নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥..

নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥..

প্রয়োজনীয় দ্বীন শিখা প্রতিটি নর-নারীর জন্য আবশ্যক। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন সেই দ্বীনের বাহক। তাই রাসূলুল্রাহ (সাঃ) এর সময়ে যেহেতু সময়ে সময়ে দ্বীনের বিধান অবতীর্ণ হতো, তাই পুরুষ সাহাবীদের সাথে মহিলা সাহাবীরাও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দরবারে এসে সেই দ্বীন শিখতে চেষ্টা করতেন। সেখানে পুরুষ নারী এক সাথে হওয়ার কারনে কোন ফিতনার আশংকা ছিল না।

কিন্তু বর্তমানে সেই আশংকা ভয়াবহ রূপ পরিগ্রহ করেছে। তাই ফুক্বাহায়ে কেরাম নারীদের ঈদগাহে ও মসজিদে গিয়ে নামায পড়তে নিষেধ করেন। এটা না জায়েজ নয়, তবে মাকরূহ। সেই সাথে ইসলামের মূল স্পিরিটের বিপরীত পদ্ধতি। কারণ ইসলামের মূল থিউরী হল নারীরা থাকবে বাড়িকে সৌন্দর্য মন্ডিত করে। রাস্তাঘাটে অবাধে বিচরণ এটা তাদের কাজ নয়। নিম্নের হাদীসগুলো দেখুন-

আব্দুল্লাহ বিন সুয়াইদ আল আনসারী (রাঃ) তার চাচা থেকে বর্ণনা করেন যে, আবু হুমাইদ আস সায়িদী এর স্ত্রী রাসূলুল্রাহ (সাঃ) এর কাছে এসে বললেন হে আল্লাহর রাসূল! নিশ্চয় আমি আপনার সাথে নামায পড়তে পছন্দ করি। তখন নবীজী (সাঃ) বললেন-আমি জেনেছি যে, তুমি আমার সাথে নামায পড়তে পছন্দ কর। অথচ তোমার একান্ত রুমে নামায পড়া উত্তম তোমার জন্য তোমার বসবাসের গৃহে নামায পড়ার চেয়ে। আর তোমার বসবাসের গৃহে নামায পড়া উত্তম তোমার বাড়িতে নামায পড়ার চেয়ে। আর তোমার বাড়িতে নামায পড়া উত্তম তোমার এলাকার মসজিদে নামায পড়ার চেয়ে। আর তোমার এলাকার মসজিদে নামায পড়া উত্তম আমার মসজিদে [মসজিদে নববীতে] নামায পড়ার চেয়ে। তারপর তিনি আদেশ দিলেন তার গৃহের কোণে একটি রুম বানাতে। আর সেটিকে অন্ধকারচ্ছন্ন করে ফেললেন। তারপর সেখানেই তিনি নামায পড়তেন মৃত্যু পর্যন্ত।

সহীহ ইবনে খুজাইমা, হাদীস নং-১৬৮৯,
ইলাউস সুনান-৩/২৬

হযরত আবু আমর বিন শায়বানী থেকে বর্ণিত। তিনি দেখেছেন-হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) মহিলাদের মসজিদে থেকে বের করে দিতেন। আর বলতেন যে, মসজিদের চেয়ে তোমাদের জন্য ঘরই উত্তম।

মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হাদীস নং-৫২০১,
মুসান্নাফে ইবনুল জি’দ, হাদীস নং-৪২৯
সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-৫৪৪১
আল মুজামুল কাবীর, হাদীস নং-৯৪৭৫

হযরত আমরাতা বিনতে আবদির রহমান বলেন-রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সহধর্মীনী হযরত আয়শা (রাঃ) বলেছেন-যদি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মহিলাদের এখনকার অবস্থা জানতেন, তারা কি করে? তাহলে তাদের মসজিদে আসতে নিষেধ করতেন যেভাবে বনী ইসরাঈলের মহিলাদের নিষেধ করা হয়েছে।
ইয়াহইয়া বলেন-আমি আমরাতাকে বললাম-বনী ইসরাঈলের মহিলাদের কি মসজিদে আসতে নিষেধ করা হয়েছে? তিনি বললেন-হ্যাঁ।

সহিহ মুসলিম -১/১৮৩, হাদীস নং-১০২৭
সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৫৬৯
মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২৫৯৮২
মুসনাদুর রাবী, হাদীস নং-২৫৯
সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-৫৪০

এবার ভেবে দেখুন-রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর তিরোধানের পর মুসলিম নারীরা এমন কি পোশাক পড়তেন, যার কারণে আম্মাজান হযরত আয়শা (রাঃ) একথা বলেছেন? আর বর্তমান নারীদের পোশাকের দৃশ্য দেখলে আম্মাজান আয়শা (রাঃ) কী বলতেন?

* পড়া শেষে শেয়ার করতে ভুলবেন না। মানবতার মুক্তির লক্ষ্যে ইসলামের আলো ছড়িয়ে দিন, একটি অগ্নিশিখা থেকে জ্বেলে দিন লক্ষ আলোক প্রদীপ।

2 মন্তব্য রয়েছেঃ নারীদের মসজিদে ও ঈদগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥..

  1. aljnntbd says:

    দগাহে গিয়ে নামায পড়া প্রসঙ্গ ..♥..

    প্রয়োজনীয় দ্বীন শিখা প্রতিটি নর-নারীর জন্য আবশ্যক। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন সেই দ্বীনের বাহক। তাই রাসূলুল্রাহ (সাঃ) এর সময়ে যেহেতু সময়ে সময়ে দ্বীনের বিধান অবতীর্ণ হতো, তাই পুরুষ সাহাবীদের সাথে মহিলা সাহাবীরাও রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর দরবারে এসে সেই দ্বীন শিখতে চেষ্টা করতেন। সেখানে পুরুষ নারী এক সাথে হওয়ার কারনে কোন ফিতনার আশংকা ছিল না।

  2. Mrs Ruma Khatun says:

    Alhamdulillah ! ei behaya ponar jugeo khub sundar kothaguloo amra sobai share korte pari ei jonno haq alem der k ontor theke mubarakbadh !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight