কুরআনে বর্ণিত মুমিনের গুণাবলি

১. মু’মিন তো তারাই যাদের হৃদয় কম্পিত হয় যখন আল্লাহকে স্মরণ করা হয় এবং যখন তাঁর আয়াত তাদের নিকট পাঠ করা হয়, তখন তা তাদের ঈমান বৃদ্ধি করে এবং তারা তাদের প্রতিপালকের উপরই নির্ভর করে।[সূরা আনফাল : আয়াত ২]
২. যারা সালাত কায়েম করে, এবং আমি যা দিয়েছি তা হতে ব্যয় করে। [সূরা আনফাল : আয়াত ৩]
৩. তারাই প্রকৃত মু’মিন। তাদের প্রতিপালকের নিকট তাদেরই জন্য রয়েছে মর্যাদা, ক্ষমা এবং সম্মানজনক জীবিকা। [সূরা আনফাল : আয়াত আয়াত ৪]
৪. অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মু’মিনগণ। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ১]
৫. যারা বিনয়-ন¤্র নিজেদের সালাতে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ২]
৬. যারা অসার ক্রিয়াকলাপ হতে বিরত থাকে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৩]
৭. যারা যাকাতদানে সক্রিয়। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৪]
৮. যারা নিজেদের যৌন অংগকে সংযত রাখে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৫]
৯. নিজেদের পতœী অথবা অধিকারভুক্ত দাসিগণ ব্যতীত, এতে তারা নিন্দনীয় হবে না। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৬]
১০. এবং কেউ এদেরকে ছাড়া অন্যকে কামনা করলে তারা হবে সীমালংঘনকারী। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৭]
১১. এবং যারা নিজেদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৮]
১২. এবং যারা নিজেদের সালাতে যতœবান থাকে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৯]
১৩. তারাই হবে অধিকারী। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ১০]
১৪. অধিকারী হবে ফিরদাওসের যাতে তারা স্থায়ী হবে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ১১]
১৫. নিশ্চয় যারা তাদের প্রতিপালকের ভয়ে সন্ত্রস্ত। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৫৭]
১৬. যারা তাদের প্রতিপালকের নিদর্শনাবলীতে ঈমান আনে। [সূরা মু’মিনূন  : আয়াত ৫৮]
১৭. যারা তাদের প্রতিপালকের সাথে শরীক করে না। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৫৯]
১৮. এবং যারা তাদের প্রতিপালকের নিকট প্রত্যাবর্তন করবে এই বিশ্বাসে তাদের যা দান করার তা দান করে কম্পিত হৃদয়ে। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৬০]
১৯. তারাই দ্রুত সম্পাদন করে কল্যাণকর কাজ এবং তারা তাতে অগ্রগামী হয়। [সূরা মু’মিনূন : আয়াত ৬১]
২০. রহমান এর বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে ন¤্রভাবে চলাফেরা করে এবং তাদেরকে যখন অজ্ঞ ব্যক্তিরা সম্বোধন করে, তখন তারা বলে সালাম। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৩]
২১. এবং তারা রাত্রি অতিবাহিত করে তাদের প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে সিজদাবনত হয়ে এবং দ-ায়মান থেকে। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৪]
২২. এবং তারা বলে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের হতে জাহান্নামের শাস্তি বিদূরিত কর, তার শাস্তি তো নিশ্চিত বিনাশ। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৫]
২৩.  নিশ্চয়ই তা অস্থায়ী ও স্থায়ী আবাস হিসাবে নিকৃষ্ট। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৬]
২৪. এবং যখন তারা ব্যয় করে তখন অপব্যয় করে না, কার্পণ্যও করে না, বরং তারা আছে এতদুভয়ের মাঝে মধ্যম পন্থায়। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৭]
২৫. এবং তারা আল্লাহর সাথে কোন ইলাহকে ডাকে না। আল্লাহ যার হত্যাকে নিষেধ করেছেন, যথার্থ কারণ ব্যতিরেকে তাকে হত্যা করে না এবং সে ব্যভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৮]
২৬. কিয়ামতের দিন তার শাস্তি দিগুণ করা হবে এবং সেখানে সে স্থায়ী হবে হীন অবস্থায়। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৬৯]
২৭. তারা নয়, যারা তাওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। আল্লাহ তাদের পাপ পরিবর্তন করে দিবেন পুণ্যের দ্বারা। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৭০]
২৮. যে ব্যক্তি তাওবা করে ও সৎকর্ম করে সে সম্পূর্ণ আল্লাহর অভিমুখী হয়। [সূরা ফুরকান : আয়াত ৭১]
২৯. এই সেই কিতাব, এতে কোনো সন্দেহ নেই, তা মুত্তাকীদের জন্য পথনির্দেশ, যারা অদৃশ্যে ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে এবং তাদেরকে যে-জীবনোপকরণ দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে, এবং আপনার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তাতে যারা ঈমান আনে ও আখেরাতে যারা নিশ্চিত বিশ্বাসী, তারাই তাদের প্রতিপালক-নির্দেশিত পথে রয়েছে এবং তারাই সফলকাম। [সূরা বাকারা : আয়াত ২-৫]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight