উম্মতের ফিকিরে হযরত ইলিয়াছ রহ. : হাকীমুত্ব তুল্লাব মুফতী হাবীবুল্লাহ

najaf

বনী আদম দুনিয়াতে আল্লাহর খলীফা। ইলম ও জ্ঞান হতে বঞ্চিত অসংখ্য সৃষ্টির মাঝে সে এক জ্ঞানবান সৃষ্টি। তার জ্ঞান চর্চার সঠিক ও উত্তম পাত্র হলো, আল্লাহর জ্ঞান ও তার মারেফত হাসিল করা। যেই দৌলতের কারণে তাকে যমীনের খেলাফত দান করা হয়েছে সেই দৌলত ও নেয়ামত লাভের প্রথম সিঁড়ি হলো তার রবের উপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করা। আখিরাতের উপর পরিপূর্ণ ঈমান আনা এবং হযরত মুহাম্মদ সা. আল্লাহর নবী ও প্রেরিত রাসূল হওয়ার উপর অন্তর থেকে বিশ্বাস স্থাপন করা। যেই ঈমান ও বিশ্বাস স্থাপনের উপর রয়েছে মানব জাতির জন্য অধিকতর কল্যাণ ও বাস্তবিক সফলতা। যতদিন এমন একজন ঈমানদার দুনিয়াতে বাকী থাকবে ততদিন পর্যন্ত এই আসমান, যমীন, পাহাড়-পর্বত, নদী নালা, গ্রহ নক্ষত্র সবকিছুকে আল্লাহ ঠিক রাখবেন আর তার অনুপস্থিতিতে আল্লাহ দুনিয়ার নিয়ম শৃংখলা ধ্বংস করে দিবেন। হযরত মুহাম্মাদ সা. ও তার হাতে গড়া সাহবাগণ দ্বীনের দাওয়াত ও তাদের মেহনত মোজাহাদা অর্থাৎ যুদ্ধ জিহাদ দ্বারা উদ্দেশ্য ছিল এই ঈমানী দৌলতের মাধ্যমে দ্বীন সম্পর্কে অজ্ঞ ও মূর্খ লোকদেরকে সম্মানীত করা। যে ব্যক্তি এই দৌলতের নেয়ামত লাভে ধন্য হয়েছে সে অন্যান্যদের মধ্যেও এই দৌলত ব্যাপকতর করতে অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জান ও মালের বহু কোরবানী করেছেন। কেননা আল্লাহর মারেফত অর্জন এবং তার দেয়া জীবন বিধান এমন অমূল্য সম্পদ যে, যদি কেউ তা পেয়ে যায় তাহলে সে স্থির থাকতে পারবে না; বরং তা অন্যের মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠবে। নবী ও আম্বীয়াগণের অবস্থা আরো উর্ধ্বে ছিল। সাহাবাগণ এ অস্থিরতার মাঝে জীবন কাটিয়েছেন। পরবর্তী ঈমানদারগণেরও একই অবস্থা ছিল। তবে ধীরে ধীরে এ অবস্থার অবনতি হতে ছিল। বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিদের মাঝে এ অবস্থা সীমাবদ্ধ হতে যাচ্ছিল। আল্লাহ তাআলা ইচ্ছা করলেন এ হাল ও অবস্থা সকল মুসলমানদের মধ্যে ছড়িয়ে দিবেন। ইলিয়াছ রহ. এর মাধ্যমে এ কাজ নিলেন এবং যথোপযুক্ত ফিকির তার অন্তরে ঢেলে দিলেন।  উম্মতের দরদ ও ছাদমা এবং চিন্তা ও ব্যকুলাতায় তাকে এমন অস্থির করে তুলল যে, তিনি মনে প্রাণে চাইতেন সকল খায়ের বরকতের দুয়ার যেন তাদের জন্য খুলে যায়। অথচ তিনি সুদর্শন ছিলেন না, ছিল খাটো অত্যন্ত দূর্বল কিন্তু এই দূর্বল ও ক্ষীণ শরীরের শক্তি ও সমর্থনের অবস্থা ছিল এই যে, তার মধ্যে কখনো অলসতা ও গাফলতির ছাপ পরিলক্ষিত হত না। মুখে সামান্য জড়তাও ছিল। কিন্তু তার কথা ও আচরণ খুব দরদ ও আবেগপূর্ণ ছিল। মাওলানা মুযাফ্ফর সাহেবের কন্যা ইলিয়াছ রহ. এর নানী বিবি আমাতুর রহমান ছিলেন সে যুগের বাবেয়া বসরী। তার নামায সম্পর্কে মাওলানা ইলিয়াছ রহ. একবার বলেছিলেন, তার নামাযের নমুনা ও সদৃশ আমি হযরত গাংগুহী রহ. এর নামাযে দেখেছি। তিনি মাওলানা ইলিয়াছ রহ. কে ছোট বেলায় আদর করে বলতেন, ইলিয়াছ তোমার মাঝে আমি সাহাবায়ে কেরামের সুঘ্রাণ পাই। কখনো পিঠের উপর হাত বুলাতে বুলাতে বলতেন, জানিনা কি রহস্য! সাহাবায়ে কেরামের মত কিছু আদল ও আকৃতি আমি তোমার মাঝে দেখতে পাই। [দ্বীনি দাওয়াত-পৃ.৪২] অল্প বয়সের এই রুপ, পূর্ণ বয়সে আরো উজ্জল আরো আলোকিত হয়ে প্রতিভাত হয়েছে। একজন দূরদর্শী ও বিদগ্ধ আলিমে দ্বীন শায়খুল হিন্দ মাও মাহমুদুল হাসান রহ. তার সম্পর্কে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন যে, যখন আমি মৌলভী ইলিয়াছ রহ. কে দেখি তখন আমার সাহাবায়ে কেরামের কথা স্মরণ হয়। হাকীমুল ইসলাম কারী তৈয়ব রহ. বলেছেন, তাবলীগের কাজ ও ফিকির কোন জ্ঞান ও যুক্তির ভিত্তিতে গড়ে উঠেনি; বরং আল্লাহর মারেফত এবং ইশক ও মুহাব্বতের দিলের আওয়াজ থেকে সৃষ্টি হয়েছে। হাকিমুল উম্মত মাও. আশরাফ আলী থানুভী রহ. ইলিয়াছ রহ. কে সম্ভোধন করে বলেছেন, মাশা-আল্লাহ আপনি তো নিরাশার অন্ধকার ও হতাশার আধার কে আশার আলোতে পরিনত করেছেন। তবে মাওলানার মনে এ অস্থিরতা ছিল যে, ইলম ছাড়া এই সমস্ত লোক তাবলীগের এ মহান দায়িত্ব কিভাবে আঞ্জাম দিবে? কিন্তু মাওলানা জাফর আহমদ উসমানী রহ. যখন বললেন, এই মাুবাল্লিগগণ কে যে কথার প্রতি আদেশ করা হয়েছে তা ব্যতীত অন্য জিনিসের আলোচনা করেন না, তখন মাওলানার মন আশ্বস্ত হলো। মাওলানা হাকীম মুহাম্মদ ইসহাক রহ. বলেন, মাওলানার ঈমানী আন্দোলনের রুহ ও আত্মা হলো উম্মতের মধ্যে দ্বীনের দরদ ও তলব পয়দা করা। মাওলানা ইলিয়াছ রহ. বলেছেন, মাদীনা মুনাওয়ারায় অবস্থান কালে আমি একাজে আদিষ্ট হলাম। আমাকে বলা হলো আমি তোমার দ্বারা কাজ নিব। কিছুদিন আমর দিন রাত এ অস্থিরতায় কাটলো যে, আমার মত দুর্বল অক্ষম কী কাজ করতে পারবে? আল্লাহর এক ওলী ঘটনা শুনে তাকে সাহস যোগালেন  এবং বললেন, চিন্তার কী আছে, কাজ করার কথা তো বলা হয়নি, কাজ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। সুতরাং যিনি কাজ নেয়ার তিনি কাজ নিয়ে নিবেন। বুজুর্গের কথা শুনে তিনি বেশ আশ্বস্ত হলেন।  মাওলানা ইলিয়াছ রহ. বলেছেন, ঈমানী আন্দোলনের প্রথম কাজ হলো দিলে দরদ সৃষ্টি করা তারপর অঙ্গ পতঙ্গের কাজ এরপর মুখের কাজ। মাওলানা মানযুর নোমানী রহ. এ কথার ব্যাখ্যা এইভাবে করেছেন যে, সবচেয়ে কম হবে আলোচনা বা বয়ান এর তুলনায় অধিক পরিমাণে হবে পরিশ্রম। পরিশ্রম এর তুলনায় অধিক পরিমাণে হবে অন্তরের অর্থাৎ আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়া ও তার নিকট হতে সাহায্য ও সহানুভূতি চাওয়া। এই ঈমানী আন্দোলনে কিছুদিনের জন্য আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার জন্য লোকদের কে তিনি খুব বুঝালেন, কিন্তু সাধারণ লোকজন এ কাজের জন্য প্রস্তুত ছিলো না। তাছাড়া প্রাথমিক অবস্থাটাও খুব নাযুক ছিল। যিল্লতী ও অসম্মানীর কঠিন পরীক্ষাও তাদের সামনে এসেছে। তাই মাওলানার নসিহত হলো, প্রতিটি মুবাল্লিগ এ কথা অন্তরে গেথে নিবে যে, যদি কোথাও এ দাওয়াত কে গ্রহণ না করে উপরন্ত তাদেরকে ভাল মন্দ কথা বলে অপবাদ দেয় তারপরও নিরাশ হওয়া যাবেনা। কারণ এ সবের জন্য রয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে উত্তম বিনিময়। আল্লাহর পথে অপমানিত হওয়া বান্দার জন্য মহা দৌলত। এ দৌলত মাওলানার ভগ্যেও এসেছে কয়েকবার। একদিন কোন এক ব্যক্তিকে দাওয়াত দিতে গিয়ে মুহাব্বতের সাথে তার কাধের উপর হাত রাখেন। হঠাৎ লোকটি চটে গিয়ে বলল, তুমি যদি পুনরায় আমার গায়ে হাত লাগাও তাহলে আমি তোমাকে লাতি মেরে দিব। মুহাব্বত প্রকাশের স্থলে এই ধরণের আচরণ স্বাভাবিকভাবে অনুভূতিকে ধ্বংস করতে পারে; কিন্তু মাওলানার দ্বীনি অনুভূতি তার আবেগের উপর প্রভাবশালী ছিল। তাই তার পা ধরে বললেন, শরীরে হাত দিতে বারণ করেছেন পা ধরতে তো বারণ করেননি। দ্বীনের জন্য পা ধরার ফল এই দাঁড়াল যে, সে ব্যক্তির হৃদয় বিগলিত হলো ও সত্য গ্রহণে প্রস্তুত হয়ে গেল। এ ধরণের বহু ঘটনা তার জীবন পাতায় উজ্জল হয়ে আছে। ঈমানী আন্দোলনের বিশেষ একটি পদ্ধতি হলো, লোকদেরকে তার কর্মস্থল থেকে পৃথক করে আল্লাহর ঘর মসজিদে নিয়ে আসা। মসজিদের নূরাণী পরিবেশ দেখে তার মন কিছুটা নরম হলে তাকে দাওয়াত দেয়া। তখন সে সহজেই কথাগুলো বুঝবে। কারণ সেখানে শুধু একই আলোচনা হয় যে, আল্লাহর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা। মাখলুক থেকে হওয়া একীন দিল থেকে বের করে খালিক থেকে হওয়ার একীন দিলে পয়দা কর। সেখানে নবী সা. এর জীবনী ও সাহাবাগণের ঈমানদীপ্ত কাহিনী শুনানো হয়। নেক আমলের ফজিলত বর্ণনা করা হয়। এই মেহনত যে প্রত্যেক উম্মতের যিম্মাদারী এ কথা বুঝানো হয়। তাদের দ্বীনি দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করা হয়। এ পরিবেশে তার দিল মন নরম হলে তাকে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার জন্য তাশকীল করা হয়। কিছু সময়ের জন্য দুনিয়ার ব্যস্ততা ও আরাম আয়েশ ছেড়ে মসজিদের নূরাণী পরিবেশে জীবন অতিবাহিত করার পর তাদেরকে ইসলামী জীবন অবলম্বনের প্রতি আহ্বান করা হয়। সেখানে মেহনত করার পর তার অনুভূতিতে এ কথা স্পষ্ট হয় যে, সামনের জীবন তাকে ইসলামী তরয ও তরীকায় চালাতে হবে। এই মেহনত ও মোজাহাদা যা আল্লাহ তাআলা মাওলানার ফিকিরে ঢেলেছেন তা অনেক অনেক ফলপ্রসু প্রমানিত হয়েছে। অসংখ্য লোক যারা লক্ষ্যহীন জীবনে পতিত ছিল তারাও এ মেহনত দ্বারা প্রভাবিত হয়ে জীবনকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে বলে বদ্ধ পরিকর হয়েছে। এমন হাজার হাজার লোক রয়েছে যারা এ কাজের প্রতি হাসি ঠাট্টা করত, যখন তাদের উপর মেহনত করা হয়েছে তখন তারাও এর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা করতে শুরু করেছে। দাড়িহীন অবস্থায় বের হয়েছে দাড়ি মুখে নুরাণী চেহারা নিয়ে ফিরেছে। স্যুট টাই পরে বের হয়েছে সুন্নতি লেবাস ধারণ করে ফিরেছে। বে নামাযী, যাকাত অনাদায়কারী, বিদাতকারী ও অসৎকাজে লিপ্ত অবস্থায় বের হয়েছে, এমন অবস্থায় ফিরেছে যে তাকে চেনাই মুশকি হয়ে গিয়েছে। শরাবের বোতল হাতে নিয়ে বের হয়েছে কারণ তার জিদ ছিল যে, শরাব ছাড়তে পারবো না। কিছুদিন সে পরিবেশে থাকার পর মন এমন পরিবর্তন হলো যে, শরাবের বোতল ভেঙ্গে তাওবা করে তাছবীহ হাতে প্রকৃত মুসলমান হয়ে ঘরে ফিরেছে। এ মেহনত দ্বারা আল্লাহ তাআলা অসংখ্য মানুষ কে সত্য ও আলোর পথে দীক্ষিত করেছেন। মাওলানা খুব পেরেশান থাকতেন যে, হক্কানী উলামায়ে কেরাম সতর্ক মনোযোগ ও পূর্ণ তত্ত্বাবধায়ন ছাড়া এ অভিনব দাওয়াতী মেহনতের নিরাপদ ভবিষ্যত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। কেননা কাজের বিভিন্ন পর্যায়ে অত্যন্ত সূক্ষ ও নাযুক বহু বিষয় বিবেচনায় রাখা জরুরী যা হক্কানী উলামায়ে কেরাম ব্যতীত অন্য কারো পক্ষে আনজাম দেয়া সম্ভব নয়। তাই তার আন্তরিক আকাঙ্খা ছিল এই যে, উলামা মাশায়েখ এই মোহনতের প্রতি মনোযোগী হবেন এবং উন্নতি অগ্রগতি সাধনে আল্লাহ প্রদত্ত যোগ্যতা ও প্রতিভা কাজে লাগাবেন। এভাবে একদিন ইসলামের শুষ্ক বৃক্ষে সজীবতার ছোঁয়া লাগবে এবং বৃক্ষের প্রতিটি শাখা প্রশাখা সবুজ পাতায় পল্লবীত হয়ে উঠবে, ফলে ফুলে সুশোভিত হবে। হযরত মাওলানা সুলাইমান নদভী রহ. বলেছেন, হিকমতপূর্ণ দাওয়াত ও তাবলীগ তথা আমর বিল মারুফ ও নাহী আনিল মুনকার হলো ইসলামের মেরুদন্ড। ইসলামের বিস্তৃতি ও অগ্রগতি এরই উপর নির্ভরশীল এবং অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় আজ এর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশী। এটা অনস্বীকার্য সত্য যে, অমুসলমানকে মুসলমান বানানোর চেয়ে নামের মুসলমানকে কামের মুসলমান এবং জাতীয় পরিচয়ের মুসলমানকে ধর্ম পরিচয়ের মুসলমান রুপে গড়ে তোলার অনেক জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ। মুসলিম উম্মাহর বর্তমান দুরাবস্থা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির প্রেক্ষীতে- ইয়া আইয়্যূ হাল্লাযিনা আমানু…….. কুরআনের এই দ্ব্যর্থহীন আহবান সর্বশক্তি প্রয়োগ করে প্রচার করাই হলো সময়ের সবচে বড় দাবি। দেশে দেশে, শহরে শহরে, গ্রামে গ্রামে এবং দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে ফিরে মুসলমানদেরকে মুসলমান বানানোর দাওয়াতী মেহনতে নিরন্তর আত্মনিয়োগ করতে হবে। এমন মেহনত ও মোজাহাদা এবং ত্যাগ ও কুরবানী আমাদের পেশ করতে হবে যেমন দুনিয়ার লোকেরা দুনিয়ার তুচ্ছ মান সম্মান এবং ক্ষণস্থায়ী ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি অর্জনের জন্য ব্যয় করে থাকে। ত্যাগ ও কুরবানীর জযবা থেকেই মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয় আসল মানযিলে মাকসাদে পৌঁছার অসম্ভব সাহস ও শক্তি। ত্যাগ ও কুরবানী এ পথেই। তাই এ পথেই আজ আমাদেরকে অগ্রসর হতে হবে পূর্ণ যোগ্যতা ও বিচক্ষণতার সাথে। নিজেদের মাঝে ইখলাছ ও ইহসানের পূর্ণ যোগ্যতা ও দক্ষতা সৃষ্টি করতে হবে যা ছাড়া দ্বীন দুনিয়ার কোন কাজ না কখনো হয়েছে আর না কখনো হবে। আল্লাহ আমাদের সকলকে বুঝার তৌফিক দান করুন। আমীন।
লেখক: মুহাদ্দিস ও সাহিত্যিক- জামিয়াতু ইবরাহীম মাদরাসা, সাইনবোর্ড, টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Hit Counter provided by Skylight