জী্বন-জিজ্ঞাসা

জ্বিন বা পরীর সাথে বিবাহ প্রসঙ্গে।
মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, পূর্ব খাবাসপুর, ফরিদপুর, কোতয়ালী, ফরিদপুর।
প্রশ্ন:  কোন নারী জ্বিনের (পরীর) সাথে মানুষের বিবাহ হতে পারে কি-না? জানিয়ে বাধিত করবেন।
উত্তর: শরীয়তের দৃষ্টিকোণ থেকে জ্বিন নারীকে বিবাহ করা মানুষের জন্য হালাল কিনা এ ব্যাপারে ফিকাহবিদদের মধ্যে মতভেদ আছে। অনেকেই জায়িয বলেছেন। কেউ কেউ জন্তু-জানোয়ারের ন্যায় ভিন্ন জাতি হওয়ার কারণে এ বিবাহকে হারাম সাব্যস্ত করেন। এ বিষয়ের বিশদ বিবরণ “আ-কামুল মারজান ফি আহকামিল জান” কিতাবে উল্লেখ আছে। তাতে মুসলমান পুরুষের সাথে মুসলমান জ্বিন নারীর বিবাহের কয়েকটি ঘটনাও বর্ণিত হয়েছে এবং তাদের সন্তানাদি জন্মগ্রহণের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখিত বিষয়ে জায়িয হওয়া বা নাজায়িয হওয়ার ব্যাপারে উলামাগণের মধ্যে মতবিরোধ পাওয়া যায়। সুতরাং সতর্কতার দাবী এটাই যে, এ ধরনের বিবাহ পরিহার করা। কারণ, কোন কিছু জায়িয হলে সেটা করা জরুরী নয়। কিন্তু নাজায়িয হলে তার থেকে বাঁচা জরুরী। [ তাফসীরে মা-আরিফুল কুরআন, সৌদি সংস্করণ, পৃ: ৯৯৩]
সামর্থ্যরে অধিক মহরানা ধার্য করা প্রসঙ্গে।
মো. আল-আমিন, কোর্ট মসজিদ, গোপালগঞ্জ সদর, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন: (১) সামর্থ্য না থাকা সত্ত্বেও বর্তমানে অনেকেই সামর্থের ঊর্ধ্বে মহর ধার্য করে, যা ছেলের পক্ষে দেয়া সম্ভব নয়। অনেক সময় পিতা-মাতা নিজেদের পক্ষ থেকেই ছেলের অজান্তেই মহরানা ধার্য করে ফেলেন। এটা সামাজিকতার মত হয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে শরীয়াতের হুকুম কি?
(২) মহরানা ধার্য হয়ে গেলে বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী উভয়ে মিলে মহরানা কমানো যাবে কি?
(৩) শুধু সামাজিকতার কারণে এরকম প্রথায় মহরানা ধার্য করে বিবাহ করার হুকুম কি?
(৪) পিতা-মাতার ধার্যকৃত মহরানার টাকা ছেলেকে পরিশোধ করতে হবে কি?
(৫) যদি ছেলের সামর্থ্য না থাকে, তবে এক্ষেত্রে শরীয়তের ফায়সালা কি?
উত্তর: (১) উভয় পক্ষ মিলে যে মহর নির্ধারিত করে এবং বিবাহের সময় উল্লেখ করা হয়, স্বামীর উপর তা আদায় করা জরুরী। কেননা নির্ধারিত মহরের উপর স্বামী রাযী  না থাকলে, তার সম্মুখে যখন উল্লেখ করা হয়, তখন তিনি অসম্মতি প্রকাশ করতে পারতেন। যেহেতু অসম্মতি জ্ঞাপন করেননি, তাই এতে তার সম্মতিই প্রকাশ পায়। বেশি মহর নির্ধারিত করা শরীয়তে জায়িয আছে। তবে মহর কম হওয়া উত্তম, যাতে আদায় করা সহজ ও সম্ভব হয়। তাই অভিবাবকদের এ ব্যাপারে দৃষ্টি রাখা উচিত। সামর্থ্যের কথা বিবেচনা না করে প্রথা অনুযায়ী অধিক মহর ধার্য করা ঠিক নয়। আদায় না করার ইচ্ছা নিয়ে এরূপ করলে গুনাহ হবে। এবং স্ত্রীর সাথে মেলামেশাও জায়িয হবে না। [তাতারখানিয়া, ৩: ৪২-৪৩ পৃ: ফতাওয়া দারুল উলুম, ৮: ২৫৮-৬৩ পৃ: কানযুল উম্মাল, ১৬: ৩২২]
(২) স্বামী-স্ত্রী মিলে উভয়ে রাযী হয়ে নির্ধারিত মহর থেকে কমাতে পারবে। [ ফাতাওয়া আলমগীরী, ১: ৩১৩ পৃ: হিদায়া ২: ৩২৫ পৃ: ]
(৩) সামাজিকতার কারণে যে মহর ধার্য করে বিবাহ করা হয়, এ মহরও আদায় করা স্বামীর উপর জরুরী। [ ফাতাওয়া দারুল উলুম, ৮: ৩১০ ]
(৪) পিতা-মাতার ধার্যকৃত মহরও ছেলেকে আদায় করতে হবে। কারণ এ মহর জানার পর ছেলে অসম্মতি প্রকাশ করেনি। তবে পিতা যদি দায়িত্ব নেন, তাহলে পিতার নিকটও দাবী করা যাবে। [ফাতাওয়া তাতারখানিয়া, ৩: ৪২ পৃ: দারুল উলুম, ৮: ২৬৫ ]
(৫) যেহেতু পিতা ছেলের অনুমতি ও সামর্থ্যরে খেয়াল না করে অধিক মহর নির্ধারিত করেছে সুতরাং সেই মহর আদায় করতে স্বামীর সামর্থ্য না থাকলে, যতটুকু সম্ভব ততটুকু আদায় করবে। বাকীটুকু পিতার নিকট থেকে চেয়ে নিব। কারণ ছেলের কাছে জিজ্ঞাসা না করার দ্বারা এটাই বুঝা যায় যে, এ ব্যপারে তিনিও যিম্মাদারী নিবেন। তিনিও অপারগ হলে, হিকমতের সাথে চাপ সৃষ্টি না করে সহীহভাবে স্ত্রী থেকে মাফ করিয়ে নিবে। যার ব্যাখ্যা পূর্বে দেয়া হয়েছে।
রাস্তায় পড়ে থাকা টাকা-পয়সা নিজ প্রয়োজনে ব্যয় করা প্রসঙ্গে।
মোহাম্মদ কাউসার আহমদ,ইসলামপুর, ধামরাই।
প্রশ্ন: আমি আজ থেকে প্রায় এক বৎসর পূর্বে রাস্তায় ৩৭০ টাকা পেয়েছিলাম। পরে বহু খোঁজাখুজির পরও মালিকের সন্ধান না পেয়ে উক্ত টাকাগুলো নিজে খরচ করে ফেলেছি। এ মুহূর্তে আমার করণীয় কি? উল্লেখ্য যে, আমি গরীব। আমার কোন সম্পত্তি নেই এবং চাকুরী বা ব্যবসাও নেই, যা দ্বারা আমি এ টাকাগুলো পরিশোধ করব।
উত্তর: টাকা প্রাপ্তির ঘোষণা দেয়ার পরও যদি হারানো টাকার মালিক না পাওয়া যায়, তাহলে হারানো জিনিস সংরক্ষণকারী ব্যক্তি ধনী হলে মালিককে সাওয়াব পৌঁছানোর নিয়্যতে উক্ত টাকা গরীবদেরকে সাদকা করে দিবে। আর সংরক্ষণকারী  নিজেই গরীব কিংবা মিসকীন হলে নিজেও তা খরচ করতে পারে। সেই হিসাবে আপনার জন্য উক্ত টাকা নিজে খরচ করা ঠিক হয়েছে। [ ফাতাওয়া দারুল উলুম, ১২:৪৫৬, ফাতাওয়া শামী, ৪: ২৮৪ ]
সালামামের শরয়ী বিধান প্রসঙ্গে।
মোহাম্মদ মাকছুদ উল্লাহ, বরকুল, গাজীপুর, শ্রীপুর।
প্রশ্ন: নামায শেষে মুনাজাতের পর আমরা কেবলমাত্র ইমাম সাহেবকে সালাম করে মসজিদ হতে বিদায় গ্রহণ করি এবং পরস্পরের বিদায়ের সময়ও এরূপ করে থাকি। শরীয়তের দৃষ্টিতে তা কতটুকু বৈধ?
উত্তর: আমাদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় নামায শেষে মসজিদ হতে মুসল্লীগণের বের হওয়ার সময় ইমাম সাহেবকে সালাম করার রীতি চালু আছে এবং অনেক জায়গায় এটাকে জরুরী মনে করা হয়ে থাকে। সুতরাং, এটা জরুরী ও দ্বীনের অংশ মনে করার কারণে তা বিদআতের অন্তর্ভুক্ত হবে। এরূপ রীতি শরীয়তে নেই। বরং শরীয়তের বিধান হল যখন কোন মুসলমান অন্য কোন মুসলমানের সাথে সাক্ষাৎ করে, তখন সালাম ও মুসাফাহা করা সুন্নাত। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে নামায শেষে বা মসজিদ হতে চলে যাওয়ার সময় সালাম করার কোন বিধান শরীয়তে নেই। তবে কেউ যদি এটাকে দ্বীনের অংশ মনে না করে মাঝে মধ্যে অন্যান্য সময়ের সালামের ন্যায় সালাম করে থাকে, তাহলে তা বিদআত হবে না। [ তিরমিযী শরীফ, ২: ১০০, মিশকাত শরীফ, ২: ৩৯৯ ও ৪০২, ফাতাওয়া শামী, ৬: ৩৮১ ও ৪১৩]
বিধর্মী লোকের প্রতি সম্মান প্রদর্শন প্রসঙ্গে।
উবায়দুর রহমান, রায় বাজার, ঈশ্বরগঞ্জ, মোমেনশাহী।
প্রশ্ন: কোন বিধর্মী লোকের সাথে সাক্ষাৎ হলে তাকে সম্মান প্রদর্শন করতঃ সম্বোধন সূচক কি শব্দ বলা উচিত? অনেক সময় দেখা যায়, মুসলমান ছাত্ররা সম্মান প্রদর্শন করতঃ হিন্দু শিক্ষককে ‘আদাব’ বলে থাকে। মুসলমান ছাত্রদের এরূপ বলা ঠিক হবে কি? না সরাসরি সালাম করতে হবে?
উত্তর: কোন বিধর্মীকে সালাম দেয়া যাবে না, সে আগে সালাম দিলে তার সালামের উত্তর ‘ওয়াআলাইকুম’ অথবা ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহ’ বা ‘আসসালামু আলা মানিত্তাবা-আল হুদা’ বলে দিবে। আর তাদের সাথে সাক্ষাত হলে সৌজন্য প্রদর্শন স্বরূপ ‘আদাব’ বলে বা অন্য কোন ভাবে সম্মান প্রদর্শন করবে যেমন, হাতের দ্বারা ইশারা করে বা তার কুশলাদি জিজ্ঞাসা করে ইত্যাদি। তবে কোনক্রমেই নমস্কার বা নমস্তে বলা যাবে না। [মিশকাত শরীফ, ৩৯৮-৩৯৯, ফাতাওয়া রাহীমিয়া, ৬: ২৫৬, কিফায়াতুল মুফতি, ৯: ৯২ ]
টেলিফোন করার নিয়ম প্রসঙ্গে।
আম্মার হুসাইন, হেমায়েতপুর, সাভার, ঢাকা।
প্রশ্ন: শরীয়তের দৃষ্টিতে টেলিফোন করার নিয়ম কি? বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক।
উত্তর: ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। মানুষের জীবন চলার প্রতিটি ক্ষেত্রের দিক নির্দেশনা দিয়েছে ইসলাম। টেলিফোন আধুনিক যুগের এক অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম। কিন্তু এর যথেচ্ছা ব্যবহার এবং অন্য মানুষকে সময়ে অসময়ে টেলিফোন করে ব্যস্ত ও পেরেশান করা শরীয়তের দৃষ্টিতে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, তাই কিভাবে টেলিফোন ব্যবহার করলে গুনাহের হাত থেকে বাঁচা যাবে, তা নি¤েœ দেয়া হল।
১। কোন ব্যক্তির কাছে ঘুমানোর সময় বা বিশেষ কোন কাজ যেমন, নামায ইত্যাদিতে লিপ্ত থাকা ইত্যাদির সময় অথবা গভীর রাত্র তখন একান্ত ঠেকা ছাড়া তার নিকট টেলিফোন করা নাজায়িয। কেননা, এতে তার ঠিক ঐ রকমই কষ্ট অনুভব হয়, যেমন কষ্ট হয় বিনা অনুমতিতে তার ঘরে প্রবেশ করলে।
২। যার সাথে অহরহ ফোনে কথা বলার প্রয়োজন হয়, তার কাছ থেকে জেনে নিবে যে, কোন সময় তার কথা বলতে সুবিধা হবে। পরে সেই হিসেবে টেলিফোন করবে।
৩। অনেক সময় দেখা যায় যে, রিং হয়েই চলছে, কিন্তু কেউ রিসিভার উঠাচ্ছে না। এটা একেবারেই অনুচিত এবং মানবতা বিরোধী। কেননা, কেউ যদি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, তাহলে এটা তার অধিকার। তাই এ অধিকার বাস্তবায়নে আপনাকে অবশ্যই উদ্যোগী হতে হবে। হ্যাঁ, সে মুহূর্তে সময় দেয়া অসম্ভব হলে, নিজে বা নিজের লোকের মারফত তা জানিয়ে দেয়া উচিত। [ তাফসীরে মা‘আরিফুল কুরআন, ৬ খ. সূরা: নূর ]
মহিলাদের সুন্নাতী পোশাক প্রসঙ্গে।
সালমা আক্তার, কলমাকান্দা, নেত্রকোনা।
প্রশ্ন: মেয়েদের জন্য সুন্নাতী পোশাক কি কি?
উত্তর: মেয়েদের পোশাক সম্পর্কে শরীয়তে বলা হয়েছে যে, মেয়েরা এমন পোশাক পরিধান করবে, যার দ্বারা তাদের সতর পরিপূর্ণভাবে আবৃত করা যায়। আর মেয়েদের সতর হল, মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঢেকে যায়।
আর বর্তমানে মেয়েদের অধিক সতর ঢাকা সম্ভব হয় সেলোয়ার-কামিজ ও উড়নার মাধ্যমে। তবে সেলোয়ার কামিজ ও উড়না অবশ্যই পাতলা কাপড়ের না হওয়া উচিত। বরং মোটা কাপড় ও ঢিলা-ঢোলা হওয়া জরুরী। অনুরূপভাবে শাড়ীও পরিধান করা যেতে পারে, যার দ্বারা সতর পরিপূর্ণভাবে ঢেকে রাখা হয় এবং সব সময় ঢেকে রাখার উপর অভ্যস্ত হয়। আমাদের দেশে একটা কুসংস্কার বা গোমরাহী রয়েছে যে, বিবাহের পূর্বে মেয়েদের জন্য সেলোয়ার-কামিজ বা উড়না পরা ভাল মনে করলেও বিবাহের পর এটাকে খারাপ মনে করা হয়। এটা কু-প্রথা। এতে বিবাহের পূর্বে তাদের কিছু লজ্জা থাকলেও বিবাহের পর কিছু দিন যেতে না যেতেই শাড়ী পরে পেট পিঠ বের করে চলাফেরা করে। অনেক সময় সামান্য প্রয়োজনে হাটু পর্যন্ত কাপড় উঠিয়ে ফেলে। তাই তারা যদি সেলোয়ার কামিজ ও উড়না পরিধান করে, তাহলে এমন বেপর্দার সম্মুখীন হতে হবে না। সুতরাং সেলোয়ার-কামিজ ও উড়নাকে মেয়েদের সুন্নাতী পোশাক বলা যেতে পারে। [ সূরা নূর: ৩১, সূরা আহযাব: ৫৩-৫৫ ]
পায়ের গিরা ঢেকে পোশাক পরিধান প্রসঙ্গে।
জাকারিয়া হারুন, মুক্তাগাছা ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন: (ক) উপর থেকে লুঙ্গি, পায়জামা, প্যান্ট এবং নীচ থেকে মোজার দ্বারা পায়ের টাখনু ঢাকা নাজায়িয। এই বাক্যটি কি শরীয়ত সম্মত? বাংলাদেশের মানুষ যে সকল মোজা পরিধান করে তাতে পায়ের গিরা ঢেকে যায়। এভাবে গিরা ঢাকলেও কি গোনাহ হবে?
উত্তর: সর্বাবস্থাতেই লুঙ্গি, পায়জামা, সেলোয়ার, প্যান্ট, জুব্বা, আবা-কাবা ইত্যাদি উপরের দিক থেকে টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে পরা হারাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কিয়ামতের দিবসে আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির প্রতি (রহমতের) নজর করবেন না, যে লুঙ্গি বা কোন কাপড় টাখনুর নীচে পরিধান করে। তবে মোজা দ্বারা পায়ের টাখনু ঢাকা নাজায়িয, এ কথা ঠিক নয় বা শরীয়ত সম্মত নয়। কারণ হাদীস শরীফে আছে যে, স্বয়ং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোজা পরিধান করেছেন। আর সে মোজা অবশ্যই টাখনু আবৃত করে নিত। এ কারণে, এমন মোজা ও জুতা পরিধান করা, যা দ্বারা নীচের দিক থেকে টাখনু ঢেকে যায়, তা সর্বসম্মতিক্রমে জায়িয। এতে কারো কোন দ্বিমত নেই। সুতরাং, এ নিয়ে কোনরূপ বিতর্ক সৃষ্টি করা ঠিক হবে না। বরং, দ্বীনের মধ্যে নতুন হুকুম আবিষ্কার বলে গণ্য হবে। [বুখারী শরীফ, ২: ৮৬১-৮৬৩, আবু দাউদ শরীফ, ২: ৫৬৬]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight