জ্ঞান-সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

১। আপনি বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না তারা কি সমান? বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই কেবল উপদেশ গ্রহণ করে। [সূরা যুমার : আয়াত ৯]
২। তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে মর্যাদায় উন্নত করবেন। তোমরা যা করো আল্লাহ সে সম্পর্কে সবিশেষ অবগত আছেন। [সুরা মুজাদালা : আয়াত ১১]
৩। আল্লাহ সাক্ষ্য দেন যে, নিশ্চয়ই তিনি ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই, ফেরেশতাগণ এবং জ্ঞানীগণও; আল্লাহ ন্যায়নীতিতে প্রতিষ্ঠিত, তিনি ব্যতীতে অন্যকোনো ইলাহ নেই। [সূরা আলে ইমরান : আয়াত ১৮]
৪। আল্লাহ ব্যতীত অন্যকেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলে ‘আমরা তা বিশ্বাস করি, সবকিছুই আমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে আগত’; এবং বোধশক্তিসম্পন্নেরা ব্যতীত অপর কেউ শিক্ষাগ্রহণ করে না। [সূরা আলে ইমরান : আয়াত ৭]
৫। এবং আপনি বলুন, ‘হে আমার প্রতিপালক, আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও।’ [সূরা তোয়াহা : আয়াত ১১৪]
৬। আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে জ্ঞানীগণই আল্লাহকে যথার্থ ভয় করে। [সূরা ফাতির : আয়াত ২৮]
৭। পাঠ করো তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন—সৃষ্টি করেছেন মানুষকে ‘আলাক’ থেকে। পাঠ করো, আর তোমার প্রতিপালক মহিমান্বিত, যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন—শিক্ষা দিয়েছেন মানুষকে যা সে জানতো না। [সূরা আলাক : আয়াত ১-৫]
৮। আকাশম-ল ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিবস ও রাত্রির পরিবর্তনে নিদর্শনাবলি রয়েছে বোধশক্তিসম্পন্ন লোকের জন্য, যারা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে আল্লাহর স্মরণ করে এবং আকাশম-ল ও পৃথিবীর সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্তা করে, [এবং বলে,] হে আমাদের প্রতিপালক, তুমি তা নিরর্থক সৃষ্টি করো নি, তুমি মহামহিম, তুমি আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করো। [সুরা আলে ইমরান : আয়াত ১৯০-১৯১]
৯। আমার প্রতিপালকের বাণী আমি তোমাদের কাছে পৌঁছাচ্ছি ও তোমাদেরকে হিতোপদেশ দিচ্ছি এবং তোমরা যা জানো না আমি তা আল্লাহর কাছ থেকে জানি। [সূরা আ’রাফ : আয়াত ৬২]
১০। বলুন, আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত আমার নিজের ভালোমন্দের উপরও আমার কোনো অধিকার নেই। আমি যদি অদৃশ্যের খবর জানতাম তবে তো আমি প্রভূত কল্যাণই লাভ করতাম এবং কোনো অকল্যাণই আমাকে স্পর্শ করতো না। আমি তো শুধু মুমিন সম্প্রদায়ের জন্য সতর্ককারী ও সুসংবাদদাতা ছাড়া আর কিছুই নই। [সূরা আ’রাফ : আয়াত ১৮৮]
১১। আল্লাহ তোমার প্রতি কিতাব ও হিকমত অবতীর্ণ করেছেন এবং তুমি যা জানতে না তা তোমাকে শিক্ষা দিয়েছেন, তোমার প্রতি আল্লাহর মহা অনুগ্রহ রয়েছে। [সূরা নিসা : আয়াত ১১৩]
১২। মুমিনদের সকলের একসঙ্গে অভিযানে বের হওয়া সঙ্গত নয়। তাদের প্রত্যেক দলের এক অংশ বাইরে বের হয় না কেনো, যাতে তারা দীন সম্পর্কে জ্ঞানানুশীলন করতে পারে এবং তাদের সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পারে। [সূরা তাওবা : আয়াত ১২২]
১৩। তিনি সূর্যকে তেজস্কর ও চন্দ্রকে জ্যোতির্ময় করেছেন এবং তার মনজিল নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা বছর গণনা ও সময়ের হিসাব জানতে পারো। আল্লাহ তা নিরর্থক সৃষ্টি করেন নি। জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য তিনি এই সমস্ত নিদর্শন বিশদভাবে বিবৃত করেন। [সূরা ইউনুস : আয়াত ৫]
১৪। তারা তোমাকে রুহ (আত্মা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলো, রুহ আমার প্রতিপালকের আদেশঘটিত (ব্যাপার) এবং তোমাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছে সামন্যই। [সূরা বনী ইসরাইল : আয়াত ৮৫]
১৫। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহই তোমাদেরকে শিক্ষদান করেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সবিশেষ অবগত। [সূরা বাকারা : আয়াত ২৮২]
১৬। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমত (প্রজ্ঞা) দান করেন এবং যাকে হিকমত দান করা হয় তাকে প্রভূত কল্যাণ দান করা হয়; এবং বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই শুধু শিক্ষা গ্রহণ করে। [সূরা বাকারা : আয়াত ২৬৯]
১৭। প্রত্যেক জ্ঞানবান ব্যক্তির উপরে আছেন সর্বজ্ঞানী। [সূরা ইউসুফ : আয়াত ৭৬]

2 মন্তব্য রয়েছেঃ জ্ঞান-সম্পর্কিত নির্বাচিত আয়াত

  1. Abul Fayez says:

    আরবি অনুবাদ থাকলে ভালো হতো।

    • আল জান্নাত says:

      সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমের কিতাবুল ইলম বা জ্ঞান অধ্যায় থেকে নেয়া। আমি কিতাব দুটির অনুবাদ দেখতে পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight