মহানবী হযরত মোহাম্মদ সা. মানবতার মুক্তির অগ্রদূত : এস.এম. ইকবাল হোসেন

বিশ্ব যখন পারস্য ও রোমান দু’পরাশক্তির করতলগত ছিল। অমনিতর এক হতাশা ও অবক্ষয় নেমে এসেছিল আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে। খুন, রাহাযানি, সন্ত্রাস, জুয়া, মূর্তি পূজা ছিল নৈমিত্তিক ঘটনা। শরাব ও ব্যভিচারে ছিল যারা আসক্ত। এমনকি মেয়েদের জীবন্ত কবরও দেয়া হত। যেন মানবতার লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই। পাশবিকতায় যেন পশুও পরাজিত। এটা এমন অন্ধকার, যখন শয়তানের তান্ডবলিলায় পৃথিবী অতি জঘন্যভাবে কলঙ্কিত ও কলুষিত হয়েছিল। যখন মিথ্যা এসে সত্যের, কুসংস্কার এসে জ্ঞানের, পাপ  এসে পুণ্যের এবং ব্যভিচার এসে প্রেমের আসন অধিকার করে নিয়েছিল। যখন দূর্ধর্ষ মনুষ্যত্ব বিবর্জিত আরবীয় দিগরে পাশব জীবনের বিভীষিকা সমূহ শয়তানকেও ভীত, তটস্ত ও লজ্জিত করে তুলেছিল। তারা দাঁড়িয়ে ছিল ধ্বংসের লেলিহান শিখার পাশে। সূরা ইমরানে আল্লাহ বলেন- ‘তোমরা আগুনে ভরা এক গভীর গর্তের পাশে দাড়িয়ে ছিলে, আল্লাহ তোমাদের উহা থেকে রক্ষা করলেন।’ মানবের এ শোচনীয় অধপতন এবং ধর্মের এই মর্মন্তুদ গ্লানি দর্শন করে, মজলুম মানবতার মুক্তির মহাবাণী নিয়ে উন্নত চরিত্রের পরশ পাথর ও দুর্দান্ত সাহস নিয়ে আবির্ভূত হলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, খাতামুন্নাবিয়ীন, ইমামুল কিবলাতাইন, ইমামুল মুত্তাকীন, রাহমাতুল্লিল আলামীন, হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
মানবতার মুক্তির অগ্রদূত মোহাম্মদ সা. এর শিক্ষা গ্রহণ করার মধ্যে মুক্তি নিহিত। হযরত সালমান ফারসি রা. গর্ব করে বলেছেন, আমরা এমন এক নবীর সান্নিধ্য পেয়েছি যিনি আমাদের হাতে কলমে সবকিছু শিখিয়েছেন। এমনকি প্রাকৃতিক প্রয়োজনাদি সম্পন্ন করার সেই শিক্ষা দিয়েছেন। সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আচার ব্যবহারে ভদ্রতা, নম্রতা, শিষ্ঠতা, কারো প্রতি অবজ্ঞা বা বিদ্রুপ না করার শিক্ষাও পাই তাঁর আদর্শে। কারো মান সম্মানের খেয়ানত না করতে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। মাপে কম দেয়া, ঠকানো, জালিয়াতি, মিথ্যাচার, কুৎসা নেতিবাচক এসব কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। তিনি বলেছেন- জাতি, ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণী, পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, ধনী-দরিদ্র, প্রভু-ভৃত্য সবার ক্ষেত্রে বিচার সমান। হযরত আয়েশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. তাঁর নিজস্ব ব্যাপারে কারো নিকট হতে প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। রাসূল সা. সফর হতে গৃহে প্রত্যাবর্তনের সময় পথিমধ্যে যেসব শিশু পাওয়া যেত তিনি বাহনের অগ্রপশ্চাতে তাদের তুলে নিতেন এবং পথে ঘাটে খেলাধুলারত শিশুদের সাথে দেখা হলে মুচকি হেসে সালাম দিতেন। তিনি বলেছেন শিশুরা আল্লাহর বাগানের ফুল এবং খুশবো। তিনি শিশুদের বুনাইয়া বলে ডাকতেন। দশম হিজরী ৯ই জিলহজ্জ বিদায় হজ্জের প্রায় ৩০ মিনিটের ৩০টি বিষয়ের উপর ভাষণের প্রতিটি বাক্য প্রতিটি শব্দ মানব জাতির দিক নির্দেশনা। অত্যন্ত আবেগ ভরা কণ্ঠে তাঁরই উটনী কসওয়ার পৃষ্ঠ হতে তিনি তাঁর বক্তব্য শ্রবণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন এর পর তোমাদের সাথে আমার স্বাক্ষত নাও হতে পারে। সাবধান সকল প্রকার বর্বরতা ও জাহেলিয়াতকে আমার দু’পায়ের নিচে পৃষ্ঠ করে যাচ্ছি। নিরপরাধ মানুষের রক্তপাত ও সুদ হারাম হয়ে গেল। অপরের সম্পদ, রক্ত, ইজ্জত আল্লাহর কাছে কাবার মতই পবিত্র। তোমরা যা খাবে ও পরবে, চাকরদেরও তা খাওয়াবে এবং পরাবে। তোমরা যদি আল্লাহর কুরআন ও আমার সুন্নাহকে আঁকড়ে ধর, কখনো পথভ্রষ্ট হবে না। দুনিয়া ও আখেরাতে মুক্তি পাবে। নবীজি সা. আরো বলেন, যারা আমার এবং আমার সাহাবীদের অনুসরণ করবে না তারা জাহান্নামি এবং যে আমার সুন্নাহকে জিন্দা করল সে আমাকে জিন্দা করল।
রাসূল সা. বলেন, যার অন্তরে সরিষা পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তাই তিনি বলেন, যে সালাম দিল, সে অহংকার মুক্ত হল এবং সালাম দিলে ৯০টি সওয়াব পাবে। তিনি বলেন, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী বেহেশতে প্রবেশ করবে না। তাই তিনি বলেন, হায়াত এবং সম্পদ বাড়াতে চাইলে আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা কর। তিনি আরো বলেন, সে আমার উম্মত নয়, যে প্রতিবেশীকে হাত এবং মুখ দিয়ে কষ্ট দিল। তাই প্রতিবেশীকে কিছু দিতে না পারলে তরকারীর ঝোল হলেও দিতে বলেছেন। রাসূল সা. বলেছেন, পিতা-মাতার সাথে বেয়াদবি করো না। মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশত। তিনি বলেন, যে ইচ্ছে করে নামায ছেড়ে দিল, সে কুফরি করল, আর যে রোযা রেখে গীবত করল, সে রোযার সওয়াব থেকে বঞ্চিত হল। তিনি বলেছেন, জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক  নর-নারীর জন্য ফরজ। কারণ আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূলকে চিনতে হলে জ্ঞানের প্রয়োজন। পবিত্র কুরআনে নামাযের কথা ৮২ বার বললেও জ্ঞান অর্জনের কথা ৯২বার বলেছেন। কারণ জ্ঞান অর্জন না করলে ভাল-মন্দ, আল্লাহ-রাসূল, দুনিয়া-আখিরাত কিছুই চিনব না। ধর্মীয় তথা কুরআন হাদীসের জ্ঞান অর্জন না করলে তথা রাসূল সা. এর শিক্ষা গ্রহণ না করলে মুক্তির অগ্রদূত ঈমামুল মুত্তাকিন, রাসূলু রাব্বিল আলামীন আমাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে মুক্ত করতে পারবেন না।
কেয়ামতের মাঠে ৫টি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কেউ নড়তেও পারবে না। প্রশ্নগুলো হল: ১. জীবন কিভাবে কাটিয়েছ? ২. যৌবন কিভাবে কাটিয়েছ? ৩. আয় কিভাবে করেছ? ৪. ব্যয় কিভাবে করেছ? ৫. জ্ঞান অনুযায়ী আলম করেছ কি না? তখন সূর্য এক মাইলের মধ্যে নেমে আসবে, ঘামের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকবে, মাথা ফেটে মগজ বেরিয়ে পরতে থাকবে, জিহ্বা বের হয়ে নাভীর কাছে চলে আসবে, মানুষ তখন ‘আমাকে বাঁচাও’ বলে চিৎকার করবে, তখন সবাই আদম আ. এর কাছে গিয়ে বলবে, আমরা আর কষ্ট সহ্য করতে পারছি না, আল্লাহকে আমাদের বিচার করে ফেলতে বলেন। আদম আ. বলবেন, আল্লাহর নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমি গন্ধম ফল খেয়েছিলাম। আল্লাহ আমার উপর রেগে আছেন। তখন মানুষ ইব্রাহীম আ. এর কাছে যাবে। তিনি বলবেন আল্লাহ আমার উপর রেগে আছেন কারণ, আমার কওমের লোক আমাকে মেলায় যেতে বলেছিল আমি তাদের অসুস্থ বলেছিলাম অথচ আমি অসুস্থ ছিলাম না। তোমরা নূহ আ. এর কাছে যাও, নূহ আ. বলবেন, আমার ছেলে কিনানকে নৌকায় উঠতে বলেছিলাম অথচ আল্লাহ  আমার ছেলেকে না ডাকতে বলেছিলেন। আল্লাহ আমার উপর রেগে আছেন। সবাই মূসা আ. এর কাছে যাবে, তিনি বলবেন আমার চড়ে এক ব্যক্তি মরে গিয়েছিল তাই আল্লাহ আমার উপর রেগে আছেন। তোমরা ঈসা আ. এর কাছে যাও। ঈসা আ. বলবেন, আমার কওম আমাকে আল্লাহর ছেলে বলেছে অথচ আমি তাদেরকে বলতে বলিনি, আল্লাহ আমার উপরও রেগে আছেন। তোমরা আখেরী নবী সরদারে দো’আলম, ইমামুল মুরসালীন, হযরত মোহাম্মদ সা. এর কাছে যাও। রাসূল সা. সিজদায় পড়ে থাকবেন, কাঁদবেন, সুন্দর সুন্দর দুআ দিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবেন। আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তাঁর হাবীবকে মাথা উঠাতে বলবেন এবং আরো বলবেন তোমার দুআ, তোমার সুপারিশ আমি কবুল করেছি। তোমার উম্মতদেরকে জান্নাতে প্রবেশ করাও। মানবতার মুক্তির অগ্রদূত কেয়ামতের মাঠে আমাদেরকে এভাবেই মুক্ত করবেন। রাসূল সা. এর নাম শোনার সাথে সাথে দরূদ পড়া ওয়াজিব অথচ আমরা অধিকাংশই দরূদ পড়ি না। কেয়ামতের মাঠে রাসূল সা. তাঁর উম্মতদেরকে কাওসারের পানি পান করাবেন কিন্তু কিছু কিছু উম্মতদেরকে ফেরেশতারা রাসূলের হাত থেকে কেড়ে নেবেন। রাসূল সা. আল্লাহকে নালিশ দিলে আল্লাহ বলবেন, তোমার উম্মতের কিছু অংশ তুমি চলে আসার পর তাদের নিজস্ব মত হাদীসে সংযোজন করেছে, বি’দাত করেছে, ইবাদতের নামে শিরক করেছে। তখন রাসূল সা. ঐ শ্রেণীর উম্মতদের রাগ করে বলবেন, তোমরা দূর হও।
আজকের অশান্ত ও মহাসমস্যা সংকুল বিশ্বের জটিলগিট খুলতে, পৃথিবীর কাঙ্খিত শান্তি ফিরিয়ে আনতে, উম্মী নবী সা. এর আনীত আদর্শের বিকল্প নেই। পৃথিবীর আদি থেকে আজ পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য যখন যেখানে যা কিছু ছিল ও আছে সব কিছুর যোগফল মোহাম্মদি সূর্যের উজ্জল্যের সামনে একটি তারার মিটমিটি। মহানবী সা. এর আদর্শ তার জবান থেকে বিচ্ছিন্ন কতগুলো শ্র“তি মধুর কথামালা নয়। কতগুলো স্মৃতি বা আচার-আচরণের নাম। তাঁর গোটা জীবন ও জীবনের সবকিছুই আদর্শ। নবুওয়াতি জীবনের প্রতিটি বুলি, প্রতিটি আচরণ, প্রতিটি পদক্ষেপ, ছোট থেকে বড় ব্যক্তি থেকে সমষ্টি, নখ কাটা, ভাত খাওয়া, জামা পরা, বাথরুমে যাওয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত সবকিছুই একই আদর্শের অন্তর্ভুক্ত। একমাত্র মোহাম্মদ সা. ছাড়া পৃথিবীর জন্য আর কোন মহা মানব এমন নেই, যার জীবনের প্রত্যেকটি শ্বাস-প্রশ্বাস, প্রতিটি অঙ্গের নড়াচড়া, প্রতিটি পদক্ষেপ, এক কথায় জীবনের সবকিছুর আদর্শ। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সাদা-সিধে, মার্জিত ও রুচিশীল আদর্শ পুরুষ। পরিবারের একজন আদর্শ ও সহনশীল স্বামী। স্নেহপরায়ন পিতা, সুখে-দুঃখে অংশগ্রহণকারী সৎ প্রতিবেশী, সবার জন্য ইনসাফগার বিচারক, কঠিন পরিস্থিতিতেও দৃঢ়চেতা ও সাহসী সেনাপতি, দৈন্য ও প্রাচুর্যে সমভাবে দানশীল। সকল ধর্মের, বর্ণের ও ভাষার নাগরিকের জন্য গ্রহণযোগ্য নরপতি। তিনি এমন এক জীবনের অধিকারী যে জীবন সমুদ্রে অগণিত জীবন স্রোত একাকার হয়ে গেছে। যার জীবনের এক এক মূহুর্তের মধ্যে শত শত জীবন মিশে গেছে। এ আশ্চর্য জীবন মোহনায় সম্পূর্ণ বিপরীত জীবন ধারার ঘটেছে মিল। যিনি একদিকে অক্ষর জ্ঞানহীন উম্মি। অপর দিকে সমস্ত জ্ঞানীদের মহান শিক্ষক। এক দিকে তিনি এতই দরিদ্র যে, দিনের পর দিন অনাহারে, আবার সম্পদের পাহাড় চারপাশে। তিনি কুফরি শাসনের মজলুম প্রজা, আবার মাদানি সম্রাজ্যের একচ্ছত্র রাজা। তিনি হিজরত করেছিলেন যুলুমের কাছে পরাজিত হয়ে। তিনি ক্রীতদাস যায়েদের মনিব, আবার ধনবান ইহুদির খেজুর বাগানের শ্রমিক। তিনি হেরা পর্বতের ধ্যানমগ্ন সংসার ত্যাগী, আবার স্ত্রী পরিজনের সাথে একজন স্বার্থক সংসারী। একটি জীবনে এত বৈচিত্র্যময় জীবন ধারার সম্মিলন জীবনে কেউ দেখেছে কি? ‘একমাত্র মোহাম্মদ সা. এর মহান জীবন আদর্শে রয়েছে সকল সময়ের সর্বকালের জন্য আদর্শ।’[সূরা আহযাব]
পরিশেষে বলতে চাই, মোহাম্মদ সা. এর রিসালাতকে কোন সীমানা দেয়া হয়নি। তাই তাঁর আনীত আদর্শ দেশ, কাল, ভাষা, বর্ণ নির্বিশেষে সর্বকালের সকল শ্রেণীর মানব সমাজের জন্য, মানব জাতির কল্যাণ ও মুক্তি তাঁর আদর্শ গ্রহণের মধ্যে, আর অকল্যাণ তাঁর আদর্শ বর্জনের মধ্যে। নির্ভীক, সাহসী, জ্ঞানবান ব্যক্তিরাই কেবল নিজেদের জীবনকে রাঙ্গাতে পারে, সুন্নতে রাসূলের সুন্দর ও পাকা রঙ্গে। আর স্বপ্ন দেখতে পারে উহার রঙ্গে দুনিয়াকে রাঙ্গাবার। আমরা যারা মোহাম্মদ সা. কে রাসূল হিসেবে মেনে নিয়েছি আমাদের দায়িত্ব আজ সর্বাধিক। নিজেদের জীবনের সকল অংশ থেকে বিজাতীয় অসভ্যতা খুটিয়ে খুটিয়ে বের করতে হবে, তাগুতের সমস্ত বাঁধার ব্যারিকেড ভেঙ্গে সম্রাজ্যবাদী দানবদের সৃষ্ট প্রতিটি মরণ দূর্গে চরম আঘাত হেনে শৃঙ্খলিত মানবতার কর্ণে আজ আমাদেরকে পৌঁছে দিতে হবে মহানবী সা. এর মহাবাণী। আমাদের কর্তব্য হচ্ছে রাসূল সা. এর জীবনাদর্শ জেনে ও বুঝে এর প্রকৃত অনুসরণ করা। না বুঝে বা মনের ভেতর কপটতা রেখে রাসূলের অনুসরণ হয় না। আমাদের নবী সা. মানবতার সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, তা শুধু জানলেই হবে না বরং জানার সঙ্গে সঙ্গে মানার গুণ অর্জনে অতি আগ্রহী হতে হবে। অশান্ত এই পৃথিবীতে আল্লাহর কিতাবের আলোকে পরিচালিত রাসূল সা. রাষ্ট্র পরিচালনা কৌশলই মুক্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে পারে।
আসুন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদেরই প্রাণ প্রিয় মানবতার মুক্তি অগ্রদূত, রাহমাতুল্লিল আলামীন, খাতেমুন নবিয়ীন, বিশ্ব নবী হযরত মোহাম্মদ সা. এর সুন্নাহকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইহকাল ও পরকালে মুক্তির লক্ষ্যে গ্রহণের ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করে নেয়ামতে মোহাম্মদী সা.-এর শোকর আদায় করি।

লেখক : শিক্ষ আলহাজ্জ মোস্তাফিজুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম।
সাবেক সিনিয়র শিক্ষক, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ, রিয়াদ, সৌদি আরব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight