হযরত ইবরাহীম আ. : সংকলন : আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের

69bk

হযরত ইবরাহীম আ. এর সাথে খোদায়ী দাবিদার এক দূর্বল বান্দার বিতর্ক প্রসঙ্গ
আল্লাহ তাআলা বলেন, তুমি কি ঐ ব্যক্তিকে দেখনি, যে ইবরাহীমের সাথে তার প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্কে লিপ্ত  হয়েছিল, যেহেতু আল্লাহ তাকে কর্তৃত্ব দিয়েছিলেন। যখন ইবরাহীম বলল, তিনি আমার প্রতিপালক, যিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। সে বলল, আমিও তো জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই। ইবরাহীম বলল, আল্লাহ সূর্যকে পূর্ব দিক হতে উদয় করান, তুমি তাকে পশ্চিম দিক হতে উদয় করাও তো! তারপর যে কুফুরী করেছিল, সে হতবুদ্ধি হয়ে গেল।  আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না। [সূরা বাকারা- ২৫৮]
এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা হযরত ইবরাহীম আ. এর সাথে সীমা লংঘনকারী প্রতাপশালী রাজার বিতর্কের কথা আলোচনা করেছেন, যে নিজে প্রতিপালক হওয়ার দাবি করেছিল।  হযরত ইবরাহীম আ. তার উপস্থাপিত যুক্তির অসারতা প্রমান করেন, তার মূর্খতা ও স্বল্পবুদ্ধিতা প্রকাশ করে দেন এবং নিজের দলিল দ্বারা তাকে নিরুত্তর করেন।
তাফসীরবিদ, ঐতিহাসিক ও বংশবিদদের মতে এ রাজাটি ছিল ব্যাবিলনের রাজা। মুজাহিদ রহ. তার নাম নমরুদ ইবন কিনআন ইবন কুশ ইবন সাম ইবন নূহ বলে উল্লেখ করেছেন। অন্যরা তার বংশতালিকা বলেছেন এভাবে, নমরুদ ইবন ফালিহ ইবন আবির ইবন সালিহ ইবন আরফাখশাদ ইবন সাম ইবন নূহ। মুজাহিদ রহ. প্রমুখ বলেছেন, যেসব রাজা বাদশাহ দুনিয়া জোরা রাজত্ব করেছে, এ ছিল তাদের অন্যতম। ঐতিহাসিকদের মতে, এরুপ বাদশাহর সংখ্যা ছিল চার জন। দুজন মুমিন ও দুজন কাফির। মুমিন দুজন হলো, এক. যুলকারনায়ন ও দুই. সুলায়মান আ. আর কাফির দুজন হল এক. নমরুদ ও দুই. বুখত নসর। ঐতিহাসিকদের মতে, নমরুদ চারশ বছরকালব্যাপী রাজত্ব করেছিল। ফলে সে জুলুম অত্যাচার, দাম্ভিকতা ও সীমালংঘনের চরমে গিয়ে পৌঁছে এবং পার্থিব জীবনকেই সে চরম লক্ষ্য বলে বেছে নেয়। ইবরাহীম আ. যখন তাকে এক ও লা শরীক আল্লাহর ইবাদতের জন্য আহ্বান জানালেন, তখন তার মূর্খতা, পথ ভ্রষ্টতা ও উচ্চাভিলাষ তাকে সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করতে প্ররোচিত করে। এ ব্যাপারে  সে ইবরাহীম আ. এর সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয় এবং নিজেই প্রতিপালক হওয়ার দাবি করে। হযরত ইবরাহীম আ. যখন বললেন, আমার প্রতিপালক তো তিনি, যিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। নমরুদ বলল, আমিও তো জীবন দান করি ও মৃত্যু ঘটাই। কাতাদা সুদ্দি ও মুহাম্মদ ইবন ইসহাক রহ. লিখেছেন,  তার কথা প্রমাণ করার জন্য নমরুদ ঐ সময় মৃত্যুদ- প্রাপ্ত দু ব্যক্তিকে ডেকে আনে। তারপর একজনকে হত্যা করে আরেকজনকে ক্ষমা করে দেয়। এর দ্বারা সে বোঝাতে চেয়েছে যে, সে একজনকে জীবন দান  করল ও অন্য জনকে হত্যা করল। অথচ এ কাজটি হযরত ইবরাহীম আ. এর দলীলের কোনো মুকাবিলাই ছিল না। বরং তা বিতর্কের সাথে সামঞ্জস্যহীন একটা উদ্ভট দুষ্কর্ম ছাড়া কিছুই না। ফলে তাকে উচিৎ শিক্ষা দেয়ার জন্য তিনি বলেন, আমার রব তো সূর্য পূর্ব দিক থেকে উদয় করায় তুমি পারলে তা পশ্চিম দিক থেকে উদয় করাও। তারপর সে একদম নিশ্চুপ হয়ে গেল। এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন, কাফির লোকটি হতভম্ব হয়ে গেল, আর জালিম সম্প্রদায়কে আল্লাহ সুপথ দেখান না। [সূরা বাকারা- ২৫৮]
সুদ্দি রহ. বলেন, এই বিতর্ক সেদিন হয়েছিল, যেদিন তিনি আগুন থেকে বের হয়ে এসেছিলেন, সেখানে আর কেউ ছিল না তারা দুজনের মধ্যে হয় বিতর্ক।
আবদুর রাজ্জাক, যায়াদ ইবন আসলাম রা. সূত্রে বলেন, নমরুদের নিকট একটি খাদ্য ভা-ার ছিল, সবাই সেখান থেকে খাদ্য আনতে যেত। ইবরাহীম আ. এক দলের সাথে গেলেন খাবার আনতে। আর সেখানেই হয় এই বিতর্ক। যার ফলে নমরুদ তাকে খাদ্য আনতে দিল না। তিনি তখন খালি পাত্রেই বাড়ি ফিরছিলেন, পথিমধ্যে পাত্রে মাটি ভর্তি করে আনেন। ভাবলেন, বাড়ি গিয়ে সাংসারিক কাজে মন দিবেন। বাড়ি পৌঁছে পাত্রটি রেখে তিনি ঘরের দেয়ালে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তখন তার বিবি সরাহ আ. গিয়ে দেখেন পাত্র ভর্তি খাদ্য, তিনি এগুলো দিয়ে খাবার তৈরী করলেন, ইবরাহীম আ. ঘুম থেকে উঠে খাবার দেখে বুঝলেন, আল্লাহ তাদের কে বিশেষ রিযিক দিয়েছেন।
যায়াদ ইবন আসলাম বলেন, এই অহংকারী বাদশাহর নিকট আল্লাহ একজন ফেরেশতা পাঠান, ফেরেশতা তাকে আল্লাহর উপর ঈমান আনতে বলে, সে অস্বীকৃতি জানায়, এভাবে তিন বার ফেরেশতার আহ্বানে নমরুদ অস্বীকৃতি জানিয়ে বলে যে, তুমি তোমার সৈন্য একত্র করো আমি আমার সৈন্য একত্র করবো, তখন আল্লাহ তাআলা অগণিত মশা প্রেরণ করেন। মশার অধিক্যের কারণে সূর্যের মুখ পর্যন্ত দেখা গেল না। তারপর মশাগুলো তার বাহিনীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং তাদের রক্ত মাংস খেয়ে সাদা হাড্ডি বের করে দেয়। আর একটি মশা ডুকে যায় নমরুদের নাকের ছিদ্রে। চারশ বছর পর্যন্ত এই মশা তার নাকের ছিদ্রে অবস্থান করে দংশন করতে থাকে। এই দীর্ঘ সময় সে হাতুড়ি দিয়ে নিজের মাথা ঠুকতে থাকে। অবশেষে এইভাবেই আল্লাহ তাকে ধ্বংশ করেন।
হযরত ইবরাহীম আ. এর সিরিয়া ও মিসর হিজরত এবং অবশেষে ফিলিস্তিনে স্থায়ী বসতি স্থাপন
আল্লাহ তাআলার বাণী, লূত তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করল। ইবরাহীম আ. বলল, আমি আমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে দেশ ত্যাগ করছি। তিনি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়। আমি ইবরাহীম কে দান করলাম ইসহাক ও ইয়াকুব এবং বংশধরদের জন্যে স্থির করলাম নবুয়াত ও কিতাব এবং আমি তাকে দুনিয়ায় পুরুষ্কৃত করেছিলাম। আখিরাতেও সে নিশ্চই সৎকর্ম পরায়ণদের অন্যতম হবে। [সূরা আনকাবুত:২৬-২৭]
হযরত ইবরাহীম আ. নিজ দেশ ত্যাগ করে আল্লাহর রাহে হিজরত করেন। তার স্ত্রী ছিল বন্ধ্যা, কোনো সন্তান হত না। ভাতিজা লূত ইবন হারান ইবন আযর তার সঙ্গে ছিল। এমতাবস্থায় আল্লাহ তাকে পুত্র সন্তান দান করেন এবং ইবরাহীম আ. এর বংশেই কিতাব প্রেরণ চালু রাখেন। এছাড়াও অন্যান্য পুরুষ্কার আল্লাহ তাকে দিয়েছেন, আল্লাহর জন্য  দেশ ত্যাগের বিনিময়ে। তার সেই হিজরতের দেশটি হলো শাম বা সিরিয়া। বায়তুল মুকাদ্দাসের পূর্ব প্রান্তে তিনি নিজের থাকার জন্য একটি গুম্বজ বিশিষ্ট প্রকোষ্ট নির্মাণ করেন। তারপর তিনি জীবিকার জন্য বের হন। কিন্তু তখন বায়তুল মুকাদ্দাসে ছিল প্রচ- রকম দূর্ভিক্ষ। তাই সবাইকে নিয়ে ইবরাহীম  আ. মিসরে চলে যান। পথিমধ্যে বিভিন্ন রকমের ঘটনাও ঘটে। সারাহ আ. কে নিয়ে পথিমধ্যে এক রাজার ঘটনা, যার থেকে বাঁচার জন্য আহলে কিতাবরা সারাহকে বোন হিসেবে পরিচয় দেয়ার জন্য বলে দেয়। তারপর হযরত সারাহ আ. এর কারামাত দেখে এক পর্যায়ে বাদশাহ তার বাদি হাজেরা কে সারাহ আ. এর জন্য দান করে দেন।
সারাহ আ. কে যখন বাদশাহ কর্তৃক বন্ধি করা হয় তখন বাদশাহ তার সম্ভ্রমহানীর জন্য যেই তার দিকে হাত বাড়াতে যাবে তখন তিনি এই দোআটি পড়েছিলেন, যার বদৌলতে আল্লাহ তাকে সেই বাদশাহর হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন।
হে আল্লাহ! আপনি অবশ্যই অবগত আছেন যে, আমি আপনার উপর ও আপনার রাসূলের উপর ঈমান এনেছি। আমার স্বামী ব্যতীত অন্য সবার থেকে আমার লজ্জাস্থানকে হিফাজত করেছি। অতএব কোনো কাফিরকে আমার উপর হস্তক্ষেপ করতে দেবেন না।
হজেরার গর্ভে ইসমাঈল আ. এর জন্ম
আহলে কিতাবদের বর্ণনা মতে, হযরত ইবরাহীম আ. আল্লাহর নিকট সুসন্তানের জন্য দোআ করেন। আল্লাহ তাকে এ বিষয়ে সুসংবাদও দান করেন। কিন্তু এরপর বায়তুল মুকাদ্দাসে তার বিশটি বছর অতিবাহিত হয়ে যায়। এ সময় একদিন সারাহ হযরত ইবরাহীম আ. কে বললেন, আমাকে তো আল্লাহ সন্তান থেকে বঞ্চিতই রেখেছেন। সুতরাং আপনি আমার বাঁদির সাথে মিলিত হন। তার গর্ভে আল্লাহ আপনাকে সন্তান দিতেও পারেন। সারাহ হাজেরাকে  ইবরাহীম আ. এর জন্য  দান করে দেন। ইবরহীম আ. তার সাথে মিলিত হন। তাতে হাজেরা সন্তান সম্ভবা হন। এতে আহলে কিতাবগণ বলে থাকেন, হাজেরা নিজেকে গৌরবান্বিত মনে করেন এবং নিজেকে তার মুনিব সারাহ এর তুলনায় ভাগ্যবতী মনে করেন, ফলে সারাহ এর মনে আত্মমর্যাদাবোধ জাগ্রত হয়। তখন ইবরাহীম আ. কে তিনি এ ব্যাপারে জানান। ইবরাহীম আ. তখন সারাহ কে বললেন, তার ব্যাপারে তুমি যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারো। হাজেরা এতে ভীত হয়ে পাশের অদূরেই এক কূপের নিকট অবতরণ করেন। সেখানে জনৈক ফেরেশতা তাকে বলে দেন যে, তুমি ভয় পেওনা, যে সন্তান তুমি ধারণ করেছ আল্লাহ তাকে গৌরবময় করবেন। ফেরেশতা তাকে বাড়িতে ফিরে যেতে বললেন এবং সুসংবাদ দেন যে, তুমি পুত্র সন্তান প্রসব করবে, তার নাম রাখবে ইসমাঈল। সে হবে এক অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব। সকল লোকের উপর তার প্রভাব থাকবে আর অন্যরা সবাই তার দ্বারা শক্তির প্রেরণা পাবে। সে তার ভাইদের কর্তৃত্বাধীন সমস্ত এলাকার অধিকারী হবে। এসব শুনে হাজেরা শুকরিয়া আদায় করেন। আর এই সুসংবাদ হযরত ইবরাহীম আ. এর অধঃস্তন সন্তান হযরত মুহাম্মদ সা. এর মাধ্যমে পূর্ণতা পায়।

ইসমাঈল আ. ও হাজেরাকে নিয়ে হযরত ইবরাহীম আ. এর ফারান পর্বতমালা তথা মক্কা ভূমিতে হিজরত ও কাবা গৃহ নির্মাণ
আল্লাহর নির্দেশে হযরত ইবরাহীম আ. হাজেরা ও ইসমাঈল আ. কে নিয়ে যখন মক্কায় যান, হাজেরা তখন তার শিশু পুত্রকে দুধ পান করাতেন। মসজিদে হারামের উঁচু অংশে বায়তুল্লাহর কাছে যমযম কূপের নিকটে অবস্থিত একটি বড় গাছের নিচে তিনি তাদেরকে রেখে আসেন। মক্কায় তখন না ছিল কোনো মানুষ, না ছিল কোনো পানি। এখানেই তিনি তাদেরকে রেখে এলেন। একটি থলের মধ্যে কিছু খেজুর ও একটি মশকে কিছু পানিও রাখলেন। তারপর ইবরাহীম আ. যেদিক থেকে আসলেন, সেদিকে ফিরে চললেন। হাজেরাও তার পিছু পিছু ছুটে যান এবং জিজ্ঞেস করেন, হে ইবরাহীম! আমাদেরকে শূন্যে প্রান্তরে রেখে কোথায় যাচ্ছেন?  যেখানে নেই কোনো মানুষজন, নেই কোনো খাদ্য পানীয়! তখন হাজেরা জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ কি এরকম করতে আপনাকে আদেশ করেছেন? ইবরাহীম আ. বললেন, হ্যাঁ,। হাজেরা বললেন, তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে ধ্বংস করবেন না। একথা বলে হাজেরা ফিরে আসলেন এবং ইবরাহীম আ.ও চলে গেলেন।  যখন তিনি ছানিয়া [গিরিপথ] পর্যন্ত পৌঁছলেন, যেখান থেকে আর দেখা যাচ্ছিল না মা ছেলেকে। তখন তিনি কাবা ঘরের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন এবং দু হাত তুলে নিম্নোক্ত দোআ পড়লেন,
হে আমার প্রতিপালক! আমি আমার বংশধরদের কতককে বসবাস করালাম অনুর্বর উপত্যকায় তোমার পবিত্র ঘরের নিকট। হে আমাদের প্রতিপালক! এজন্য যে, ওরা যেন সালাত কায়েম করে। অতএব, তুমি কিছু লোকের অন্তর তাদের দিকে অনুরাগী করে দাও এবং ফলাদি দ্বারা ওদের জীবিকার ব্যবস্থা করে দাও। যাতে ওরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। [সূরা ইবরাহীম-৩৭]
আগেই বলা হয়েছে, তখনও পর্যন্ত হাজেরা আ. তার ছেলে ঈসমাঈল আ. কে নিজ স্তনের দুধ পান করাতেন এবং ঐ মশকের পানি পান করতেন। শেষে মশকের পানি ফুরিলে গেলে মা ও শিশু উভয়ে তৃষ্ণায় কাতর হয়ে পড়ে। মা তখন পানি খোঁজ করতে লাগলেন। সাফা মারওয়ায় দৌঁড়া দৌঁড়ি করলেন। তখন এক ফেরেশতা আসল এবং পা বা ডানা দিয়ে আঘাত করলেন আর সেখান থেকে যমযম কূপের উৎস হয়।
হযরত ইবরাহীম আ. এভাবে অনেক দিন তাদের থেকে দূরে থাকলেন। তারপর ইবরাহীম আ. পূনরায় তথায় আসলেন। দেখলেন, ইসমাঈল যমযম কূপের নিকটে বিরাট এক বৃক্ষের নিচে বসে তীর চাঁছছিলেন। পুত্র পিতাকে দেখে উঠে এলেন এবং দুজনই আলিঙ্গন করলেন। তখন ইবরাহীম আ. ছেলেকে বললেন, হে আমার পুত্র! আল্লাহ আমাকে কাবাঘর পুণনির্মাণের আদেশ দিয়েছেন। তাতে তোমার সাহায্য প্রয়োজন। তখন আল্লাহ তাআলার দিক নির্দেশনায় ছেলে আর বাবা মিলে কাজে নেমে পড়েন। বাবা মাটি কেটে দিতেন আর ছেলে সেই মাটি অদূরেই নিয়ে ফেলেন। এভাবেই এক সময় মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসে পূণ্যময় কাবা ঘর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight