মাসিক সংরক্ষণাগার: July ২০১৩

দারিদ্র্য দূরীকরণে জাকাতের ভূমিকা : মুফতি আশরাফুল ইসলাম

TK copy

জাকাত- এর শাব্দিক অর্থ হচ্ছে বৃদ্ধি ও পবিত্র হওয়া। শরিয়তের পরিভাষায় এর অর্থ হচ্ছে, শরিয়তের নির্দেশ অনুযায়ী নিজ সম্পদের একটা নির্ধারিত অংশ গরীব প্রাপকদের মাঝে বন্টন করা এবং তার লাভালাভ হতে নিজেকে সম্পূর্ণ মুক্ত রাখা। উল্লেখ্য যে, হিজরি ২য় সনে রোজা ফরজ হওয়ার পূর্বে  মদিনায় জাকাত বিস্তারিত বিবরণসহ ফরজ হয়। বলাবাহুল্য, জাকাত প্রদানের মাধ্যমে মাল

জামাতে নামাজ আদায়ের গুরুত্ব : মাওলানা আব্দুস সাত্তার

Sirat 01

সালাত, আরবী শব্দ। আভিধানিক অর্থ দু’আ, তাসবীহ, রহমত কামনা, ইস্তিগফার ও দুয়া, ইত্যাদি। শারিয়তের পরিভাষায় নির্দিষ্ট রুকন ও জিকরসমূহকে বিশেষ পদ্ধতিতে নির্ধারিত সময়ে আদায় করাকে নামাজ বলে। ঈমান ছাড়া অন্য চারটি রুকনের মধ্যে এটা সর্বশ্রেষ্ঠ ও সার্বজনীন। নামাজকে দ্বীনের খুঁটি বলা হয়, খুঁটি ছাড়া যেমন ঘর হয় না সেরূপ নামাজ ছাড়াও দ্বীন পরিপূর্ণ হয় না।

ইতিকাফ : রমজানের শেষ দশকের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল : খালেদ সাইফুল্লাহ

Ramjan

রমজানের শেষ দশকের একটি আমল হলো ইতিকাফ করা। ইতিকাফ হলো এই মুবারক দিনগুলোয় ইবাদত-বন্দেগীর উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান ও রাতযাপন করা। ইতিকাফ শরীয়তসম্মত একটি আমল হওয়ার ব্যাপারে আল কুরআনে ইঙ্গিত রয়েছে। ইরশাদ হয়েছে‘এ অবস্থায় যে তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত’ [সুরা আল বাকারা:১৮৭] ইতিকাফ বিষয়ে সহিহ বুখারিতে বর্ণিত দির্ঘ এক হাদিসের শেষাংশে রয়েছে :                                                                                                                         ‘যে আমার সাথে ইতিকাফ

রমজানুল মুবারক ফাজায়েল ও করণীয় : মুফতি পিয়ার মাহমুদ

532250_335809773172198_1362591980_n

রমজানুল মুবারকের ফাজায়েল : হিজরি বর্ষের একটি মাসের নাম রমজানুল মুবারক। এ মাসের মহাত্ম্য ও মর্যাদা অপরিসীম। এ মাস আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ সময়। মুমিনের পাথেয় অজর্নের ভরা মৌসুম। ইবাদত বন্দেগির বসš —কাল। তাই বান্দা এ মাসে জাগতিক সকল চাওয়া-পাওয়া বিসর্জন দিয়ে লাভ করবে প্রভুর অফুরন্ত দয়া ও রহমত এবং কল্যাণও বরকত। অতীতের সকল পাপ-পঙ্কিলতা

মিসওয়াকের ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক উপকারিতা : মাওলানা ফাহীম সিদ্দিকী

002

মিসওয়াক করা সুন্নত। উলামায়ে কেরামের মতে, মেসওয়াকের অভ্যাস করার মধ্যে যে সকল উপকার রয়েছে তারমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো,’ মৃত্যুর সময় কালেমা শাহাদাত নসীব হয়।’ হযরত আবু দারদা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, তোমরা মেসওয়াক করা থেকে উদাসীন হয়ো না; কেননা তাহাতে বহু গুণ রয়েছে। তন্মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুণগুলি হচ্ছে, ০১। এর দ্বারা আল্লাহ তা’আলার সন্তুষ্টি অর্জন

ইতিহাসের টুকরো কাহিনী : মাও. মুহাম্মদ সফিউল্লাহ

Upnnas

ইতিহাসের পাতায় ছড়িয়ে আছে অনেক আলোকময় কাহিনী, যা আমাদেরকে আলোকিত পথের সন্ধান দেয় এবং আমাদের মধ্যে ঈমানের চেতনা জাগায়। আমরা ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য নানা উৎস থেকে আহরণ করে তেমন কতগুলি কাহিনী এখানে তুলে ধরার প্রয়াস পাবো। আশা করি পাঠক কাহিনীগুলো পাঠ করে উপকৃত হবেন। এক চোরের তওবা রাবেয়া আদাবিয়া নামক এক মহিলা ছিলেন, যিনি সততা, সত্যবাদিতা

জিবরাঈল আ. এর পরিচিতি : আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের

quran

সৃষ্টি জগতের সূচনা মূল: আবুল ফিদা হাফিজ ইবনে কাসীর আদ-দামেশকী রহ. সংগ্রহে: আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের জিবরাঈল আ. এর পরিচিতি কেউ বলেন, (      ) হলেন জিবরাঈল আ.। এ অভিমত শা’বী, সাঈদ ইবনে জুবাইর ও যিহাক রহ. এর। আবার কেউ বেলন, (      )এমন একজন ফেরেশতার নাম, যার অবয়ব গোটা সৃষ্টি জগতের সমান। আলী ইবনে আবু তালহা ইবনে

চাঁদকে ঘিরে তারাদের মেলা : তাহমীদ বিন ইকরাম

মূল : আল্লামা সায়্যিদ আব্দুল মজীদ নাদীম রূপান্তর- আল্লাহর রাসুল বসেছেন প্রিয় সাহাবিদেরকে নিয়ে। আবু বকর, উমর, উসমান, আলী আরো কতো প্রোজ্জ্বল তারকা মেলা জুড়েছে পূর্ণিমা চাঁদের সান্নিধ্যে। সবাই তাকিয়ে আছে অপলক নেত্রে। কী বলেন আল্লাহর মহান দূত! নবীজী বললেন, পৃথিবীতে আমার কাছে তিনটি জিনিস সবচে প্রিয়। সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে এক অদ্ভুত আলোড়ন শুরু হলো।

ধ্বংসের মুখে আগামী প্রজন্ম, রক্ষা করবে কে? : মোহাম্মদ হোসেন

q

আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। দেশকে পৌঁছে দেবে উন্নয়ন সমৃদ্ধির নতুন দিগন্তে। এর জন্য দরকার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। এই প্রস্তুতি নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে এগিয়ে নেবার জন্য তাদেরকে অধ্যয়ন ও গবেষণার সুযোগ করে দিতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টিকারী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। দেশপ্রেম আর জনগণের প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করতে হবে মানুষ হিসেবে

কীভাবে আমরা রাসুলুল্লাহ সা.কে ভালোবাসব? : মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

jashn_e_eid_milad_un_nabi_01_by_sheikhnaveed-d38ebik

 মুমিন মাত্রই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মহব্বত পোষণ করে। কেননা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি মহব্বত রাখা ঈমানের এক অপরিহার্য অংশ। পরম শ্রদ্ধা, গভীর ভালোবাসা আর বিপুল মমতার এক চমৎকার সংমিশ্রণের সমন্বিত রূপ হচ্ছে ‘মহব্বত’ নামের এ আরবী অভিব্যক্তিটি। ঈমানের আলোকে আলোকিত প্রত্যেক মুমিনের হৃদয় আলোড়িত হয়, শিহরিত হয়, মনে আনন্দের বীনা বাজতে থাকে

ঈমান ছাড়া সৎকাজের কোন মূল্য নেই : মোহাম্মদ মাকছুদ উল্লাহ

532250_335809773172198_1362591980_n

মানুষ হল আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব। মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানকে সম্মানিত করেছি সমগ্র সৃষ্টির মধ্যে এবং তাদেরকে স্থলে ও জলে চলাচলের জন্য বাহন দান করেছি। তাদেরকে উত্তম রিযিক দান করেছি এবং তাদেরকে আমার অনেক সৃষ্টির ওপর মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।” [সুরা বানি ইসরাঈল: আয়াত.৭০]।   বিশাল এই পৃথিবী জুড়ে, জলে-স্থলে,

হাশরের ময়দানে উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

Jannater porichoi

হাশরের ময়দানে  উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন শহীদদের অবস্থা হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, যে কেউ আল্লাহর রাস্তায় জখম হোক, আল্লাহ তাআলাই তার নিয়ত সম্পর্কে ভাল জানেন, কে তার রাস্তায় জখম হয়েছে, কেয়ামতের দিন সে ব্যক্তি এ জখম নিয়েই উঠবে এবং তার জখম থেকে রক্ত প্রবাহিত হতে

হাশরের ময়দানে উপস্থিতদের বিভিন্ন অবস্থা [২] : সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

Jahannam

কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত ব্যক্তিহযরত ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. এর সামনে এক ব্যক্তি ঢেকুর তুলল। তিনি বললেন, ঢেকুর কম তোলো। কেননা, কেয়ামতের দিন সবচেয়ে বেশি ক্ষুধার্ত সে-ই হবে, যে দুনিয়াতে বেশির ভাগ সময় ভরা পেটে থাকত। [মেশকাত শরিফ]দুমুখী লোকের হাশরহযরত আম্মার রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যে

রমজানের রোজার ফজিলত, তাৎপর্য ও প্রয়োজনীয় মাসআলা : মুফতি আবু ওয়াফা মানসুর আহমাদ

jashn_e_eid_milad_un_nabi_01_by_sheikhnaveed-d38ebik

রমজানের রোজা ফরজ হওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল, তোমাদের পূর্ববর্তী উম্মতদের উপর। যাতে তোমরা মুত্তাকি হতে পার। [সুরা বাকারা : ১৮৫] অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন, রমজান সে মাসÑ যে মাসে কুরআন নাযিল করা হয়েছে, যা আদ্যোপান্ত হিদায়াত এবং এমন সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী সম্বলিত,

কুরআনের অলৌকিকত্ব : আজমেরী মারিয়াম মেরী

007

চৌদ্দশত বছর আগে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়াতাআলা মানবজাতির পথনির্দেশ রূপে পবিত্র কুরআন প্রেরণ করেছিলেন। এই ঐশীগ্রন্থ দৃঢ়ভাবে অনুসরণ করে মানবজাতি যেন সঠিক পথে পরিচালিত হয় এ আহ্বান করেছিলেন তিনি। নাজিল হওয়ার দিন থেকে শুরু করে শেষ বিচার দিবস পর্যন্ত এ ঐশীগ্রন্থই মানবজাতির জন্য একমাত্র পথনির্দেশ হিসেবে থেকে যাবে। পবিত্র কুরআনের অতুলনীয় রচনাশৈলী এবং এর মাঝে বিদ্যমান

মাহে রমজান পবিত্র আল-কুরআন নাজিলের মাস : মাওলানা আলী উসমান

532250_335809773172198_1362591980_n

আরবি বর্ষপঞ্জির নবম মাস মাহে রমজান। এই মাসেই পবিত্র কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং এ মাসেই মুসলমানদের ওপর সিয়াম সাধনা বা রোজা ফরজ করা হয়েছে। এ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআনেই উল্লেখ করেছেন, ‘রমজান মাসই হলো সে মাস, যাতে নাজিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথযাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের

যে নিজেকে চিনল সে আল্লাহকে পেলো : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

q

আল্লাহ তাআলা মানুষকে স্বাধীন বানিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তারা জানেনা তাদের এই স্বাধীনতা কোন পথে ব্যবহার করতে হবে। এই স্বাধীনতা কোন পথে ব্যবহার করলে সে দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনে চির কল্যাণ লাভ করবে। পক্ষান্তরে মানুষ ব্যতীত সকল প্রাণিকেই মানুষের পরাধীন করেছেন। জন্মগতভাবেই তাদেরকে দিয়েছেন চলার পথ নির্দেশনা। ফলে একটি মুরগির বাচ্চা জন্মের পাঁচ মিনিটের মাথায়

সম্পাদকীয় : রজব-শাবান বয়ে আনুক আলোকিত জীবন

Sampadokia-150x150

হিজরি বর্ষের সপ্তম মাস রজব। আরব জাহেলিয়াতের যুগে রজব মাস কেন্দ্রিক অনেক রুসম-রেওয়াজ প্রচলিত ছিল। ইসলাম সেসবকে বাতিল করে এটাকে সম্মানিত ৪মাসের একটি বলে ঘোষণা দিয়েছে। রজব ছাড়াও অপর তিনটি সম্মানিত মাস হলো-যিলকদ, যিলহজ, ও মুহাররম। [সূরা তাওবা ৩৬নং আয়াত দ্র.] আজকের সমাজের মুসলমানদের বেশিরভাগ সম্মানিত মাসসমূহ এবং বিশেষত রজব ও শাবান মাস সম্পর্কে অনেকখানি

আল কুরআনে মুমিনের পরিচয় : ইবনে সাইদ উদ্দীন

532250_335809773172198_1362591980_n

একজন মানুষ যখন ঈমান আনে তখন তার ভেতর সুপ্ত মানবীয়  গুণাবলি নতুন রূপ ধারণ করে মানুষটাকে সুন্দর করে। একজন মুসলমান যখন ঈমান আনয়ন করে মুমিন হয়, তখন তার পুরাতন বৈশিষ্ট্যাবলি পরিবর্তন হয়ে একটি উন্নতমানের গুণাবলি তার ভেতরে পয়দা হয়। তাই বলা চলে, ঈমান মুমিন-জীবনের উজ্জীবনী শক্তি। একজন মুমিনের চরিত্রে, তার চিন্তা ও কর্মে কী ধরনের

আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই : আবদুর রাকীব

21-6-2012-11-42-26909

কুরআন মাজিদের সর্বমহান আয়াত ‘আয়াতুল কুরসি’ এবং তাতে বিধৃত মহৎ, স্পষ্ট এবং উজ্জ্বল দলিল প্রমাণসমূহের এটি সংক্ষিপ্ত আলোচনা, যা মহত্ত্ব, বড়ত্ব এবং পূর্ণতার ব্যাপারে মহান আল্লাহর একত্বের প্রমাণ বহন করে এবং বর্ণনা করে যে, তিনি আল্লাহ পবিত্র। তিনি ছাড়া কোনো প্রতিপালক নেই। নেই কোনো সত্য উপাস্য। তাঁর নাম বরকতপূর্ণ। মহান তাঁর মহিমা। তিনি ছাড়া নেই

মহিমান্বিত শাবানের মার্যাদা ও ফজিলত : মুফতি : আশরাফুল ইসলাম

Ramjan

শাবান মাসের মহিমা ও গুরুত্ব সকল প্রশংসা অবশ্যই আল্লাহ তালার জন্য। তিনি আমাদেরকে সময়-সম্পদে কাজকর্ম করার অবকাশ দিয়েছেন। বিশেষ করে এই দুর্যোগে, যেখানে আমরা বাস করছি ফেতনা, ফ্যাসাদের সাথে। যেখানে মহৎ ও বৃহৎ প্রাণের মানুষ হ্রাস পাচ্ছে। সৎ ও সুউচ্চ গুণাবলি লোপ পাচ্ছে। মানুষ প্রবৃত্তি-পূজায় ডুবে আছে। ভালো-খারাপ জগাখিচুড়ি হয়ে যাচ্ছে। সত্য-মিথ্যা মিশে একাকার হয়ে


Hit Counter provided by Skylight