দেশ বিদেশের খবর

Des-Bideser Khobor copy

২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এরমধ্যে ঘাটতি (অনুদান ছাড়া) ৬৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। মূল এডিপি ধরা হয়েছে ৮০ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। অভ্যন্তরীণ ঋণ ৪৩ হাজার ২৭৭ কোটি, বৈদেশিক ঋণ ১৮ হাজার ৬৯ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এছাড়া রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেট পেশকালে তিনি এসব কথা বলেন।
অর্থ মন্ত্রী বলেন, আমরা ২০০৯-১০ সাল থেকে শুরু করে প্রত্যেক বছরই ৬ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ২০১২ সালে ব্যক্তি মালিকানাধীন খাতে প্রবৃদ্ধি কমে গেছে।’
মন্ত্রী বলেন, সরকারের নীতির ফলে রফতানি খাতে উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে। এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এর ফলে কৃষিখাতের সম্ভাবনা আশাব্যঞ্জক।
ডেনমার্কে প্রথম মসজিদের উদ্বোধন
ডেনমার্কে বৃহস্পতিবার প্রথম পূর্ণাঙ্গ মসজিদের উদ্বোধন করা হয়েছে। কাতার ১৫০ মিলিয়ন ক্রোনার (২৭.২ মিলিয়ন ডলার) দিয়ে এই মসজিদ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করেছে। ৬,৭০০ বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট মসজিদটিতে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, একটি টেলিভিশন স্টুডিও এবং একটি ফিটনেস সেন্টার রয়েছে। রাজধানী কোপেনহেগেনের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকা গ্রিটিতে মসজিদটি নির্মিত হয়েছে।
ডেনমার্কের মুসলমানেরা কয়েক বছর ধরেই একটি মসজিদ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। দেশটিতে দুই লাখ মুসলমান বাস করেন।

কাঁদলেন বিচারক ও আইনজীবীরা
বুধবার চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম মশিউর রহমান চৌধুরীর আদালত জবানবন্দি রেকর্ড করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন মাননীয় হাকিম।
বাদী মহিলা বলেন, রমজানের রোযা রাখতে সেহরি খেয়ে মাত্র বসেছি। এ সময় বাসায় আসে ছেলে, বউ ও নাতি। বাসায় ঢুকেই তিনজন মারধর শুরু করে। অসহ্য যন্ত্রণায় হাউমাউ করে কাঁদছি। এরপর আমাকে একটি বস্তায় ভরে পাঁচতলায় থেকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আমার চিৎকারে অন্য ছেলেরা এসে আমাকে বাঁচায়।
আদালতের কাঠগড়ায় হুইল চেয়ারে বসে কাঁদতে কাঁদতে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ছেলে, বউ ও নাতির বিরুদ্ধে নির্মম নির্যাতনের জবানবন্দি (সাক্ষ্য) দিলেন ৭০ ঊর্ধ্ব এক হতভাগ্য মা রওশন আরা বেগম। এ সময় বৃদ্ধার আর্তনাতে ভারী হয়ে উঠে আদালতের পরিবেশ।
বুধবার চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম মশিউর রহমান চৌধুরীর আদালত জবানবন্দি রেকর্ড করতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন মাননীয় হাকিম। চোখের পানি পড়তে দেখা গেছে উপস্থিত অর্ধশত আইনজীবী, সাক্ষী দিতে আসা পুলিশ কর্মকর্তা ও উপস্থিত বিচার প্রার্থীদেরও।
এ মামলার আসামিরা হলো-ছেলে রহমত আলী, তার স্ত্রী শাহনাজ আক্তার ও তাদের সন্তান আবিদ। মায়ের সাক্ষ্যদানের সময় আদালতে উপস্থিত তিন আসামি নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে ছিল।

বিএসএফের গুলিতে
গরু ব্যবসায়ী নিহত
ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে এক বাংলাদেশি গরু ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে  লালমনিরহাটের পাটগ্রাম  উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের শমসেরনগর আমবাড়ি সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শিমুল প্রধান (২৮) নিহত হন বলে লালমনিরহাট-১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শফিউল আলম খাঁন জানিয়েছেন। শিমুলের লাশ রাতেই বাড়িতে আনা হয় বলে তার বড় ভাই বুলবুল হোসেন জানান।
বিজিবি কর্মকর্তা  বলেন, ভারত থেকে গরু আনার সময় বিএসএফ কয়েকজন বাংলাদেশি চোরাকারবারিকে ধাওয়া করে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে শিমুল মারা যান। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
জোনাকির আলো রহস্য
গ্রাম বাংলায় ঘুটঘুটে অন্ধকারে মিটমিট করে আলো দিচ্ছে জোনাকি- এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, জোনাকির এই আলো জ্বলা-নেভার মাঝে রয়েছে বিশেষ একটি সংকেত? এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।
প্রধানত, গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এলাকায় বাস করে জোনাকি পোকা। জোনাকির উদরে দুই ধরনের রাসায়নিক পদার্থের বিক্রিয়ার ফলে সৃষ্টি হয় এ আলোকদ্যুতির। কিন্তু কিভাবে জোনাকি পোকারা এ আলো জ্বালায় ও বন্ধ করে, বিষয়টি এখনো জানা যায়নি। তবে জানা গেছে, বিপরীত লিঙ্গকে আকর্ষণ করতেই তারা এ কান্ড করে।
জোনাকির আলো জ্বালানো নেভানোর বিষয়টি যদি লক্ষ্য করেন, তাহলে দেখতে পাবেন প্রত্যেক জোনাকির আলো জ্বলা-নেভার ভিন্ন ভিন্ন সময় রয়েছে। আর এ জ্বলা-নেভার ভিন্নতা সৃষ্টি হয় তাদের প্রজাতিগত ভিন্নতা থেকে।

প্রতিবন্ধী মাহম্দুা বেগমের ওপর নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন
২৩ ইঞ্চি উচ্চতার জন্মপ্রতিবন্ধি মাহম্দুা বেগমের বয়স ৫৫। হাবিগঞ্জের মাধবপুরে উপজেলার অন্তর্গত ১নং ধর্মঘর ইউনিয়নের মেহেরগাঁও গ্রামে তার বাস। পিতা মরহুম আব্দুল গনি  ধনবান অঢেল সম্পদের মালিক ছিলেন। মাহম্দুা বেগমের চার ভাই এক বোন যে প্রতিবন্ধী অবস্থায় মারা যান।
২০১৪ সালে কোনো সভ্য সমাজে নিরীহ কোন প্রতিবন্ধীর ওপর ভয়াবহ মনোদৈহিক নির্যাতন, বঞ্চনা, অধিকার হরণ তা মাহম্দুাকে না দেখলে বুঝার উপায় নেই। সে হাঁটতে চলতে পারে না। কোনমতে খুরিয়ে খুরিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়া আসা করেন। পৈত্রিক-সূত্রে যেসব জমি-সম্পদ তার পাওয়ার কথা তা নানা জটিলতায় তার ভাইরা দখল করে রেখেছে। মাহমুদা মরার পর কে পাবে তার সম্পত্তি তা নিয়েও অসুস্থ প্রতিযোগিতা।
বর্তমানে তিনি প্রিয় এক ভাতিজা আক্তারুল আলম দুলালের তত্ত্বাবধানে আছেন। মাহমুদা জানায়, সে আগে তার অপর ভাই হাসান সাহেবের কাছে থাকত, সেখানে তার ওপর করুন নির্যাতনের চিত্র বর্ণনা করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার ১২ শতাংশ জমি এখনো হাসান সাহেবের ও তার স্ত্রী দখল করে রেখেছেন। তার মোট প্রাপ্য জমির পরিমাণ ৪৭ শতাংশ। যার কোনো হিসাব তাঁকে দেওয়া হয় নি।

আতশবাজিকে কেন্দ্র করে মিরপুরের বিহারি ক্যাম্পে আগুন, নিহত ৯
পবিত্র শবে বরাতের রাতে আতশবাজিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর মিরপুরের কালশিতে বিহারি-বাঙ্গালি সংঘর্ষে একই পরিবারের আটজনসহ ৯ জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনই শিশু। যাদের বয়স ছয় বছরের নিচে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে আতশবাজি ফাটানোর প্রতিবাদে সকাল ৭টার দিকে ‘আটকেপড়া পাকিস্তানি’ হিসেবে পরিচিত বিহারিদের সঙ্গে বাঙ্গালিদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ বাঙ্গালিরা বিহারি ক্যাম্পে আগুন লাগিয়ে দেয়। এ সময় আগুনের পুড়ে ৯ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ছয় জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

ভারত থেকে ‘অবৈধ বাংলাদেশি’ উচ্ছেদ মিশন শুরু
ভারতের তথাকথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে বিতাড়িত করার কাজ শুরু করতে যাচ্ছে মোদি সরকার। এ ক্ষেত্রে তারা পশ্চিমবঙ্গের বদলে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
‘অনুপ্রবেশকারীদের’ ফেরত পাঠানোর কাজে তাড়াহুড়ো করতে চাইছে না নরেন্দ্র মোদির সরকার। তাই ধীরে সুস্থে এবং সবদিক বিবেচনা করেই এগুতে চাইছে তারা। সামান্য ভুলের কারণে কেউ যেন হেনস্থা না হন সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
তথাকথিত অবৈধ বাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী ‘প্রতিশ্র“তির’ মধ্যে ছিল। তাই ক্ষমতায় আসার পর পরই এ নিয়ে পরিকল্পনা  শুরু করেছে তারা। তবে পশ্চিমবঙ্গ নয়, অবৈধ বাংলাদেশিদের খুঁজে বের করার কাজটি তারা আসাম থেকেই শুরু করতে যাচ্ছে। আসামে বসবাসকারী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নতুন করে ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস বা জাতীয় নাগরিক রেজিস্ট্রেশন তৈরির কাজ শুরু করছে দিল্লি সরকার। সেই তালিকা দেখেই ১৯৭১ সালের পর থেকে কারা বাংলাদেশ থেকে আসামে এসে বসবাস শুরু করেছেন তা চিহ্নিত করা হবে। এরপর তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে ভারত।

পৃথিবীর সাগর-মহাসাগর ৩ বার
ভরে দেয়ার মতো পানি রয়েছে ভূগর্ভে
পৃথিবীর ভূগর্ভে বিশাল পানির ভাণ্ডার খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৬৬০ কিলোমিটার (৪০০মাইল) নীচে রিংউডিট নামের ছিদ্রবহুল একজাতের শিলায় এ পানি  আটকে আছে। এ পানি দিয়ে পৃথিবীর সাগর-মহাসাগরকে অন্তত ৩ বার কানায় কানায় ভরে দেয়া যাবে।
আমেরিকার নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-পদার্থবিদ স্টিভ জ্যাকবসেন এবং নিউ মেক্সিকো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিসমোলজিস্ট ব্র্যান্ডন স্ক্যামান্ড যৌথভাবে এ গবেষণা করেছেন এবং সায়েন্স নামের জার্নালে এ গবেষণার সমীক্ষা নিয়ে একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
কয়েক দশক ধরে গবেষণা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা উত্তর আমেরিকার ভূগর্ভস্থ শিলায় আটকে থাকা এ পানির খোঁজ পেয়েছেন। আমরা পানির তিনটি রূপ অর্থাৎ তরল, বরফ এবং বাষ্পের সঙ্গে পরিচিত থাকলেও ভূগর্ভের শিলায় আটকে থাকা পানির সঙ্গে তার কোনটিরই মিল নেই। ভূগর্ভের গভীরে প্রচণ্ড চাপ এবং ২,০০০ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা  ১০৯৩.৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে এ পানি হাইড্রোক্সিল  র‌্যাডিক্যাল (ওএইচ) আকারে রয়েছে।
এ পানির খোঁজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীর পানির উৎস সংক্রান্ত আগেকার সব বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হয়ত বদলে যাবে। আগে ধারণা করা হতো, সৃষ্টির প্রথম দিকে যখন পৃথিবীর রূপান্তর ঘটছিল তখন হয়ত কোনো বরফ সমৃদ্ধ উল্কা আছড়ে পড়ায় পৃথিবীতে পানির উদ্ভব হয়েছিল। কিন্তু নতুন আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে এখন ধারণা করা হচ্ছে, ভূকম্পন ও অগ্ন্যুৎপাতের মতো নানা ভৌগোলিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে ভূগর্ভের গভীর থেকে পানির নিঃসরণ ঘটেছে। জ্যাকোবসেন মনে করছেন, পৃথিবীর পুরো পানিচক্রের রহস্য পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বে ব্যাপক পরিমাণ পানি থাকার কারণও বোঝা যাচ্ছে।
কুকুর খাওয়ার উৎসব
দক্ষিণ চীনের ইউলিন শহরে কুকুর খাওয়ার  উৎসব শুরু হয়েছে। সেখানকার অধিবাসীরা কুকুর জবাই ও খাওয়ার মধ্য দিয়ে গ্রীষ্মের সবচেয়ে বড় দিনের উৎসব পালন শুরু করেছে। ২১ জুন বিশ্বের সবচেয়ে বড় দিনকে সামনে রেখে তারা এই উৎসবের  আয়োজন করেছে। দেশটির প্রাণী অধিকার বিষয়ক সংস্থা এতগুলো কুকুর  জবাইয়ের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। শীতের সময় সুস্থ  থাকার জন্য প্রতিবছর গ্রীষ্মের সবচেয়ে বড় দিনকে সামনে রেখে এই উৎসবের আয়োজন করে থাকেন ইউলিন সম্প্রদায়।

সাদ্দাম হোসেনকে মৃত্যুদ-দানকারী বিচারকের ফাঁসি কার্যকর করেছে সুন্নি বিদ্রোহীরা
ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দানকারী বিচারক রউফ আবদুল রহমানকে ‘ধরে ফাঁসি কার্যকর’ করেছে দেশটির সুন্নি বিদ্রোহী সংগঠন আইএসআইএস।
সুপ্রিম ইরাকি ক্রিমিনাল ট্রাইব্যুনালের প্রধান হিসেবে ২০০৬ সালে সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন আবদুল রহমান। সুন্নি বিদ্রোহীরা গত সপ্তাহে ৬৯ বছর বয়স্ক ওই বিচারককে আটক করে।  ইরাক সরকার এখনো তার মৃত্যু নিশ্চিত করেনি। তবে তাকে যে আটক করা হয়েছে, সে খবর অস্বীকার করেনি।
১৬ জুন তাকে আটক করা হয় বলে ধারণা করা হয়। আর তার র্মত্যু ঘটে এর দুই দিন পর। জর্দানি এমপি খালিল আত্তিয়া তার ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, বিচারক রহমানকে গ্রেফতার ও মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শহিদ সাদ্দাম হোসেনের মৃত্যুর বদলা নিতে ইরাকি বিপ্লবীরা তাকে গ্রেপ্তার করে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
তিনি লিখেছেন, বিচারক রহমান নর্তকীর পোশাক পরে বাগদাদ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সফল হননি।
সাদ্দামের সাবেক সহকারী এবং বর্তমানে বিদ্রোহীদের অন্যতম নেতা ইজ্জাত ইবরাহিম আল দুরিও বিচারক রহমানকে আটক করার খবর তার ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight