দৈনিক সংরক্ষণাগার: January ১৬, ২০১৮

চলে যায় সময় বেলায় অবেলায়-: মুহাম্মদ আবু হানিফ

সময় কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এবং অতিবাহিত হলে আর ফিরে আসে না। এভাবেই অতীত পর্দায় লুকিয়ে যায় মানুষের শৈশব ও কৈশোরের অবাধ চপলতা। অতীত কাহিনীতে পরিণত হয় যৌবনের উদ্দমতা। সময়ের গতিতে উপস্থিত হয় পৌঢ়ত্ব ও বার্ধক্যের গাম্ভীর্যতা। সময়ের সমীকরণ তখন বার্তা দেয় অনিবার্য মৃত্যুর। তখন মনে হয় চোখ খুললেই যেন ভেসে উঠল জীবন সমাপ্তির

পথশিশুর দরুন কুরআন-হাদীসের বাণী: জামিল আহমদ

“আমার খেতে ভাল লাগছে না, আমি এখন কিছু খাব না” বলে একটু চুপ রইল মেছবাহ। অনন্তর বলল, বর্তমান সময়টা আমার ভাল যাচ্ছে না, কিছু ভাল লাগছে না। আব্বু বাসায় না আসা পর্যন্ত আমি কিছুই মুখে দিব না। আম্মু হিসাবে মমতাজ বেগমের যতটুকু চেষ্টা করা দরকার তাতে তিনি  ত্রুটি করেন নি। আপু মারিয়াম এবং বড় ভাইয়া

জামাল ও তার কম্বল: রাহাত ইবনে মাহবুব

কাক ডাকা ভোর।  সূর্যি মামা সবে মাত্র কীরণ বিলাতে শুরু করেছে। ঘন কুয়াশার কারণে চারদিক বেশ ধোঁয়াটে। তাই সূর্যি মামার সদ্য ছড়ানো মিষ্টি রুদ্দুর অতটা সুবিধা করতে পারছে না। কমলাপুর রেলষ্টেশনের আবর্জনা ভরা প্লাটফর্মের এক কোণে ছেড়া একটা ছালার বস্তা গায়ে জড়িয়ে নিশ্চুপ বসে আছে জামাল। অসহনীয় ঠান্ডার তীব্রতায় থর থর করে কাঁপছে ওর পুরো

তাঁরাও যখন দীনের দাঈ! মীজানুর রহমান হানাফী

সুস্থ সুশীল জ্ঞানী সমাজের কাউকে যখন দেখি দীন-ধর্ম বিমুখ। ধর্ম বিদ্বেষী কর্মকান্ডে তৎপর। অবাক হই,আশ্চর্যের সীমা হারিয়ে যায়। তাদের বিচ্ছিন্নতায় ব্যথিত হই। কী সেই হেতু? যার জন্যে তারা দীন-ঈমানের মতো মহা দৌলত থেকে বঞ্চিত। অথচ যারা মনের ভাব প্রকাশ করতে জানে না; মুখে বলতে পারে না হৃদয়ে জমে থাকা আবেগ-অনুভূতি। তারাও এসেছেন বিশ^ ইজতেমার বিশাল

বড়, মেঝো, ও ছোট ভাই: দিলখোলাশা জাহিদ খান

আজরাঈল এসে পড়েছে তার জান কবজ করতে। সে তার বড় ভাইয়ের কাছে চলে গেল। বড় ভাইয়ের কাছে গিয়ে বললো ভাইয়া! আজরাঈল আমার জান কবজ করতে এসেছেন। আমি মরণের পর কী তুমি আমার সাথে ঐ অন্ধকার কবরে যাবে? বড় ভাই বললো, ঐ কবরে যাবো তো দূরের কথা তুই মারা গেলে তোর জানাযার নামাজটাও পড়তে যাবো না।

মুঠোফোনও হতে পারে মারণাস্ত্র: আবদুল হান্নান জুলফিকার

বর্তমান সমাজের চিত্রটি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে আমরা পরস্পরকে ভালোবাসার চেয়ে নিজের মুঠোফোন বা মোবাইল ফোনকেই বেশি ভালোবাসি। প্রতিদিন খাবার খেতে ভুলে গেলেও অথবা অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজ নিতে ভুলে গেলেও; মোবাইল ফোন সঙ্গে থাকবেই। মুঠোফোন ছাড়া জীবন কাল-কুঠরিতে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকা কয়েদীদের জীবনের মতো। মুঠোফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রযুক্তির কল্যাণে

স্বাস্থ্যসমাচার

স্বাস্থ্য হলো শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা। জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে মানুষকে তার চারপাশের সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে হয়। এই উভয় প্রকার পরিবেশ মানুষের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করে। স্বাস্থ্য সচেতনতা হলো কিছু অভ্যাসের আচরণ, যার দ্বারা আমরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারি। ‘স্বাস্থ্যই সম্পদ’ এটি একটি


Hit Counter provided by Skylight