স্বাস্থ্য সমাচার

আনারস খাওয়ার উপকারিতা :
মৌসুমী ফলের নানা গুণ। আর সেটা যদি হয় আনারস তাহলে তো কথাই নেই। অসংখ্য গুণে গুনান্বিত এই ফলে খেয়ে যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটানো যায় তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। এই গরমে তাই খাদ্য তালিকায় যুক্ত হোক আনারস। জেনে নিই আনারসের ৭টি উপকারিতা-পুষ্টির অভাব দূর করে: আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।
ওজন নিয়ন্ত্রণে: শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
হাড় গঠনে: আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
দাঁত ও মাড়ি সুরক্ষায়: আনারসের ক্যালসিয়াম দাঁতের সুরক্ষায় কাজ করে। মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধান করতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন আনারস খেলে দাঁতে জীবাণুর আক্রমণ কম হয় এবং দাঁত ঠিক থাকে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায়: বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, আনারস ম্যাক্যুলার ডিগ্রেডেশন হওয়া থেকে আমাদের রক্ষা করে। এ রোগটি আমাদের চোখের রেটিনা নষ্ট করে দেয় এবং আমরা ধীরে ধীরে অন্ধ হয়ে যাই। আনারসে রয়েছে বেটা ক্যারোটিন। প্রতিদিন আনারস খেলে এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এতে সুস্থ থাকে আমাদের চোখ।
হজমশক্তি বাড়ায়: আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।
রক্ত জমাটে বাধা দেয়: দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয  এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপি- আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপি-।
সিগারেটের মতই ক্যান্সারের হুমকি হয়ে      দেখা দিয়েছে বার্গার, সসেজ, হটডগ
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বার্গার এবং সসেজ সিগারেটের মতই ক্যান্সারের হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু’ প্রক্রিয়াজাত  গোশতকে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। এ তালিকায় অ্যাসবেস্টস, আর্সেনিক বা সেঁকো বিষ, সিগারেট এবং মদের পাশেই প্রক্রিয়াজাত গোশতকে ফেলা হয়েছে।
গোশত প্রক্রিয়াকরণ করার জন্য নুন, রাসায়নিক উপাদান যোগ করাসহ নানা পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়। আর এ গোশত থেকেই বার্গার, হট ডগ বা সসেজ বানানো হয়। তাজা লাল গোশতও ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের তালিকায় ঠাঁই করে নেবে। প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের চেয়ে একটু কম মাত্রার বিপজ্জনক হিসেবে একে চিহ্নিত করার তৎপরতা চলছে। গোশত নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের মুখে ‘হু’এর আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা এ শ্রেণীকরণ করছে। গোশত থেকে সৃষ্ট রোগে একমাত্র ব্রিটেনে ই প্রতিবছর দেড় লাখের বেশি মানুষ মারা যায়।
ওজন কমাতে সাহায্য করে পালং শাক :
পালং শাক মাত্রাতিরিক্ত খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ কমাতে সাহায্য করে। আর এর মধ্য দিয়ে ওজন কমাতে সহায়তা করে পালং শাক।
মানব দেহে খাবার গ্রহণের পর যে পরিতৃপ্তির সৃষ্টি হয় তা দেখা দেয় বিশেষ হরমোনের কারণে।  থাইলোকোয়েড এমন হরমোনের নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়া, চর্বি হজমের প্রক্রিয়াকে বিলম্বিত করে। দুইয়ে মিলে খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ উভয়ই কমে।
গবেষক ফ্রাংক এল গ্রিনওয়ে বলেন, খাদ্যস্পৃহা এবং ক্ষুধাবোধ কমাতে সাহায্য করে থাইলোকোয়েড। তাই উচ্চরক্ত চাপ এবং অতিরিক্ত ওজনের সমস্যায় যারা ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে থাইলোকোয়েড।
তবে চিকিৎসক যদি কোনো কারণ আপনাকে পালং শাক খেতে নিষেধ করে থাকেন তাহলে তা খেতে যাবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight