রোযা সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

১।
আর পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। অতঃপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৭]
২।
হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৩]
৩।
রোযা পালনকারী পুরুষ, রোযা পালনকারী নারী, লজ্জাস্থান হেফাযতকারী পুরুষ, লজ্জাস্থান হেফাজতকারী নারী, আল্লাহর অধিক যিকিরকারী পুরুষ ও যিকিরকারী নারী, তাঁদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও মহাপুরষ্কার। [সূরা আহযাব : আয়াত ৩৫]
৪।
কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৫]
৫।
অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৪]
৬।
আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণকর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পার। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৪]
৭।
অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুস্থ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৪]
৮।
যে একটি সৎকর্ম করবে, সে তার দশগুণ পাবে এবং যে, একটি মন্দ কাজ করবে, সে তার সমান শাস্তিই পাবে। বস্তুত তাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। [সূরা মায়েদা : আয়াত ১৬০]
৯।
যার এ সামর্থ্য নেই, সে একে অপরকে স্পর্শ করার পূর্বে একাধিক্রমে দুই মাস রোযা রাখবে। যে এতেও অক্ষম হয় সে ষাট জন মিসকীনকে আহার করাবে। [সূরা মুজাদালাহ : আয়াত ৪]
১০।
রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কুরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী। কাজেই তোমাদের মধ্যে যে লোক এ মাসটি পাবে, সে এ মাসের রোযা রাখবে। আর যে লোক অসুস্থ কিংবা মুসাফির অবস্থায় থাকবে সে অন্য দিনে গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না যাতে তোমরা গণনা পূরণ কর এবং তোমাদের হেদায়েত দান করার দরুন আল্লাহ তাআলার মহত্ত্ব বর্ণনা কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা স্বীকার কর। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৫]
১১।
আর যতক্ষণ তোমরা এতেকাফ অবস্থায় মসজিদে অবস্থান কর, ততক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীদের সাথে মিশো না। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৭]
১২।
আর পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের শুভ্র রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। [সূরা বাকারাহ : আয়াত ১৮৭]
১৩।
(১) আমি একে নাযিল করেছি শবে-কদরে।
(২) শবে-কদর সমন্ধে আপনি কি জানেন?
(৩) শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
(৪) এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
(৫) এটা নিরাপত্তা যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। [সূরা ক্বাদর : আয়াত ১-৫]
১৪। আমি একে নাযিল করেছি। এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী। এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়। [সূরা দুখান : আয়াত ৩-৪]
১৫।
(১) শপথ ফজরের। (২) শপথ দশ রাত্রির। (৩) শপথ তার, যা জোড় ও যা বিজোড়। (৪) এবং শপথ রাত্রির যখন তা গত হতে থাকে। (৫) এর মধ্যে আছে শপথ জ্ঞানী ব্যক্তির জন্যে। [সূরা ফাজর : আয়াত ১-৫]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight