Auto Draft

সেবা

সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

ও আকাশ ও বাতাস কার ইশারায় দিচ্ছ আমায় সেবা
ও চাঁদ ও সুরুজ কার ইশারায় দিচ্ছ আমায় সেবা
ও ফুল ও পাখি কে দিল তোমায় এতো রূপের বাহার
কিচির-মিচির করে ও পাখি কি কথা বল আমার প্রভুর সনে
অধম আমি ডাকার মত ডাকতে পারি না প্রভু তোমায়
তবুও রহমত-বরকত পেয়ালা ভরে দিয়েছ আমায়
কোথা থেকে এসে ছিলাম কোথায় যাব চলে
অজানা পথে চলছি আমি একা
বেলা যে আমার ফুরিয়ে গেল আসবে না আর ফিরে

আর পারি না
সাদিয়া উম্মে আমাতুল্লাহ

আর পারি না দৃশ্যমেঘ
খুলছে সামান্য থেকে নিষ্পন্ন বেদনা
আহ! বড় বেশি রিক্তের ক্ষত, ক্ষোভ
সকাল হতে দুপুর এবং বিকেল
গোধূলির শেষ ক্লান্তি
সন্ধ্যের ছেঁড়া গল্প-ভগ্ন বিধুর ভঙিমা
ও সুলভ বিষণ্ন জটিল গণিত
কী চমৎকার কী সুন্দর ও স্থাপকতা
জানো তো- ক্লান্তি আমার বন্ধু:
আর লাগে না ভালো চেনা শোনা জানা
বিচ্ছিরি এ শ্যাওলা সঙ্গীত, যদিও
মাড়োয়ারি খানাখন্দ তোমার রাতমদ।
রোববার তুমি ড্রেসিং টেবিলে ছায়া অন্ধকার লুকাবে!
আর পারি না মিশ্ররাগ ও রক্তিম পুরাণ
আমি ভেঙে যাচ্ছি ও মায়া ও প্রীতি রুখবে যদি
পোড়াবে দহন দুর্মর – দুর্বিনীত এহেন
ভ্রান্তি – ক্রান্তিকাল।

বাংলা নববর্ষ
মো. ফজলুল করিম

হে নববর্ষ নতুন করে দোলা দিলে মোর মনে
লাল গোলাপে জানাবো স্বাগতম ভাবছি প্রতিক্ষণে,
দুঃখ-দুর্দশা, লাঞ্ছনা আর গ্লানি, দিয়েছি গত করে
নতুন করে আপন ভেবে তোমারে নিয়েছি বুকটি ভরে।
বাংলা আমার মায়ের ভাষা বাংলায় গান করি,
ভাসিয়েছি তরি পদ্মার বুকে ঈমান শক্ত করি।
বাংলাকে নিয়ে রবি ঠাকুর লিখেছেন কত গান,
বাংলা রক্ষায় প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন নিজ প্রাণ।
তবুও তুমি হওনি ক্ষান্ত, হওনি তুমি শান্ত।
তোমার প্রতি অজ্ঞ মানুষের ধারণা এখনও ভ্রান্ত।
তোমাকে পেয়ে পরিপূর্ণ আজ শান্তি পেয়েছি মনে,
মায়ের ভাষায় পূর্ণ তৃপ্তি, তৃপ্তি নাইকো ধনে।

জন্মভূমি বাংলাদেশ
শেখ সোহেল রেজা

সবুজ-শ্যামল জন্মভূমি, আমার বাংলাদেশ
মাঝির কণ্ঠে ভাটিয়ালী শুনতে লাগে বেশ।
রাখাল ছেলে দুপুর বেলা, বাজায় বাঁশের বাশি
মনটা ভরে ওঠে আমার, দেখলে মায়ের হাসি।
মেঠো পথে ঐ চলে যায়, কত গরুর গাড়ি
সন্ধে বেলা কাজের শেষে, কৃষক ফিরে বাড়ি।
বাউলের একতারাতে, ধরে কত গান
জারি সারি শুনলে আমার, ভরে যায়রে প্রাণ।
পৌষ মাসের সকাল বেলা, অনেক রকম পিঠা
খেজুর গাছের রস খেতে, লাগে কত মিঠা।
বৈশাখ মাসে মিলে কত, বৈশাখী মেলা
গাঁয়ের বধুর ফসল নিতে, যায়রে বয়ে বেলা।
যত কথা বলি আমি, তবুও হয় না শেষ
সে যে আমার জন্মভূমি, আমার বাংলাদেশ।

ইতিহাস পড়ে দেখি
নাজিরুল ইসলাম নাকীব

রবীন্দ্রনাথ দিয়েছে স্কুল ফাঁকি,
নজরুল পারলো না বেশি পড়তে
তবুও ওদের গবেষণায় ছুটি
পি.এইচ.ডি ডিগ্রী করতে।

জীর্ণ বস্ত্রে অ্যান্ড্রু কার্নেগীকে
দিল না পার্কে ঢুকতে,
অবশেষে তিনি কিনে নেন পার্ক
সবার জন্য উন্মুক্ত করতে।

তৈমুর লং ছিলো খোঁড়া,
এরিস্টটল -মুখে ছিলো জড়তার পীড়া,
হযরতে আলী ছিলেন আধ ভূলোকের শাসক
ফাতেমার বিয়ের সওগাত ছিলো একটি মশক্!

তবুও তারা জ্ঞানীদের মাঝে
ছিলো নাম্বার ওয়ান,
তুমি কেন তবে বসে আছো আজও
হে নওজোয়ান?

অলসতা ভাই প্রধান শত্রু
আমাদের জীবনে,
নানা জড়তার প্রাসাদ ভাঙো
মানুষের আহ্বনে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight