দেশ-বিদেশের খবর

Des-Bideser Khobor copy

মন্ত্রিসভায় হজ্জ ও ওমরাহ নীতি অনুমোদন
হজ্জে এবার খরচ ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা। ১১ মার্চ ২০১৪ জাতীয় হজ্জ ও ওমরাহ নীতি ১৪৩৫ হিজরি (২০১৪ খ্রিষ্টাব্দ) ও হজ্জ প্যাকেজ ২০১৪-এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এ বছর সরকারী ও বেসরকারীভাবে এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন বাংলাদেশী হজ্জ পালনে সৌদি আরব যেতে পারবেন। তাদের মধ্যে সরকারীভাবে ১০ হাজার এবং বেসরকারীভাবে ৯১ হাজার ৭৫৮ জন হজ্জ পালন করতে পারবেন।
বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় একজন বাংলাদেশীর হজ্জ পালনে ব্যয় হবে দুই লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৬ টাকা। গত বছরের চেয়ে এবার সৌদি সরকার ২০ শতাংশ কম হাজীর হজ্জ পালনের অনুমতি দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মক্কার হেরেম শরীফের সংস্কারকাজ চলার কারণে সৌদি সরকার এ বছর কোটা নির্ধারণ করেছেন। ফলে গতবারের চেয়ে এবার বাংলাদেশী হজ্জযাত্রী কম হবে। তবে ২০১৫ সালের পর থেকে আবার অধিক সংখ্যায় বাংলাদেশী হজ্জ পালন করতে পারবেন।

৫০টি নাম নিষিদ্ধ করলো সৌদি সরকার
৫০টি নামের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সৌদি সরকার। ফলে এখন থেকে দেশটিতে বসবাসরত কেউ তাদের সন্তানের এসব নাম রাখতে পারবে না এবং ওইসব নামে কাউকে ডাকাও যাবে না। সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নাম বিষয়ক এই নিষেধাজ্ঞার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মূলত নিষিদ্ধ ওই নামগুলো ইসলাম বিরোধী হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখন থেকে কেউ তার সন্তানের নাম লিন্ডা, অ্যালিস, রাম বা বেঞ্জামিন রাখতে পারবে না। এরমধ্যে রাম হিন্দুদের এক অবতারের নাম এবং বাইবেল অনুযায়ী বেঞ্জামিন (আরবিতে বেনইয়ামিন) হলো নবী জ্যাকবের (কুরআনে বর্ণিত ইয়াকুব) ছেলে।
এছাড়া তালিকায় আরো কিছু নাম আছে যেগুলো সৌদি রাজপরিবারের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত বলে তা সাধারণের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যেমন- সুমু (রাজাদের মর্যাদাসূচক আখ্যাবিশেষ), মালিক (রাজা) এবং মালিকা (রাণী) ইত্যাদি।
ওই তালিকার আরো কিছু নিষিদ্ধ নাম হলো- মালাইকা (ফেরেশতা), আব্দুল আতি, আব্দুন নাসের, আব্দুল মুসলেহ, নারিস, ইয়ারা, লোল্যান্ড, তিলাজ, বারাহ, আব্দুন নবী, আব্দুর রাসূল, মামলাকা (রাজত্ব), তবারক, নারদিন, মালাইন, অ্যালাইন, ইনার, মালিকতিনা, জিব্রাইল, আব্দুল মইন, আবরার, ঈমান, বায়ান, বাসেল, উইরিলাম, নবীয়াহ, আমির, অ্যারাম, নারিজ, রিতাল, ল্যারিন, কিবরিয়া, লরেন ইত্যাদি।

বায়ু চালিত সাইকেল উদ্ভাবন করলেন হবিগঞ্জের নুরুজ্জামান
প্রথমবারের মতো বায়ু চালিত দ্রুতগতির সাইকেল উদ্ভাবন হয়েছে বাংলাদেশে। বাতাসের সাহায্যে চলা পরিবেশ বান্ধব সাইকেলটির উদ্ভাবক হাফেজ মো. নুরুজ্জামান। তেল বা পেট্রোল ছাড়াই শুধু সিলিন্ডারে একবার বাতাস ভরে সাইকেলটি ৪০ কিলোমিটার যাবে। বায়ু চালিত হলেও এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার এবং দেখতে মোটরসাইকেলের মতো।
নুরুজ্জামান জানান, কাঠ, লোহা ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে বায়ু চালিত এ সাইকেলটি তিনি তৈরি করেছেন। ২০১১ সালের মার্চ মাস থেকে তিনি এ সাইকেল তৈরির কাজ শুরু করেন। এটি তৈরিতে তার খরচ পড়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা। তবে বাণিজ্যিকভাবে তৈরির মাধ্যমে বাজারজাত শুরু হলে খরচ পরবে ১ লাখ টাকা।
তিনি আরও জানান, সাইকেলটি চালাতে জ্বালানি তেলের প্রয়োজন পড়বে না। হাইড্রোলিক মেকানিজম সংযুক্ত গিয়ার বক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি সিলিন্ডারে বাতাস সঞ্চিত হবে। পরে ওই বাতাসের চাপে সাইকেলটি চলবে।

পত্রিকা ১১৮৭টি, টিভি চ্যানেল ৪৪টি দেশের ৩৮ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত
বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নতুন টেলিভিশন চ্যানেলের আবেদন করলেও এই মুহূর্তে এসব আবেদন বিবেচনা করার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ১ হাজার ১৮৭টি পত্রিকা, ৭৫টি অনলাইন ও ৪৪টি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল রয়েছে।
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে শামসুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।
অন্যদিকে, বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার ৬২ শতাংশ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ হিসাব অনুযায়ী ৩৮ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
রাশিয়ার সাথে ফিলিস্তিনকে যুক্ত      করতে গণভোটের প্রস্তাবরাশিয়ার সাথে ফিলিস্তিনকে যুক্ত করতে গণভোটের প্রস্তাব করেছে ফিলিস্তিনে অবস্থানকারী রুশপন্থী একটি গ্র“প। ফিলিস্তিন ইনফরমেশন সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রুশ ভাষায় লিখিত এক প্রতিবেদনে এ প্রস্তাবের কথা বলা হয়। প্রতিষ্ঠানটির বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার রেডিও ভয়েস অব রাশিয়া জানায়, গ্র“পটির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, তারা ফিলিস্তিনের গাজায় বাড়ি তৈরি করে রুশ নাগরিকদের সেখানে অন্তর্ভুক্ত করতে চায়।
গ্র“পটিতে বেশির ভাগই নারী। ৫০ হাজার নারী সদস্য রয়েছে গ্র“পটিতে। তারা ইতোমধ্যে স্থানীয় ফিলিস্তিনি পুরুষদের বিয়ে করে সেখানেই বসবাস করছেন। কিন্তু তাদের কাছে রয়েছে রাশিয়ার পাসপোর্ট। গ্র“পটির বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, “মস্কো কর্তৃপক্ষ বলেছে, রাশিয়ার নাগরিকরা বিশ্বের যেখানেই থাকুক তাদের রক্ষা করবে রাশিয়া।”
গ্র“পটির দেয়া প্রস্তাবে বলা হয়, “আমরা যেখানে বসবাস করছি, সেখানে ইসরাইল আমাদের জীবন এবং আমাদের শিশুদের জীবন নিয়ে হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু গাজা উপত্যকা যদি রাশিয়ায় যুক্ত হয়, তাহলে আমাদের একটি নিরাপদ সীমান্ত থাকবে। আমাদের থাকবে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। এমনকি পারমাণবিক অস্ত্রও থাকবে।”
তবে এ বিষয়ে গাজা শাসনকারী হামাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাঙ্গুইয়ের মসজিদগুলো এখন খ্রিস্টানদের পানশালা
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের রাজধানী বাঙ্গুইয়ে গণহত্যা চালিয়ে মুসলমানদের বিতাড়িত করার পর সেখানকার মসজিদগুলোকে পানশালায় বা পাবে (মদ পান ও বিক্রির দোকান) রূপান্তরিত করেছে উগ্র খ্রিস্টানরা। বাঙ্গুইয়ের মসজিদগুলোর চরম অবমাননার এই খবর দিয়েছে আলউইদাইনফো নামের ওয়েবসাইট।
দেশটির সরকারও উগ্র খ্রিস্টানদের এইসব তৎপরতায় বাধা দিচ্ছে না বা এইসব তৎপরতা বন্ধের জন্য কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক কমিশন সম্প্রতি বলেছে, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মুসলমানদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতার ফলে দেশটির বেশিরভাগ মুসলমানই রাজধানী বাঙ্গুই ছেড়ে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের সাড়ে নয় লাখেরও বেশি মুসলমান শরণার্থীতে পরিণত হয়েছে এবং দেশটির হাজার হাজার মুসলমান নিহত হয়েছে।
ফ্রান্স গত ৫ ই ডিসেম্বর তার সাবেক এই উপনিবেশে সেনা পাঠানোর পরও মুসলমানদের ওপর হত্যাযজ্ঞ ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ এক প্রস্তাবে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে সেনা পাঠাতে আফ্রিকান ইউনিয়ন ও ফ্রান্সকে অনুমতি দেয়ার পর প্যারিস ওই পদক্ষেপ নেয়।
মৃত্যুর পর কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির  খোঁজ মিলল এক  সৌদি ভিক্ষুকের
শতায়ু বৃদ্ধা ভিখারী মারা যাওয়ার পর তার বিপুল গুপ্ত সম্পদের খোঁজ পাওয়া  গেল সৌদি আরবে। দীর্ঘ ৫০ বছরে ভিক্ষাবৃত্তির ফল স্বরূপ তার ভান্ডারে সঞ্চিত হয়েছে সোনার মুদ্রা, বহু অলঙ্কার, ভূ-সম্পত্তি এবং মোটা অংকের ব্যাংক ব্যালেন্স। আয়েশা নামের ওই অন্ধ ভিখারিনী গত ৫০ বছর ধরে জেদ্দার রাস্তায় ভিক্ষা করছেন। হঠাৎ করে নিজের বাড়িতে মারা যাওয়ার পর তার বিপুল সম্পত্তির কথা সামনে চলে আসায় বিস্মিত সবাই।
সম্পদের দিক থেকে তিনি পাল্লা দিতে পারেন তাবৎ অর্থবানদের। ৪টি বাড়ি ছাড়াও নগদ ও সোনার কয়েন এবং গহনা মিলিয়ে বাংলাদেশী ৮ কোটি ৩০ লাখ টাকারও বেশি মূল্যের সম্পদ রয়েছে এই মহিলার। প্রাপ্ত সম্পদের যে হিসাব দেয়া হয়েছে তাতে রয়েছে, শহরাঞ্চলে চারটি বাড়ি, ব্যাংকে জমা ৭ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৫ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশী ৬ কোটি ২২ লাখ ৬০ হাজার টাকা) এবং ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৪৫ মার্কিন ডলার (২ কোটি ৭ লাখ ৫৩ হাজার) সমমূল্যের সোনার কয়েন ও গহনা।
আয়েশার মা ও বোন দু’জনেই ভিক্ষা করতেন। তারা মারা যাওয়ার পর তাদের সঞ্চিত অর্থও উত্তরাধিকার সূত্রে পান আয়েশা। তবে আয়েশার কোনও আত্মীয় না থাকায় তিনি চেয়েছিলেন তার মৃত্যুর পর তার বিপুল সম্পত্তি গরিবদের মধ্যে ভাগ করে দিতে। সূত্র : জি নিউজ

সিনেমাকে হার মানানো ‘বিয়ে’
এমন ঘটনা সম্ভবত শুধু সিনেমাতেই সম্ভব- ঋণের দায়ে জর্জরিত বৃদ্ধ বাবা পাওনাদারের করা মামলায় জেল খাটছেন; যেকোনো সময় আদালতের রায়ে বাবার দীর্ঘমেয়াদী সাজা হয়ে যেতে পারে; তাই বাবাকে বাঁচাতে নিজের দ্বিগুণ বয়সী পাওনাদারকে বিয়ে করতে রাজি হলেন বৃদ্ধের মেয়ে।
বাস্তবেই ঘটনাটি ঘটেছে সৌদি আরবে। আল কাসিম নামের ওই বৃদ্ধ নিজের ধার করা ৩ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল ফেরত দিতে পারছিলেন না। পাওনা টাকা আদায় করতেই পাওনাদার আদালতে মামলা ঠুকে দিলেন। সেই মামলায় অনেকদিন ধরেই বৃদ্ধ জেলখানায় আটক আছেন।
এক পর্যায়ে বৃদ্ধের মেয়ে অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিলেন। নিজের বয়সের চেয়ে দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও ২০ বছর বয়সী ওই  মেয়ে পাওনাদারকে বিয়ে করার মনস্থির করলেন। মেয়ের বয়সের তুলনায় পাওনাদারকে বৃদ্ধই বলা চলে।
নিজ বয়সের চেয়ে দ্বিগুণ এবং ঘরে আগের তিন স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও মেয়ে পাওনাদারকে ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। বিয়ের যৌতুক নির্ধারণ করলো  মেয়েই। বাবার ধার করা ৩ মিলিয়ন  সৌদি রিয়ালই হলো বিয়ের যৌতুক!
বাবাকে বাঁচাতে মেয়ের এই ত্যাগ স্বীকারে অভিভূত হলেন পাওনাদার। বিয়ের আসরে চমকে দিলেন ওই  মেয়েকে। বিয়ে করতে এসে মেয়েকে দিলেন ৩ মিলিয়ন সৌদি রিয়ালের একটি  চেক। আর বললেন, বাবার প্রতি মেয়ের এই ভালোবাসায় তিনি মুগ্ধ। তাই  মেয়েটিকে বিয়ে না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। চেকের উল্লেখিত টাকা দিয়ে মেয়েটির পছন্দের কাউকে বিয়ে করার কথা বলে দিলেন।
আর বাবার মামলা? সেটাও উঠিয়ে নিয়েছেন ওই পাওনাদার।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight