মাসিক সংরক্ষণাগার: May ২০১৮

সম্পাদকীয়

এটি একটি বাস্তবতা যে, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ ও সম্মানিত জাতি হল মানুষ। আর (মানুষের) শান ও শ্রেষ্ঠত্ব এবং একচ্ছত্র শাসন ও কর্তৃত্বের সামনে সমস্ত পৃথিবী (সকল সৃষ্টি) অবনত মস্তক। কিন্তু (মানুষের) এই শ্রেষ্ঠত্বের মানদ- কী? তা কি আমরা সবাই জানি বা বুঝতে সক্ষম হই? প্রকৃতপক্ষে খুব কম সংখ্যক লোকই বুঝতে পারে, মানুষের এই শ্রেষ্ঠত্ব, মর্যাদা, মহত্ব

রোযা সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

১। আর পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৭] ২। হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৩] ৩।

রোযা সম্পর্কিত নির্বাচিত হাদিস

১। হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা একদিন অথবা দুদিন পূর্বে ইসতিকবালের নিয়তে রোযা রেখো না। তবে যদি এটি তোমাদের কারো পূর্বের অভ্যাস অনুযায়ী রাখা রোজার অনুকূল হয়ে যায় সেটা ভিন্ন ব্যাপার। তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখো এবং ভঙ্গ করো। যদি তোমাদের কাছে চাঁদ গোপন থাকে তাহলে ৩০ দিন গুণে

কেন আসে রমযান মাস? আল্লামা তাকী উসমানী

ইসলামের বাইরে দৃষ্টি দিলে দেখবেন, পৃথিবীর সকল মতবাদ আগাগোড়া মানুষের মস্তিষ্ককে সম্বোধন করে। আর ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতা সম্বোধন করে শুধু তার হৃদয়কে। হৃদয় ও মস্তিষ্ক প্রত্যেকটির আছে আলাদা রাজত্ব। প্রত্যেকেই তার রাজত্বের একক অধিপতি। আর এই দুই রাজা (মস্তিষ্ক ও হৃদয়) শুধু এক নয়, তারা এক রাজ্যে অবস্থান করতে পারে না; বরং অনেক সময় পরস্পর

রমজানের রোজা : ফজীলত ও বিধান, মাওলানা আহমদ মায়মূন

আল্লাহ তা‘আলা মুসলিম জাতির জন্য রমজানের রোজা ফরজ করেছেন। এ জন্য মুসলিম সমাজের ধর্মপ্রাণ জনগোষ্ঠী পূর্ণ রমজান মাস ব্যাপী আল্লাহ তা‘আলার হুকুম পালনার্থে রোজা রেখে থাকে। রোজা এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যার দ্বারা মানুষের দৈহিক, আত্মিক ও আধ্যাত্মিক উপকার ও উন্নতি সাধিত হয়। এ জন্য পূর্ববর্তী ধর্মালম্বী অন্যান্য জানি-সম্প্রদায়ের জন্যও আল্লাহ তা‘আলা রোজার বিধান দান

আপন ভুবনে আল্লাহ্কে পাওয়ার সাধনা এ’তেকাফ : ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

এ’তেকাফ আরবী শব্দ, পবিত্র কুরআনের পরিভাষা। আভিধানিক অর্থ, কোন স্থানে অবস্থান করা। শরীয়তের পরিভাষায় এর অর্থ, রোযা ও এ’তেকাফের নিয়তসহ মসজিদে অবস্থান করা। মহিলারা মসজিদের পরিবর্তে ঘরে একটি জায়গা ঘেরাও দিয়ে আলাদা করে এ’তেকাফ করবেন। মাহে রমযান মানব জাতির জন্য আল্লাহ্র অগণিত অফুরন্ত রহমত ও নেয়ামত বয়ে এনেছে। তন্মধ্যে এ’তেকাফ অন্যতম। সাধারণত আমরা নেয়ামত বলতে

হযরত নূহ আ. এর কাহিনী পর্ব (১) : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

তিনি হলেন নূহ ইবন লামাক ইবন মুতাওশশালিখ ইবন খানুখ। আর খানুখ হলেন ইদরীস ইবন য়ারদ ইবন মাহলাইল ইবন কীনন ইবন আনূশ ইবন শীছ ইবন আবুল বাশার আদম আ.। ইবন জারীর প্রমুখের বর্ণনা মতে, আদম আ. এর ওফাতের একশ ছাব্বিশ বছর পর তাঁর জন্ম। আহলি কিতাবদের প্রাচীন ইতিহাস মতে নূহ আ. এর জন্ম ও আদম আ.

ইসলামে কর্মজীবী ও শ্রমিকদের অধিকার : উমর মুহাম্মদ মাসরুর

ইসলাম গৃহকর্মী ও শ্রমিকদের মর্যাদা প্রদান করেছেন, তাদের অবস্থান বিবেচনা করেছে, তাদের সম্মানিত করেছে এবং ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তাদের অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। পূর্ববর্তী কোনো কোনো সমাজব্যবস্থায় কাজ ও শ্রমের অর্থ ছিলো দাসত্ব ও গোলামি। কোনো কোনো সমাজব্যবস্থায় কাজের অর্থ ছিলো হীনতা ও অপদস্থতা। কিন্তু ইসলাম সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক অধিকারের স্বীকৃতি

মানব জীবনে রোযার গুরুত্ব ও উপকারীতা : মুফতী পিয়ার মাহমুদ

রমযানের রোযা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম। রোযা শব্দটি ফারসী। যার আরবী হলো, সওম। সওমের আভিধানিক অর্থ বিরত থাকা। শরীআতের পরিভাষায় সওম বলা হয়, প্রত্যেক সজ্ঞান, প্রাপ্ত বয়ষ্ক মুসলিম নর-নারীর সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোযার নিয়তে স্ত্রী সহবাস, পানাহার ও রোযা ভঙ্গকারী যাবতীয় কাজ-কর্ম থেকে বিরত থাকা। [বিনায়া :৪/৩; বাদায়েউস সানায়ে :২/৭৫] রমযানের চাঁদ দেখা

সমাজ সংস্কারে ইমামগণের দায়িত্ব ও কর্তব্য : মাওলানা জামালুদ্দীন

বড়দের কথা দিয়েই শুরু করি। সম্ভবত আবু তাহের মিসবাহ সাহেব দা.বা. এর একটি লেখায় পড়েছিলাম। হুবহু মনে নেই। তবে তার সারাংশ এমন, তিনি লিখেছেন, “আমরা বলি আমাদের মিডিয়া নেই, আমাদের প্রচার মাধ্যম নেই, আমাদের গণমাধ্যম নেই। সারা বিশ্বের মানুষ আজ মিডিয়ামুখী। তাই আমরাও যদি মিডিয়া তৈরী করে তার মাধ্যমে দ্বীন প্রচার করি; তাহলে তা হবে

অসুস্থ ব্যক্তির আত্মিকসেবা ও ধর্মীয় অধিকার : মমিনুল ইসলাম মোল্লা

মুসলিম পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তাকে মুসলিম ডাক্তারের নিকট নিয়ে যাওয়া তার ধর্মীয় অধিকার। ভাল মুসলিম ডাক্তার পাওয়া না গেলে ভিন্ন কথা, তবে চিকিৎসা যদি ঝাড়-ফুঁক জাতীয় হয় তাহলে অবশ্যই চর্চাকারী মুসলিম হতে হবে। কুরআনের আয়াত বা সহিহ হাদিসের দুয়া দিয়ে ঝাড়-ফুঁক করা যেতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে আরোগ্যদাতা একমাত্র আল্লাহ। রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু

সাংবাদিকতা : ইসলামি দৃষ্টিকোণ : আতিকুর রহমান নগরী

সংবাদপত্রকে একটি জাতির দর্পণ বলা হয়। দর্পণ অর্থ আয়না। আয়নার সামনে দাঁড়ালে নিজের প্রতিচ্ছবি ভেসে উঠে। সংবাদপত্রের মাধ্যমে দেশ জাতি ও সামজের চিত্র তুলা ধরা হয় বলে তাকে দর্পণ নাম দেয়া হয়েছে। এছাড়া মুদ্রণজগৎ, প্রচারমাধ্যম, সম্প্রচারকেন্দ্র, ইন্টারনেট কিংবা গণমাধ্যমের উপস্থাপিত বর্তমান ঘটনা প্রবাহের একগুচ্ছ নির্বাচিত তথ্যের সমষ্টি, যা যোগাযোগের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাকে সংবাদ বলে।

দেশ-বিদেশের খবর

১। দারুল উলুম দেওবন্দের মজলিসে শুরার বৈঠক : শিাব্যবস্থা আরো যুগোপযোগী করার সিদ্ধান্ত মজলিশে শুরার চলতি শিার্বষ ২০১৭-১৮ এর শেষ বৈঠক সমাপ্ত হলো। ২/০৫/১৮ইং থেকে শুরু হয়ে ৩/০৫/১৮ইং গভীর রাত পর্যন্ত চলে ২ দিনব্যাপী মজলিসে শুরার বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গত মজলিসে শুরায় নির্বাচিত নতুন ৫ রুকনে শুরাসহ মজলিশে শুরার অন্যান্য সকল রুকনে শুরাগণ। মজলিসে

রমজানের বার্তা : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

রমজানেরই বার্তা নিয়ে এলো শাবান মাস, ঈদের খুশির বার্তা নিয়ে এলো রমজান মাস যাকাতের হুকুম নিয়ে এলো রমজান মাস। গরিব দুঃখীর অভাব পূরণ করতে এলো রমজান মাস। রোজার শেষে ঈদ আসে এই ঈদ আবার গরিব দুঃখীর সামনে বছরে দু’বার আসে। যাদের অনেক বিত্ত আছে তাদের ঈদ প্রতিদিন আসে। রোযাদারের পুরস্কার দিবেন আল্লাহ নিজ হাতে। রায়হান

মাগো তুমি শামীম শিকদার : শামীম শিকদার

মাগো তুমি শৈশব স্মৃতি কষ্ট পেলে হাসা, তুমি আমার হৃদয় মণি দেওয়া কিছু আসা। তোমায় ঘিরে গল্প করি শিশির ভেজা রাতে, তুমায় নিয়ে ছড়া লেখি ছন্দগুলো মাতে। তোমায় ভেবে ছবি আঁকি আমার নয়ন মাঝে, তোমায় ভেবে কল্পনা দেখি ছোট বড় কাজে। তুমি আমার মনের মণি হালকা উষ্ণ হাওয়া, তুমি আমার নূরের প্রদীপ স্বপ্নগুলো পাওয়া।

সিয়াম সাধনার মাস : রমজান আলী রনি

মুসলমানের ঘরে ঘরে জ্বলছে আলোর বাতি পবিত্র এই মাহে রমজান ইবাদতে মাতি। মনের যতো গোপন ময়লা আল্লাহ করবে মাফ হোক না ভারী হোক না বিশাল হোক না নদী নাফ। খানাদানায় নেই ভেদাভেদ সিয়াম কার্যের মাস সরল মনে রাখবো রোজা পাপ যে হবে নাশ। নামাজ পড়ে যাকাত দিয়ে তসবিহ হাতে দিয়ে দিনের শেষে রোজা রেখে যাবো

সপ্ন দেখি : নাহিদ নজরুল

স্বপ্ন দেখি একটু করে স্বপ্ন দেখি অল্প স্বপ্ন দেখি জীবন গড়ার ছোট্ট একটি গল্প। স্বপ্ন দেখি স্বপ্ন বুনি মন আকাশের মাঝে স্বপ্ন আঁকি স্বপ্ন ডাকি নিত্য নতুন সাজে। স্বপ্ন দেখি নতুন দিনের মিষ্টি রোদের ভোর স্বপ্ন দেখি এগিয়ে খুব দূর হয়ে যাক ঘোর।

জান্নাতের সবুজ পাখি : মাহদী হাসান ফরাজী

একশো হাফেজ শহীদ হলো পাখি হলো জান্নাতে সবুজ পাখির রিজিক এখন হুর প্রিয়সীর রান্নাতে। একশো বাবার স্বপ্ন প্রাসাদ ভাসল রক্ত বন্যাতে একশো মায়ের কলজে ছিঁড়ে ভিজল আঁখি কান্নাতে। একশো ভাইয়ের আত্মাবাধঁন সিক্ত হলো রক্ততে একশো বোনের স্নেহ প্রীতি দগ্ধ জালিম শক্তিতে। একশো ছবি স্মৃতির ফ্রেমে বন্ধি হলো সন্ধ্যাতে একশো প্রাণের ভালোবাসা পড়বে না আর মন্দাতে।

রুখে দাঁড়াও : মুহাম্মাদ আবু আখতার

চারদিকে আজ পাপের মেলা নেইকো যে তার শেষ, নিত্য দিনেই নতুন সাজে দেখাচ্ছে তার বেশ। ঘরে বাইরে সব জায়গাতে চলছে অশ্লীল গান, খুব সহজেই পাপ হয়ে যায় খোলা রাখলে কান। দুর্নীতি আর অনাচারে ভরছে সবার মন, পাপের পথে নেই বাধা আর কাটছে কঠিন ণ৷ জেগে ওঠো মুসলিম সমাজ রুখে দাঁড়াও সব, তা না হলে দোজাহানেই

ঠিক দাঁড়াবে সামনে ঘুরে : ইদ্রিস মণ্ডল

যাদের ঘামে ফলে ফসল আর উৎপাদন হয় কারা ভাবে তাদের কথা ক’জন বলো কয় কেউ ভাবে না তাদের কথা সবাই থাকে নিরবতা ভাবলে পরে ওদের কথা ন্যায্য দাবী পেতো পেট পুরে ভাত শ্রমিক গুলো মনের সুখে খেতো এখন সবার ভাবতে হবে পাল্টে গেছে দিন থাকবে না চুপ শ্রমিকরা আর শুধতে হবে ঋণ করবে মিছিল চাইবে

একটু চিন্তা কর : হেদায়েত উল্লাহ

মৃত্যুর কথা একটু ভাবো ওরে ভোলা মন, বিদায় নিলে পড়ে থাকবে ভিটে মাটি ধন। যাবে না কেউ সঙ্গে তোমার কেউ হবে না সাথী আধার ঘরে আলো পেতে জোগাড় কর বাতি। নামায কালাম পড়ে তুমি নেকি অর্জন কর বাঁচতে যদি চাওরে মুমিন আল্লাহর পথ ধর। এপারের ধন এপারে রবে যাবে না ওপারে পুণ্য অর্জন কররে মুমিন


Hit Counter provided by Skylight