সুস্থ থাকতে খাওয়া-দাওয়া

“ভাত” :
অন্ন থেকে পান পর্যন্ত সবই সুস্থ থাকতে খাওয়া-দাওয়ার প্রয়োজন। কোনো কড়া ধরনের ওষুধ না খেয়েও শারীরিক অসুস্থতা দূর করতে এগুলোকেই কাজে লাগানো যায়। শরীর ভালো রাখাই জীবনের সর্বপ্রথম উদ্দেশ্য। আয়ুর্বেদের বিখ্যাত মহর্ষি চরক শরীর রক্ষাকেই শ্রেষ্ঠ ধর্ম বলেছেন।
অনেকের ধারণা, চাল খাদ্য হিসেবে গমের চেয়ে নিকৃষ্ট। কিন্তু অনেক পুষ্টিতত্ত্ববিদের মতে, চাল যদি পালিশ করা বা মাজা না হয়, রান্না করার আগে বেশি ধোয়া না হয় এবং পরে মাড় না গালা হয়, তাহলে ভাত আর রুটির পুষ্টিমূল্যের খুব বেশি একটা তফাত হয় না। ঢেঁকিছাঁটা চাল সবচেয়ে বেশি উপকারী। কিন্তু সত্যিকথা বলতে কী, ভাতের মাড় না গালা হলে অনেক বাঙালিই খেতে পারেন নাÑ সেজন্য একজন পুষ্টিতত্ত্ববিদ আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘কে না জানে ভাতের মাড়ের সঙ্গে বাঙালির প্রাণশক্তির ধারা প্রতিদিন গড়িয়ে চলে যাচ্ছে রান্নাঘরের নর্দমায়।’

নানা রকমের ডাল :
মুগ ডাল সব রোগ উপশম করে।
যে ঘায়ে বা ব্রণে পুঁজ হয়, মসুর ডাল পিষে লাগালে উপকার পাবেন।
কলাইয়ের ডাল অশ্ব ও শ্বাস রোগে উপকারী।
ছোলা খেলে কফ ও পিত্তের অসুখের উপকার হয়।
ছোলার সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে গলার স্বর সুরেলা হয়।
মটর ডাল ভেজানো পানি খেলে বমি থামে।
                                      পাঠিয়েছে : সালমা, ঢাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight