হাশরের ময়দানে শাফায়াত ও আমল অনুযায়ী নুরের বণ্টন সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

al-jannatbd.com, আল জান্নাত । মাসিক ইসলামি ম্যাগাজিন, al-jannatbd.com, quraner alo, মাসিক জান্নাত, islamer alo, www.al-jannatbd.com, al-jannat, bangla islamic magazine, bd islam, islamic magazine bd, ব্লগে জান্নাত, জান্নাতের পথ, আল জান্নাত,

তাজাল্লি
হযরত আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সা.-এর দরবারে আরজ করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা কি কেয়ামতের দিন আল্লাহ পাককে দেখতে পাব? রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, হ্যাঁ (অবশ্যই দেখতে পাবে)। আচ্ছা, তোমাদের কি দুপুর বেলায় সূর্য দেখতে কোন কষ্ট হয়? যখন কোন মেঘ থাকে না। আকাশ একেবারে পরিস্কার থাকে। চৌদ্দ তারিখের চাঁদ দেখতে কি কোন অসুবিধা হয়? যখন উপরে কোন মেঘ থাকে না এবং আকাশ একেবারে স্পষ্ট থাকে? সাহাবায়ে কেরাম জওয়াব দিলেন, না ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন অসুবিধা হয় না? হুযূর সা. এরশাদ করেন, এমনিভাবেই কেয়ামতের দিন তোমরা আল্লাহ পাককে দেখতে পাবে, যেমনিভাবে তোমরা এখন চন্দ্র-সূর্য স্পষ্টভাবে দেখতে পাও, কোন অসুবিধা হবে না।
কেয়ামতের দিন একজন ঘোষক ঘোষণা দিবে, যারা যার এবাদত করতে তারা তার নিকট চলে যাও। সুতরাং যারা মূর্তি, পাথর ইত্যাদির পূজা করত তারা সবাই জাহান্নামে পড়ে যাবে (কেননা তারা যে সকল মূর্তি ইত্যাদির পূজা করত সেগুলো জাহান্নামের ইন্ধন হবে)।
এরপর যখন আহলে কিতাব এবং ওই সকল লোক থেকে যাবে, যারা শুধু আল্লাহ পাকের এবাদত করত, তখন ইহুদীদের ডেকে জিজ্ঞাসা করা হবে, তোমরা কার ইবাদত করতে? তারা জওয়াব দিবে, আমরা আল্লাহর পুত্র ওযায়রের পূজা করতাম।
তখন তাদের তিরস্কার করে বলা হবে, তোমরা ওযায়রকে আল্লাহর পুত্র বলতে, এটা ডাহা মিথ্যা। আল্লাহ তাআলা কাউকে তার পুত্র বা সন্তান বানাননি। তারপর তাদের বলা হবে, তোমরা কী চাও? ইহুদীরা আরজ করবে, আমরা পিপাসিত, আমাদের পান করান।


তখন তাদের জাহান্নামের দিকে ইশারা করে বলা হবে, ওইখানে গিয়ে কেন পান করছ না? সুতরাং তারা জাহান্নামের দিকে যাবে এবং সেখানে একত্রিত হবে। তারা জাহান্নামকে মরীচিকা তথা পানিরমত দেখতে পাবে। প্রকৃতপক্ষে তা হবে আগুন। তারপর তারা জাহান্নামের মধ্যে পড়ে যাবে। এরপর খ্রিস্টানদের ডাকা হবে। তাদের জিজ্ঞাসা করা হবে, তোমরা কার ইবাদত করতে?
তারা জওয়াব দিবে, আমরা আল্লাহর পুত্র ঈসা মাসিহের এবাদত করতাম। এ জওয়াবে তাদের তিরস্কার করে বলা হবে (তোমরা ঈসা মাসিহকে আল্লাহর পুত্র বলতে), এটা ডাহা মিথ্যা। আল্লাহ তাআলা কাউকে তার স্ত্রী, পুত্র সাব্যস্ত করেননি। এরপর তাদের প্রশ্ন করা হবে, এখন তোমরা কী চাও? তারা আরজ করবে, হে পরওয়ারদেগার! আমরা পিপাসিত, আমাদেরকে পানি পান করান।
এ আরজির প্রেক্ষিতে তাদের জাহান্নামের দিকে ইশারা করে বলা হবে, আরে, তোমরা ওইখানে গিয়ে কেন পান করছ না? সুতরাং তারা জাহান্নামের দিকে গিয়ে একত্রিত হবে এবং আগুনকে পানি তথা মরীচিকারমত দেখতে পাবে। প্রকৃতপক্ষে তা হবে জাহান্নামের আগুন। যে আগুন একে অন্যকে গ্রাস করতে থাকবে। তারপর তারা সেখানে পড়ে যাবে। এমনকি তখন যারা আল্লাহ পাকের এবাদত করত শুধু তারাই থেকে যাবে। অর্থাৎ নেককার হোক বা বদকার হোক শুধু মুসলমানরাই থেকে যাবে।
আল্লাহ তাআলার একটি তাজাল্লি প্রকাশিত হবে। আল্লাহ তাআলা বলবেন, তোমরা কার জন্য অপেক্ষা করছ? প্রত্যেক জামাতের জন্য তাদের মাবুদের নিকট চলে যাওয়ার হুকুম হবে।
মুমিনগণ আরজ করবে (যারা চলে যাওয়ার তারা চলে গেছে, তাদের সাথে আমাদের কি), আমরা আমাদের মাবুদের অপেক্ষা করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের মাবুদ না আসবেন ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা এখানেই থাকব। আমাদের মাবুদ যখন আমাদের নিকট পৌঁছবেন, তখন আমরা তাঁকে চিনে ফেলব) হে পরওয়ারদেগার! আমরা দুনিয়াতে অন্য দলের সাথে ছিলাম না, কিন্তু তখন তাদের সাথে থাকা খুবই প্রয়োজন ছিল। সে বিশেষ প্রয়োজনেও আমরা তাদের সাথে ছিলাম না, তাহলে এখন কেন আমরা তাদের সাথে যাব? আল্লাহ পাক বলবেন আমি তোমাদের রব। (মুমিনরা যেহেতু আল্লাহর কদম মোবারকের তাজাল্লির ধ্যানে থাকবে, সেহেতু আল্লাহ তাআলার কথাকে তারা গায়রুল্লার কথা মনে করে,) তারা বলবে “আমরা তোমার থেকে আল্লাহর নিকট পানাহ চাই। আমরা তোমার কথা মেনে মুশরিকদের দলভুক্ত হয়ে কাউকে আল্লাহর সাথে শরীক করতে চাই না। দুই তিন বার তারা এভাবেই বলবে আমরা কাউকে আল্লাহর সাথে শরীক করতে চাই না। তাদের এ জওয়াবে আল্লাহ পাক বলবেন, তোমাদের এবং তোমাদের রবের মধ্যে পরিচয়ের কোন আলামত নির্ধারণ করা আছে কি? যা দ্বারা তোমরা তোমাদের রব (আল্লাহ)-কে চিনতে পাবে?
মুমিনরা জওয়াব দিবে, হ্যাঁ অবশ্যই আলামত রয়েছে। এরপর আল্লাহ পাক তাঁর পায়ের তাজাল্লি প্রকাশ করবেন, দেখে তারা আল্লাহর হুকুমে সেজদায় পড়ে যাবে, যারা এখলাসের সাথে আল্লাহ তাআলার সেজদা করত। আর যারা লোক দেখানোর জন্য দুনিয়ার সুযোগ লাভের জন্য, মুসিবত থেকে বাঁচার জন্য আল্লাহকে সেজদা করত আল্লাহ তাদের কোমর কাষ্ঠ বানিয়ে দিবেন, ফলে তারা সেজদা করতে পারবে না। তাদের মধ্য থেকে যে সেজদা করতে চাইবে সে উল্টে পড়ে যাবে। তারপর মুমিনগণ সেজদা থেকে মাথা উঠাবে। আমি আল্লাহকে সেই তাজাল্লিতে দেখতে পাবে, (যে তাজাল্লি) তাঁর কদম মোবারকে পূর্বে ছিল। আল্লাহ তাআলা বলবেন, আমি তোমাদের রব। মুমিনগণ বলবে, নিশ্চয়ই আপনি আমাদের রব।
এরপর জাহান্নামের ওপর পুলসেরাত স্থাপন (এবং তার ওপর দিয়ে যাওয়ার হুকুম) করা হবে। সে সময় যারা শাফাআত করার উপযুক্ত তাদের শাফাআতের অনুমতি দেয়া হবে। তারা বলতে থাকবে- “হে আল্লাহ শান্ত রাখুন, হে আল্লাহ শান্ত রাখুন।”
হযরত রাসূলুল্লাহ সা. এর নিকট আরজ করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ সা. পুলসেরাত এর বৈশিষ্ট্য কী?
হুযুর সা. এরশাদ করেন, পুলসেরাত তৈলাক্ত এবং পিচ্ছিল স্থান। (সেখানে জাহান্নাম থেকে বের হওয়া) ছোঁ মেরে নিয়ে যাওয়ার বস্তু, আঁকড়া এবং বড় বড় কাঁটা থাকবে। ওই সকল কাঁটা নজদে পাওয়া যায়, যাকে সা’দান বলা হয়। মুমিনগণ পুলসেরাত (দ্রুত গাতিতে) অতিক্রম করবে। আর এ অতিক্রম আমলে সালেহের ভিত্ত্বিতে হবে। কেউ এক লাফে, কেউ বিদ্যুত গতিতে, কেউ বাতাসের বেগে, কেউ পাখিরমত, কেউ কেউ তেজী ঘোড়ার গতিতে, কেউবা উটের গতিতে পুলসেরাত অতিক্রম করবে। জাহান্নামের ভিতর থেকে যে সমস্ত আঁকড়া এবং কাঁটা বের হবে, সেগুলো গোনাহগার  পুলসেরাত আরোহীকে জাহান্নামে টেনে নেয়ার চেষ্টা করবে। অনেকে নিরাপদেই পার হয়ে যাবে, কেউ কেউ ক্ষতবিক্ষত হয়ে পার পাবে আর অনেকে জাহান্নামে পড়ে যাবে। এমনিভাবে যখন নেককার মুমিনগণ জাহান্নাম থেকে বেঁচে যাবে, সেই মহান সত্তার কসম করে বলছি, যাঁর হাতে আমার জান, তখন মুমিনগণ তাদের ভাইদের বাঁচানোর জন্য জোরালো সুপারিশ করবে, তারা দুনিয়াতেও এমন জোরালোভাবে কোন কথা কাউকে শোনায়নি।
অন্য রেওয়ায়েতে আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, (দুনিয়াতে) তোমরা যদি কারো নিকট কিছু পাওনা থাক তাহলে তোমরা নিজের জাহান্নামি ভাইদের জন্য তাকে যেভাবে ধর, কেয়ামতের দিন মুমিনগণ তাদের জাহান্নামি ভাইদের জন্য মহান আল্লাহ পাকের দরবারে এর চেয়ে অনেক জোরালোভাবে আবেদন করবে, যতক্ষণ না মুমিনগণ তাদের ভাইদের নাজাত পেতে দেখবে।
তারা আল্লাহর দরবারে আরজ করবে, হে আমাদের রব! এরা আমাদের সাথে নামায পড়েছে, রোযা রেখেছে, হজ্জ করেছে (তারা গুনাহের কারণে জাহান্নামে যেতে হয়েছে) এখন তাদের আমাদের সাথে জান্নাতে প্রবেশ করান।
তখন এরশাদ হবে, তোমরা যাকে চিন তাকে বের করে আন। সুতরাং মুমিনরা তাদের পরিচিতদের বের করে আনার জন্য রওয়ানা হবে। তাদের শরীর জাহান্নামের আগুনের জন্য হারাম করে দেয়া হবে, জাহান্নাম তাদের জ্বালাতে পারবে না। ফলে তারা জাহান্নাম থেকে বিপুল সংখ্যক লোককে বের করে আনবে। জাহান্নামের আগুন তাদের অনেকের অর্ধেক হাঁটু পর্যন্ত বা কিছু অংশ পুড়িয়ে দিবে।
তারপর মুমিনগণ আল্লাহ পাকের দরবারে আরজ করবে, হে আমাদের রব! আপনি যাদের জাহান্নাম থেকে বের করে আনার হুকুম দিয়েছিলেন, তাদের কেউই জাহান্নামে নেই। তখন আল্লাহর পক্ষ থেকে এরশাদ হবে, যাও জাহান্নামে এমন কোন লোক পাও কিনা দেখ, যার দিলের মধ্যে দিনার পরিমাণ খায়র আছে, তাকেও বের করে আন। সুতরাং মুমিনগণ আল্লাহ পাকের ঘোষণা শুনার পর জাহান্নাম থেকে বিপুল সংখ্যক লোককে বের করে আনবে। অতপর আরজ করবে, হে রব, আপনি যাদের জাহান্নাম থেকে বের করে আনতে হুকুম করেছেন তাদের কেউই আর জাহান্নামে নেই।
এরপর আল্লাহ পাকের এরশাদ হবে, যাও, যার দিলের মধ্যে আধা দীনার পরিমাণ খায়র দেখবে তাকেও বের করে আন। সুতরাং মুমিনগণ আল্লাহর হুকুমে জাহান্নাম থেকে বিপুল সংখ্যক লোককে বের করে আনবে। এরপর আল্লাহর দরবারে আরজ করবে, হে পরওয়ারদেগার! আপনি যাদের জাহান্নাম থেকে বের করে আনতে হুকুম করেছেন, তাদের কাউকেই জাহান্নামে রেখে আসা হয়নি। সবাইকে বের করে আনা হয়েছে।
আল্লাহর পক্ষ থেকে এরশাদ হবে, যাও, যার দিলে তিল পরিমাণও খায়র রয়েছে, তাকে জাহান্নাম হতে বের করে আন। মুমিনগণ আল্লাহর হুকুমে এবারও বিপুল সংখ্যক লোককে জাহান্নাম থেকে বের করে আনবে। অতপর আল্লাহর দরবারে আরজ করবে, হে পরওয়ারদেগার! আমরা জাহান্নামে আর কোন খায়রওয়ালাকেই রেখে আসিনি।
এবার আল্লাহ পাক বলবেন, ফেরেশতারা শাফাআত করে ফেলেছে, নবীগণও শাফাআত করেছেন, মুমিনগণ শাফাআত করেছে। এখন শুধু আমি আরহামুর রাহিমীনই বাকী রয়েছি। এ কথা বলে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে এক মুষ্টি ভরে এমন লোকদের বের করে আনবেন যারা কখনও কোন খায়র করেনি। তাদের অন্তরে শুধু ঈমান লুকিয়ে ছিল। তারা জ্বলে কয়লা হয়ে যাবে, আল্লাহ পাক তাদের একটি নহরে (নদী) ঢেলে দিবেন, যেই নহর জান্নাতের শুরু অংশে হবে, যাকে নহরুল হায়াত বলা হয় (এ নহরে পরে তারা পরিবর্তিত হয়ে যাবে)। তাদের এমন অবস্থায় বের করা হবে যেন মুক্তা। তাদের গর্দানে এমন নিশান থাকবে যার কারণে অন্য জান্নাতিরা তাদের চিনতে পারবে, এরা আল্লাহ তাআলার আজাদকৃত বান্দা। যাদের আল্লাহ পাক কোন প্রকার নেক আমল ব্যতীত জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছেন।
তারপর আল্লাহ পাক তাদের বলবেন, জান্নাতে প্রবেশ কর। আর যা কিছু তোমাদের দৃষ্টিতে পড়বে সবই তোমাদের। তারা আরজ করবে, হে আমাদের পরওয়ারদেগার! আপনি আমাদের এত নেয়ামত দান করেছেন, সৃষ্টিজগতে যা আর কাউকেই দান করেননি।
আল্লাহ তাআলা বলবেন, আমার নিকট তোমাদের জন্য এর চেয়েও বড় উত্তম নেয়ামত রয়েছে। তারা আরজ করবে, হে রব! এর চেয়ে বড় উত্তম নেয়ামত কী হবে? আল্লাহ তাআলা বলবেন (এর চেয়ে উত্তম নেয়ামত হল), আমার সন্তুষ্টি (রেজামন্দি)। এখন আমি আর তোমাদের ওপর অসন্তুষ্ট হব না। [মেশকাত শরীফ]
উল্লিখিত হাদীস এক দীর্ঘ হাদীস, যার ধারাবাহিক বর্ণনা এখানে শেষ হল। বর্ণনা অনুযায়ী বুঝা যায়, সাক বা গোছার তাজাল্লির পরে পুলসেরাত কায়েম হবে। আবার এও বুঝা গেল, নুরের বণ্টন পায়ের গোছার তাজাল্লি এবং পুলসেরাত কায়েমের মাঝখানে হবে। কেননা নূর দেয়া হবে পুলসেরাত পার হওয়ার জন্য, কিন্তু হাদীসের বর্ণনার ধারাবাহিকতা ঠিক রাখার জন্য নূর বন্টনের কথা তাজাল্লির পূর্বে বর্ণনা করা হয়েছে।
উক্ত হাদীস শরীফে পুলসেরাত এবং তার ওপর দিয়ে অতিক্রমের কথা বিস্তারিত জানা গেল। অন্য রেওয়ায়াতে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সা. এরশাদ করেন, পয়গম্বরদের মধ্যে সর্বপ্রথম আমিই আমার উম্মত নিয়ে পুলসেরাত অতিক্রম করব। আর সেদিন শুধু আম্বিয়ায়ে কেরামই কথা বলবেন। তাঁরা বলতে থাকবেন ‘হে আল্লাহ শান্ত রাখুন, শান্ত রাখুন।’
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, জাহান্নামের ওপর পুলসেরাত রাখা হবে, যার ধার হবে তলোয়ারের ধারের ন্যায়।
মুসলিম শরীফের এক হাদীসে আছে, (পুলসেরাতের ওপর দিয়ে) লোকজন আমল নিয়ে চলবে। যার যে রকম আমল হবে সে সে রকম দ্রুত বা ধীরগতিতে চলবে, আর ধীরগতির অবস্থা হবে, কোন কোন লোক পা হেঁচড়ে চলবে।

চলমান….

একটি মন্তব্য রয়েছেঃ হাশরের ময়দানে শাফায়াত ও আমল অনুযায়ী নুরের বণ্টন সংকলন : সৈয়দা সুফিয়া খাতুন

  1. কাউছার আহমেদ says:

    পবিত্র রোযার দিনে লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো। আল্লাহর কাছে সকল গুনাহের ক্ষমা চাচ্ছি, জাহান্নাম থেকে পানাহ চাচ্ছি, জাহান্নাম থেকে বেচে থাকার দুআ আল্লাহ কাছে করতেছি। সাথে সাথে কিয়ামেতর দিনে যেন বিদ্যুৎ গতিতে পুলসেরাত পার হতে পারি সে তাওফিক আল্লাহর কাছে কামনা করছি। হে আল্লাহ! আমাদের শেষ ঠিকানা যেন জান্নাতে হয়। আমীন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight