায়, রাজনৈতিক নিপীড়ন, অর্থনৈতিক শোষণ এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনে লিপ্ত হয়- তখনই শান্তি বিনষ্ট হয়। আসলে সামাজিক ভেদাভেদ, পেশী শক্তির মহড়া থেকে মুক্তি পেতে হলে মানুষের মাঝে পরস্পরে হিংসা-মারামারি ও শত্রুতার দেয়াল ভাঙতে হবে। পাপ-পঙ্কিলতার পথ পরিহার করতে হবে। সমাজে শান্তি বজায় রাখতে হলে-নম্রতা, ভদ্রতা,

জীবনজিজ্ঞাসা

জাল টাকা চালানো প্রসঙ্গে। মুহা. শেখ ফরিদ, মনোহরদী, নরসিংদী। প্রশ্ন : আমি একজন দোকানদার। আমার কাছে কয়েকটা ১০০ ও ৫০০ টাকার জাল নোট জমা হয়েছে। নোটগুলো রেখে দিয়েছি যতœ করে। মাঝে মধ্যে চিন্তা করি যে, জাল টাকাগুলো চালিয়ে দিবো। কিন্তু বিবেক বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই জানতে চাই যে, নোটগুলো কি চালিয়ে দিতে পারবো? উত্তর :

কবিতাগুচ্ছ

প্রভু আমার সৈয়দা সুফিয়া খাতুন আমি কত কথা বলে ফেলি অধৈর্য হয়ে আমার ভাল কথাগুলি রেখে দিও প্রভু স্মৃতির পাতায় ধরে মন্দগুলি মুছে দিও প্রভু তোমার ভালবাসা দিয়ে তুমিই তো আমায় পাঠিয়েছো এই পৃথিবীতে কতই না ভালবেসে দিয়েছো আমায় অফুরন্ত নিয়ামত পৃথিবীজুড়ে আমি কত কথা বলে ফেলি মনের অজান্তে পাপসাগরে ডুবে আছি আমি যে গুনাহগার

ভয়ানক পথে / এনামুল করীম ইমাম

মানীর মান খোদায় বাঁচায়, বাপজানরে জোতা দিয়া পিটাইছে কিন্তু আমি ইজ্জত নিয়া পলাইয়া বাঁইচা আইছি। সমাজে প্রচলিত এই প্রবাদটি অহরহ-ই শোনা যায়; কিন্তু আমাদের গল্পটা একটু অন্যরকম এবং খানিকটা ভিন্ন স্বাদের। বদর যুদ্ধের ময়দান থেকে মুশরিক কুরাইশ দলের অন্যতম সদস্য উমায়ের ইবনে ওয়াহহাব কোনো রকম নিজের জীবনটা বাঁচিয়ে পালিয়ে আসতে পারল বটে; কিন্তু বিজয়ী মুসলমানদের

মাদরাসা নিয়ে কিছু কথা / তানভীর রহমান

পৃথিবীতে যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে সেগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হল মাদরাসা। স্বভাবতই মাদরাসা বলতে আমরা বুঝি ইলমে দ্বীন শিক্ষা করার জায়গা। কিন্তু মাদরাসার সজ্ঞা এতটুকু নয়। মাদরাসা হল এমন একটি জায়গা যেখানে মানুষ গুনাহ মুক্ত নির্মল পরিবেশ পায়। আল্লাহকে চিনতে পারে, নবী সা. এর প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করতে পারে, ইসলামের শত্রুদের বিরুদ্ধে জিহাদ  করার

স্বাস্থ্যসচেতনতা

র্ষার অঝর বর্ষণ শেষে স্মৃতি বিধুর অনুভূতি নিয়ে হাজির হয় শরৎ। বর্ষার কালো মেঘ সরে গিয়ে আকাশ হয়ে ওঠে ফর্সা, কাশ ফুলের মতো সাদা মেঘ ভেসে বেড়ায় আকাশে। গাছের পাতার রং বদলে থাকে। শিউলি ফুলের মতন জাগানো গন্ধে ভরে ওঠে বাতাস। দিনের শেষে কিছুটা কুয়াশা নামে, রাতে গাছের ঝোঁপের মাথায় ওড়ে জোনাকির দল। স্বপ্নময় এই


Hit Counter provided by Skylight