মাসিক সংরক্ষণাগার: June ২০১৬

রোযা ও রমযান-সম্পর্কিত নির্বাচিত হাদীস

১। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রা. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, (রমজান মাসের) চাঁদ না দেখা পর্যন্ত তোমরা রোযা রেখো না। আর (শাওয়াল মাসের) চাঁদ না দেখা পর্যন্ত তোমরা ইফতার করো না। আকাশ মেঘলা থাকার দরুন যদি চাঁদ তোমাদের থেকে গোপন থাকে তবে (শা‘বান) মাসের দিনগুলো পূর্ণ করবে। অপর বর্ণনায়

রোযা ও রমযান-সম্পর্কিত আয়াত

১। হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পার। [সূরা বাকারা : আয়াত ১৮৩] ২। গণনার কয়েকটি দিনের জন্য (নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনের জন্য)। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোযা পূরণ করে নিতে

খোশ আমদেদ মাহে রমযান!

‘হে  মুমিনগণ, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ [সুরা বাকারা : আয়াত ১৮৩] সিয়াম একটি শারীরিক ইবাদত। এই ইবাদতের হক আদায় করে পরিপূর্ণ করা জরুরি। তাছাড়া এমনিতেও যে কোন ধরনের ইবাদত করতে হলে শারীরিক ও আত্মিক সুস্থতা একান্ত প্রয়োজন। কারণ শরীর-মন যদি

পবিত্র রমযান কিভাবে কাটাবেন ।। আল্লামা মুফতী তাকী উসমানী

রমযান মাস আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প থেকে এক মহান নেয়ামত। এ মাসের প্রকৃত মর্যাদা ও তাৎপর্য আমরা উপলব্ধি করব কিভাবে? আমরা তো দিন-রাত দুনিয়ার কাজে নিমগ্ন থাকি। সকাল থেকে সন্ধ্যা দুনিয়ার পিছনে ছুটি। বস্তুবাদের ফাঁদে আমরা আটকে গেছি। তাই আমরা কিভাবে বুঝব রমযান কী? আল্লাহ যাদেরকে অনুগ্রহ করেন, রমযানের নূর ও বরকত ধারা যারা বোঝেন,

প্রসঙ্গ : শবেকদরের ফযীলত ।। আল্লামা মুফতী তাকী উসমানী

শেষ দশক হলো গোটা রমযান মাসের নির্যাস। আল্লাহ তাআলা শেষ দশককে বিশেষ ফযীলতপূর্ণ ও অপার মহিমান্বিত করেছেন। গোটা বছরে এমন বৈশিষ্ট্যম-িত দিন আর দ্বিতীয় বার লাভ হয় না। রমযানের বিশতম রাত থেকে তা শুরু হয়। আল্লাহ তাআলা এতে তার রমহমত ও বরকতের খাযানা রেখে দিয়েছেন। তাতে মাগফিরাতের বাহানা খোঁজা হয়। বান্দাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির

এ‘তেকাফ : ফাযায়েল ও মাসায়েল || মাওলানা আহমদ মায়মূন

রমযান মাস ইবাদতের মাস, ইবাদতের মৌসুম। এ মাসে একটি ফরয আমল পালন করলে সত্তরটি ফরয পালন করার সমান সওয়াব পাওয়া যায়। আর একটি নফল পালন করলে ফরযের সমান সওয়াব পাওয়া যায়। [সহীহ খুযায়মা, হাদীস নং ১৮৮৭; শুআবুল ঈমান বায়হাকী, হাদীস নং ৩৩৩৬] রমযান মাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি আমলের নাম এ‘তেকাফ। ২০ শে রমযান সূর্যাস্তের কিছুক্ষণ পূর্ব

মাহে রমযানের ফযিলত, তাৎপর্য ও বিধিবিধান ।। হাফেজ মাওলানা আবূ সালেহ

মাহে রমযানের ফযিলত, তাৎপর্য ও বিধিবিধান হাফেজ মাওলানা আবূ সালেহ শুরুর কথা আলহামদুলিল্লাহ! বছর ঘুরে আমাদের দোরগোড়ায় আবারও ফিরে এসেছে পবিত্র রমযানুল মুবারক, এমাস কুরআন নাযিলের মাস, এমাস সংযম-সাধনা ও তাকওয়া অর্জনের মাস। এমাস সহনশীলতার মাস। এমাস পরস্পরের প্রতি সহমর্মিতার মাস। মুমিন নর ও নারীর জন্য এ মাস হলো দু হাতে নেকি কামাইয়ের মাস। রমযানুল

মাহে রমযানের আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ।। ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী

রমযান মাস। এই মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে। এই কুরআন মানুষের জন্য হেদায়াত (এর উপকরণ) আর সৎ পথের সুস্পষ্ট নিদর্শন ও সত্য মিথ্যার ফয়সালা দানকারী। [সূরা বাকারা : ১৮৫] পবিত্র মাহে রমযানের অতুলনীয় ফযিলতের জন্য এটুকুই যথেষ্ট যে, মহান রাব্বুল আলামীন এ মাসটিকে স্বীয় ওহী প্রেরণ এবং আসমানী কিতাবসমূহ নাযিল করার মাস হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।

রমযানে আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ।। সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

পবিত্র মাহে রমযান মুসলিম জাতির প্রতি মহান আল্লাহর সীমাহীন অনুকম্পা ও অনুদানের অন্যতম। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ মাসকে বরকতময় মাস বলে অভিহিত করেছেন। এ মাসের রয়েছে বিশাল মর্যাদা ও ফযিলত। রয়েছে বিশেষ বিশেষ আমল। রমযান মাস রমযান শব্দটির অর্থ অনেকে অনেকভাবে করেছে। মূলত আরবী ভাষায় শব্দটির অর্থ ‘দগ্ধকারী’ ‘দহনকারী’ ‘জ্বালানী’ ইত্যাদি। উলামায়ে কেরাম বলেন,

রোযা-রমযানের কয়েকটি সাধারণ ভুল ।। মাওলানা শিব্বীর আহমদ

পবিত্র রমযানের রোযাকে যখন ইসলামের ভিত্তিই বলে দেয়া হলো, তখন এর গুরুত্ব বর্ণনার আর বিশেষ কোনো প্রয়োজন থাকে না। হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্পষ্ট বলেছেন : ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি বিষয়ের ওপর—১. ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’ এ মর্মে সাক্ষ্য দেয়া, ২. যথাযথভাবে নামাজ আদায় করা, ৩.

কিয়ামুল লাইল : গুরুত্ব ও ফজিলত ।। মুফতী মুহিউদ্দীন কাসেমী

দিন ও রাতে পাঁচওয়াক্ত নামায ফরজ করা হয়েছে। যা মূলত ইসলামের মূল স্তম্ভ এবং ঈমানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এগুলোর আগে-পরে এবং অন্য সময়েও আরো কিছু নামায পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ এসেছে হাদিসে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিক্ষা দিয়েছেন নিজে। অতঃপর এ নামাযগুলোর মধ্যে যার ব্যাপারে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরুত্বারোপ করেছেন কিংবা অন্যকে উৎসাহ দেওয়ার সাথে সাথে

ইতিকাফ : অফুরন্ত পুণ্যের সমাহার ।। মুফতী পিয়ার মাহমুদ

ইতিকাফের পরিচয় : ২০ শে রামাযানের সূর্যাস্তের পূর্ব থেকে ঈদের চাঁদ দেখার পূর্ব পর্যন্ত পুরুষের জন্য মসজিদে আর নারীর জন্য নিজ গৃহের নামাযের নির্ধারিত স্থানে ইতিকাফের নিয়তে অবস্থান করাকে ইতিকাফ বলে। এটি হলো সুন্নাত ইতিকাফ। এ ছাড়াও ইতিকাফের আরও দুটি প্রকার রয়েছে : ১.ওয়াজিব ইতিকাফ। ইতিকাফের মান্নত করলে তাকে ওয়াজিব ইতিকাফ বলে। যে কয় দিনের

নারীর রমযান-প্রস্তুতি ।। নাঈমা তামান্না

রমযান মাস। এমাস বছরের শ্রেষ্ঠ মাস। এমাস কল্যাণময় মাস, কুরআন নাযিলের মাস। রহমত-বরকত ও মুক্তির মাস। এমাস তাকওয়া ও সংযম প্রশিক্ষণের মাস। সবর ও ধৈর্যের মাস। অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার মাস। এমাসে বেহেশতের দরজা খোলা থাকে আর দোজখের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং শয়তানকে শিকল পরিয়ে রাখা হয়। যেন মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে। সমস্ত

মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল কদরের তাৎপর্য ।। এহসান বিন মুজাহির

লাইলাতুল কদর মহিমান্বিত একটি রজনী। পবিত্র লাইলাতুল কদরের ফজিলত ও তাৎপর্য অপরিসীম। প্রথমেই জেনে নেই লাইালাতুল কদর কী! লাইলাতুল কদর হচ্ছে মোবারকময় শ্রেষ্ঠ রজনী। ‘লাইলুন’ শব্দটি আরবি-এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে রজনী। ‘কদর’ শব্দটিও আরবি-এর কয়েকটি অর্থ রয়েছে। এক অর্থ হচ্ছে মাহাত্ম্য ও সম্মান। আরেক অর্থ হচ্ছে তাকদির বা আদেশ। কদর নামকরণের কারণ: যেহেতু এরজনী অত্যন্ত

জীবনজিজ্ঞাসা

মুহা: আবুল কালাম ফরিদাবাদ, ঢাকা। প্রশ্ন: গোসল করার সময় পানি ব্যবহারের সর্বোত্তম পদ্ধতি কোনটি? বিস্তারিত জানাবেন। উত্তর: শরীরের কোথাও নাপাক কিছু থাকলে তা পানিদ্বারা পরিষ্কার করতে হবে। তারপর অযূ করবে। উত্তমরূপে গড়গড়াসহ কুলি করবে। এরপর ডান কাঁধে তিনবার পানি ঢালবে। অতঃপর বসে বাম কাঁধ তিনবার এবং সর্বশেষ মাথায় তিনবার পানি ঢেলে সর্ব শরীর উত্তমরূপে ধূয়ে

কবিতাগুচ্ছ

আলোর দিশা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন জীবনের বাঁকে বাঁকে তোমায় ভালোবেসেছি আল কুরআন আর হাদীস পড়ে তোমায় খুঁজে পেয়েছি। আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন তোমায় আমাদের জন্য সেরা উপহার, কোকিল যেমন গান গেয়ে যায় বসন্তের আগমনে, তেমনি করে সকল মুসলমান আল কুরআনের বাণী গেয়ে যায় সুর তুলে। নামাজের সাথে কেরাত পড়ে কত যে মধুময় সুরে কিযে শান্তি পাই

কোমল হৃদয়ে রমজান ।। মিযানুর রহমান জামীল

বড়দের মতো ছোটদেরও থাকে কচি কচি স্বপ্ন-আশা। থাকে মন ভরা ভালোবাসা আর বুক ভরা আনন্দ-উচ্ছ্বাস। কিন্তু তারা এগুলো সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারে না। আর তাই তাদের এ প্রকাশভঙ্গির রূপ হয় অবুঝ মনের অবুঝ হাসি আর আনন্দটাই। যখন সন্তান আরেকটু বড় হয় তখন সে বুঝে কে মা আর কে বাবা। সাত বছর বা তার চেয়ে একটু

এটা তো আমার প্রথম রোজা ।। মোহাম্মদ রাহাত ইবনে মাহবুব

ঘড়ির কাঁটা রাত আট-টা ছুঁই ছুঁই, আর অল্প সময়ের মধ্যেই মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে ধ্বনিত হবে সুমধুর আযানের ধ্বনি, এশার আযান, ঠিক এমন সময় হিফজ বিভাগের প্রধান শিক্ষকের মুখ থেকে শুনতে পেলাম চাঁদ উঠেছে। রমযানের চাঁদ, খবরটা অবশ্য আরো আগেই শুনেছিলাম। কিন্তু পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে এখন শুনলাম। সংবাদটা খুব খুশি মনেই দিলেন হুজুর। রমযানের চাঁদ উঠেছে খবরটা শুনে

আমার প্রথম রোযা ।। মোহাম্মদ আরিফ বিল্লাহ খান

অবতরণিকা : রমজান মাস হচ্ছে ঐ মাস, যে মাসে পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে। যাতে রয়েছে মানুষদের জন্য হেদায়াত। আর যার মধ্যে রয়েছে সত্য মিথ্যা পার্থক্য করণের নিদর্শন। রমযান মাসের এই তাৎপর্য অনুধাবন করে রাসূল সা. রমযান মাস আসার পূর্বে এই দোয়া করতেন, আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাবা ওয়া সাবান, ওয়া বাল্লিগনা রামাযান। রাসূল সাল্লাল্লাহু

স্বাস্থ্যসমাচার

রোজায় সুস্থ থাকার দশ উপায় আত্মশুদ্ধির মাস মাহে রমজান। সিয়াম সাধনার মাধ্যমে চলে এ আত্মশুদ্ধির প্রক্রিয়া। হঠাৎ করেই বছরের চিরাচরিত অভ্যাসগুলো পাল্টে যায় এ মাসে। এ সময়ে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে খাদ্যাভ্যাসে। এ পরিবর্তন মানিয়ে নেওয়া প্রথম দিকে একটু কঠিন হয়ে যায়। তাই শরীরের উপর প্রভাব পড়ে। সিয়াম সাধনার এ মাসটি আপনি কিভাবে কাটাবেন সে


Hit Counter provided by Skylight