হযরত আদম আ.-এর সৃষ্টির ইতিহাস : সংকলন : আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ জোবায়ের

পূর্ব প্রকাশিতের পর..
আল্লাহ তা’আলা বলেন- ‘তারপর তাদের লজ্জাস্থান, যা গোপন রাখা হয়েছিল তা তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল এবং বলল, পাছে তোমরা উভয়ে ফেরেশতা হয়ে যাও কিংবা তোমরা স্থায়ী হও এ জন্যই তোমাদের প্রতিপালক এ বৃক্ষ সম্বন্ধে- তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন। সে তাদের উভয়ের কাছে শপথ করে বলল, আমি তোমাদের হিতাকাক্সক্ষীদের একজন। [সূরা আরাফ : ২০-২১]
ইবলীসের এ বক্তব্য ছিল সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক এবং বাস্তবতা বিবর্জিত।
‘এভাবে সে তাদেরকে প্রবঞ্চনা দ্বারা অধঃপতিত করল। তারপর যখন তারা সে বৃক্ষ-ফলের স্বাদ গ্রহণ করল, তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের কাছে প্রকাশ হয়ে পড়ল এবং উদ্যানপত্র দ্বারা তারা তাদেরকে আবৃত করতে লাগল। [সূরা আরাফ : ২২]
আদম আ.-এর আগেই হাওয়া আ. বৃক্ষ-ফল ভক্ষণ করেছিলেন এবং তিনিই আদম আ.-কে তা খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।
বুখারির নিম্নোক্ত হাদীসটি এ অর্থেই নেওয়া হয়ে থাকে। ইমাম বুখারি রহ. বর্ণনা করেন যে, আবূ হুরায়া রা.  বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন। “বনী ইসরাঈলরা না হলে গোশত পচতো না আর হাওয়া না হলে কোন নারী তার স্বামীর সঙ্গে খেয়ানত করত না।” বুখারি ও মুসলিম, আহমদ ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। আহলে কিতাবদের হাতে রক্ষিত তাওরাতে আছে যে, হাওয়া আ.-কে বৃক্ষ-ফল খাওয়ার পথ দেখিয়েছিল একটি সাপ। সাপটি ছিল অত্যন্ত সুদর্শন ও বৃহদাকারের।
তার কথায় হাওয়া আ. নিজেও তা খান এবং আদম আ.-কেও তা খাওয়ান। এ প্রসঙ্গে ইবলীসের উল্লেখ নেই। খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের চোখ খুলে যায় এবং তাঁরা দু’জনে আঁচ করতে পারেন যে, তাঁরা দুজন বিবস্ত্র। ফলে তাঁরা ডুমুরের পাতা গায়ে জড়িয়ে নেন। ওহাব ইবনে মুনাব্বিহ রহ. বলেন, আদম আ. ও হাওয়া আ.-এর পোশাক ছিল তাদের উভয়ের লজ্জাস্থানের ওপর একটি জ্যোতির আবরণ।
হাফিজ ইবনে আসাকির রহ. উবাই ইবনে কা’ব রা. সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- “তোমারেদ পিতা আদম আ. লম্বা খেজুর গাছের ন্যায় ষাট হাত দীর্ঘ ঘন কেশবিশিষ্ট ছিলেন এবং গোপনাঙ্গ আবৃত ছিল। তারপর জান্নাতে অপরাধ করে বসলে তাঁর গোপনাঙ্গ প্রকাশ হয়ে পড়ে। ফলে তাঁকে জান্নাত থেকে বের হতে হয়। তখন একটি বৃক্ষের মুখোমুখি হলে বৃক্ষটি তাঁর মাথার সম্মুখ ভাগের কেশগুচ্ছ ধরে ফেলে। এদিকে আল্লাহ তা’আলা তাঁকে ডেকে বললেন, আমার নিকট থেকে পালাতে চাও, হে আদম? আদম আ. বললেন, আল্লাহর শপথ! আপনার লজ্জায় নিজ কৃতকর্মের জন্যে এমনটি করছি, হে আমার রব!
অন্যান্য সূত্রে বিশুদ্ধতর সনদে রাসূলুল্লাহ সা. থেকে অনুরূপ একটি রিওয়ায়াত রয়েছে- ‘তখন তাদের প্রতিপালক তাদেরকে সম্বোধন করে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ বৃক্ষের নিকটবর্তী হতে বারণ করিনি? এবং আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্র“?
তারা বলল, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করেছি, যদি তুমি আমাদেরকে ক্ষমা না কর এবং দয়া না কর তবে অবশ্য আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হব। [সূরা আরাফ : ২২-২৩]
এ হলো অপরাধের স্বীকারোক্তি, তাওবার শরণাপন্ন হওয়া এবং উপস্থিত মুহূর্তে আল্লাহর নিকট নিজের হীনতা, বিনয় ও অসহায়ত্বের অভিব্যক্তি। বলা বাহুল্য যে, আদমের সন্তানদের যে-ই অপরাধ স্বীকার করে এরূপ তাওবা করবে ইহকাল ও পরকালে তার পরিণাম মঙ্গলজনকই হবে।
‘আল্লাহ বললেন, তোমরা নেমে যাও, তোমরা একে অপরের শত্র“ এবং পৃথিবীতে তোমাদের কিছুকাল বসবাস ও জীবিকা রয়েছে। [সূরা আরাফ : ২৪]
আদম আ. হাওয়া আ. ও ইবলীসকে সম্বোধন করে এ আদেশ দেওয়া হয়েছিল। কারো কারো মতে, তাদের সঙ্গে সাপটিও এ আদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সীমালঙ্গংঘন করার অপরাধে তাদেরকে জান্নাত থেকে নেমে যাওয়ার এ আদেশ দেওয়া হয়।
আদম ও হাওয়া আ.-এর সাথে সাপের উল্লেখের স্বপক্ষে রাসূলুল্লাহ সা.-এর একটি হাদীস পেশ করা হয়ে থাকে। তা হলো- রাসূলুল্লাহ সা. সাপ হত্যার আদেশ দিয়ে বলেন, ‘যেদিন ওগুলোর সাথে আমরা লড়াই করেছি, সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত ওগুলোর সাথে আর আমরা সন্ধি করিনি।’ সূরা তাহায় আল্লাহ তা’আলা বলেন- ‘তোমরা দু’জন একই সঙ্গে জান্নাত থেকে নেমে যাও। তোমরা পরস্পর পরস্পরের শত্র“। [সূরা তাহা : ১২৩]
এই আদেশ হলো আদম আ. ও ইবলীসের প্রতি। আর হাওয়া আদমের এবং সাপ ইবলীসের অনুগামী হিসাবে এ আদেশের আওতাভুক্ত। কেউ কেউ বলেন, এখানে দ্বিবচন শব্দ দ্বারা একত্রে সকলকেই আদেশ করা হয়েছে।
হাসান ইবনে আতিয়্যা রহ. সূত্রে যে, আদম আ. জান্নাতে একশ’ বছরকাল অবস্থান করেন। অন্য এক বর্ণনায় ষাট বছরের উল্লেখ রয়েছে। তিনি জান্নাত হারানোর দুঃখে সত্তর বছর, অন্যায়ের অনুতাপে সত্তর বছর এবং নিহত পুত্রের শোকে চল্লিশ বছর ক্রন্দন করেন। ইবনে আসাকির রহ. এটি বর্ণনা করেন।
ইবনে আবূ হাতিম রহ. বর্ণনা করেন যে, ইবনে আব্বাস রা. বলেন, আদম আ.-কে মক্কা ও তায়িফের মধ্যবর্তী দাহনা নামক স্থানে নামিয়ে দেয়া হয়। হাসান রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আদম আ.-কে ভারতে, হাওয়া আ.-কে জিদ্দায় এবং ইবলীসকে বসরা থেকে মাইল কয়েক দূরে দস্তমীসান নামক স্থানে নামিয়ে দেয়া হয় আর সর্পটিকে নামানো হয় ইস্পাহানে।
সুদ্দী রহ. বলেন, আদম আ. ভারতে অবতরণ করেন। আসার সময় তিনি হাজরে আসওয়াদ ও জান্নাতের এক মুঠো পাতা নিয়ে আসেন এবং এ পাতাগুলো ভারতের বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে দেন। ফলে সে দেশে সুগন্ধির গাছ উৎপন্ন হয়।
আব্দুর রায্যাক রহ. আবূ মূসা আশআরী রা. সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা আদম আ.-কে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে নামিয়ে দেওয়ার সময় যাবতীয় বস্তুর প্রস্তুত প্রণালী শিখিয়ে দেন এবং জান্নাতের ফল-ফলাদি থেকে তার আহার্যের ব্যবস্থা করে দেন। সুতরাং তোমাদের এ ফলমূল জান্নাতের ফলমূল থেকেই এসেছে। পার্থক্য শুধু এতটুকু যে, এগুলোতে বিকৃতি আসে আর ওগুলোর কোন বিকৃতি নেই।
সহীহ মুসলিমের হাদীস বর্ণিত হয়েছে যে, আবু হুরায়রা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- “দিনসমূহের মধ্যে জুমা’আর দিন হলো সর্বোত্তম। এ দিনে আদম আ.-কে সৃষ্টি করা হয়, এদিনেই তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়, এ দিন তাকে জান্নাত থেকে বহিস্কার করা হয়।” সহীহ বুখারিতে অন্য এক সূত্রে আছে যে, “এ দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।”
ইবনে আসাকির রহ. বর্ণনা করেন যে, আনাস রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- আদম আ. ও হাওয়া আ.-কে বিবস্ত্র অবস্থায় একত্রে নামিয়ে দেওয়া হয়। তখন তাদের দেহে জান্নাতের পাতা জড়ানো ছিল। তখন আদম আ. অসহ্য গরম অনুভব করেন। এমনকি তিনি বসে কান্নাকাটি করতে শুরু করেন এবং হাওয়াকে লক্ষ্য করে বলেন যে, হাওয়া! গরমে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, তারপর জিবরাঈল আ. তাঁর কাছে কিছু তুলো নিয়ে আসেন এবং হাওয়াকে সুতা কাটার আদেশ দিয়ে তাকে তা শিখিয়ে দেন। আর আদম আ.-কে কাপড় বুনানের আদেশ দেন এবং তাকে বুননকার্য শিক্ষা দেন। রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, আদম আ. জান্নাতে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করেননি; ইতিমধ্যেই বৃক্ষ-ফল খাওয়ার অপরাধে তাদেরকে জান্নাত থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, তাঁরা উভয়ে আলাদা শয়ন করতেন। একজন বাতহায় এবং অপরজন অন্য প্রান্তে শয়ন করতেন। একদিন জিবরাঈল আ. এসে তাঁকে সহবাসের আদেশ দেন এবং তার পদ্ধতিও শিখিয়ে দেন। তারপর যখন আদম আ. স্ত্রী সঙ্গম করলেন, তখন জিবরাঈল আ. এসে তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, আপনি আপনার স্ত্রীকে কেমন পেয়েছেন? আদম আ. বললেন, সতী-সাধ্বী পেয়েছি। ইবনে আসাকির রহ. বর্ণিত এ হাদীসটি ‘গরীব’ পর্যায়ভুক্ত এবং এটি মারফু হওয়াই অত্যন্ত ‘মুনকার’।
‘তারপর আদম আ. তার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে কিছু বাণী প্রাপ্ত হলেন। ফলে আল্লাহ তার প্রতি ক্ষমা পরবশ হলেন। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [সূরা বাকারা : ৩৭]
কেউ কেউ বলেন, আদম আ. আল্লাহর পক্ষ থেকে যে বাণী প্রাপ্ত হয়েছিলেন তাহলো- ‘হে আমাদের রব! আমরা নিজেদের ওপর অত্যাচার করেছি। আপনি যদি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন ও দয়া না করেন তাহলে আমরা অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবো।  [সূরা আরাফ : ২৩]
ইবনে  আবূ হাতিম রহ. বর্ণনা করেন যে, উবাই ইবনে কা’ব রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- আদম আ. বললেন, হে আমার রব! আমি যদি তাওবা করি ও ফিরে আসি; তাহলে আমি কি আবার জান্নাতে যেতে পারব? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ। এটাই সে বাণী যার কথা (ফাতালাক্কা আদামা) এ আয়াতে বলা হয়েছে। এ সূত্রে হাদীসটি ‘গরীব’ এবং এতে ইনকিতা তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।
আদম আ. আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন- হে আল্লাহ! তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আমি তোমার পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করি। হে আমার রব! নিশ্চয় আমি আমার নিজের প্রতি অত্যাচার করেছি। অতএব, তুমি আমায় ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয় তুমি ক্ষমাকারীদের সর্বোত্তম।
হাকিম রহ. বর্ণনা করেন যে, ইবনে আব্বাস রা. (ফাতালাক্কা আদামা……..) এর ব্যাখ্যায় বলেন, আদম আ. বললেন, হে আমার রব! আপনি কি আমাকে আপনার নিজ কুদরতী হাতে সৃষ্টি করেননি? বলা হলো হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, আপনি কি আমার দেহে আপনার রূহ সঞ্চার করেননি? বলা হলো, হ্যাঁ। তখন তিনি পুনরায় বললেন, আমি হাঁচি দিলে আপনি কি (ইয়ার হামুকাল্লাহ) ‘আল্লাহ তোমাকে রহম করুন’ বলেননি? এবং আপনার রহমত কি আপনার গযবের ওপর প্রবল নয়? বলা হলো হ্যাঁ। পুনরায় তিনি বললেন- আপনি কি একথা নির্ধারণ করে রাখেননি যে, আমি এ কাজ করব; তাহলে আপনি পুনরায় আমাকে জান্নাতে ফিরিয়ে নেবেন কি? আল্লাহ বললেন, হ্যাঁ। হাকিম বলেন, এর সনদ সহীহ, কিন্তু ইমাম বুখারি ও মুসলিম রহ. হাদীসটি বর্ণনা করেননি।
হাকিম, বায়হাকী ও ইবনে আসাকির রহ. উমর ইবনে খাত্তাব রা. থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন- “আদম আ. যখন ভুল করে বসলেন তখন বললেন, হে আমার রব! মুহাম্মদের উসিলা দিয়ে আমি আপনার দরবারে প্রার্থনা করছি যে, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন! তখন আল্লাহ তাআলা বললেন, তুমি মুহাম্মদকে চিনলে কী করে অথচ এখনও তাঁকে আমি সৃষ্টি-ই করিনি? আদম আ. বললেন, হে আমার রব! যখন আপনি আমাকে আপনার নিজ হাতে সৃষ্টি করলেন এবং আমার মধ্যে আপনার রূহ সঞ্চার করলেন তখন আমি মাথা তুলে আরশের স্তম্ভসমূহে (লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ) লিখিত দেখতে পাই। তাতে আমি বুঝতে পারলাম যে, আপনার পবিত্র নামে সৃষ্টির মধ্যে আপনার সর্বাধিক প্রিয়ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো নাম যোগ করেননি। তখন আল্লাহ তা’আলা বললেন, তুমি যথার্থই বলেছ, হে আদম! নিশ্চয় তিনি সৃষ্টির মধ্যে আমার প্রিয়তম। তাঁর উসিলায় যখন তুমি আমার কাছে প্রার্থনা করেই ফেলেছ, তখন আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। আর মুহাম্মদ সা.-কে সৃষ্টি না করলে তোমাকে আমি সৃষ্টিই করতাম না।
বায়হাকী বলেন, এ সূত্রে আবদুর রহমান ইবনে যায়েদ ইবনে আসলামই হাদীসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। আর তিনি হলেন দুর্বল রাবী। আল্লাহই সর্বজ্ঞ। উল্লেখ্য যে, এ আয়াতটি নিম্নের আয়াতটির অনুরূপ-
‘আদম তার প্রতিপালকের হুকুম অমান্য করল, ফলে সে ভ্রমে পতিত হলো। এরপর তার প্রতিপালক তাকে মনোনীত করলেন, তার প্রতি ক্ষমাপারায়ণ হলেন ও তাকে পথ-নির্দেশ করলেন। [সূরা তাহা : ১২১-১২২]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight