মাসিক সংরক্ষণাগার: August ২০১৪

জীবন জিজ্ঞাসা

[শরিয়তসম্মত যে কোন সমস্যার সমাধান জানতে প্রশ্ন লিখে পাঠিয়ে দিন মাসিক আল জান্নাতের ঠিকানায়।] মুহাম্মাদ যুবায়ের, বাঁশতলা, বাংলা বাজার, দোয়ারা বাজার, সুনামগঞ্জ প্রশ্ন: আমি আমার স্ত্রীসহ হজ্জ করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। আমার স্ত্রীর সাথে হজ্জ করার জন্য অপর এক মহিলাও প্রস্তুতি নিয়েছে। সেই মহিলার সাথে আমার এবং আমার স্ত্রীর কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।

জীবনের শিক্ষা জীবনের জন্য

প্রিয় নবী সা. বলেছেন, “ছোটকে যে স্নেহ করে না এবং বড়কে সম্মান করে না, সে আমার দলভুক্ত নয়।” [সহীহ বুখারি] তাই ছোটকে স্নেহ করা এবং বড়কে সম্মান করা প্রতিটি মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। জীবনে যারা বড় হয়েছেন, বড়দেরকে সম্মান করার কারণেই হয়েছেন। বড় হওয়ার পথ থেকে যারা ছিটকে পড়েছে বড়দের বে-কদরি করার কারণেই ছিটকে পড়েছে। দুনিয়ার

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইসলামী পত্রিকার গুরুত্ব

বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি। এদেশে বসবাসরত ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমন। প্রতিদিন সুবহে সাদিকের সময় লক্ষাধিক মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়। আজানের ধ্বনি শুনে মুসলমানদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। সমবেত হয় মসজিদে, এক সাথে আল্লাহর কুদরতি পায়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। সে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। ইসলামের এ সুমহান আদর্শ দেখে বিজাতীরা ১৪শত বছর পূর্বে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছিল। মুসলমানদের অস্তিত্ব পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্য নানারকম ষড়যন্ত্রের পথ তারা বেছে নিয়েছিল। কিন্তু তারা সফলতার মুখ দেখেনি। প্রায় দেড় হাজার বছর পর আজও এ ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তবে কালের বিবর্তনে তাদের ষড়যন্ত্রের কৌশলের পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমান যুগকে আধুনিকতার শীর্ষ যুগ বলা হয়। মিডিয়াসহ নানারকম কৌশলের মাধ্যমে তারা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ঈমানকে ধংস করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। তাদের এ কৌশল অনেকটা সফলতার দারপ্রান্তে পৌঁছেছে। তারা মুসলমানদের অন্তর থেকে ঈমানের নূরকে বিদূরিত করে নাস্তিক্যবাদ ঢুকিয়ে দিয়েছে। একজন মুসলিম সন্তানের কলম থেকে ইসলামের পক্ষে, বাতিলের বিরুদ্ধে লেখা আসবে। কিন্তু আফসোস! আজ তারই কলম বাতিলের পক্ষে এবংহকের বিরুদ্ধে কথা বলছে। সেসব নাস্তিকদের লেখা পড়ে সরলমনা মুসলমানদের ঈমানের প্রদীপ নিভে যাচ্ছে। দিন দিন বাংলার বুকে নাস্তিকদের আবাস বেড়েই চলছে। একদল নামধারী লেখকদের কু-রুচিপূর্ণ লেখা এবং মিডিয়ায় অশ্লীল ছবির ছড়াছড়িতে আজ যুব সমাজ ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত। মানুষের মনুষ্যত্ববোধ কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে, ঘর থেকে বের হলেই স্পষ্ট বুঝা যায়। পার্ক, উদ্যানসহ দর্শনীয় স্থানগুলোতে বিবেকবান মানুষের প্রবেশ অনেকটা দুর্লভ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এসব স্থানের পরিবেশ স্বামী-স্ত্রীর একান্ত বাসকেও হার মানায়। এভাবে চলতে থাকলে একসময় বাংলার বুকে অশ্লীল, বেহায়াপনা কাজের নিন্দা জানানোর কোন লোক খুজে পাওয়া যাবে না। মুসলমানদের এ চরম সংকটময় মুহুর্তে একদল সাহসী ওলামায়ে কেরাম ও একনিষ্ট ধার্মিক মানুষ কলমের ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছেন। অনেক বাঁধা বিপত্তিকে উপেক্ষা করে সম্মুখপানে এগিয়ে যাচ্ছেন। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলার বুকে বেশ কয়েকটি ইসলামী পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছে। এসব পত্রিকাগুলোতে বর্তমান পেক্ষাপটে কুরআন-হাদীসের আলোকে ইসলামের সঠিক তথ্য তুলে ধরা হয়। যাতে করে বাংলার প্রতিটি মুসলমান খুজে পায় সরল পথের দিশা। ইসলামী পত্রিকাগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি পত্রিকা মাসিক “আল-জান্নাত”। গত এক বছর যাবত আমি পত্রিকাটি পড়ছি। পত্রিকার প্রচ্ছদ এবং তথ্যবহুল লেখা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি মনে করি এমন একটি পত্রিকা প্রতিটি মুসলমানের পঠন অপরিহার্য। কারণ, মিথ্যা, অশ্লীল কথা ও ছবির ছড়াছড়িতে বাজার যখন গরম, তখন ইসলামী পত্রিকাই একজন মুসলমানের জন্য সঠিক তথ্য পাওয়ার একমাত্র সম্বল। ইসলামী পত্রিকার মাধ্যমে একজন মানুষ খুঁজে পেতে পারে তার জীবনে চলার পথের পাথেয় এবং সোনালি ভবিষ্যৎ। সত্য, ন্যায়ের মশালবাহী ওলামায়ে কেরাম ও ধর্ম পিপাসু লোকের মেহনত আল্লাহ যেন কবুল করে বাংলার যমীন থেকে নাস্তিক্যবাদকে চিরতরে নিঃশেষ করে দেন। সদা এই কামনাই করি। পাঠিয়েছে : রুম্মান বিন আল মামুন, আল জামিআ ইসলামিয়া মদীনাতুল উলুম, ব্যাংক কলোনী, সাভার, ঢাকা।

বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি। এদেশে বসবাসরত ৯০ ভাগ মানুষ মুসলমন। প্রতিদিন সুবহে সাদিকের সময় লক্ষাধিক মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আজানের ধ্বনি উচ্চারিত হয়। আজানের ধ্বনি শুনে মুসলমানদের ঘুম ভেঙ্গে যায়। সমবেত হয় মসজিদে, এক সাথে আল্লাহর কুদরতি পায়ে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। সে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। ইসলামের এ সুমহান আদর্শ দেখে বিজাতীরা ১৪শত বছর পূর্বে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে

জান্নাতের গ্যারান্টি, আল্লাহর ওলী হওয়ার জন্য করণীয়, সোনালি হরফে লেখা

জান্নাতের গ্যারান্টি মহানবী সা. বলেছেন, ‘তোমরা আমার জন্য ছয়টি জিনিসের যামিন হয়ে যাও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের যামিন হয়ে যাব; ১. কথা বললে সত্য কথা বল। ২. ওয়াদা করলে পূরণ কর। ৩. তোমাদের নিকট আমানত রাখা হলে তা আদায় কর। ৪. লজ্জাস্থানের হিফাযত কর। ৫. চক্ষুকে অবনত রাখো। ৬. হাতকে সংযত রাখো। [আহমাদ, হাকেম, সহীহুল

পাঁচ জিনিস নিয়ে আলোচনা

সৌভাগ্যের পাঁচটি নিদর্শন- ১. অন্তরে বিশ্বাস থাকা। ২. ধর্মীয় কাজে পরহেযগারী থাকা। ৩. দুই চোখে লজ্জা থাকা। ৪. শরীরে আল্লাহর ভয় থাকা। ৫. দুনিয়ার ব্যপারে নির্মোহ থাকা। দুর্ভাগ্যের পাঁচটি নিদর্শন- ১. অন্তরে কঠোরতা সৃষ্টি হওয়া। ২. চোখের অশ্র“ প্রবাহিত না হওয়া। ৩. লজ্জা কমে যাওয়া। ৪. দীর্ঘ আশা করা। ৫. দুনিয়ার লোভ-লালসা বৃদ্ধি পাওয়া। প্রত্যাখানের

বাচ্চাদের পড়াশোনায় আগ্রহী করার সাতটি উপায়

বাচ্চাদের পড়াশোনায় বসাতে মা-বাবাকে অনেক কাঠখড় পুড়াতে হয়। কিন্তু লেখা-পড়াতো করতেই হবে। তাই বাবা-মা বেশিরভাগ সময়ই নানাভাবে শাসন করেন। বাচ্চাদেরকে। অভিভাবকদের এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে বিশেষজ্ঞরা নানা গবেষণা করেছেন। বাচ্চাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাতটি পস্থা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন অভিজ্ঞরা। এগুলো জেনে রাখুন। ১. আনন্দময় করে : শিশুরা আনন্দ চায়। পড়াশোনা যদি আনন্দময়

সম্পাদকীয় : সারা বছর রোযা রাখার সওয়াব হাসিল করার মাস শাওয়াল মাস

সকল প্রশংসা ও শ্রেষ্ঠত্ব মহান আল্লাহর জন্য যিনি সৃষ্টিজগতের প্রতিপালক। অজস্র দরূদ ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয়নবী মোহাম্মদ সা.-এর প্রতি। যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ এবং মানবজাতিকে পরিশুদ্ধ করার জন্য। আর শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর সাহাবি ও অনুসারীদের প্রতি, যারা সত্য দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। শান্তি বর্ষিত হোক মুসলিম জাতির প্রতি যারা আল্লাহপ্রদত্ত দীন

আল কুরআন মহাবিস্ময়কর অলৌকিক গ্রন্থ : মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ নোমানী

কুরআন মাজীদ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক নাযিলকৃত সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। সৃষ্টি জগতের সামগ্রিক কল্যাণ এর উদ্দেশ্য। এ কিতাবের অনন্য বৈশিষ্ট্য ও শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে এর চিরন্তনতা ও বিকৃতিমুক্ত অবস্থা। বিশুদ্ধ ভাষাশৈলী, বাক্যবিন্যাস, চিত্রকল্প, উপমা-উতপ্রেক্ষ, ভাব ব্যঞ্জনা, ছন্দ-মাধুর্য, এ সব কিছুই এর শ্রেষ্ঠত্বের স্মারক। পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত আসমানি কিতাব এসেছে তার কোনটিই বিকৃতির ভয়াল থাবা

মুসলমানদের ঐক্য পথ ও পন্থা : আশিক ইলাহী আল কলমী

আজ মুসলমানরা হচ্ছে ঈমানহারা। যাচ্ছে তাদের ঈমান দুর্বল হয়ে। খবর আসছে বিভিন্ন জেলা-বিভাগ থেকে। বিধর্মী ও বাতিল পন্থিরা তাদেরকে গ্রাস করে ফেলছে। কিন্তু কেন? কারণ, মুসলমানদের মাঝে তাকওয়া বা খোদাভীতি এবং পারস্পরিক ঐক্য ও সহমর্মিতার চরম অভাব। অথচ এগুলোই তাদের ঈমান ও আমলের উপর অটল-অবিচল থাকার বড় হাতিয়ার। এদিকেই আহ্বান করে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-

মহানবী হযরত মোহাম্মদ সা. মানবতার মুক্তির অগ্রদূত : এস.এম. ইকবাল হোসেন

বিশ্ব যখন পারস্য ও রোমান দু’পরাশক্তির করতলগত ছিল। অমনিতর এক হতাশা ও অবক্ষয় নেমে এসেছিল আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে। খুন, রাহাযানি, সন্ত্রাস, জুয়া, মূর্তি পূজা ছিল নৈমিত্তিক ঘটনা। শরাব ও ব্যভিচারে ছিল যারা আসক্ত। এমনকি মেয়েদের জীবন্ত কবরও দেয়া হত। যেন মানবতার লেশমাত্র অবশিষ্ট নেই। পাশবিকতায় যেন পশুও পরাজিত। এটা এমন অন্ধকার, যখন

জুয়ার সামাজিক ও সামগ্রিক ক্ষতি : মো. মাসউদুর রহমান

জুয়া সম্পর্কে কুরআনে শরাব বিষয়ের প্রদত্ত আদেশেরই অনুরুপ বিধান প্রদান করেছে যে, এতে কিছুটা উপকারও রয়েছে, কিন্তু ক্ষতি অনেক বেশি। জুয়ার উপকার সম্পর্কে আমরা সবাই অবগত যে, যদি কেহ খেলায় জয় লাভ করে তবে একজন দরিদ্র লোক একদিনেই ধনী হয়ে যেতে পারে। কিন্তু এর আর্থিক, সামাজিক এবং আত্মিক ক্ষতি সম্পর্কে অনেক কম লোকই অবগত। এর

জান্নাতে প্রবেশের প্রাথমিক অবস্থা : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

সারওয়ারে কায়েনাত রাসূলুল্লাহ সা. জান্নাতের দরজা খুলবেন রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন সমস্ত পয়গম্বর থেকে আমার অনুসারী বেশি উপস্থিত হবে। আমি সর্বপ্রথম জান্নাতের কড়া নাড়াব। [মুসলিম শরীফ] রাসূলুল্লাহ সা. আরো ইরশাদ করেন, কেয়ামতের দিন আমি জান্নাতের দরজায় এসে দরজা খুলতে বলব। জান্নাতের দারোগা প্রশ্ন করবে, আপনি কে? জওয়াব দিব আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

আবার এসো হে মাহে রমযান! : যোবায়ের বিন জাহিদ

দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমযানের সবকটি দিনই চলে গেলো। মুসলিম উম্মাহর জীবন থেকে হারিয়ে গেলো একটি বরকতপূর্ণ মাস। সবার ওপর থেকে সরে গেলো তার রহমতের ছায়া। পবিত্র এ মাহে রমযান সবার জন্যই নিয়ে এসেছিল শান্তির বার্তা। আযাবের সম্মুখীন ছিলো এমনসব মুমিনের কবরের আযাব বন্ধ ছিলো মাসব্যাপী। মুমিনদের রিযিক বৃদ্ধি করে দেয়া হয়েছিলো। দুষ্ট ও অবাধ্য

রোগীর সেবা-শুশ্রƒষা অনেক বড় ইবাদত : মুফতি মুহাম্মাদ শোয়াইব

পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাকে দেখতে যাওয়া ও তার অবস্থা জিজ্ঞেস করা মুস্তাহাব। যদি রুগ্ন ব্যক্তির দেখাশোনা করার মতো তার কোনো আত্মীয়-স্বজন না থাকে তাহলে সর্বসাধারণের মধ্যে তার সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ব্যক্তিদের ওপর তার সেবা-শুশ্রƒষা করা ফরজে কেফায়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘এক মুসলমানের ওপর অপর মুসলমানের হক

ইসলামে নারীর মর্যাদা এবং বর্তমান নারী সমাজ : মাওলানা আবদুল জব্বার ফিরোজ

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা মানব জাতিকে দু’টি শ্রেণীতে ভাগ করেছেন, এক শ্রেণীর নাম পুরুষ, অপর শ্রেণী হলো নারী। তিনি প্রকৃতিগত কারণে  পুরুষ ও নারীকে একে অপরের পরিপূরক হিসাবে গঠন করেছেন। একজন পুরুষ যেমনি নারী ছাড়া তার জীবনের পূর্ণতা খুঁজে পায়না, তেমনি একজন নারীও জীবনসংঙ্গী হিসাবে একজন পুরুষ ছাড়া জীবনের পরিপূর্ণতা কল্পনা করতে পারেনা। আল্লাহ তাআলা

শরীয়তের দৃষ্টিতে দাড়ি : উবায়দুল হক খান

দাড়ি সমস্ত নবী-রাসূলগণের সুন্নাত এবং ইসলামের সবচেয়ে সহজ ইবাদত। মহান আল্লাহ পুরুষদের মুখে তা দান করেছেন সৌন্দর্য স্বরুপ। পুরুষদের জন্য দাড়ি রাখা ওয়াজিব। এক মুষ্টির ভিতরে তা কাটা বা ছাঁটা হারাম ও কবীরা গুনাহ। আর তা একেবারে মুন্ডিয়ে ফেলা আরো মারাত্মক হারাম পাপ। হাদীস শরীফে পুরুষদের দাড়ি রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং তা

হযরত দাউদ আ. : মাওলানা যুবাইর আহমদ

আল্লাহ তার মাঝে নবুওয়াত ও রাজত্বের অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন। আল্লাহ তাকে প্রজ্ঞা ও বাকপটুতা দান করেছিলেন। তিনি এমন নবী ছিলেন, যার সাথে পাখ-পাখালী, পাহাড়, পর্বত তাসবীহ পাঠ করত। চিরবিরল এক কণ্ঠস্বর আল্লাহ তাকে দান করেছিলে। শয়তান জালুতকে হত্যা করার জন্য আল্লাহ তাকে বনী ইসরাঈল সম্প্রদায় থেকে নবী হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। ফলে সে দাউদ আ. এর

সাহসী মানুষের কাহিনী : মো. ইমদাদুল হক খান

সৌভাগ্যবানরা এমনই হন। তাঁদের জন্যে খুলে যায় একের পর এক আলো ঝলমল দরজা। বিশ্বাস, সাহস, সততা ও কঠিন প্রত্যয়ের মাধ্যমেই তাঁরা জয় করেন জীবনকে। জয় করেন সময় ও কালকে। ঠিক তেমনিই এক সফল সাহসী সৈনিক হযরত সা’দ রা.। প্রথম আকাবায়ে ছয়জন মদীনাবাসী মক্কায় রাসূল সা. এর হাতে ইসলাম গ্রহণ করে বাইয়াত হন, তাঁদের মাঝে একজন

ধৈর্য ও নামায যাবতীয় সমস্যার সমাধান : কামরুন নাহার

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেনÑ হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন। উপরোক্ত আয়াত দ্বারা বুঝা যায় মানুষের দুঃখ-কষ্ট, বিপদ আপদ, বালা-মসীবতসহ যাবতীয় প্রয়োজন ও সমস্ত সংকটের নিশ্চিত প্রতিকার দু’টি বিষয়ে নিহিত। একটি ‘সবর’ বা ধৈর্য অপরটি ‘সালাত’ বা নামায। এখানে সাহায্য প্রার্থনা শব্দটি

দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর কর্তব্য ও অধিকার : নাজমা সুলতানা

আল্লাহ তা’আলা মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তার জীবন যাপনের পন্থা বাতলে দিয়েছেন। তার জৈবিক ও আত্মিক চাহিদা পূরণের নিয়ম কানূন বলে দিয়েছেন। আর মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের এই বিধি বিধান মেনে চলার মাধ্যমেই ইহলৌকিক মুক্তি ও সমৃদ্ধি এবং পরলৌকিক শান্তি ও সফলতা নিহিত। আল্লাহ তা’আলা নারী ও পুরুষের মধ্যে যে পারস্পরিক আকর্ষণ সৃষ্টি করে

ধৈর্য মানুষের উভয় জগতেই সুখ বয়ে আনে : মুর্শিদা বিনতে আ. কাদির

ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে জীবনের প্রতি পদে পদেই আসে বাধা-বিপত্তি, বিপর্যয়। এই জীবনে দুঃখ-দুর্দশা, কষ্ট-যাতনা, প্রতিকুলতা সবই থাকে। তবে এসব বিষয়ে ধৈর্য ধারণ করলে সহজেই সফলতার সিঁড়ি পেয়ে লক্ষ্যাভিমুখে পৌঁছা যায়। তাছাড়া সর্ববিষয়ে ধৈর্য ধারণ করাই তো মুমিনের কাজ। আসলে ধৈর্য এমন একটি জিনিস যা সামান্য হলেও মানব জীবনে সুখ বয়ে আনে। ধৈর্য মানুষের উভয়


Hit Counter provided by Skylight