মাসিক সংরক্ষণাগার: March ২০১৪

সম্পাদকীয় : স্বার্থক স্বাধীনতা তাকওয়ার ওপর নির্ভরশীল

সকল প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদেরকে স্বাধীন করে সৃষ্টি করেছেন। অজস্র দরূদ ও শান্তি বর্ষিত হোক প্রিয়নবী মোহাম্মদ সা.-এর প্রতি। যিনি প্রেরিত হয়েছিলেন বিশ্ববাসীকে অন্ধকার হতে আলোর পথ দেখাতে। আর শান্তি বর্ষিত হোক তাঁর সাহাবি ও অনুসারীদের প্রতি, যারা সত্য দ্বীনের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। শান্তি বর্ষিত হোক মুসলিম জাতির প্রতি যারা আল্লাহপ্রদত্ত দীন ইসলামকে

মহিলাদের পোশাক কেমন হওয়া উচিত : মুফতি মানসুর আহমাদ

পোশাক মানব জীবনের অনিবার্য অবলম্বন। ইসলাম নারী-পুরুষের পোশাক সম্পর্কিত বিস্তারিত বিধি বিধান দিয়েছে। সতর উপযোগী পোশাকই কেবল পুরুষের ফরয পোশাক। কিন্তু মহিলাদের ফরয পোশাক দুই প্রকার: এক. সতর ঢাকার উদ্দেশ্যে পরিধেয় পোশাক; দুই. হিজাব বা পর্দার উদ্দেশ্যে পরিধেয় পোশাক। পুরুষ বা মহিলার শরীরের যে অংশকে সর্বদা ঢেকে রাখা ফরয তাকে আরবিতে বলা হয় সতর। সতর

উত্তম চরিত্র জান্নাত প্রাপ্তির উপায় : মাওলানা আলী উসমান

মানুষ দু’টি বিষয়ের সমন্বয়ে গঠিত। একটি দেহ, যা চোখে দেখা যায় এবং অপরটি আত্মা বা নফস, যা অন্তর্দৃষ্টি ও বিবেক দ্বারা জানা যায়। এদুয়ের প্রত্যেকটির একটি আকৃতি আছে – ভাল হোক বা মন্দ হোক। যে আত্মা বিবেকের দৃষ্টিতে ধরা পড়ে, তার মর্যাদা দেহের তুলনায় বেশি। এ কারণেই আল্লাহ তাআলাও একে নিজের সাথে সম্বন্ধযুক্ত করেছেন, যাতে

আমি নেসা তাই সম্মানিতা (পর্ব-৩) : নূরে ইয়াসমিন ফাতেমা

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআলা ও তাঁর হাবীব মুহাম্মদ সা. নারীদের সম্মানিত করেছেন ইসলামের মাধ্যমে। এক সময় মেয়েদের জীবন্ত কবর দেওয়া হতো। পিরিয়ড হলে তাকে ঘর থেকে বের করে দিত। সতীদাহ থেকে শুরু করে নাবালিকা বিয়ে দেয়া হতো। অল্পবয়সী মেয়েরা বিধবা হলে সারাজীবন অবিবাহিত থাকতে হতো, সেইসব দুঃসহ অবস্থার অবসান হয়েছে ইসলামের নীতির মাধ্যমে। শিক্ষা অর্জন প্রত্যেক

সকল প্রাণীর বিচার হবে আমলের ভিত্তিতে সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

আমলনামা  : কেয়ামতের দিন  আমলনামা পেশ করা হবে। দুনিয়াতে বান্দা যে কাজ করে, কেরামান কাতেবীন তা লিপিবদ্ধ করে রাখেন। কেয়ামতের দিন সেটাই পেশ করা হবে। সূরা জাসিয়ায় উল্লেখ হয়েছে- “এবং (সেদিন) আপনি প্রত্যেক দলকে (ভয়ের কারণে) নতজানু হয়ে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পাবেন, প্রত্যেক দলকে তার আমলনামার দিকে ডাকা হবে এবং তাদের বলা হবে, আজ

অনুপম চরিত্রমাধুরী : মুফতি পিয়ার মাহমুদ

সৃষ্টির উষালগ্ন থেকেই এই ধুলির ধরায় আগমন ঘটেছে অসংখ্য মহামানবের। কিন্তু পৃথিবী স্বীকার করে নিয়েছে যে সর্বকালের  সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হলেন রাসূলে আরাবি মুহাম্মাদ সা.। আর এ কথা পৃথিবীর স্বীকার না করে কোন উপায়ও ছিলনা। কারণ পবিত্র কুরআনে ঘোষণা হয়েছে, ‘আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি। [আম্বিয়া : ২১] মহামহিম আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সর্বশ্রেষ্ঠ

হাদীসের আলোকে অসুস্থতার প্রতিদান এবং অসুস্থের সেবার ফযীলত : যোবায়ের বিন জাহিদ

প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রিয় সুন্নতসমূহের অন্যতম হলো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া এবং তার সেবা-শশ্রƒষা করা। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বলেছেন। এমনকি এটাকে তিনি এক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের হক বলে ঘোষণা করেছেন। হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক মুসলিমের ওপর অপর মুসলিমের

ইসলামের দৃষ্টিতে ক্ষমা এবং এর শারীরিক মানসিক উপকার মূল : হারূন ইয়াহিয়া

পবিত্র কুরআনে নির্দেশিত নৈতিক আদেশের মধ্যে ক্ষমা একটি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা বলেন- তুমি ক্ষমার পথ অবলম্বন করো ও সৎকাজে আদেশ দাও এবং অজ্ঞদের হতে দূরে থাকো। [সূরা আরাফ ৭: ১৯৯] অপর এক আয়াতে আল্লাহ বলেন-তারা যেন ওদের ক্ষমা করে এবং ওদের দোষ-ত্রুটি উপেক্ষা করে। তোমরা কি চাও না যে, আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল,

ইসলামে স্বাধীনতা ও স্বদেশপ্রেম : মাওলানা আ.ব.ম মাহ্বুবুর রহমান

মানুষ মাত্রই স্বাধীনতা প্রিয়। পরাধীনতা তার কাম্য নয়। পরাধীনতার শৃংখল ভাঙ্গতে সে সব সময় বদ্ধ পরিকর। সে চায় অন্যের অধীনতার খাঁচা থেকে বেরিয়ে উন্মুক্ত আকাশে মুক্ত বিহঙ্গের মত ডানা ঝাপটিয়ে উড়তে। মানুষের এই স্বভাবজাত প্রকৃতিকে ইসলাম যথার্থ মূল্যায়ন করেছে। এজন্য প্রতিটি মুসলমান বিশ্বাস করে যে, ইসলাম সর্বশ্রেষ্ঠ ও আল্লাহ তাআলার মনোনীত একমাত্র ধর্ম বা জীবন

ইসলাম প্রচার ওআলেম সমাজ : উবায়দুল হক খান

ইসলাম প্রচারে আলেম সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এ উপমহাদেশেও আমরা উলামা-মাশায়েখদের মাধ্যমেই ইসলাম পেয়েছি। সমাজের নিপীড়িত, নির্যাতিত, নিগৃহীত, অসহায় জনগোষ্ঠী ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় লাভের প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান করলে দেখা যায় উলামা-মাশায়েখদের মাধ্যমেই তারা ইসলাম গ্রহণ করেছেন। হযরত খাজা মঈন উদ্দীন চিশতী রাহ., হযরত নিজাম উদ্দীন আউলিয়া রাহ., হযরত শাহ জালাল রাহ. প্রমূখ এ উপমহাদেশের প্রত্যন্ত

পর্দা যুক্তি ও বাস্তবতা : মো. আবু সালেহ

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সমগ্র সৃষ্টিকে সৃষ্টি করেছেন অতি নিপুণভাবে। প্রত্যেকটি সৃষ্টিকেই সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টিগত কিছু বৈশিষ্ট্য দিয়ে। যা প্রত্যকটি সৃষ্টির সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে থাকে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত। চাইলেই সে তা অস্বীকার করতে পারেনা। পারেনা কোনভাবেই এড়িয়ে চলতে। সেই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্য হতে একটি হল “বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ।” আর সব বৈশিষ্ট্য না হোক, অন্তত

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বাধীনতা, সীমারেখা ও চৌহদ্দি : হাফেজ রিদওয়ানুল কাদির উখিয়াভী

২৬ মার্চ আমাদের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার ৪৪তম বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিন থেকে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয়েছিল বাঙালীর কাঙ্খিত মহান বিজয়। সে বিজয়ে বিশ্বমানচিত্রে ঠাঁই করে নেয় লাল-সবুজের স্বাধীন বাংলাদেশ। আমাদের হাজার বছরের  ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পাওয়া এ স্বাধীনতা। স্বাধীনতার তাৎপর্য

ইসলামই দিয়েছে নারীর পূর্ণ অধিকার ও মর্যাদা : মুর্শিদা বিনতে আব্দুল কাদির

সামাজে সর্বস্তরের মানুষ, ধনী-গরিব, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ছোট-বড় সকলেই আজ নারীদের সমান অধিকার নিয়ে কথা বলে। কিছু মানুষ সমঅধিকারের জন্য খোড়া যুক্তি প্রমাণ দাঁড় করে। আর কিছু মুসলমান কুরআন ও হাদীসের আলোকে নারীর অগ্রাধিকার তুলে ধরে। যারা এই হক কথা বলে, প্রগতিশীলদের ভাষায় তারাই হল ধর্মান্ধ, মৌলবাদী এবং নারীবিদ্বেষী। দেশের উন্নতির জন্য কিছু উন্নয়নশীল প্রবক্তারা বলছেন- দেশ

ইসলাম প্রচারে মহিলা সাহাবীদের ভূমিকা : সাজিদ আলমুস্তফা

যুগে যুগে ইসলাম প্রচার ও দুনিয়ার যে কোন সংস্কার প্রচেষ্টায় মহিলাদের অবদান অনস্বীকার্য। দুনিয়ার উন্নতি অগ্রগতির ন্যায় ইসলামেরও বিকাশ-বৃদ্ধিতে অসংখ্য মহিলা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। এ ব্যাপারে নববী যুগে মহিলারা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং যে ত্যাগ স্বীকার ইসলামের জন্য করেন তা অতুলনীয়। তবে যাদের কথা না বললেই নয় এমন কিছু ত্যাগী মহিলা সাহাবীদের নিয়ে

গোনাহের পরিণাম রিযিক হতে বঞ্চিত হওয়া : মুফতি তাকি উসমানী

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন : যে ব্যক্তি গোনাহ হতে ইস্তেগফার করে এবং আবার সে গোনাহ করতে থাকে অর্থাৎ গোনাহ পরিত্যাগ না করে বরাবর গোনাহ করেই যাচ্ছে, পাশাপাশি ওই গোনাহ থেকে ক্ষমাও চাচ্ছে; এই ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনের সাথে বিদ্রুপকারী।  [শোআবুল ইমান, হাদীস নং- ৭১৭৮] ইস্তেগফারের সাথে সাথে গোনাহ করা ক্ষতিকর এটা অত্যন্ত ঘৃণিত ও

ইলম অর্জনের পাশাপাশি প্রয়োজন আমল ও তাকওয়া! : মোঃ ইসমাইল আল মাসুম

অসীম প্রশংসার মালিক একমাত্র আল্লাহই, দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক রাহমাতুল্লিল আলামিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর। দীনি ইলম অর্জন করা প্রতিটি মুসলমান ইমানদারের জন্য ফরয। আমরা অনেকেই বড় বড় মাওলানা, মুফতি, মুহাদ্দিস, মুফাস্সির ও কারীসহ ইসলমি অর্থনীতিবিদ হিসেবে সমাজের একজন দায়িত্বশীল রুপে আভির্ভূত হয়ে আছি। কিন্তু কী লাভ হবে এই ইলম অর্জন করে? যদি

কি লিখবো কিভাবে লিখবো : মুফতী আমিরুল ইসলাম খান নেত্রকোনী

আপনি যখন লিখক   : আপনি যখন কোন বিষয়ে লিখতে যাবেন, তখন আপনাকে একই সাথে একজন লিখক, সুপাঠক, আত্মসমালোচক ও অন্যের আলোচনার পাত্র হতে হবে। তবেই আপনার লিখাটা সার্থক হতে পারে। কেননা, আপনি কিছু লিখলে আপনাকে লেখক বলা হলেও; ভালো লেখক, নামী-দামী, গুণী বা বিদগ্ধ-শক্তিমান লিখক বলা হবে না। আর না আপনার লিখাটা সাহিত্যমানে উত্তীর্ণ,

সাক্ষাতকার : মাসিক আল-জান্নাতের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় মাওলানা মুহিউদ্দীন খান

মাসিক মদীনা ৫৩ বছর ধরে যার গৌরবময় পথ চলা। আর এই মাসিক মদীনার জন্ম যার হাত ধরে তিনি হলেন মাওলানা মহিউদ্দীন খান। তিনি বাংলাদেশের ইসলামি সাহিত্যের পুরোধা পুরুষ। রাজনৈতিক অঙ্গনেও তিনি সবর অগ্রণায়ক। জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। মদীনা পাবলিকেসন্স সীরাত কমিটিসহ আরো বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার হাত ধরে। হিমেল বাতাস বইছিল

ইতিহাসের টুকরো কাহিনি : মাও. মুহাম্মদ সফিউল্লাহ

বিনয়ের মূর্তপ্রতীক: ৮৪৯হিজরির গ্রীষ্মের এক স্নিগ্ধ সন্ধ্যা। অন্যান্য দিনের মত আজও দামেশকের কেন্দ্রীয় মসজিদে সমবেত হয়েছে আপামর জন-সাধারণ। এদের কেউ জিকিরে নিমগ্ন, কেউবা নামাযে নিবিষ্ট-চিত্ত, কেউ হাদীসের দরসে চৌকান্না, কেউবা ফিকহের মজলিসে উৎকর্ণ। ওদিকে মসজিদের পূর্ব পাশে দাঁড়িয়ে আছে এক লোক; গায়ে তার জীর্ণবস্ত্র, ক্ষুধায় শীর্ণ তার দেহ। উস্ক চুল, উদাস দৃষ্টি। কখনো হতবাক হয়ে

শয়তানের ডায়েরি : মোছাঃ উম্মে হাবিবা [কাফেলা- ০০৭]

পূর্ব প্রকাশিতের পর…… পির আলী- তোর এই গুণবাচক ও সম্মানসূচক নামগুলির বিশেষত্ব ও মহ্ত্বা শুনিতে পারি? শয়তান- তাহা শুনিতে পারেন। তবে সমস্ত নামের বিশেষত্ব বর্ণনা করিতে গেলে অনেক সময়ের প্রয়োজন হইবে। তাই প্রসিদ্ধ কায়েকটি নামের বিশেষত্ব ও মহত্ব মোখতাছার ভাবে বর্ণনা করিতেছি। “ইবলিস”- এই নামটি আল্লাহ তাআলার নিজ প্রদত্ত নাম। এই নাম দ্বারা আল্লাহ তাআলা

বিভিন্ন কাজে শয়তানের কুমন্ত্রণা ও তা থেকে বাঁচার উপায় : সংকলন : আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের

ইমাম বুখারি রহ. বর্ণনা করেন যে, আয়েশা রা. বলেছেন, আমি নবী করীম সা.-কে মানুষের সালাতের মধ্যে এদিক-ওদিক দৃষ্টিপাত করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। উত্তরে তিনি বললেন : “এ হলো, ছিনতাই যা তোমাদের কারো সালাত থেকে শয়তান ছিনিয়ে নিয়ে যায়।” ইমাম বুখারি রহ. বর্ণনা করেন যে, আবু কাতাদা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- ‘সুস্বপ্ন হয় আল্লাহর পক্ষ


Hit Counter provided by Skylight