পরকীয়ার ভয়াল থাবা ইসলামী অনুসাশনই হতে পারে রক্ষা প্রাচীর : মুফতি পিয়ার মাহমুদ

Biye

নিজ স্ত্রী বা স্বামীকে রেখে পর নারী বা পুরুষের সাথে অবৈধ মিলনকে পরকীয়া বলে। দেশে ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়েছে এই পরকীয়া প্রেম। এই নিষিদ্ধ প্রেমের আগুনে জ্বলছে দেশ জাতি ও পরিবার। ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে সাজানো গোছানো সোনার সংসার। নিম্নবিত্ত থেকে মধ্যবিত্ত আর মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত পরিবার সর্বত্রই ভয়ানক ব্যাধি হিসাবে দেখা দিয়েছে এই অভিশপ্ত অভিসার। আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউজ, মিনি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট, বিনোদন কেন্দ্র আর বিভিন্ন গার্ডেনে দেখা মিলছে এসব নিষিদ্ধ জুটির। পরকীয়ার জেরে দাম্পত্য কলহের ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সন্তানদের উপর। এর বিষবাষ্পে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হচ্ছে সাজানো গোছানো সোনার সংসার। অবস্থার এই ক্রমাগত অবনতি দেখে চরম দূর্ভাবনায় আতকে উঠছেন রাষ্ট্রের সমাজ বিজ্ঞানী ও কর্তব্য ব্যক্তিরা। তাই এখনই ভাবতে হবে এর প্রতিকার ব্যবস্থা নিয়ে। নতুবা এর চরম খেসারত দিতে হবে অনাগত প্রজন্মকে। বাস্তব কথা হলো ইসলামী অনুসাশনই রুখে দিতে পারে পরকীয়ার ভয়াল থাবাকে। পারে  পরকীয়ার ভাইরাসকে সমাজ থেকে চিরতরে নির্মূল করতে। কিন্তু নির্মম বাস্তবতা হলো যে ইসলামই পারত প্রাণঘাতী, পরিবারঘাতী ও সমাজঘাতী পরকীয়ার বিষাক্ত ছোবল থেকে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে মুক্ত করতে ও মুক্ত রাখতে কিন্তু সে ইসলামের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছে সমাজ ও রাষ্ট্রের কর্তব্যরত ব্যক্তিরা। এরপর শুধু আফসোস আর হাহাকার, কি ফল বয়ে আনবে মুক্তির একমাত্র পথ ইসলাম? কল্যাণের ধর্ম ইসলামে পরকীয়া হারাম ও চরম ঘৃণ্য কাজ। এর পরিণাম ভয়ানক। শাস্তি অত্যন্ত কঠোর।  বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে হযরত উমর ফারুক রা. রাসূলুল্লাহ্ সা. এর মিম্বরে উপবিষ্ট অবস্থায় বললেন, মহান আল্লাহ মুহাম্মাদ সা. কে সত্য সহ প্রেরণ করেন এবং তার উপর নাযিল করেন কিতাব তথা আল কুরআন। কুরআনে যে সকল বিষয় অবতীর্ণ হয়, তন্মধ্যে রজম তথা প্রস্তরাঘাতে হত্যার বিধানও ছিল। যা আমরা পড়েছি, স্মরণ রেখেছি এবং হৃদয়ঙ্গম করেছি। এরপর মহানবী সা.ও প্রস্তরাঘাতে হত্যা করেছেন এবং তারপরে আমরাও করেছি। এখন আমি  আশংকা করছি যে, সময়ের চাকা আবর্তিত হওয়ার পর কেউ একথা বলতে শুরু না করে যে আমরা প্রস্তরাঘাতে হত্যার বিধান আল্লাহ্র কিতাবে পাইনা। ফলে সে এমন একটি ধর্মীয় কর্তব্য পরিত্যাগ করার কারণে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে যা আল্লাহ্ নাযিল করেছেন। তোমরা মনে রেখো, প্রস্তরাঘাতে হত্যার বিধান আল্লাহর কিতাবে সত্য এবং তা বিববাহিত পুরুষ ও নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য যদি ব্যভিচারের শরীয়াত সম্মত সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায় কিংবা গর্ভ ও স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়। [বুখারী: ২/১০০৯, মুসলিমঃ /৬৫] অপর বর্ণনায় আছে সাহাবী আবু হুরাইরা রা. বলেন মায়েয আল আসলামী রাসুলুল্লাহ সা. এর নিকট এসে বললেন সে ব্যাভিচার করেছে। একথা শুনে মহানবী সা. তার থেকে চেহারা ফিরিয়ে নিলেন। এরপর মায়েয মহানবীর সামনে অন্য দিক দিয়ে আসলেন। চারবার এমন করার পর মহানবী সা. তাকে প্রস্তরাঘাতে হত্যার নির্দেশ দিলেন। তাকে হাররা প্রান্তরে নিয়ে প্রস্তরাঘাত শুরু করা হলো। তিনি ব্যথার তিব্রতা সহ্য করতে না পেরে দৌঁড়ে পালাতে লাগলেন। জনৈক ব্যক্তির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় সে উটের চোয়ালের হাড় দিয়ে তাকে আঘাত করলেন আর অমনি অন্যরাও আঘাত শুরু করলে । একপর্যায়ে তিনি মৃত্যুর কুলে ঢলে পড়লেন। [তিরমিযী: ১/২৬৪ পৃষ্ঠা, বুখারী :হা. ১০০৮, মুসলিম : ২/৬৬,৬৭,৬৮]এছাড়াও বুখারী, মুসলিম ও তিরমিযীর একাধিক বর্ণনায় এসেছে যে রাসুলুল্লাহ্ সা. বিবাহিত নারী পুরুষকে ব্যাভিচারের অপরাধে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করেছেন এ ব্যাপারে কোন রকমের ছাড় দেননি। [বুখারী ঃ /১০০৬,-১০০৯, মুসলিমঃ ২/৬৫-৭০, তিরমিযী ঃ ১/৬৪-২৬৫]  অন্য বর্ণনায় মহানবী সা. বলেন-হে লোক সকল তোমরা অবৈধ যৌন মিলনকে ভয় কর। কেননা তার ছয়টি  অশুভ পরিণাম রয়েছে। । তিনটি দুনিয়ায়  আর তিনটি পরকালে।  দুনিয়াস্থ তিনটি পরিণাম হলো- ১. শ্রীহীনতা ২. অভাব-. দারিদ্রতা ৩. জীবনকাল হ্রাস পেয়ে মৃত্যু বরণ। আর পরকালের তিনটি হলো – ১. পরম দয়ালূ আল্লাহর ক্রোধ, ২. মন্দ হিসাব ৩. দোযখের শান্তি। [শুয়াবুল ঈমান, বায়হাকী; আল জামিউল কাবির সুয়ূতী] অপর এক বর্ণনায় আছে  মহানবী সা.  বলেন-‘‘ চার প্রকার মানুষকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। তাদের উপর আল্লাহ ক্রোধ নেমে আসে। ১.বারবার শপথকারী ব্যাবসায়ী ২. দাম্ভীক ফকীর ৩. বৃদ্ধ ব্যাভিচারী ৪. অত্যাচারী শাসক । নাসাঈ।  রাসুলুল্লাহ সা. বলেন ‘‘আমার উম্মত ততদিন ভালই থাকবে যতদিন পর্যন্ত তাদের মধ্যে ব্যাভিচার ও অবৈধ যৌন সম্ভোগ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়বে। আর যখন ব্যাভিচার তাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করবে তখন তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি গ্রাস করবে । [মুসনাদে আহমাদ]
পরকীয়াকারী  শারীরিকভাবেও বিভিন্ন ক্ষতির শিকার হয়। স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে দুর্বল হয়ে পড়ে এবং তার দেহে ছড়িয়ে পড়ে এইডস, সিফিলিস, প্রমেহ, গনোরিয়া, হৃদরোগ জাতীয় মরণব্যাধি। বর্ণিত ব্যাধি গুলোর প্রত্যেকটির চুড়ান্ত পরিণাম মৃত্যু।  [আল খাতায়া ফি নাজরিল ইসলাম, আফীফ আব্দুল ফাত্তাহ তাব্বারা- ১০৬-১০৮] পরকীয়ার আগ্নেয় থাবায় বিপর্যয়ের মূখে সংসার ও পরিবার প্রথা।  অনেকেই সমাজ, লোকসজ্জা ও সন্তানের বভিষ্যত চিন্তা করে নিরবে সহ্য করে যাচ্ছে স্বামী বা স্ত্রীর এই নিষিদ্ধ প্রণয় । অনেকেই আবার এর অনল যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে ঘটাচ্ছেন বিবাহ বিচ্ছেদ । কেউবা আবার বেছে নিচ্ছে অত্মহননের মতো অভিশপ্ত পথ। নিম্নে এ সংক্রান্ত কয়েকটি রিপোর্ট পেশ করছি। “ মিরপুুরে পরকীয়া জনিত কারণে কয়েকটি ঘটনা ঘটল। এর আগে গত ১৯ আক্টোবর মিরপুরে স্ত্রী লাভলী ইয়াসমিন লীনার পরকীয়ায় বাধা দেয়ায় বাসার মধ্যে স্ত্রী ও তার প্রেমীক তানভীর সহ কলেজ পড়ুয়া তিন কিশোর বন্ধু মিলে ফিল্মি ইস্টাইলে খুন করে ঝুট ব্যবসায়ী স্বামী গিয়াসউদ্দিনকে ।  গত ১৫ অক্টোবর স্বামী সালাউদ্দিনকে আরেক নাটকীয় কায়দায় বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ওয়ারড্রবে রেখে দিয়েছিল স্ত্রী লাবনী আক্তার। ঐ দুই ঘটনার রেশ  না যেতেই এবার স্বামীর পরকীয় জনিত কারণে প্রাণ হারালেন খাদ্য পরিদর্শক নাদিয়া সুলতানা লীনা। লীনার আত্মীয়রা জানান- লীনার স্বামী আখতারুজ্জামানের সাথে জামালপুরের গৃহবধু ফারজানা আকতারের পরকীয়ার জেরে পারিবারিক কলহ শুরু হয়। প্রায়ই তাদের মাঝে ঝগড়া হত । শুক্রবার রাতে ঝগড়ার এক পর্যায়ে একপাতা ঘুুমের বড়ি সেবন করে লীনা । এর পর শনিবার সকালে  সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মারা যান” (যুগান্তর-২/১১/১৪)। গত ৩০ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে প্রকাশিত ইনকিলাবের এক রিপোর্টে জানা যায়, চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে চট্্রগ্রাম মহানগরীতেই ৯৬ টি খুনের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে অন্তত ৪০ জন রয়েছে নারী। বেশির ভাগ খূুনের নেপথ্যে রয়েছে পারিবারিক কলহ সহ পরকীয়ার ঘটনা। ঐ জেলায় ও গত নয় মাসে ঘটেছে শতাধিক খুনের ঘটনা। সেখানেও বেশ কয়েকটি খুনের পিছনে রয়েছে পরকীয়া। সম্প্রতি স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে চলন্ত ট্রেনে ঝাপ দিয়ে আত্মহত্যা করে কৈবল্য ধামের প্রকৌশলী সৌরভ । পরকীয়ার জেরে সাতকানিয়ায় নিজের স্বামীকে ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে খুন করায় স্ত্রী নাছিমা আক্তার। পরকীয়ার জেরেই ঈদগাও বাশতলায় স্ত্রী জ্যোৎসা  বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে স্বামী সাগর বৈদ্য । পাঠক এ চিত্র কেবল একটি মহানগরী ও একটি থানার। এই যদি হয় কেবলমাত্র একটি মহনগরী ও থানার চিত্র তাহলে পুরো দেশের চিত্র কেমন ভয়াবহ তা সহজেই অনুমেয়। এ বিপর্যয় ঠেকাতে পারে একমাত্র ইসলামের পর্দার বিধান। এর বিকল্প সকল ব্যবস্থা বা প্রেসক্রিপশন হবে ভন্ডুল। পর্দা মূলত নারীর মান সম্মান আর ইজ্জত আবরুর রক্ষা প্রাচীর । নারীর অমূল সম্পদ রক্ষায় পর্দার অপরিহার্যতাকে অনিবার্য কর্তব্য বলে ঘোষণা করেছে ইসলাম। কেননা কোন পুরুষ যখন কোন পর নারীর প্রতি তাকায়  তার দেহ সৌষ্ঠব অবলোকন করে এবং তার দেহের কামোত্তেজক অঙ্গগুলো দেখে তখন সেই পুরুসের    হৃদয়ে জ্বলে উঠে কামনার বহ্নি শিখা। সে শিখার অবিরাম দহনে দগ্ধ হতে থাকে সে। নির্জনে ভাবতে থাকে কল্পনার দর্পণে সেই নারীর দেহ সৌন্দর্যের কথা । কল্পনার সেই ছ্ট্টো ছোট্ট ভাবনাগুলো একসময় উত্তাল করে তুলে যৌবন দরিয়াকে। কাম -ক্ষুধার কাছে পরাজিত হয় সমাজ সভ্যতা আর মানবিকতা । অতঃপর সে কল্পনার রাণীকে একান্তে পাবার ক্ষিপ্র বাসনায় ক্ষুধার্ত বাঘের মত হিংস্র হয়ে উঠে। এরপর যা ঘটে তা আমরা নিয়মিত দেখি খবরের কাগজে কিংবা অন্য কোন মাধ্যমে । আর হাসঁফাসঁ করি এই চারিত্রিক স্খলনের ভয়াল থাবা থেকে মুক্তির আশায় । অথচ ভেবে দেখিনা এ বিপর্যয়ের উৎস কোথায়? এর মূল উৎস পর্দাহীনতা ও নগ্নতা । তাই কল্যাণের ধর্ম ইসলাম সেই উৎসটাই উপড়ে ফেলতে চেয়েছে। তাই পুরুষকে নির্দেশ দিয়েছে দৃষ্টি অবনত রাখতে আর নারীকে বলেছে দৃষ্টি অবনত রাখার পাশাপাশি দেহ সৌন্দর্যকে ঢেকে রাখতে  এবং কঠোর ভাবে নির্দেশ দিয়েছে শরীআত সমর্র্থিত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যেতে।  একান্তই বের হতে হলে হবে পর্দায় মোড়িয়ে সম্পূর্ণ দেহ ঢেকে।  এতে নারী-পুরুষ  থাকবে  কলংকমুক্ত আর সমাজ সংসার হবে নির্মল সজিব। কুরআন মাজীদে ইরশাদ হয়েছে- “ তোমরা নারীদের কাছে কিছু চাইলে পর্দার আড়াল থেকে চাইবে।  এই বিধান তোমাদের (পুরুষদের) এবং তাদের (নারীদের) অন্তরের জন্যুু অধিক পবিত্রতার কার্যকর উপায়” [সূরা আহযাব-৫৩]  অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে – “হে নবী আপনি আপনার স্ত্রী কন্যা ও মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরে কিয়দাংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না।” [আহযাব-৫৯] আরেক আয়াতে  আল্লাহ তাআলা বলেন- “ আপনি মুমিনদের বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে আর হেফাজত করে স্বীয় যৌনাঙ্গকে। এ ব্যবস্থা অধিকতর পবিত্রতার সহজ  উপায় । তাদের কর্ম সম্পর্কে আল্লাহ অবশ্যই অবগত আছেন। আর মুমিন নারীদেরকে বলুন তারাও যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং হেফাজত করে স্বীয় লজ্জাস্থানের ।  তারা যেন স্বীয় স্বামী,  পিতা, শশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনা, আপন নারী, অধিকার ভুক্ত দাসী, যৌনকানামুক্ত পুরুষ এবং নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে   অজ্ঞ বালক ব্যতিত কারো সামনে নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ  না করে ।”  (সূরা নূর- ৩০-৩১)। আরো ইরশাদ হয়েছে – “তোমরা তোমাদের গৃহে অবস্থান কর। প্রাক – জাহেলী যুগের মত নিজেদের প্রদর্শন করো না।” সূরা আহযাব-৩১ ।
রাসুলুল্লাহ সা. বলেন চোখের ব্যভিচার হলো কুদৃষ্টি আর জিহ্ববার ব্যভিচার হলো অশ্লীল কথা বলা। নফস আকাংখা করে অশ্লীল কাজের আর যৌনাঙ্গ তা বাস্তবায়ন করে কিংবা তা থেকে বিরত থাকে। ” [আবু দাউদ-হাদীস ২১৫২] অপর এক বর্ণনায় আছে- মহানবী সা. বলেন“দৃষ্টি হলো শয়তানের তীর। ” একটি হাদীসে আছে রাসুলুল্লাহ সা. বলেন “নারী গোপন যোগ্য (তাই লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা উচিৎ) যখন সে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান তার দিকে বিশেষ ভাবে তাকাতে থাকে।” [তিরমীযি হাদীস-১১৭৩]
পরিশেষে একটি কথা বলতে চাই, ইসলামের সকল অপরিহার্য বিধানই মুমিনের জন্য বাধ্যতামূলক, ঐচ্ছিক নয়। এখানে মন চাওয়া , না চাওয়া ভাল লাগা  আর না লাগার কোন স্থান নেই। যে মেনে নেবে সে ইহকাল ও পরকালে নিরাপদ থাকবে আর যে মানবেনা তার কর্মের ফল সে ভোগ করবে দুনিয়া ও আখেরাতে।

একটি মন্তব্য রয়েছেঃ পরকীয়ার ভয়াল থাবা ইসলামী অনুসাশনই হতে পারে রক্ষা প্রাচীর : মুফতি পিয়ার মাহমুদ

  1. Fahima ctg says:

    পরকিয়া একটি ভাইরাস, একটি মারাত্মক ব্যাধি। এই অশুভ ব্যাধি হতে তরুণ তরণীদের এবং বিবাহিত নবদম্পত্তিদের বাচার তাওফিক দান করুন।
    অনেক জ্ঞানগর্ব লেখা। আল্লাহ! এই লেখক এবং পত্রিকার সাথে সংলিস্ট সবাইকে উত্তম বদলা দান কর। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight