পরকাল ভাবনা : মাওলানা আহমদ মায়মূন

আল্লাহ তাআরা তওবাকারীকে পছন্দ করেন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তাওবাকারীদেরকে ভালোবাসেন, আর ভালোবাসেন পরিচ্ছন্নতা অবলম্বনকারী লোকদেরকে। [সূরা বাকারা : আয়াত ২২২]
যখন কারও অন্তরে পরকালের ভয় জাগ্রত হয় তখন সে বাহ্যিকভাবে এবং মানসিকভাবে আল্লাহ তাআলার অনুগত হওয়ার চেষ্টা করে। এ জন্য সে নিজের জীবনে কৃত অন্যায় অপরাধ ও ভুলত্রুটির জন্য অনুতপ্ত হয় এবং আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। কখনও যদি তার কাছ থেকে অনিচ্ছাকৃত পাপকার্য সংঘটিত হয় তখনই সে আল্লাহ তাআলার সমীপে কান্নাকাটি করে এবং কাকুতি-মিনতি করে তা মার্জনা করিয়ে নিতে চেষ্টা করে। অন্যথা সে স্বস্তিবোধ করে না।
সে নিজের অতীত অন্যায়-অপরাধের জন্য যেমন লজ্জিত হয়, তেমনি ভবিষ্যতে এরূপ কাজ না করার জন্য দৃঢ় সংকল্প করে। এরপরও যদি মানবীয় দুর্বলতার কারণে পুনরায় তদ্রুপ অপরাধ করে বসে, তবে সে পুনরায় তওবা করতে বিলম্ব করে না।
এরূপ ব্যক্তি যেমন নিজের আত্মাকে পাপাচারের অপবিত্রতা থেকে রক্ষা করে, তেমনি তার শরীর আর লেবাস-পোশাককেও সে বাহ্যিক অপবিত্রতা থেকে রক্ষা করতে চেষ্টা করে। এ জন্য আল্লাহ তাআলা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অবলম্বনকারী এবং অপবিত্রতা থেকে আত্মরক্ষাকারীদেরকে ভালোবাসেন বলে পবিত্র কুরআন কারীমে উল্লেখ করেছেন।
আল্লাহ তাআলার নৈকট্য অর্জনের ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। তাই যারা পরকালের চিন্তা মাথায় রাখে তারা পাপ-পঙ্কিলতা থেকে আত্মিক পরিচ্ছন্নতা অর্জনের পাশাপাশি শরীর এবং লেবাস-পোশাকের বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতার প্রতিও পুরোপুরি যতœশীল থাকে।
এরূপ ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভে ধন্য হয়। তখন সেই বান্দার কোন কাজে কেউ বিঘœ সৃষ্টি করুক অথবা কেউ তার কোনরূপ ক্ষতি করার চেষ্টা করুক, তা আল্লাহ তাআলা বরদাশত করেন না। আল্লাহ তাআলা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতে সম্মান দান করেন, মানুষের অন্তর থেকে তার ভুল-ত্রুটির কথা ভুলিয়ে দেন। তাকে গাম্ভীর্যের আবরণে আবৃত করে দেন। কারণ, সেই বান্দা নিজের অন্তরে আল্লাহ তাআলার মাহাত্ম ও পরকালের ভয়কে স্থান দিয়েছে। এরূপ ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা মানুষের মধ্যে সশ্রদ্ধ মর্যাদার আসন দান করেন। তখন তার চেহারায় তাকওয়া ও আল্লাহ-ভীতির ছাপ পরিলক্ষিত হয়।
দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা ভালোবাসেন। এক হাদীসে রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি দুনিয়ার বিষয়ে নির্মোহ হও, আল্লাহ তাআলা তোমাকে ভালোবাসবেন। মানুষের সম্পদের ব্যাপারে নির্মোহ হও, মানুষ তোমাকে ভালোবাসবে। [সুনানে ইবনে মাজা : হাদীস নং ৪১০২]
যার অন্তরে যত বেশি পরকালের ভয় থাকবে সে ততবেশি দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ থাকবে। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বৈধ হওয়া সত্ত্বেও পরিত্যাগ করবে এবং সম্মানের সাথে বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু পেয়েই সন্তুষ্ট থাকবে। দুনিয়ার প্রতি নির্মোহতার মূল কথা হল, দুনিয়া অর্জন করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বে স্বেচ্ছায় তা পরিত্যাগ করে আখেরাতমুখী হওয়া। এর ফলে বান্দার অন্তরাত্মা আলোকোজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং পরকালের সঠিক মূল্যায়ন তার অন্তরে স্থান করে নেয়। দুনিয়া সম্পূর্ণ বিরসভাবে তার সামনে উদ্ভাসিত হয়। এরপর সে নিজেকে দুনিয়ার একজন মুসাফিরের মতো মনে করে এবং পথিকের মতো সামান্য পাথেয় পেয়েই সন্তুষ্ট ও পরিতৃপ্ত থাকে। এর ফলে মানুষ দুনিয়ার ভোগ-বিলাস থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলে। সে দুনিয়ার কেবল এতটুকুই গ্রহণ করে, যার দ্বারা তার পরকালমুখী সফর সহজে সম্পন্ন হয়ে যায়।
দুনিয়ার প্রতি নির্মোহতার প্রথম স্তর হচ্ছে, মানুষের মন দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্ট থাকে, কিন্তু মানুষ সংযম ও সাধনার মাধ্যমে মনকে দুনিয়া থেকে ফিরিয়ে পরকালমুখী করে দেয়। এ স্তরে মানুষ নিজেকে নির্মোহরূপে গড়ে তুলতে চেষ্টা করে।
নির্মোহতার দ্বিতীয় স্তর হচ্ছে, মানুষের মন দুনিয়ার প্রতি আকৃষ্টই হয় না। কেননা, তার সম্মুখে এ বিষয়টি সম্পূর্ণ পরিষ্কার থাকে যে, দুনিয়া ও আখেরাতের সুখ ও আনন্দ এবং ভোগ-বিলাস একত্র হয় না। তাই সে স্বেচ্ছায় ও সন্তুষ্টচিত্তে নিজের দুনিয়ার মূল্যবান ভোগ-বিলাসের সামগ্রীকে পরকালের চিরস্থায়ী সুখ সামগ্রীর মোকাবিলায় তুচ্ছ মনে করে দূরে ঠেলে দেয়। এটাই মূলত প্রকৃত নির্মোহতা।
নির্মোহতার তৃতীয় স্তর হচ্ছে, দুনিয়ার প্রতি বান্দার অনুরাগ বা বিরাগ কোনোটাই থাকে না; বরং দুনিয়ার সহায়-সম্মদ থাকা, না থাকা উভয়টি তার কাছে সমান। সে দুনিয়া এবং দুনিয়ার যাবতীয় ভোগসামগ্রীকে এক ফোটা পানির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় না এবং আল্লাহর কাছে থাকে পরকালের ভা-ারকে অফুরন্ত এবং অকুল সমুদ্রের মতো মনে করে। এটা নির্মোহতার সর্বোৎকৃষ্ট স্তর। আর তা এ জন্য যে, কোনো কিছুর প্রতি বিরাগ প্রকাশের জন্যও তার প্রতি মনোনিবেশের সময় লাগে। অথচ সে দুনিয়ার প্রতি মনোনিবেশের জন্য কোনো সময় ব্যয় করতে প্রস্তুত নয়। তার অবস্থা এ পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ায় যে, দুনিয়ার প্রতি তার ধ্যানই থাকে না। সুতরাং দুনিয়ার ভোগসামগ্রী থাকা না তার কাছে সমান।
আল্লাহ তাআলা কুরআন কারীমের বিভিন্ন জায়গায় দুনিয়ার ভোগসামগ্রীর প্রকৃত স্বরূপ সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। এবং এ সবের তুচ্ছতা ও অসারতা ব্যক্ত করেছেন। কুরআন কারীমের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জুড়ে আছে দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে পরকালের প্রতি অভিমুখী হওয়ার আহ্বান। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘এ পার্থিব জীবন তো ক্রীড়া-কৌতুক ব্যতীত আর কিছুই নয়। আর পারলৌকিক জীবনই তো প্রকৃত জীবন, যদি তারা জানত।’ [সূরা আনকাবুত : আয়াত ৬৪]
উপরিউক্ত আয়াতে আল্লাহ তাআলা পরকালের জীবনকেই প্রকৃত জীবন বলে উল্লেখ করেছেন এবং দুনিয়ার জীবনের অসারতা ব্যক্ত করেছেন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যদি দুনিয়ার সম্পদ আল্লাহ তাআলার কাছে মশার ডানার সমান গুরুত্ব রাখত তবে আল্লাহ তাআলা তার থেকে এক ঢোক পানি কোন কাফেরকে পান করতে দিতেন না। [সুনানে তিরমিযী : হাদীস নং ২৩২০; সুনানে ইবনে মাজা : হাদীস নং ৪১১০]
দুনিয়ার মূল্য যেহেতু আল্লাহ তাআলার কাছে এতই তুচ্ছ, তাই আল্লাহ তাআলা কাফেরদেরকে অঢেল সম্পদ দিয়ে ভাসিয়ে দেন এবং তাঁর প্রিয় বান্দাদের জন্য সবসময় দুনিয়াকে সঙ্কুচিত করে রাখেন। এজন্য হাদীস শরীফে কোথাও দুনিয়াতে মুসাফিরের মতো, আবার কোথাও মৃতদের মতো জীবন অতিবাহিত করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। কেননা, এ দুনিয়া অবস্থানের উপযুক্ত নয় এবং অবস্থানের কোনো জায়গা নয়।
কোথাও এভাবে বলা হয়েছে, পরকালের তুলনায় এ দুনিয়ার মূল্য এতটুকুও নয়, যেমন সমুদ্রের তুলনায় এক ফোটা পানি। এ দুনিয়ার জীবন অতি সংক্ষিপ্ত ও ক্ষণস্থায়ী। [সুনানে তিরমিযী : হাদীস নং ২৪৯৫; সুনানে ইবনে মাজা : হাদীস নং ৪২৫৭]
এক হাদীসে রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি দুনিয়াতে এভাবে জীবন যাপন কর, যেন একজন প্রবাসী অথবা একজন পথিক। [সহীহ বুখারী : হাদীস নং ৬৪১৬; মুসনাদে আহমদ : হাদীস নং ৩৭১০, ৪৭৬৪, ৪৭৬৫]
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একাধিক হাদীসে নিজের অন্তরের অবস্থা এভাবে বর্ণনা করেছেন যে, যদি উহুদ পর্বতের সমান সোনা আমার নিকট থাকত, তবে তা থেকে ঋণ পরিশোধের জন্য যদি কিছু রাখার প্রয়োজন হয় তা ব্যতীত তার কিছু অংশ আমার নিকট থাকা অবস্থায় তিনটি দিন অতিবাহিত হোক, তা আমার পছন্দ নয়। [সহীহ বুখারী : হাদীস নং ২৩৮৯, ৬৪৪৪, ৬৪৪৫; মুসনাদে আহমদ : হাদীস নং ৯৮৯৩, ২১৪২৬, ২১৫৩২]
বাস্তবেই দুনিয়ার সকল মানুষের মধ্যে দুনিয়ার প্রতি সর্বাধিক নির্মোহ মানুষ ছিলেন রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তাই তিনি বলতেন, দুনিয়ার সাথে আমার কী সম্পর্ক! আমার আর দুনিয়ার উদাহরণ এরকম, যেমন কোনো আরোহী পথিক কোনো গাছের ছায়ায় সামান্য সময় বিশ্রামের জন্য দাঁড়ায়, তারপর সে উক্ত স্থানটি ত্যাগ করে সামনে এগিয়ে যায়। [মুসনাদে আহমদ : হাদীস নং ৩৭০৮, ৪২০৯; সুনানে তিরমিযী : হাদীস নং ২৩৭৭]
অর্থাৎ, দুনিয়া কেবল এতটুকুই সময়ের ঠিকানা এবং কেবল এটুকু সময়ই দুনিয়ায় অবস্থান করতে হবে। পরকালের অনন্ত জীবনের তুলনায় দুনিয়ার জীবনকাল এতই সামান্য। এক হাদীসে বলা হয়েছে যে, রাসূল কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দুনিয়া ছেড়ে যান, তখন তাঁর বাহন জন্তু একটি সাদা খচ্চর, তাঁর হাতিয়ার এবং এক খ- জমি, যা তিনি ছিন্নমূল লোকদের জন্য দান করে যান, এছাড়া তিনি কোন দীনার-দেরহাম বা কোনো দাস-দাসী রেখে যাননি। [সহীহ বুখারী : হাদীস নং ৪৪৬১]
এটাই প্রকৃত ঈমানের দাবি যে, একজন ঈমানদার মানুষ দুনিয়ার তুলনায় আখেরাতকে প্রাধান্য দেবে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির সামনে নিজেকে বিলীন করে দেবে। যেমনটি করেছেন সাহাবায়ে কেরাম রা.। তাঁরা অন্তর থেকে দুনিয়ার মোহকে এভাবে দূরে নিক্ষেপ করেছেন এবং দুনিয়া থেকে এভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন যে, মৃত্যু পর্যন্ত আর সেদিকে ফিরে তাকাননি।
দুনিয়ার উদাহরণ হল গ্রীষ্মকালীন মেঘের মতো। আকাশের একদিকে ছেয়ে যায়, আর অপর দিক পরিষ্কার হয়ে যায়। দুনিয়া কখন আসে, আর কখন চলে যায়, তা অনেক সময় বুঝেও ওঠা যায় না। দুনিয়ার এ ক্ষণস্থায়ী ভোগসামগ্রীকে জীবনের সহায়-সম্পদ রূপে গ্রহণ করা অবশ্যই ঈমান ও বুদ্ধিমত্তার দুর্বলতার কারনেই হয়ে থাকে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুনিয়াকে মু’মিনের জন্য বন্দীশালা এবং কাফেরের জন্য স্বর্গস্থান বলে উল্লেখ করেছেন। [সহীহ মুসলিম : হাদীস নং ২৯৫৬]
বন্দীদের জন্য যেমন নানা রকম বিধি-নিষেধের বাধ্য-বাধকতা থাকে, তেমনি মু’মিন বান্দার জন্যও শরীয়াতের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ ও নিন্দনীয় বিষয়াদি থেকে দূরে থাকার বিধি-নিষেধের বাধ্য-বাধকতা আছে। বন্দী যেমন বন্দীত্ব থেকে মুক্তি লাভের পর নিজের মন মতো আরাম-আয়েশ ভোগ করার সুযোগ পায়, তেমনি একজন মু’মিনও মৃত্যুর মাধ্যমে এ দুনিয়ার বন্দীদশা থেকে মুক্তি লাভের পরই তার মন মতো সুখের জীবন উপভোগ করার সুযোগ লাভ করে। আল্লাহ তাআলা এ দুনিয়াকে স্থায়ী সম্মানের জন্য বানাননি, কাজেই এ দুনিয়াকে অবলম্বন করে কেউ স্থায়ী সম্মান লাভের আশা করতে পারে না। যার অন্তরে দুনিয়ার প্রতি নির্মোহতা সৃষ্টি হয় তার সামনে দুনিয়ার প্রকৃত অসারতা পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। দুনিয়ার প্রতি নির্মোহ ব্যক্তি তাকে বলা যাবে, যে দুনিয়ার নশ্বরতা, ভঙ্গুরতা, অসারতা, দুর্বলতা অন্তর্দৃষ্টি দ্বারা উপলব্ধি করতে পারে। এ কজন নির্মোহ ব্যক্তির চোখের সামনে পরকারের জীবন উপস্থিত থাকে। দুনিয়া ছেড়ে তাকে পরপারে পাড়ি জমাতে হবে, এ অনুভূতি প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে তার অন্তরে জাগ্রত থাকে। সে দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী জীবন আর পরকালের অনন্ত জীবনের ফারাক বুঝতে পারে। যেখানে অধিক সংখ্যক মানুষ পরকালের প্রাপ্য বাকি সুখ-ভোগের আশায় দুনিয়ার নগদ প্রাপ্তি এবং উপস্থিত ভোগ-বিলাস ত্যাগ করতে প্রস্তুত নয়, সেখানে যাকে আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী আনন্দ-উপেক্ষা করে পরকালের অনন্তকালীন সুখ-শান্তিকে অগ্রাধিকার দিতে পারে। সুতরাং আল্লাহ তাআলার প্রতি যার ভালোবাসা নিখাদ, সে দুনিয়ার ভোগ-বিলাসের প্রতি মোহগ্রস্ত ও বুঁদ হয়ে থাকতে পারে না।
সে দুনিয়াকে কখনও অবস্থানের একমাত্র জায়গা মনে করে না, দুনিয়ার জীবনকে সে কখনও দীর্ঘ মনে করে না। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে পরকাল অভিমুখী হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন।
লেখক : সিনিয়র মুহাদ্দিস, জামেয়া শারইয়্যাহ মালিবাগ, ঢাকা। গ্রন্থ প্রণেতা, অনুবাদক ও গবেষক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight