নির্যাতনের খড়গ ও নবীজির অবিচলতা : শামসুদ্দীন সাদী

হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালাম মরু আরবে বিবি হাজেরা ও পুত্রসন্তান ইসমাঈলকে নিয়ে কাবাঘর নির্মাণের পরে আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন, হে আমার রব! তাদের মধ্যে তাদের থেকে একজন রাসূল পাঠাও, যিনি তাদেরকে তোমার আয়াত তেলাওয়াত করে শোনাবেন, এবং তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন, এবং তাদেরকে কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দিবেন।
হযরত ইবরাহীম আলাইহিস সালামের এই দোয়া আল্লাহ তাআলা কবুল করেন। এর ফলশ্রুতিতে পৃথিবীতে আগমন করেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। চল্লিশ বছর বয়সে নবীজি আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুয়তপ্রাপ্ত হন। নবুয়তপ্রাপ্তির পূর্ব থেকে নবীজি হেরাগুহায় একান্তে নির্জনে আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন। একদিন আল্লাহর দূত হযরত জিবরাইল আলাইহিস সালাম এসে নবীজিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুয়ত প্রাপ্তির সুসংবাদ দিলেন।
নবুয়াতপ্রাপ্তির পরে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গোপনে ইসলামের প্রচার কাজ আরম্ভ করেন। আত্মীয় স্বজন ও বন্ধু-বান্ধবদের ইসলামের দাওয়াত দেন। নবীজির প্রতি প্রথম ঈমান আনেন তাঁর জীবনসঙ্গিনী হযরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ। এটা ছিল আল্লাহর পক্ষ থেকে নবীজির জন্য এক বড় পাওয়া। নবীজি যখন মানুষকে ইসলামের দাওয়াত দিতেন অনেকে তাঁকে মিথ্যুক বলে প্রত্যাখ্যান করত, নবীজি ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মর্মাহত হয়ে বাড়ি ফিরতেন। হযরত খাদিজা পরম মমতায় নবীজির দুঃখ লাঘব করে দিতেন। নবীজিও সব দুঃখ কষ্ট ভুলে যেতেন। এরপর হযরত আলী রা. নবীজির প্রতি ঈমান আনেন। তারপর রাসূলের আযাদকৃত গোলাম যায়েদ ইবনে হারিসা রা., এরপরে আবু বকর সিদ্দীক রা. নবীজির প্রতি ঈমান আনেন। হযরত আবু বকর ছিলেন নবীজির বাল্যবন্ধু।
হযরত আবু বকর রা. ইসলাম গ্রহণ করে অন্যদেরও ইসলামের দাওয়াত দিতে লাগলেন। হযরত আবু বকর রা. এর আহ্বানে অরো কিছু লোক ইসলামধর্ম গ্রহণ করল।
তিন বছর পর্যন্ত নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গোপনে ইসলামের দাওয়াত দিতে থাকলেন। মক্কার নারী পুরুষ মিলে অনেকেই ইসলামধর্ম গ্রহণ করেছেন। মক্কায় এখন ইসলাম আলোচনার বস্তু। এর মধ্যেই আল্লাহ তাআলার নির্দেশ এল, “আপনি যে বিষয়ে আদিষ্ট হয়েছেন তা প্রকাশ্যে প্রচার করুন এবং মুশরিকদের উপেক্ষা করুন।”
এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পরে নবীজি সাফা পাহাড়ে আরোহণ করে মক্কার প্রত্যেক গোত্রের নাম ধরে ধরে ডাকলেন। সকলে জড়ো হলে নবীজি তাদের উদ্দেশ্যে বললেন, আমি যদি বলি পাহাড়ের অপর পাশে একটি সৈন্যবাহিনী প্রস্তুত হয়ে আছে, তারা তোমাদের ওপর হামলা করতে চায়; তাহলে তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে? সবাই সমস্বরে বলে উঠল, নিঃসন্দেহে বিশ্বাস করব। আমরা তোমার কাছ থেকে সত্য ভিন্ন অন্য কিছু কখনো দেখিনি। তখন নবীজি বললেন, আমি তোমাদের সামনে এক ভয়াবহ আজাবের আশঙ্কা করছি। আবু লাহাব চেচিয়ে উঠল, হতভাগা! এই জন্য আমাদের জড়ো করেছ!
এভাবে নবীজি মক্কায় প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত ছড়িয়ে দিলেন।
“এবং আপনার নিকটাত্মীয়দের ভীতি প্রদর্শন করুন” যখন এই আয়াত নাজিল হল, নবীজি হযরত আলীকে খাবারের ব্যবস্থা করতে বললেন। আত্মীয় ও গোত্রের লোকদের দাওয়াত করলেন। খাওয়াদাওয়ার পরে নবীজি দাঁড়িয়ে তাদের বললেন,  আমি আপনাদের সামনে এমন মূল্যবান বস্তু পেশ করেছি যে, কোনো ব্যক্তি স্বজাতির জন্য এরচেয়ে উত্তম বস্তু পেশ করতে পারেনি। আমি আপনাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ নিয়ে এসেছি। আল্লাহ তাআলা আপনাদেরকে কল্যাণের পথে আহ্বান করার নির্দেশ করেছেন। আল্লাহর কসম, সারা দুনিয়ার মানুষের সাথে মিথ্যা বললেও আমি আপনাদের সাথে মিথ্যা বলি না। দুনিয়ার সবাইকে ধোঁকা দিলেও আপনাদের কখনো ধোঁকা দিব না। একক ও লা-শরিক আল্লাহর কসম, আমি বিশ্ববাসীর প্রতি, বিশেষত আপনাদের প্রতি নবী ও রাসূল হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।
সুবহানাল্লাহ, এর চেয়ে সত্য কথা পৃথিবীতে আর হতে পারে না। ইসলামের চেয়ে উত্তম বস্তু পৃথিবীর বুকে আর কিছু নেই। নবীজি কত দরদমাখা কণ্ঠে দুনিয়া আখেরাতের কল্যাণের পথে তাদের আহ্বান করলেন। ইসলামের কল্যাণকামিতা শুধু আখেরাতের নয়, দুনিয়ার কল্যাণও নিহিত আছে ইসলামের আদর্শে।
যতদিন নবীজি গোপনে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন ততদিন কাফেররা এই নিয়ে চিন্তা করেনি। কিন্তু নবীজি যখন প্রকাশ্যে ইসলামের দাওয়াত দিলেন এবং পাথরের তৈরি নিথর মূর্তির অসারতা ঘোষণা করলেন তখন মক্কার কাফেররা ঘোর বিরোধিতা আরম্ভ করল। তারা খাজা আবু তালেবের নিকট এসে হুমকি দিল, তোমার ভাতিজা আমাদের মূর্তিকে গালমন্দ করে। আমাদেরকে বেকুব ও মূর্খ বলে, আমাদের বাপ দাদাকে পথভ্রষ্ট বলে; আপনি তাকে এমন কাজ থেকে বিরত রাখুন, না হয় তাকে সহযোগিতা বন্ধ করুন। আমরা নিজে তার সাথে বোঝাপড়া করব।
এভাবে আরেকদিন এসে আবু তালেবকে কড়া ভাষায় শাসিয়ে যায়। শক্ত করে বলে গেল, হয়তো তাকে এসব কাজ থেকে বিরত রাখবেন, না হয় আমরা তার সাথে লড়াই করব এবং যেকোনো একদল নিশ্চিহ্ন হব।
এমন কড়া কথায় আবু তালেবও কিছুটা অসহায় হয়ে পড়ে। নবীজিকে ডেকে বলে, ¯েœহের ভাতিজা! গোত্রের লোকেরা আমার কাছে এসেছিল। এসব কথা বলে গেছে। আমার প্রতি দয়া কর, নিজের প্রতিও দয়া কর। আমার ওপর ভারী বোঝা ফেল না, যার ভার আমি বহন করতে পারব না।
নবীজি ভাবলেন, চাচা হয়তো আমাকে সহযোগিতা থেকে হাত গুটিয়ে নিবেন। তাই খুব নরম সুরে বললেন, চাচা! আল্লাহর কসম, তারা যদি আমার এক হাতে সূর্য এবং অপর হাতে চাঁদ এনে রাখে এবং বলে যে, ইসলাম প্রচারের কাজ ছেড়ে দাও তাহলে কখনো আমি তা ছাড়ব না। যতদিন না আল্লাহ ইসলামকে বিজয়ী করেন অথবা আমি ধ্বংস হয়ে যাই।
এই বলে নবীজি নীরবে বের হয়ে যাচ্ছিলেন, আবু তালেব পিছন থেকে ডাকলেন। বললেন, প্রিয় ভাতিজা! তোমার যা ইচ্ছা কর, আমি কখনো তোমাকে শত্রুর হাতে তুলে দিব না।
এই ছিল নবীজির দৃঢ়তা ও অবিচলতা। ইসলামের প্রচার-প্রসারে কখনো শত্রুর রক্তচক্ষুকে ভয় পাননি।
মক্কার লোকেরা নবীজির প্রতি আক্রোশে চুল ছিঁড়তে লাগল। ঈমানদার লোকদের প্রতি জুলুম অত্যাচার আরম্ভ করল। নবীজির ওপরও বিভিন্ন নির্যাতন শুরু করল। কিন্তু আবু তালেবের কারণে নবীজি অনেকটা সুরক্ষা পান। অসহায় ও দুর্বল ঈমানদারদের ওপর চলে অকথ্য জুলুম।
একদিন নবীজি কাবা শরিফ তাওয়াফ করছিলেন। মক্কার কিছু সর্দার কাবার হাতিমে বসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নিয়ে নানা বিদ্রƒপ করছিল। একবার দুবার তিনবার। নবীজি সইতে না পেরে তাদের বললেন, আমি তোমাদের ধ্বংস নিয়ে এসেছি। এই কথায় তাদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠল। তারা নবীজির সাথে নরম আচরণ করতে লাগল।
পরের দিন কাফেররা আবার জড়ো হলো হাতিমে কাবায়। নবীজি তাওয়াফে গেলেন। নবীজিকে দেখামাত্র সকলে তার ওপর আক্রমণ করল। তাঁকে ঘিরে ধরে বলল, তুমিই আমাদের মূর্তিকে এসব কথা বলো? নবীজি বললেন, হ্যাঁ। আমিই এসব কথা বলে থাকি। এসময় এক কাফের নবীজির চাদরের দুই প্রান্ত দিয়ে তাঁর গলায় ফাঁস লাগানোর চেষ্টা করে। এমন সময় আবু বকর রা. ঐ কাফেরকে রুখে দাঁড়ালেন এবং কেঁদে কেঁদে তাদের বললেন, তোমরা কি এমন লোককে হত্যা করবে, যে বলছে আমার রব এক।
একদিন নবীজি বাড়ি থেকে বের হলেন। পথে যার সাথেই দেখা হল, গোলাম, বান্দি বা স্বাধীন মানুষ, সেই নবীজিকে মিথ্যুক বলে কষ্ট দিল। নবীজি অত্যধিক মনোকষ্টে বাড়ি ফিরলেন এবং চাদর মুড়ি দিয়ে শোয়ে গেলেন। তখন আল্লাহ তাআলা সূরা মুদ্দাসসির নাজিল করলেন। যার অর্থ হল: হে কম্বল আচ্ছাদিত ব্যক্তি! উঠ এবং সতর্ক কর।
একবার সাফা পাহাড়ের পাদদেশ দিয়ে যাওয়ার সময় আবু জাহেল নবীজিকে অনেক গালাগালি করল। ভর্ৎসনা করল। ইসলামধর্মের বিরুদ্ধে বিষোধগার করল। হীন বলে আখ্যায়িত করল। নবীজি কোনো উত্তর দিলেন না। দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে চুপ হয়ে রইলেন।
এই ঘটনা জানতে পেরে রাসূলের চাচা হযরত হামযা কাবা চত্বরে গিয়ে তীর নিক্ষেপ করে আবু জাহলকে আহত করলেন। তারপর বললেন, তুমি কি মুহাম্মাদকে ভর্ৎসনা কর? আমিও মুহাম্মাদের ধর্মের অনুসারী এবং সে যা বলে আমিও তা বলি। এবার পারলে আমাকে তিরস্কার কর দেখি!
এভাবে মক্কার কাফেররা নবীজিকে অনেক কষ্ট দিয়েছে। কিন্তু কোনো যাতনা ও ব্যঙ্গবিদ্রƒপ নবীজিকে ইসলামের প্রচার-প্রসারের কাজ থেকে টলাতে পারেনি। কোনো প্রলোভনও তাকে আকর্ষণ করেনি। কিভাবেই বা সম্ভব! আল্লাহ যাকে নবী বানিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন তিনি অবশ্যই অবশ্যই এসবের বহু ঊর্ধ্বে অবস্থান করবেন সেটাই স্বাভাবিক।
একদিন উতবা ইবনে রাবিয়া রাসূলের সাথে এসে আলাপ জমাল, প্রিয় ভাতিজা! বংশ মর্যাদা ও আত্মীয়তার দিক থেকে তুমি কোথায় অবস্থান করছ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু তুমি নিজ গোত্রের সামনে এমন এক বিষয় নিয়ে এসেছ যা তাদেরকে শতধা বিভক্ত করেছ। তাদের জ্ঞানীদের মূর্খ প্রমাণিত করছ। তাদের ধর্ম ও দেব-দেবীর নিন্দা করছ। পূর্ব পুরুষদের বেঈমান আখ্যা দিচ্ছ। এখন তোমার বিবেচনার জন্য আমি কিছু প্রস্তাব রাখছি, মনোযোগ দিয়ে শোন। তুমি এর যেকোনো একটি বেছে নিতে পার।
নবীজি বললেন: বলুন।
উতবা ইবনে রাবিয়া বলল, তোমার আনীত বিষয়টির দ্বারা যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় বিত্তশালী হওয়া, তাহলে আমরা তোমার জন্য এমন সম্পদ ব্যবস্থা করে দিব যার দ্বারা তুমি আরবের সবচেয়ে বড় ধনী হতে পার। আর যদি পদমর্যাদা চাও তাহলে আমরা তোমাকে আমাদের নেতা বানিয়ে নিব। আর যদি রাজা হতে চাও, তাহলে আমরা তোমাকে রাজা বানিয়ে দিব। আর যদি বিষয়টা এমন হয় যে, যে অদৃশ্য ব্যক্তিটি তোমার কাছে আসে, যাকে তুমি দেখতে পাও; সে জিন-ভূত জাতীয় কিছু হয় যাকে তুমি প্রতিহত করতে অক্ষম তাহলে আমরা তোমার চিকিৎসার ব্যবস্থা করব। যত অর্থই খরচ হোক।
নবীজি তখন তার উত্তরে নিজ থেকে কিছু না বলে শুধু একটি সূরার কিছু আয়াত শুনিয়ে দিলেন।
এরমধ্যে হজের মৌসুম চলে আসে। মক্কার কাফেররা আশঙ্কা করল, দূর-দূরান্ত থেকে আগত বাইতুল্লাহর মেহমানরা মুহাম্মাদের জাদুময়ী কথায় বিধর্মী হয়ে যাবে। তাই  রাস্তার পাশে পাশে দাঁড়িয়ে যুবক ছেলেরা মুহাম্মাদের নতুন ধর্ম সম্পর্কে আগত মেহমানদের সতর্ক করে বলতে লাগল, মক্কায় এক পাগল আছে, তার নাম মুহাম্মাদ! তোমরা তার কাছে যাবে না, তার কথা শোনবে না।
এভাবে ইসলামের প্রচার কাজে নবীজি নানান বাধার সম্মুখীন হলেন। মিথ্যুক পাগল জাদুকরসহ নানা বিরূপ মন্তব্য শুনলেন। কিন্তু নবীজি হতোদ্যম হলেন না। মক্কায় যখন আশার আলো দেখলেন না এবং নবীজির আশ্রয়স্থল খাজা আবু তালেব ও বিবি খাদিজাও ইহলোক ত্যাগ করেন তখন নবীজি সুদূর তায়েফের পথে যাত্রা করলেন। মনে মনে ভাবলেন, তায়েফবাসী আল্লাহর দীন কবুল করবে ও ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হবে। তায়েফে গিয়ে নবীজি কয়েকজন লোককে ঈমানের দাওয়াত দিলেন। কিন্তু তায়েফের  লোকেরা কোরায়শের চেয়ে মারাত্মক আচরণ করল নবীজির সঙ্গে। নবীজির দাওয়াত কবুল তো করেইনি, উপরন্তু বিভিন্ন কথায় নবীজিকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে তাড়িয়ে দিল। দুষ্টু প্রকৃতির ছেলেদের নবীজির পিছনে লেলিয়ে দিল। তারা নবীজিকে লক্ষ করে পাথর ছুঁড়ল। পাষ-দের পাথরের আঘাতে নবীজি আহত হলেন। আহত হয়ে যখন মাটিতে বসে যেতেন তারা দাঁড় করিয়ে দিত এবং আবার পাথর মারতে শুরু করত। পাথরের আঘাতে নবীজি রক্তে রঞ্জিত হলেন।
হযরত যায়েদ ইবনে হারেসা রা. এই সফরে নবীজির সঙ্গে ছিল। যায়েদ আপ্রাণ চেষ্টা করে গেল নবীজির গায়ে যেন একটি আঘাতও না লাগে। প্রতিটি আঘাত যেন তার গায়ে লাগে। যায়েদের সারা শরীরও আহত হল। রক্তে রঞ্জিত হল। নবীজির পা মোবারক থেকে ফিনকি দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হল।
লেখক: নির্বাহী সম্পাদক, মাসিক কিশোর পথ, প্রাবন্ধিক, শিক্ষক, গ্রন্থকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight