প্রজ্ঞাপূর্ণ বাণী

 

ভিক্ষাবৃত্তির লাঞ্ছনা
আত্মমর্যাদাশীল ব্যক্তি নিজেকে সুরক্ষিত রাখে এবং নিজের পবিত্রতা বজায় রাখে। যতটুকু পরিশ্রম করা দরকার ততটুকু পরিশ্রম করে। যতটুকু কষ্ট করা দরকার ততটুতু কষ্ট করে। আর যে-লোক ভয়ঙ্কর প্রয়োজন ছাড়া অন্যের কাছে হাত পাতে সে নিকৃষ্ট, হীন ও লাঞ্ছনাগ্রস্ত। এ ধরনের লোক কখনো সৌভাগ্যবান হয় না। কারণ, ভিক্ষাবৃত্তির মতো নিষিদ্ধ কাজ তাকে সঙ্কীর্ণ রিযিকের দিকে ঠেলে দেয় এবং ভিক্ষাবৃত্তির লাঞ্ছনা তাকে নিকৃষ্ট খাদ্যগ্রহণে বাধ্য করে। সে তার কপালের সব ঘাম ঝরায় এবং সব ধরনের লাঞ্ছনা ভোগ করে।
 
 
অধিক কথা থেকে বেঁচে থাকুন
ইমাম ইবনে হিব্বান আল-বাস্তি রহ. বলেন : ‘যে ব্যক্তি কথা বেশি বলে তার ভুল হয় বেশি। এই ভ্রান্তি অনেক সময় অন্যকেও আক্রান্ত করে এবং তাকে জটিল সমস্যায় ফেলে দেয় যা থেকে সে উদ্ধার পাওয়ার কোনো পথ পায় না। কারণ, জিহ্বা যে-ক্ষত তৈরি করে তা কখনো শোকায় না; জিহ্বা যা যখম করে তা থেকে কখনো রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না। জিহ্বার আঘাত যখন অন্তরে পৌঁছে তা শোকাতে দীর্ঘ সময় লাগে। কত কত মানুষ তাদের জিহ্বার কারণেই সম্মানিত হয়, আবার তাদের জিহ্বার কারণেই লাঞ্ছিত হয়।’ [রাওযাতুল উকালা, পৃষ্ঠা ৫৬]
 
 
প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা
যে-ব্যক্তি তার লোভ-লালসার কাছে বন্দি নয় সে-ই প্রকৃত সচ্ছল। আর প্রকৃত কর্তৃত্বপরায়ণ ব্যক্তি সে-ই যার প্রবৃত্তি তার ওপর কর্তৃত্ব করতে পারে না।
যে-ব্যক্তি নিজেকে ভালোবাসে সে পাপাচার ও গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে। আর যে-ব্যক্তি নিজ সন্তানকে ভালোবাসে সে এতিমদের প্রতি দয়া করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight