বিভাগ : আগস্ট-14

সম্পাদকীয় : সারা বছর রোযা রাখার সওয়াব হাসিল করার মাস শাওয়াল মাস

সকল প্রশংসা ও শ্রেষ্ঠত্ব মহান আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক। অজস্র দরূদ ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয়নবী মোহাম্মদ সা.-এর প্রতি। যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ এবং মানবজাতিকে পরিশুদ্ধ করার জন্য। আর শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর সাহাবি ও অনুসারীদের প্রতি, যারা সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। শান্তি বর্ষিত হোক মুসলিম জাতির প্রতি যারা আল্লাহপ্রদত্ত দীন

আল কুরআন মহাবিস্ময়কর অলৌকিক গ্রন্থ : মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ নোমানী

কুরআন মাজীদ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নাযিলকৃত সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। সৃষ্টি জগতের সামগ্রিক কল্যাণ এর উদ্দেশ্য। এ কিতাবের অনন্য বৈশিষ্ট্য ও শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে এর চিরন্তনতা ও বিকৃতিমুক্ত অবস্থা। বিশুদ্ধ ভাষাশৈলী, বাক্যবিন্যাস, চিত্রকল্প, উপমা-উতপ্রেক্ষ, ভাব ব্যঞ্জনা, ছন্দ-মাধুর্য, এ সব কিছুই এর শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত আসমানি কিতাব এসেছে তার কোনটিই বিকৃতির ভয়াল থাবা

মুসলমানদের ঐক্য পথ ও পন্থা : আশিক ইলাহী আল কলমী

আজ মুসলমানরা হচ্ছে ঈমানহারা। যাচ্ছে তাদের ঈমান দুর্বল হয়ে। খবর আসছে বিভিন্ন জেলা-বিভাগ থেকে। বিধর্মী ও বাতিল পন্থিরা তাদেরকে গ্রাস করে ফেলছে। কিন্তু কেন? কারণ, মুসলমানদের মাঝে তাকওয়া বা খোদাভীতি এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সহমর্মিতার চরম অভাব। অথচ এগুলোই তাদের ঈমান ও আমলের উপর অটল-অবিচল থাকার বড় হাতিয়ার। এদিকেই আহ্বান করে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-

মহানবী হযরত মোহাম্মদ সা. মানবতার মুক্তির অগ্রদূত : এস.এম. ইকবাল হোসেন

বিশ্ব যখন পারস্য ও রোমান দু’পরাশক্তির করতলগত ছিল। অমনিতর এক হতাশা ও অবক্ষয় নেমে এসেছিল আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে। খুন, রাহাযানি, সন্ত্রাস, জুয়া, মূর্তি পূজা ছিল নৈমিত্তিক ঘটনা। শরাব ও ব্যভিচারে ছিল যারা আসক্ত। এমনকি মেয়েদের জীবন্ত কবরও দেয়া হত। যেন মানবতার লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই। পাশবিকতায় যেন পশুও পরাজিত। এটা এমন অন্ধকার, যখন

জুয়ার সামাজিক ও সামগ্রিক ক্ষতি : মো. মাসউদুর রহমান

জুয়া সম্পর্কে কুরআনে শরাব বিষয়ের প্রদত্ত আদেশেরই অনুরুপ বিধান প্রদান করেছে যে, এতে কিছুটা উপকারও রয়েছে, কিন্তু ক্ষতি অনেক বেশি। জুয়ার উপকার সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত যে, যদি কেহ খেলায় জয় লাভ করে তবে একজন দরিদ্র লোক একদিনেই ধনী হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এর আর্থিক, সামাজিক এবং আত্মিক ক্ষতি সম্পর্কে অনেক কম লোকই অবগত। এর

জান্নাতে প্রবেশের প্রাথমিক অবস্থা : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

সারওয়ারে কায়েনাত রাসূলুল্লাহ সা. জান্নাতের দরজা খুলবেন রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন সমস্ত পয়গম্বর থেকে আমার অনুসারী বেশি উপস্থিত হবে। আমি সর্বপ্রথম জান্নাতের কড়া নাড়াব। [মুসলিম শরীফ] রাসূলুল্লাহ সা. আরো ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় এসে দরজা খুলতে বলব। জান্নাতের দারোগা প্রশ্ন করবে, আপনি কে? জওয়াব দিব আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

আবার এসো হে মাহে রমযান! : যোবায়ের বিন জাহিদ

দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমযানের সবকটি দিনই চলে গেলো। মুসলিম উম্মাহর জীবন থেকে হারিয়ে গেলো একটি বরকতপূর্ণ মাস। সবার ওপর থেকে সরে গেলো তার রহমতের ছায়া। পবিত্র এ মাহে রমযান সবার জন্যই নিয়ে এসেছিল শান্তির বার্তা। আযাবের সম্মুখীন ছিলো এমনসব মুমিনের কবরের আযাব বন্ধ ছিলো মাসব্যাপী। মুমিনদের রিযিক বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছিলো। দুষ্ট ও অবাধ্য

রোগীর সেবা-শুশ্রƒষা অনেক বড় ইবাদত : মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাকে দেখতে যাওয়া ও তার অবস্থা জিজ্ঞেস করা মুস্তাহাব। যদি রুগ্ন ব্যক্তির দেখাশোনা করার মতো তার কোনো আত্মীয়-স্বজন না থাকে তাহলে সর্বসাধারণের মধ্যে তার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ব্যক্তিদের ওপর তার সেবা-শুশ্রƒষা করা ফরজে কেফায়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘এক মুসলমানের ওপর অপর মুসলমানের হক

ইসলামে নারীর মর্যাদা এবং বর্তমান নারী সমাজ : মাওলানা আবদুল জব্বার ফিরোজ

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা মানব জাতিকে দু’টি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন, এক শ্রেণীর নাম পুরুষ, অপর শ্রেণী হলো নারী। তিনি প্রকৃতিগত কারণে  পুরুষ ও নারীকে একে অপরের পরিপূরক হিসাবে গঠন করেছেন। একজন পুরুষ যেমনি নারী ছাড়া তার জীবনের পূর্ণতা খুঁজে পায়না, তেমনি একজন নারীও জীবনসংঙ্গী হিসাবে একজন পুরুষ ছাড়া জীবনের পরিপূর্ণতা কল্পনা করতে পারেনা। আল্লাহ তাআলা

শরীয়তের দৃষ্টিতে দাড়ি : উবায়দুল হক খান

দাড়ি সমস্ত নবী-রাসূলগণের সুন্নাত এবং ইসলামের সবচেয়ে সহজ ইবাদত। মহান আল্লাহ পুরুষদের মুখে তা দান করেছেন সৌন্দর্য স্বরুপ। পুরুষদের জন্য দাড়ি রাখা ওয়াজিব। এক মুষ্টির ভিতরে তা কাটা বা ছাঁটা হারাম ও কবীরা গুনাহ। আর তা একেবারে মুন্ডিয়ে ফেলা আরো মারাত্মক হারাম পাপ। হাদীস শরীফে পুরুষদের দাড়ি রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং তা

হযরত দাউদ আ. : মাওলানা যুবাইর আহমদ

আল্লাহ তার মাঝে নবুওয়াত ও রাজত্বের অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন। আল্লাহ তাকে প্রজ্ঞা ও বাকপটুতা দান করেছিলেন। তিনি এমন নবী ছিলেন, যার সাথে পাখ-পাখালী, পাহাড়, পর্বত তাসবীহ পাঠ করত। চিরবিরল এক কণ্ঠস্বর আল্লাহ তাকে দান করেছিলে। শয়তান জালুতকে হত্যা করার জন্য আল্লাহ তাকে বনী ইসরাঈল সম্প্রদায় থেকে নবী হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। ফলে সে দাউদ আ. এর

সাহসী মানুষের কাহিনী : মো. ইমদাদুল হক খান

সৌভাগ্যবানরা এমনই হন। তাঁদের জন্যে খুলে যায় একের পর এক আলো ঝলমল দরজা। বিশ্বাস, সাহস, সততা ও কঠিন প্রত্যয়ের মাধ্যমেই তাঁরা জয় করেন জীবনকে। জয় করেন সময় ও কালকে। ঠিক তেমনিই এক সফল সাহসী সৈনিক হযরত সা’দ রা.। প্রথম আকাবায়ে ছয়জন মদীনাবাসী মক্কায় রাসূল সা. এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করে বাইয়াত হন, তাঁদের মাঝে একজন

ধৈর্য ও নামায যাবতীয় সমস্যার সমাধান : কামরুন নাহার

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেনÑ হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। উপরোক্ত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট, বিপদ আপদ, বালা-মসীবতসহ যাবতীয় প্রয়োজন ও সমস্ত সংকটের নিশ্চিত প্রতিকার দু’টি বিষয়ে নিহিত। একটি ‘সবর’ বা ধৈর্য অপরটি ‘সালাত’ বা নামায। এখানে সাহায্য প্রার্থনা শব্দটি

দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও অধিকার : নাজমা সুলতানা

আল্লাহ তা’আলা মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তার জীবন যাপনের পন্থা বাতলে দিয়েছেন। তার জৈবিক ও আত্মিক চাহিদা পূরণের নিয়ম কানূন বলে দিয়েছেন। আর মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের এই বিধি বিধান মেনে চলার মাধ্যমেই ইহলৌকিক মুক্তি ও সমৃদ্ধি এবং পরলৌকিক শান্তি ও সফলতা নিহিত। আল্লাহ তা’আলা নারী ও পুরুষের মধ্যে যে পারস্পরিক আকর্ষণ সৃষ্টি করে

ধৈর্য মানুষের উভয় জগতেই সুখ বয়ে আনে : মুর্শিদা বিনতে আ. কাদির

ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে জীবনের প্রতি পদে পদেই আসে বাধা-বিপত্তি, বিপর্যয়। এই জীবনে দুঃখ-দুর্দশা, কষ্ট-যাতনা, প্রতিকুলতা সবই থাকে। তবে এসব বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করলে সহজেই সফলতার সিঁড়ি পেয়ে লক্ষ্যাভিমুখে পৌঁছা যায়। তাছাড়া সর্ববিষয়ে ধৈর্য ধারণ করাই তো মুমিনের কাজ। আসলে ধৈর্য এমন একটি জিনিস যা সামান্য হলেও মানব জীবনে সুখ বয়ে আনে। ধৈর্য মানুষের উভয়

সমাজ ধ্বংসের জন্য কি মহিলারাই দায়ী? : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য, যিনি পরম করুণাময় বিচার দিনের মালিক, যিনি মানবকুল সৃষ্টি করে তাদের মধ্যে যুগে যুগে নবী প্রেরণ করেছেন। উত্তম পরিণতি কেবলই মুত্তাকীদের জন্য। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক সত্যের দিশারি, নারীকুলের মুক্তিকামী সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মোহাম্মদ সা. এর উপর এবং তার অনুসারীদের উপর। আল্লাহ তাআলা মানব সৃষ্টি করেছেন নারী ও

এ অপচয় ও অনাচার বন্ধ হওয়া দরকার : মোহাম্মদ হোসেন

সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নামে আমরা এমন কিছু আচার অনুষ্ঠান পালন করি যা ধর্ম ও মানবতাবিরোধীই শুধু নয়, আর্থিক অবিচারও বটে। এসব জঘন্য আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে দরিদ্র-মধ্যবিত্ত মানুষ আর্থিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। যুব সমাজের চরিত্র নষ্ট হচ্ছে। পাপাচার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে শান্তি-শৃংখলা, পবিত্রতা নষ্ট হচ্ছে। আমি আর ভূমিকা না রেখে আসল কথায়

আল্লাহর মনোনীত মহান জীবন ব্যবস্থা ‘আল ইসলাম’ : অধ্যক্ষ আ.ম.ম. খালেদ জমীল

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমাদেরকে তথা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন সুন্দরতম গঠনে। তিনি আমাদেরকে শুধুমাত্র সৃষ্টি করেননি, বরং সৃষ্টির পাশাপাশি অফুরন্ত নেয়ামত ও অসংখ্য দান-অনুদানের মাধ্যমে এই পৃথিবীর বুকে আমাদেরকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সম্মান-মর্যাদার সাথে বসবাস ও জীবন যাপনের সুযোগ দান করেছেন। আমাদের উপর মহান আল্লাহর অন্যতম প্রধান দান ও অনুগ্রহ হচ্ছে মহান জীবন ব্যবস্থা

হযরত আদম আ. ও মূসা আ.-এর বাদানুবাদ : সংকলন : আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের

পূর্ব প্রকাশিতের পর.. ইমাম বুখারী রা. বর্ণনা করেন যে, আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন : ‘মূসা আ. আদম আ.-এর সাথে বাদানুবাদের লিপ্ত হন। তিনি তাঁকে বলেন, আপনিই তো মানুষকে আপনার অপরাধ দ্বারা জান্নাত থেকে বের করে দিয়েছেন এবং তাদেরকে দুর্বিপাকে ফেলেছেন।’ আদম আ. বললেন, হে মূসা! আপনি তো সে ব্যক্তি যে, আল্লাহ তা’আলা

ইতিহাসের টুকরো কাহিনী : মাও. মোহাম্মদ সফিউল্লাহ

দেউলিয়া দাতার কান্ড বাদশা সোলায়মান বিন আব্দুল মালিকের যুগের কথা। রাক্কা নামক এক শহরে বনু আসাদ গোত্রের এক ধনাঢ্য ব্যক্তি ছিল। নাম তার খুজাইমা বিন বিশর। পাহাড়সম আত্মমর্যাদাবোধ আর আকাশসম উদারতা ছিল তার স্বভাব বৈশিষ্ট্য। কোন ভিক্ষুককে খালি ফেরত দিতেন না। হাত উজার করে অকাতরে সম্পদ বিলিয়ে দিতেন গরিব দুঃখীদের মাঝে। কোন মুখাপেক্ষীকে বঞ্চিত করতেন

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… [পির আলী- একজন আলেম, মাগরিব নামায অন্তে তিনি শয়তানের সংগে কথা বলিতেছিলেন।] পির আলী- কখন আসিয়াছ? শয়তান- তাহা টের পান নাই, হুজুর? পির আলী- না ত! এতক্ষণ পর্যন্ত তেমন কিছুই টের পাই নাই। শয়তান-  হুজুর! আপনার ‘আলাম তারায়’ যখন পহেলা পেচ বাঁধে তখন আসিয়া আমি আপনার মোক্তাদি হইয়াছি। পির আলী- তবে কি


Hit Counter provided by Skylight