প্রশ্ন উ্ত্তর

Sowal Jowab

ফায়জুর রহমান , ত্রিশাল
প্রশ্ন: এক শ্রেণীর মানুষ নবী কারীম সা. কে মানুষ মনে করে না। তারা মনে করে, নবী কারীম সা. আল্লাহ তা‘আলার জাতী নূরের তৈরি আল্লাহর বিশেষ সৃষ্টি। এদের এরূপ আকীদা বিশ্বাসের ব্যাপারে শরয়ী বিধান কি?
উত্তর: নবী কারীম সা. যে মানুষ ছিলেন, এটা কুরআনের অনেক আয়াত ও স্বয়ং রাসূলে আকদাস সা.- এর অসংখ্য হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। তাই রাসূলে আকরাম সা.- এর মানুষ হওয়াকে অস্বীকার করা কুরআনে কারীমের ঐ সমস্ত আয়াত এবং রাসূলে আকদাস সা.- এর সেসব হাদীসকে অস্বীকার করার শামিল। আর কুরআনের কোনো আয়াত ও হাদীসে মুতাওয়াতিরকে অস্বীকার করলে ঈমান চলে যায়। সুতরাং যারা মনে করে নবী কারীম সা. মানুষ ছিলেন না, তাদের ঈমান চলে গেছে (নাউযু বিল্লাহ)। কাজেই তাদের ঈমান নবায়ন করতে হবে এবং বিবাহিত হলে বিবাহও নবায়ন করতে হবে।-  সূরা বনী ইসরাঈল: ৯৩, বুখারী শরীফ: ১/৩৩২, মুসলিম শরীফ: ২/২৭৯, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ২/২৬৩, ২৬৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ৫/৪৮০, আহসানুল ফাতাওয়া: ১/৫৭,

আবু বকর, কোতুয়ালী, চট্টগ্রাম
প্রশ্ন  : নবী কারীম সা. এর জন্ম ও মৃত্যু তারিখ হিসেবে ১২ রবিউল আউয়ালে রোযা রাখা বা অন্য কোনো ইবাদাত করা জায়িয আছে কি না?
উত্তর : নবী কারীম সা. এর জন্ম তারিখ বা মৃত্যু তারিখকে কেন্দ্র করে এবং ১২ ই রবিউল আউয়ালকে নির্দিষ্ট করে বিশেষ ইবাদত করা যথা-নামায পড়া, রোযা রাখা, মীলাদ পড়া ইত্যাদি সবই বিদ‘আতের অন্তর্ভূক্ত। কারণ এ ধরনের বিশেষ ইবাদাত সাহাবায়ে কিরাম (রা.), তাবিয়ীন ও তাবে তাবিয়ীনদের যুগে ছিলো না। বরং এগুলো পরবর্তী যুগের নব আবি®কৃত, যা বিদ‘আত হওয়ায় বর্জনীয়।- তানবীহুল গাফিলীন: ১/৩১৬, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া: ৬/১৩৪, কিফায়াতুল মুফতী: ১/১৩৮।

মুহাম্মাদ রফীকুল ইসলাম, কচুয়া, চাঁদপুর
প্রশ্ন: লোকের মাধ্যমে কাউকে সালাম পাঠালে কিংবা চিঠি-পত্রে কাউকে সালাম জানালে শুধু ‘সালাম’ শব্দটি লিখলে বা বললেই চলবে? নাকি “আস্সালামু আলাইকুম’’ পূর্ণ বলতে এবং লিখতে হবে। সঠিক মাসআলা জানিয়ে কৃতজ্ঞ করবেন।
উত্তর: শুধু ‘সালাম’ শব্দটি বললে বা লিখলেই যথেষ্ট হবে। তবে ‘আস্সালামু আলাইকুম’ পূর্ণ বলা বা লিখা উত্তম।- ফাতাওয়া শামী: ৯/৫৯৪, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩২৬, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/১২৮, ইমদাদুল ফাতাওয়া: ৪/২৭৭-২৭৮।
মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মাদপুর, ঢাকা
প্রশ্ন: পুরুষের জন্য রূপা ছাড়া লোহা ও তামা জাতীয় পদার্থের তৈরি আংটি ব্যবহার করা জায়িয আছে কিনা? এমনিভাবে মহিলাদের জন্য স্বর্ণ-রূপা ছাড়া তামা বা লোহা ইত্যাদি ধাতুর অলংকার ব্যবহার করা জায়িয আছে কিনা?
উত্তর: পুরুষের জন্য শুধু রূপার আংটি ব্যবহার করা জায়িয আছে। স্বর্ণের আংটি ব্যবহার একেবারে হারাম। আর অন্য যে কোনো পদার্থের আংটি ব্যবহার করা মাকরূহে তাহরীমী। রূপার ক্ষেত্রে আবার রূপার পরিমাণ ৪.৩৬ গ্রামের বেশী হতে পারবে না। এর বেশী নিষেধ। এর কমও প্রয়োজন ছাড়া ব্যবহার না করাই শ্রেয়। অন্যদিকে মহিলাদের জন্য স্বর্ণ-রূপা ছাড়া তামা, লোহা প্রভৃতি জাতীয় ধাতুর অলংকার ব্যবহার করা মাকরূহে তানযীহী।- আদ্-র্দুরুল মুখতার মা’আ ফাতাওয়া শামী: ৯/৫১৭-৫১৮, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩৩৫, হিদায়া: ৪/৪৫৭, বাদায়িউস সানায়ি’: ৫/১৩৩, আল-মুহীতুল বুরহানী: ৬/৮৫, ফাতাওয়া খানিয়া: ৪/৩৭১, কিতাবুল ফিকহি আলাল মাযাহিবিল আরবা’আ: ২/১৮, জাওয়াহিরুল ফিকহ: ১/৪২৩, ফাতাওয়া রশীদিয়া: ৫৯৪, ৫৯৯, ফাতাওয়া রহীমিয়া: ৬/২৭৯, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/৬৯-৭০।

মুহাম্মাদ আতাউল্লাহ, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ
প্রশ্ন: বর্তমানে ব্যাপকহারে মেয়েরা সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ভ্রু-প্লাক অর্থাৎ চিকন করে রাখে। এ জন্য তারা মোটা ভ্রু উপড়িয়ে বা মুন্ডিয়ে চিকন করে থাকে। এটা জায়িয আছে কিনা?
উত্তর: ভ্রু খুব ছড়ানো ও এলোমেলো হলে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য মুন্ডানো বা উপড়ানো এবং মধ্যম পর্যায়ের চিকন করে রাখা জায়িয আছে। কিন্তু বর্তমানে যা হচ্ছে, তা কোনোভাবেই জায়িয নেই। কেননা বর্তমানে, বেশীর ভাগই বিজাতীয়দের অন্ধ অনুকরণে হচ্ছে এবং এমনভাবে করা হচ্ছে যে, সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন ঘটিয়ে ফেলা হচ্ছে। যা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।- মুসলিম শরীফ: ২/২০৫, আহসানুল

মুহাম্মাদ লোকমান হুসাইন, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ
প্রশ্ন: আযান ও তিলাওয়াতের এলার্ম বিশিষ্ট এক ধরনের ঘড়ি পাওয়া যায়। এসব ঘড়ি বিভিন্ন কাজে এলার্মের প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে কিনা? এমনিভাবে আযান, সালাম ও তিলাওয়াত সম্বলিত যেসব কলিংবেল পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করা যাবে কিনা? অপরদিকে মেমোরি সেট মোবাইলে অতি সহজেই আযান ও তিলাওয়াত এলার্ম হিসেবে সেট করা যায়। এভাবে মোবাইলে আযান ও তিলাওয়াতকে রিং টোন এবং এলার্ম হিসেবে ব্যবহার করা কতোটুকু শরী‘আত সম্মত?
উত্তর: আযান ইসলামী শরী‘আতের সম্মানজনক প্রতীকগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি প্রতীক (শি‘আর)। এটাকে নামাযের জন্য জমায়েত করার উদ্দেশ্যে বিধিবদ্ধ করা হয়েছে। এটি একটি ইবাদাত। এমন একটি (শি‘আর) প্রতীকের ধ্বনিকে বিভিন্ন কাজে এলার্ম বা টোন হিসেবে ব্যবহার করা খুবই গর্হিত কাজ।
তাছাড়া অনেক সময় এতে নামাযের সময় হয়ে গেছে বলেও বিভ্রান্তি ঘটতে পারে। তাই আযান সম্বলিত কলিংবেল ও ঘড়ি এলার্মের কাজে ব্যবহার করা এবং মোবাইলে টোন বা এলার্ম হিসেবে আযান ব্যবহার করা সবই নাজায়িয।
তিলাওয়াত তো আযানের চেয়েও অধিক মর্যাদার বিষয়। গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদাত। তিলাওয়াতকে অপাত্রে ব্যবহার এবং এর প্রতি সামান্যতম অসম্মান প্রদর্শন মারাত্মক গুনাহ। আর প্রশ্নোক্ত দুনিয়াবী কাজগুলোতে তিলাওয়াত রেকর্ড করে তা ব্যবহার করার দ্বারা তিলাওয়াতকে চরমভাবে অপাত্রে ব্যবহার এবং এর প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন বৈ কিছু নয়। তাছাড়া রিং টোন হিসেবে তিলাওয়াত ব্যবহার করলে অনেক সময় টয়লেটে বা অন্য কোনো আপত্তিকর জায়গাতেও কল আসলে তিলাওয়াত শুরু হয়ে যায়, এতে তিলাওয়াতের অবমাননা হয়, যা কোনো মুসলমান করতে পারে না। সুতরাং ঘড়ি, মোবাইল, কলিংবেল ইত্যাদিতে তিলাওয়াত রেকর্ড করত তা এলার্ম বা টোন হিসেবে ব্যবহার করা কোনো অবস্থাতেই জায়িয হবে না।
এমনিভাবে সালাম একটি ইসলামী কৃষ্টি বা রীতি। এটিও একটি ইবাদাত। এটাকেও কোনো পার্থিব কাজে ব্যবহার করার অর্থ হলো এর বিকৃতি সাধন। কারো বাসায় প্রবেশের পূর্বে সালাম প্রদানের যে বিধান ইসলামে রয়েছে, তা পবিত্র কুরআনে কারীমের স্পষ্ট আয়াত দ্বারা সরাসরি সয়ং আগন্তুককে প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যন্ত্র তথা কলিংবেলের মাধ্যমে সালাম বাজালে কখনোই সেই নির্দেশ পালন হবে না। বরং সেই নির্দেশ পালনের উদ্দেশ্যে তা করা হলে, সালামের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্দেশের সাথে বিদ্রƒপ করা হবে। সুতরাং কলিংবেল, মোবাইল ইত্যাদির কোনো কিছুতেই সালামকে টোন হিসেবে ব্যবহার জায়িয হতে পারে না।- ফাতাওয়া রহীমিয়া: ১০/৩৩৫-৩৩৬, ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩১৫, ফাতাওয়া খানিয়া: ৪/৩৭৬, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ির: ৫৩।

মুহাম্মাদ আবূ নাঈম, লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ
প্রশ্ন: স্টীলের প্লেটে খানা খাওয়া জায়িয আছে কিনা?
উত্তর: হ্যাঁ, ষ্টীলের থালা-বাসনে পানাহার করা জায়িয আছে।- ফাতাওয়া শামী: ৬/৩৪৩, হিদায়া: ৩/৪৫৩, আল-বাহরুর রায়িক: ৮/১৮৬, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/১২০, জাদীদ ফিকহী মাসায়িল: ১/৩১৭।

মাহমূদ হাসান, সাথিয়া, পাবনা
প্রশ্ন: টিভি ও রেডিওতে যে সালাম দেয়া হয়, তার উত্তর দেয়া জরুরী কিনা?
উত্তর: টিভি ও রেডিওতে যেসব অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়, এগুলোর প্রায় সবই পূর্বে ধারণকৃত। যদ্বরুণ এসব অনুষ্ঠানের শুরুতে দেয়া সালাম সরাসরি সালাম নয়। তাই এর উত্তর দেয়া জরুরী নয়। অবশ্য জায়িয। তবে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে প্রদত্ত সালাম এবং ধারণকৃত অনুষ্ঠান প্রচার শুরু করার পূর্বে সরাসরি যে সালাম দেয়া হয়, সতর্কতা স্বরূপ তার উত্তর দেয়া উত্তম।- জাওয়াহিরুল ফিকহ: ৫/১৬৭, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/১৩৮, কিফায়াতুল মুফতী: ৯/২১৬।

মুহাম্মাদ সুলাইমান, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ
প্রশ্ন: টিভি ও রেডিওতে অনেকের মৃত্যু সংবাদ প্রচার করা হয়। এসব মৃত্যু সংবাদ শুনে ‘ইন্নালিল্লাহি ….’ বলতে হবে কিনা?
উত্তর: টিভি ও রেডিওতে প্রচারিত মৃত্যু সংবাদ শুনে ইন্নালিল্লাহি….’ বলা উত্তম। কেননা, সামান্যতম কোনো মুসীবতের কথা শুনলেও এটি পড়তে বলা হয়েছে।- ফাতাওয়া শামী: ১/৬২০, বেহেশতী জেওর: ৭/৪।

মুহাম্মাদ রিফাত হুসাইন, জামালপুর সদর
প্রশ্ন: টিকটিকি মারা জায়িয আছে কিনা? অনেকে বলেন, টিকটিকি মারলে সাওয়াব হয়। সঠিক মাসআলা জানাবেন।
উত্তর: হ্যাঁ, টিকটিকি মারা জাযিয আছে এবং মারলে সাওয়াব হবে। বুখারী শরীফে বর্ণিত এক হাদীসে এসেছে, টিকটিকি হযরত ইবরাহীম (আ.)- এর আগুনে ফুঁক দিয়েছিলো। এ জন্য নবী কারীম সা. টিকটিকি মারতে বলেছেন। মুসলিম শরীফে এক হাদীসে বর্ণিত আছে, এক প্রহারে টিকটিকি মারলে একশত নেকী লাভ হয়।- বুখারী শরীফ: ১/৪৭৪, মুসলিম শরীফ: ২/২৩৬, তিরমিযী শরীফ: ১/২৭৩, আল-জামি’উ লি আহকামিল কুরআন: ১১/৩০৪, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/১৮৬।

মুহাম্মাদ মুবারক হুসাইন, ঘাটাইল, টাঙ্গাইল
প্রশ্ন: কোনো ফকীরকে ঝুটা খানা দেয়া জায়িয আছে কিনা?
উত্তর: ফকীরকে ঝুটা খানা দেয়া জায়িয আছে। তবে ভালো খানা দেয়ার দ্বারা যে সাওয়াব হবে তা দিলে সে সাওয়াব পাওয়া যাবে না। সুতরাং ফকীরকে খানা দিলে ভালো খাবার দেয়া উচিত। হ্যাঁ, ঝুটা খানা নষ্ট করে ফেলে না দিয়ে কোনো গরীব ব্যক্তি বা কোনো প্রাণীকে দিয়ে দেয়া সর্বাবস্থায়ই উত্তম।- সূরা আল-ইমরান: ৯২, তাফসীরে রূহুল মা‘আনী: ২/২২২, তাফসীরে মাযহারী: ২/৮৭, তাফসীরে কাবীর: ৮/১৪৪, আহসানুল ফাতাওয়া: ৮/১১২।

মুহাম্মাদ মাসউদ হাসান, স্বরুপকাঠি, পিরোজপুর
প্রশ্ন: আমাদের দেশে বিভিন্ন সময় যেসব মেলা বসে যেমন বৈশাখী মেলা, গাড়ী মেলা ইত্যাদি মেলায় যাওয়া এবং সেখান থেকে কিছু ক্রয় করা শরী‘আতের দৃষ্টিতে জায়িয আছে কিনা? এমনিভাবে ভারত এবং বাংলাদেশে প্রায় সময় হিন্দুদের উদ্যোগে বিশেষ মেলার আয়োজন করা হয়। ব্যবসার উদ্দেশ্যে এসব মেলায় অংশ গ্রহণ করা জায়িয আছে কিনা?
উত্তর: বর্তমানে আমাদের দেশে যেসব মেলা হয়, সেগুলো অশ্লীলতা ও বেহায়াপনায় ভরপুর থাকে। তাই এসব মেলার আয়োজক মুসলিম হোক বা অমুসলিম হোক, এগুলোতে যাওয়া এবং ক্রয়-বিক্রয় করা জায়িয নেই। এমনিভাবে হিন্দুদের উদ্যেগে আয়োজিত মেলা যদি তাদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে হয়, তাহলে তা অশ্লীলতামুক্ত হলেও যে কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে যাওয়া নাজায়িয। এ ছাড়া যেসব মেলায় অশ্লীলতা নেই, যেমন বৃক্ষমেলা কিংবা অন্য কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পণ্য মেলা সেগুলোতে প্রয়োজনে যাওয়া যাবে।- ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ৫/৩৪৬, কিতাবুল ফিকহি আলাল মাযাহিবিল আরবা‘আ: ২/৪১, ইমদাদুল ফাতাওয়া: ৪/২৬৯, কিফায়াতুল মুফতী: ৯/৫৫, ফাতাওয়া রশীদিয়া: ৫৫৬, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া: ১২/৩০৫ ও ১৪/৪০৪।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight