বিশটি মূল্যবান উপদেশ

১। কিয়ামত সেই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে যখন পৃথিবীতে আল্লাহর নাম উচ্চারণকারী কেউ থাকবে না।
২। বান্দা যখন মিথ্যা বলে তখন তার মুখের দুর্গন্ধে ফেরেশতা এক মাইল দূরে সরে যায়।
৩। আল্লাহর স্মরণ ও সৎকর্মের জন্য নিয়ামত অপরিহার্য।
৪। প্রয়োজনের একটি সীমারেখা আছে; কিন্তু লোভের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই।
৫। সফলতা অর্জনের পূর্বশর্ত হলো সফলতা অর্জনের অনুভূতি ও চেতনা অন্তরে জাগরূক রাখা।
৬। আড়ষ্ট হৃদয়ের মানুষের কাছে কিছু চেয়ো না। তাহলে সে তোমাকেও আড়ষ্টহৃদয় বানিয়ে দেবে।
৭। বীরত্ব হলো দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও নিজের দুর্বলতার কথা অন্যদেরকে অনুভব করতে না দেওয়া।
৮। আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ কথায়-কথায় দুঃখবোধের প্রকাশ ঘটান না।
৯। যে-ব্যক্তির জীবনে কোনো ল্য নেই তার কোনো ঠিকানা নেই।
১০। নানাবিধ জটিলতা মানুষকে শক্তিশালী করে তোলে, যদি মানুষের মধ্যে ধৈর্যশক্তি থাকে।
১১। ব্যক্তিত্বের বিকাশ তখনই ব্যাহত হয় যখন মানুষ নিজেকে পরিপূর্ণ মনে করে।
১২। পরিশ্রম করা তোমাদের কাজ এবং ফলাফল দেওয়া আল্লাহর কাজ।
১৩। বড়ত্ববোধ মানুষের হৃদয়ের মধ্যে গোপনে তৈরি হয় এবং মানুষকে ধ্বংস করে দেয়; কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তা টেরও পায় না।
১৪। তোমরা যে-কাজের দায়ভার গ্রহণ করবে তোমাদের মস্তিষ্ক তার জন্যই কাজ করবে।
১৫। তোমাদের পাওনাদাররা চাইবে তোমাদের সুস্থতা আর তোমাদের কাছ থেকে ঋণগ্রহীতারা চাইবে তোমাদের মৃত্যু।
১৬। অসুস্থ ব্যক্তিও ঘুমাতে পারে; কিন্তু ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঘুমাতে পারে না।
১৭। পৃথিবীতে লাঞ্ছনার হাজারো উপায় আছে। তবে তার মধ্যে ঋণের লাঞ্ছনা সবচেয়ে গুরুতর।
১৮। বুদ্ধিমান ওই ব্যক্তি, যে বলে কম, শোনে বেশি।
১৯। যে-ব্যক্তির ইলম রয়েছে কিন্তু আমল নেই, সে ওই অসুস্থের মতো যার কাছে ওষুধ রয়েছে কিন্তু সেবন করে না।
২০। নিজের প্রয়োজনকে সীমাবদ্ধ করে নেওয়াই অনেক বড় সচ্ছলতা।
সংগ্রহে : মুহা. শরীফুল ইসলাম
জামি‘আ মুহাম্মদিয়া ইসলামিয়া, বনানী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight